কলাম

শেখ হাসিনার ভারত সফর : অনিবার্য সম্পর্কের নতুন অধ্যায়


অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস : চলতি বছর (২০১৭) ৭ থেকে ১০ এপ্রিল ভারত সফর করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে তিনি ভারত সফর করেন ২০১০ সালে। ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। সেই সফরের সময় তিনি শেখ হাসিনাকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর নিয়ে দেশে ও দেশের বাইরে, বিশেষত ভারতের গণমাধ্যমে জল্পনা-কল্পনা ও আলোচনার ঝড় উঠেছে। ওই সময় দুই দেশের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি, আইটিইএস, সাইবার সিকিউরিটি, স্পেস এবং বেসামরিক পরমাণু জ্বালানি সহযোগিতা চুক্তি হবে। এছাড়া মেরিটাইম সিকিউরিটি এবং যৌথ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে রোডম্যাপ হবে বলে জানা গেছে। তবে শেখ হাসিনার ভারত সফরে তিস্তা চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক যেকোনো সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সরকার বিরোধীদের মুখ বন্ধ করে দিতে পারে। কারণ বিএনপি তিস্তা চুক্তি এবং প্রতিরা সহযোগিতাকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির পুরোপুরি সমর্থন না থাকার কারণেই তিস্তা চুক্তি ইস্যুটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে রয়েছে। ২০১১ সালে তাঁর (মমতার) বিরোধিতায় তিস্তা চুক্তি হয়নি। বর্তমানে উত্তরপ্রদেশসহ কয়েকটি নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদির দলের জয়ে মমতা ব্যানার্জি আগের চেয়ে কিছুটা নরম সুরে কথা বলতে শুরু করেছেন। ফলে আশা করা হচ্ছে, শেখ হাসিনার ভারত সফরে তিস্তা নিয়ে একটি খসড়া চুক্তি হতে পারে।
২.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতবিরোধী সন্ত্রাসীদের কঠোর হস্তে দমন করে সুনাম কুড়িয়েছেন। ২০১৫ সালে নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের আগে সীমান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ এবং ৬ মে রাজ্যসভায় তা পাস হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। একাত্তরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক যে উচ্চতায় উঠেছিল, ওই বিল পাস হওয়ায় সেই সম্পর্ক আবার সেই উচ্চতায় পৌঁছেছে। রচিত হয়েছে সহযোগিতা ও বন্ধুতার এক নতুন সংজ্ঞা। সেসময় ছিটমহলের বাসিন্দারা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে। এতদিন পর্যন্ত ছিটমহলবাসীদের কোনো রাষ্ট্র ছিল না; এখন স্থলসীমান্ত নির্দিষ্ট হওয়ায় তাদের নিজেদের পরিচয় বিকশিত হয়েছে। আর বিলটি পাস হওয়ায় ১৯৭৪ সালের বঙ্গবন্ধু-ইন্দিরা গান্ধী চুক্তি বাস্তবায়নের সকল বাধা দূর হয়। উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দায়িত্ব গ্রহণ করেই প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি একাধিকবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ ব্যাপারে আশ্বাসও দেন। একই আশ্বাস দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন ভারতের বিশিষ্টজনরা এককথায় স্বীকার করেছেন, বাংলাদেশ ভারতের সবচেয়ে বড় বন্ধু। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের সবচেয়ে বড় মঙ্গলাকাক্সক্ষী।
ভারতের আন্তরিকতার জন্য দেশহীন, নাগরিকত্বহীন ‘ছিট মহলের মানুষগুলো আজ স্বপ্ন দেখছে। নিজেদের দেশ-মাটি ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন। আবদ্ধ জীবনযাপনের কষ্ট, যাতায়াত, শিা ও স্বাস্থ্যসেবার কষ্ট, নিরাপত্তা ও বিচ্ছিন্নতার কষ্ট সব মিলে হাহাকারের এক জীবন ছিল তাদের। এসব সমস্যার সমাধান ইতোমধ্যে হয়েছে। কারণ সীমান্ত বিলটি বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশে থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহলের (আয়তন ১৭ হাজার ১৫৮ একর) বাংলাদেশের এবং ভারতে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের (আয়তন ৭ হাজার ১১০ একর) ভারতে থাকছে। ভারতীয় ছিটমহলগুলোর বেশির ভাগই রয়েছে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। এসব ছিটমহলের ৫৯টি লালমনিরহাটে, পঞ্চগড়ে ৩৬টি, কুড়িগ্রামে ১২টি ও নীলফামারীতে ৪টি। বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের অবস্থান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহারে ৪৭টি এবং জলপাইগুড়িতে ৪টি। এছাড়া অপদখলীয় জমিও হস্তান্তর করা হচ্ছে। অপদখলীয় জমি হচ্ছে বাংলাদেশের আইনসম্মত জমি ভারতের দখলে। তেমনি বাংলাদেশের দখলে থাকা ভারতের আইনসম্মত জমি। এখন সীমান্ত বিল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভারত পাবে এই জমির ২ হাজার ৭৭৭ একর এবং বাংলাদেশ পাবে ২ হাজার ২৬৭ একর। আর ৬ দশমিক ১ কিলোমিটার সীমানা চিহ্নিত হবে দুই খাটা ৫৬ (পশ্চিমবঙ্গ), মুহুরী নদী-বিলোনিয়া (ত্রিপুরা) ও লাঠিটিলা-দুমাবাড়িতে (আসাম)।
