প্রচ্ছদ প্রতিবেদন

র‌্যাবের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা : সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনে র‌্যাবের প্রতি সরকারের সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার

বিশেষ প্রতিবেদক : ২৬ এপ্রিল র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‌্যাবের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এখন থেকে ১৩ বছর আগে ২০০৪ সালে সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিট হিসেবে র‌্যাব গঠন করা হয়। বাংলাদেশ পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, বিডিআর বর্তমান বিজিবি এবং আনসার সদস্যদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা রা, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস, জঙ্গি, চরমপন্থি দমনসহ সুন্দরবনের জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ এবং দেশের দণি ও দণি-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থি দমনে র‌্যাব কার্যকর ভূমিকা রাখতে সম হয়েছে। পাশাপাশি ইভ টিজিং প্রতিরোধ ও বিশ্ব ইজতেমাসহ জননিরাপত্তা বিধানে র‌্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
র‌্যাবের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২৬ এপ্রিল রাজধানীর কুর্মিটোলায় র‌্যাব সদর দপ্তরে দরবারের আয়োজন করা হয়। দরবারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দরবার অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ দরবার অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিকী (অব.), পুলিশের আইজি এ কে এম শহীদুল হকসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা দরবার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
দরবার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনে র‌্যাবের প্রতি সরকারের সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাহিনীর সদস্যদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, র‌্যাবের প্রতিটি সদস্যকে দেশপ্রেম, সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা, দতা ও পেশাদারিত্বের মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, আপনারা একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর সদস্য। নৈতিক স্খলন যেকোনো বাহিনীর মনোবল দুর্বল করে দেয়। মনে রাখবেন জনগণের পয়সায় আমাদের-আপনাদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়। আমরা সকলেই জনগণের সেবক। সেই জনগণের যেন কোনো রকম কষ্ট না হয়, তারা যেন কোনো রকম অহেতুক নির্যাতনের শিকার না হয়, সেদিকে সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের ত্রয়োদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলে আয়োজিত দরবারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করাই আপনাদের মূল ল্য। আইনকানুন এবং নিয়মনীতি মেনে আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেনÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা। আর শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপরে আদেশ পালন করা একটি বাহিনীর সদস্যদের জন্য অবশ্য পালনীয় কর্তব্য বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা র‌্যাব সদর দপ্তরে পৌঁছলে মেজর মঞ্জুরুল ইসলামের নেতৃত্বে র‌্যাব ফোর্সেস অনার গার্ড প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। র‌্যাব ফোর্সেসের বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা এবং র‌্যাব স্পেশাল ফোর্সেসের ওপর নির্মিত দুটি ভিডিও চিত্র অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে সুন্দরবনে র‌্যাবের কর্মকা- নিয়েও একটি ভিডিও চিত্র পরিবেশিত হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে র‌্যাব-৯ এর জন্য নবনির্মিত হেডকোয়ার্টার্স ভবনেরও ফলক উন্মোচন করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ছবি তোলেন এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন। দরবার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর দেয়া ভাষণে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা না থাকলে দেশে বিনিয়োগ আসবে না, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে না। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করাই র‌্যাব সদস্যদের মূল ল্য উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আইনকানুন এবং নিয়মনীতি মেনে আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। গত ৮ বছর ধরে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে আমরা অকান্ত পরিশ্রম করে চলেছি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার ুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার ল্েয আজ আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। র‌্যাব সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বাহিনীর নতুন নতুন ব্যাটালিয়ন উদ্বোধন করা হয়েছে। র‌্যাবের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সুযোগ-সুবিধা বহুগুণে বৃদ্ধি করা হয়েছে। র‌্যাব সদর দপ্তর এবং র‌্যাব ট্রেনিং স্কুলসহ সকল ব্যাটালিয়নের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। র‌্যাব সদর দপ্তর, র‌্যাব-১৩ এবং ১৪ ব্যতীত সকল ব্যাটালিয়নের অবকাঠামো নির্মাণ কাজ একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত র‌্যাব-এর বাজেট প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে।
অপরাধী শনাক্ত করতে র‌্যাবের সমতা বৃদ্ধির জন্য সরকারের গৃহীত নানা পদপে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বাহিনীতে অস্পষ্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ, টেলিফোন সেট ট্র্যাকিংয়ের যন্ত্রসহ অত্যাধুনিক সরঞ্জামাদি সংযোজন করা হয়েছে। র‌্যাবের অপারেশনাল শক্তি বৃদ্ধি করতে দুটি হেলিকপ্টারসহ প্রয়োজনীয় যানবাহন বরাদ্দ দিয়েছি আমরা। ফলে র‌্যাব জল, স্থল ও আকাশ পথে দ্রুত অভিযান কার্যক্রম পরিচালনার সমতা অর্জন করেছে। পরিণত হয়েছে একটি ত্রিমাত্রিক আধুনিক বাহিনীতে।
