প্রতিবেদন

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৫ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী : বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণকারী বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান শেখ হাসিনার

নিজস্ব প্রতিবেদক : চিত্রনায়িকা শাবানা ও সংগীতশিল্পী ফেরদৌসি রহমানকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৫-তে আজীবন সম্মাননা দেয়া হয়েছে। ১৭ জুলাই বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই দুই গুণী শিল্পীর হাতে আজীবন সম্মাননা পত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া নিজ নিজ ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ শিল্পীদের হাতেও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৫ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে আজীবন সম্মাননা প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন চিত্রনায়িকা শাবানা। নিজের অভিনয় জীবনে দীর্ঘদিন আড়ালে থাকা এ নায়িকা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্য দিতে এসে বলেন, ‘আমি যাদের জন্য শাবানা, আজকের এ পুরস্কার তাদের।’
প্রধান অতিথির ভাষণে বাঙালির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে তুলে ধরে উন্নত ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চলচ্চিত্র নির্মাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এ জন্য প্রয়োজনীয় সব রকম সহযোগিতা প্রদান করা হবে। তিনি বলেন, আমরা চাই যারা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন তারা আরো উন্নতমানের এমন সিনেমা বানাবেন, যা আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, কৃষ্টি সবকিছু যেন ধারণ করতে পারে। আন্তর্জাতিকভাবেও আমাদের এই শিল্পটা যাতে আরো মর্যাদা অর্জন করতে পারেÑ তাই বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য মেধাবী চলচ্চিত্র পরিচালকদের প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। এ সময় প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে টিকে থাকতে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশিক্ষণ ও গবেষণার ওপর জোর দিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।
পঁচাত্তরের বিয়োগান্ত অধ্যায়ের পর দীর্ঘ ৬ বছর প্রবাস জীবনে বাধ্য থাকা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার কথা স্মরণ করে বলেন, পঁচাত্তরের পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল, তারা আমাদের সংস্কৃতি সম্পূর্ণ ধ্বংসের পথে নিয়ে যায়। সে সময়ও আমরা দেখেছি, আমাদের দেশের কিছু তরুণ শিল্পী, কলাকুশলী ও চিত্রনির্মাতা এ সীমিত সুযোগের মধ্যেও অনেক নান্দনিক চলচ্চিত্র এ দেশের মানুষকে উপহার দিয়েছেন। কাজেই সেই দিক থেকে আমি মনে করি, আমাদের দেশের মানুষের যথেষ্ট মেধা রয়েছে। একটু সুযোগ পেলে তারা অনেক ভালো সিনেমা নির্মাণ করতে পারেন।
এদেশে সরকার পরিবর্তন হলে কী হয় তার তিক্ত অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী চলচ্চিত্রের কলাকুশলীদের দুঃসময়ে সহায়তার জন্য বিদ্যমান ট্রাস্ট ফান্ডকে স্থায়ী রূপ দেয়ার কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, যাতে সরকার পরিবর্তন হলেও এটা বন্ধ না হয়, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। আধুনিক সিনেপ্লেক্স যারা নির্মাণ করবেন তারা ট্যাক্স হলিডে পাবেনÑ এমন নিশ্চয়তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিনেমা হলের আধুনিকায়নে অনেক সুযোগ আমরা দিচ্ছি এবং এ জন্য প্রয়োজন হলে আর্থিক সহায়তাও দেব।
বিএফডিসি’র অবকাঠামো ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সম্প্রসারণের কাজও এগিয়ে চলছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএফডিসি স্কয়ার নির্মাণ কাজ চলতি মাস থেকে শুরু হচ্ছে। এর ফলে চলচ্চিত্র শিল্পী ও কলাকুশলীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে। ৫৮ কোটি ৬০ লাখ টাকার প্রাক্কলিত ব্যয়ে বিএফডিসির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পথে। এ প্রকল্পের আওতায় আধুনিক চলচ্চিত্র নির্মাণের উপযোগী বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করা হয়েছে। এ পর্যায়ে শেখ হাসিনা বলেন, সাভারের কবিরপুরে ১৯ কোটি ৮০ লাখ টাকার প্রাক্কলিত ব্যয়ে ‘বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটি’ নির্মাণ (প্রথম পর্যায়) প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এখানে আন্তর্জাতিক মানের ফিল্ম সিটি গড়ে উঠবে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত শুটিং স্পট তৈরি করা হবে। এখানে আধুনিক ও বিশ্বমানের ‘বঙ্গবন্ধু ফিল্ম আর্কাইভ’ গড়ে তোলা হচ্ছে। আমরা চলচ্চিত্র শিল্পে মেধাবী ও সুদক্ষ কর্মী সৃষ্টির জন্য ফিল্ম ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন, তখন তিনি সমানভাবে এদেশের শিল্প সংস্কৃতিকেও পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি সিনেমাকে ভুলে যাননি। সিনেমার উন্নয়নে বিএফডিসি গড়ে তোলেন। সেন্সর নীতিমালা তৈরি করেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের বিদেশে পাঠান চলচ্চিত্র সম্পর্কে সাম্যক জ্ঞান লাভের জন্য। বঙ্গবন্ধু চেয়েছেন এদেশে ভালো সিনেমা হোক। এ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮৬ সালে এফডিসি আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার কথা স্মরণ করে সে সময়ে বিরোধী দলে থাকাবস্থাতেও এফডিসির সামনের সড়কটি চাপ প্রয়োগে তৎকালীন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে দিয়ে তৈরির প্রেক্ষাপটও স্মরণ করেন।
পাকিস্তান আমলেও বাংলা চলচ্চিত্রের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পাকিস্তান ছিল মরুভূমি, তারা আমাদের দেশের সম্পদ লুট করে নিয়ে যেতো। এভাবেই তারা চলতো। একটা সময় আমাদের দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ছিল অনেক উন্নত ও সমৃদ্ধ। অনেক নামিদামি পরিচালক ছিল, প্রডিউসার ছিল, অভিনেতা-অভিনেত্রী ছিল। আমাদের দেশেই শুটিং করা হতো। শেষে নেগেটিভ লাহোরে নিয়ে যাওয়া হতো, সেখানে কাটছাঁট বা সেন্সরশিপ আরোপ করা হতো। কাস্টমসের নামে নানাভাবে টাকা আদায় করতো। এক দেশ অথচ কাস্টমস আলাদা। আমাদের চলচ্চিত্রের টাকা দিয়ে তারা নিজ দেশের অর্থনীতি উন্নতি করেছে।
বিএনপি-জামায়াত জোটসহ পূর্ববর্তী সামরিক সরকারগুলোর অতীত অভিজ্ঞতা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন সিনেমা হলগুলোয় মানুষ যেত না। তখন একটি অপসংস্কৃতি মানুষের ভেতর ঢুকিয়ে দেয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যেত। এ প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনা বলেন, সিনেমা হলে তার সরকার দর্শক ফিরিয়ে আনতে চায়, আর সে জন্য স্বল্প খরচে মানসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাণ করার সুযোগ করে দিতে সরকার সেসব ক্ষেত্রে ট্যাক্স হলিডে দিয়েছে।
দক্ষ চিত্রনাট্যকার (স্ক্রিপ্ট রাইটার) তৈরির তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়, হৃদয়ে গ্রথিত হয় এমন চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে আমাদের দক্ষ স্ক্রিপ্ট রাইটার তৈরি করতে হবে। দক্ষ স্ক্রিপ্ট রাইটিংয়ের অভাবের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এর উন্নয়নে দেশের বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক ও গুণীজনদের এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একমাত্র চলচ্চিত্রের মাধ্যমেই দেশের মানুষের খুব কাছে যাওয়া যায়। সমাজ পরিবর্তনেও চলচ্চিত্রের ভূমিকা অনেক। সিনেমা হলগুলোকে ডিজিটাল করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান তিনি।
পুরস্কার বিজয়ী এবং জুরি বোর্ডের সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখনই শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার দেয়া হয়, তখন আমি আশা করব এখানে কেউ প্রভাব খাটাবার যেন চেষ্টা করবেন না। সত্যিকার শিল্পীর যেন মূল্যায়ন হয়। সত্যিকার কলাকুশলীদের যেন মূল্যায়ন হয়, সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেবেন। যাদের ক্ষমতা রয়েছে তাদের সেই ক্ষমতার যেন অপব্যবহার না হয়, সেই দিকে কেউ যেন চাপ সৃষ্টি না করেন। আর এ পুরস্কার মানুষকে উৎসাহিত করার জন্য প্রতি বছর দেয়া হয়, যেটা একটা রাষ্ট্রীয় সম্মান। এ সম্মান যত বেশি আমরা দিতে পারব, আমি মনে করি, প্রত্যেকের ভেতরেই ততটা বেশি করে অনুপ্রেরণা আসবে সুন্দরভাবে নিজের জ্ঞান ও মেধা বিকাশের জন্য।