সীমানা নিয়ে এই উপমহাদেশে যে মানবিক সমস্যার উদ্ভব হয়েছিল তার যৌক্তিক সমাধানের প্রচেষ্টা নেয়া হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে। ১৯৭৪ সালের ১৬ মে দিল্লিতে স্থলসীমান্ত চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। ভূমি হস্তান্তরের বিষয়ে চুক্তির তৃতীয় ধারায় বলা হয়েছে, ভূমি বিনিময়ের সময় লোকজন কোথায় থাকতে চান, সে ব্যাপারে তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। চুক্তিটি সইয়ের পরপরই বাংলাদেশের সংসদে তা অনুসমর্থন করা হয়েছিল। কিন্তু ভারতের পে তা করা হয়নি। ফলে সমস্যার সমাধানও ঝুলে ছিল। ইন্দিরা-মুজিব চুক্তির পর দুই দেশ ছিটমহলের আলাদাভাবে তালিকা তৈরির কাজ শুরু করে। কিন্তু দুই পরে তালিকায় দেখা দেয় গরমিল। পরে ১৯৯৭ সালের ৯ এপ্রিল চূড়ান্ত হয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ও ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল রয়েছে। পরবর্তীকালে বারবার ভারতের প থেকে বলা হয়েছিল, সাড়ে ৬ কিলোমিটার সীমানা চিহ্নিত করা, চুয়াত্তরের চুক্তির অনুসমর্থন, ছিটমহল এবং অপদখলীয় জমি হস্তান্তরÑএই ধারাবাহিকতায় বিষয়গুলো সমাধান করা হবে। কিন্তু বাংলাদেশের প থেকে একাধিকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। এমনকি ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের (২০১১ সালে) ঢাকা সফরের সময়ও ভারতের ছিল গা-ছাড়া ভাব। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের অনমনীয় অবস্থানে ভারত পিছু হটে। ছাপা হওয়া চুক্তিতে হাতে লিখে ঘষামাজা করে ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সীমান্ত প্রটোকলটি সই করে দুই দেশ। আর রাজ্যসভায় সীমান্ত বিল পাসের পর তা লোকসভায় পাস হয়। প্রথম দিকে চুক্তি থেকে আসামকে বাদ দিয়েই এটি পাস করাতে আগ্রহী ছিল বিজেপি সরকার। কিন্তু কংগ্রেসের পে বিশেষ করে কংগ্রেস শাসনাধীন রাজ্য আসামের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈর কারণে আসামকে সংযুক্ত করেই বিলটি পাস হয়েছে।
১৯৭৪ সালের চুক্তি ও ২০১১ সালের প্রটোকল চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের আসাম অংশে করিমগঞ্জ জেলার লাঠটিলা-দুমাবাড়ি সেক্টর, ধুবরি জেলার কলাবাড়ি (বড়ইবাড়ি) এলাকা এবং করিমগঞ্জ জেলার পাল্লাথাল এলাকার সীমানা রেখা ‘রেডকিফ লাইন’ নতুন করে টানা হবে। এই সীমানা রেখা আবার টানার ফলে লাঠিটিলা এলাকার প্রায় ৭১৪ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের (আসাম) অংশ হয়ে যাবে। একইভাবে পাল্লাথাল এলাকায় ৭৪ দশমিক ৫৫ একর জমিও আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ২৬৮ দশমিক ৪ একর জমি এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিকূল দখলে রয়েছে। আর তাই ভারত (আসাম) রেডকিফ লাইনের হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৪৫ দশমিক ৬ একর জমি পাবে। আসলে ১৯৭৪ সালের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তির প্রটোকল বাস্তবায়িত হওয়ায় দীর্ঘ মেয়াদে আসামেরই লাভ হয়েছে। তাছাড়া আসামে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিরোধের অবসান হচ্ছে; লাঠিটিলা-দুমাবাড়িতে অচিহ্নিত সীমানা চিহ্নিতকরণেও তা সহায়তা করছে। পরিষ্কারভাব সীমানা চিহ্নিত হওয়ায় সীমানায় কাঁটাতার দেয়াও সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও উগ্র সন্ত্রাসবাদীদের চলাচলও ঠেকানো যাচ্ছে। মূলত স্থল সীমানা চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দু’টি চা বাগানসহ বাংলাদেশের কাছ থেকে ২৩১ একর জমি পেয়েছে আসাম। অন্য দিকে নিজ নাগরিকদের আবাস ২৬৮ একর জমি পেয়েছে বাংলাদেশ।
৩.