এ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদিও যে হেলিকপ্টার আমরা দেখেছি তাতে ৫ জনের বেশি অপারেশন পরিচালনায় গেলেও এর চেয়ে অধিক শক্তিসম্পন্ন হেলিকপ্টার প্রয়োজন। সেখানে আমি মনে করি, যার যেখানে সমতা আছে সেটা একে অপরকে, বাহিনীগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা করা উচিত এবং পরবর্তীতে সেসব ঘাটতি পূরণ করা হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু জানতেন দেশের আইনশৃঙ্খলা রা সকল উন্নয়নের পূর্বশর্ত। এ ল্েয তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনের পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। আসলে আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে, তখনই দেশের আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থকে আমরা ব্যয় নয়, বরং বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করি। শেখ হাসিনা বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা রায় র‌্যাব যথেষ্ট সাফল্য অর্জনে সম হয়েছে। অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস, জঙ্গি, চরমপন্থি দমনসহ সকল ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র‌্যাব অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে। র‌্যাব সদস্যগণ জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জঙ্গি সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে সম হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, বোমা ও বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করেছে।
র‌্যাবের অভিযানের সাফল্য সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি সিলেটের জঙ্গি আস্তানা আতিয়া মহলকে দতা ও সাহসিকতার সঙ্গে র‌্যাব বিস্ফোরকমুক্ত করে যথাযথ কর্তৃপরে কাছে হস্তান্তর করে। এ সময় তিনি সিলেটের জঙ্গি আস্তানা আতিয়া মহলে অভিযান পরিচালনার সময় নিহত র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তাঁর স্বজনদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। এছাড়া র‌্যাবে দায়িত্ব পালনকালে নিহত দেশপ্রেমিক সকল সদস্যের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
র‌্যাবের প থেকে সুন্দরবনের জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ করানোকে এক যুগান্তকারী পদপে হিসেবে আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের দণি ও দণি-পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থি দমনেও র‌্যাব কার্যকর ভূমিকা রাখতে সম হয়েছে। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চরমপন্থিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। র‌্যাব তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করেছে বিপুল পরিমাণ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র। আত্মসমর্পণকারীদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, এই আত্মসমর্পণের পরে সুন্দরবন এখন একটি নিরাপদ জনপদ এবং তারা (আত্মসমর্পণের পর পুনর্বাসিতরা) সেখানে জীবনজীবিকা করেও খাচ্ছে। তারা যেন এই ভুল পথে আর না ফেরে সে জন্য সব রকমের সাহায্য-সহযোগিতা এবং জীবনজীবিকার সুযোগ আমাদের করে দিতে হবে। এই পর্যায়ে শেখ হাসিনা বলেন, অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায় করেÑএ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে র‌্যাব কার্যকর অভিযান পরিচালনা করে আসছে। পাশাপাশি মাদক পাচার প্রতিরোধ এবং এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অপহƒত শিশু ও ব্যক্তিকে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে সম হয়েছে র‌্যাব।
দেশীয় অসাধু ব্যবসায়ীর পাশাপাশি বিদেশি চোরাচালানি, জাল মুদ্রা ও পাসপোর্ট প্রস্তুতকারী এবং অবৈধ ভিওআইপি বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে রাষ্ট্রীয় রাজস্ব বৃদ্ধিতে এই বাহিনীর অবদানকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, র‌্যাব জননিরাপত্তায় হুমকি ও আতঙ্ক সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদার করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
জঙ্গিবাদকে একটি বৈশ্বিক সমস্যা আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, জঙ্গিবাদ শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের অনেক দেশে একটি নতুন উপদ্রব হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আমরা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। নিরীহ কোমলমতি যুবকদের প্রলোভন দেখিয়ে বা ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে জঙ্গিবাদের দিকে আকৃষ্ট করা হচ্ছে। এ জন্য এর দমন কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতে আমাদের মনোযোগ দিতে হবে। র‌্যাব সম্প্রতি কতিপয় বিষয়ে জঙ্গিবাদীদের অপব্যাখ্যা এবং পবিত্র কোরআনের সংশ্লিষ্ট আয়াত ও হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা সংক্রান্ত উদ্যোগের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ; এ পুস্তক ব্যাপক প্রচারের উদ্যোগ নিন।
জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি নিজেও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের সকল জেলার সাধারণ মানুষ, ইমাম, স্কুল শিক, মুক্তিযোদ্ধাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলছি। আমরা যে যেখানে আছি সেখান থেকেই জঙ্গিবাদের মোকাবিলা করতে হবে। তা না হলে আমাদের সব অর্জন বিনষ্ট হয়ে যাবে। পাশাপাশি তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে এবং প্রতিকার নয়, প্রতিরোধের দিকেই বেশি নজর দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশ জঙ্গিবাদ নির্মূলে অনেক বেশি সফলতা অর্জন করেছে। যারা জঙ্গিবাদ থেকে সরে এসে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে তাদের আর্থিকভাবে পুনর্বাসন ও আইনি সহায়তা দেবে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী র‌্যাবের দরবারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষণ শেষে র‌্যাব সদর দপ্তর ত্যাগ করার পর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অন্যান্য আয়োজন সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দের অনেকেই বলেছেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে র‌্যাব তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্যসমূহ আইনানুগভাবে এবং সুচারুতার সাথে সম্পন্ন করে সর্বস্তরের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের মাধ্যমে একটি নির্ভরযোগ্য বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। ফলে দেশে একদিকে যেমন জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসের দৌরাত্ম্য অনেক কমেছে তেমনি খুন, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকা- কমেছে। আমন্ত্রিত অতিথিরা ভবিষ্যতে র‌্যাব আরো সফল বাহিনীতে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন এবং র‌্যাবের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।