এ দেশে সিনেমা আন্দোলনের অতীত স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টসহ আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হলো। যুক্তফ্রন্টের সরকার গঠন হলো। তখনই কিন্তু এ বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ববঙ্গ) চলচ্চিত্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই উৎসাহিত করেছিলেন বাঙালিদের বাংলায় প্রথম সবাক চলচ্চিত্র নির্মাণের। তাই মুখ ও মুখোশ সিনেমাটি সেই ’৫৪ সালে প্রথম নির্মিত হয়। কারণ তখন পাকিস্তানিরা মনে করত বাঙালিরা আবার কী চলচ্চিত্র বানাবে, বাঙালিরা কিছুই করতে পারবে নাÑ এটাই ছিল তাদের মানসিকতা। মূলত, আমাদের ছেলেবেলা থেকেই দেখা এবং চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে যারা জড়িত এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সম্পৃক্তদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর একটি সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং তিনি তাদের উৎসাহিত করতেন।
চলচ্চিত্রের উন্নয়নে তার সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা জাতীয় চলচ্চিত্র নীতিমালা প্রণয়ন করেছি। আমার বিশ্বাস, চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা এ নীতিমালার আওতায় উপকৃত হবেন।
চলচ্চিত্র শিল্পী ও কলাকুশলীদের উদ্দেশে ভাষণ দেয়ার পর প্রধানমন্ত্রী পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৫ তুলে দেন। ২৫টি ক্যাটাগরিতে ৩১ জন শিল্পী ও কলাকুশলীর মধ্যে এ পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এবার যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন রিয়াজুল মাওলা রিজু পরিচালিত ‘বাপজানের বায়েস্কোপ’ ও মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত ‘অনিল বাগচির একদিন’। শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চিত্রের পুরস্কার পেয়েছেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের ‘একাত্তরের গণহত্যা ও বধ্যভূমি’। প্রধান চরিত্রে যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন সাকিব খান (আরো ভালোবাসবো তোমায়) এবং মাহফুজ আহমেদ (অনিল বাগচির একদিন)। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন জয়া আহসান (জিরো ডিগ্রি)। পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন গাজী রাকায়েত (অনিল বাগচির একদিন)। একই চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন তমা মির্জা। খলনায়ক চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন ইরেশ যাকের (ছুঁয়ে দিল মন)। শ্রেষ্ঠ শিশু অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছে যারা যারিব ও শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী হিসেবে বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে প্রমিয়া রহমান (প্রার্থনা)।
এছাড়া আরো পুরস্কার পেয়েছেনÑ শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক সানী জুবায়ের (অনিল বাগচির একদিন), শ্রেষ্ঠ গায়ক শিল্পী সুবীর নন্দী (মহুয়া সুন্দরী) ও এসআই টুটুল (বাপজানের বায়েস্কোপ), শ্রেষ্ঠ গায়িকা (মহিলা) প্রিয়াংকা গোপ (অনিল বাগচির একদিন), শ্রেষ্ঠ গীতিকার আমিরুল ইসলাম (বাপজানের বায়েস্কোপ), শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার মাসুম রেজা (বাপজানের বায়েস্কোপ), যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার মাসুম রেজা ও মো. রিয়াজুল মওলা রিজু (বাপজানের বায়েস্কোপ), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা হুমায়ূন আহমেদ (অনিল বাগচির একদিন), শ্রেষ্ঠ সম্পাদক মেহেদী রনি (বাপজানের বায়েস্কোপ), শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক সামুরাই মারুফ (জিরো ডিগ্রি), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান (পদ্ম পাতার জল), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক রতন কুমার পাল (জিরো ডিগ্রি), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা মুসকান সুমাইয়া ও শ্রেষ্ঠ মেক-আপম্যান হিসেবে শফিক (জালালের গল্প)। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ফেরদৌসি রহমানের পক্ষে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার গ্রহণ করেন তার ছেলের বউ সৈয়দা সাদিয়া আমিন এবং হুমায়ূন আহমেদের পক্ষে শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতার পুরস্কার গ্রহণ করেন তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম রহমত উল্লাহ ও তথ্য সচিব মর্তুজা আহমেদ বক্তব্য রাখেন। মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।