মূলত ২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওই নতুন অধ্যায় মানবিক কারণে খুব প্রশংসিত হচ্ছে। চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল, বেদখল জমি ও অচিহ্নিত সীমানা সংক্রান্ত সমস্যাগুলোর সমাধান হয়েছে। সীমানা নির্দিষ্ট হওয়ায় বাংলাদেশি ছিটমহলগুলোর ১৪ হাজার এবং ভারতীয় ছিটমহলের ৩৭ হাজার মানুষ নিজেদের ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে। ভারত প্রায় ৭ হাজার একরের বেশি জমি হারায় কিন্তু ফিরে পায় স্বস্তি। দুর্ভোগের অবসান ঘটে দুই দেশের ১৬২টি ছিটমহলের বাসিন্দাদের জীবনে। ২০১৫ সালে ‘খালি হাতে’ ঢাকা সফরে আসা মোদির ‘ঠিক হবে না’ বলে ঘোষণা দিয়েছিল সেদেশের কূটনীতিকরা। এ জন্যই অমীমাংসিত ইস্যুকে মীমাংসা করতে তৎপর হয় মোদি সরকার।
পান্তরে বিএনপি-জামায়াত সব সময় ভারতের বিরোধিতা করে আসছে। অথচ আমরা বিশ্বাস করি প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে তা পারস্পরিক আস্থা ও মর্যাদার ভিত্তিতে হওয়া দরকার। সমুদ্রসীমার রায় পাবার পর তিস্তার পানি বণ্টন, সীমান্ত হত্যাসহ দুই দেশের মধ্যকার সমস্যাগুলোর সম্মানজনক সমাধান হবে বলে আশা করছি। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি কজ’ (বাধ্যতামূলক শর্ত) রাখার দাবি জানিয়েছেন কেউ কেউ। তবে দুই দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হলে যেকোনো চুক্তি ফলপ্রসূ হবে। কেউ কেউ বলছেন চুক্তি করে বাংলাদেশ কখনও লাভবান হয়নি। পানি বণ্টনের েেত্র ফারাক্কা ইস্যুতে ভারতের উদারতার অভাব রয়েছে। সেই বাঁধের প্রভাবে বাংলাদেশের ২০টি নদী আজ মৃত। পানিকে ঘিরে টানাপড়েনের অবসান চান সকলে। আমরা মনে করি ‘ভারত প্রতিবেশীকে ছাড় দেয় না’Ñএটা এই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। দ্বিপাকি ভিত্তিক চুক্তি অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের বিশ্বাস। দুই প লাভবান হবে বিভিন্ন চুক্তিতে। শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় দুই দেশের অনেক দিনের সমস্যাগুলো সমাধান হয়েছে এবং আরও হতে যাচ্ছে। সীমান্ত সংকট মীমাংসা হয়েছে। ভারত সীমান্তজুড়ে বাংলাদেশের ২৮ জেলার মানুষ বাস করে। বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে ৪ হাজার কিলোমিটারের সীমানা। আড়াই হাজার কিমি কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা। তবু অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানি নিত্যদিনের ঘটনা। এেেত্র ছিটমহলগুলো বেশি ব্যবহার করা হতো। এ জন্য সীমান্ত নিরাপত্তা করতে চুক্তি বাস্তবায়ন হতে চলেছে। ইতোমধ্যে সীমান্তে গুলি চালানো বন্ধ হয়েছে।
৪.
এপ্রিলে শেখ হাসিনার ভারত সফরের মধ্য দিয়ে সীমান্তের নিরীহ মানুষ হত্যা বন্ধ হবে এবং পানির ন্যায্য হিস্যাপ্রাপ্তি ঘটবে বাংলাদেশ-ভারতের সুসম্পর্কের প্রধান প্রত্যাশা এটাই। মোদি সরকার এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েই বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে আমাদের বিশ্বাস। মোদি সরকার বাংলাদেশ সফরের সময় খালি হাতে আসেননি। বিশেষত তিস্তা চুক্তি এবং বাণিজ্যিক অসাম্য দূর করার প্রচেষ্টা ছিল তাঁর সরকারি সফরের মুখ্য উদ্দেশ্য। যদিও সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। আসলে শেখ হাসিনা সরকার ভারতের পরম বন্ধু এটি প্রতিষ্ঠা করতে পরস্পরের আস্থা বিশ্বাস আরো দৃঢ় করতে হবে। এ জন্য মানবিক হতে হবে মোদি সরকারকে। বাংলাদেশের মানুষকে ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপনই হোক উভয় দেশের সম্পর্কের মৌল স্তম্ভ।
লেখক : অধ্যাপক এবং পরিচালক
জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়