প্রতিবেদন

শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৭তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা : স্বাধীনতা যুদ্ধে অসাধারণ ভূমিকার জন্যই খুনিরা বঙ্গমাতাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৮ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের প থেকে বনানী কবরস্থানে তাঁর সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। বঙ্গমাতার জন্মদিন উপলে আওয়ামী লীগসহ দলের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন আলোচনা সভা, কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, পুষ্পস্তবক অর্পণসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করে।
বনানী কবরস্থানে বঙ্গমাতার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময়ে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ প্রমুখ। পরে সেখানে বঙ্গমাতার রুহের মাগফিরাত কামনা করে কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

আওয়ামী লীগের প থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দণি, আওয়ামী যুবলীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট বঙ্গমাতার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।
এই মহীয়সী নারী ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৩ বছর বয়সে বাবা শেখ জহুরুল হক ও ৫ বছর বয়সে মা হোসনে আরা বেগমকে হারান তিনি। শেখ লুৎফর রহমানের ছেলে চাচাতো ভাই শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বেগম ফজিলাতুন্নেছার বিয়ে হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাঁকেও ঘাতক-খুনিচক্র হত্যা করে।
আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সকাল ১১টায় ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। সংগঠনের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বক্তব্য রাখেন।
এদিকে বঙ্গমাতার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলে আওয়ামী যুবলীগ সকাল ১১টায় শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করে। যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। বঙ্গমাতার জন্মদিন উপলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দণি আওয়ামী লীগ এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। মহানগর দণি আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, মহানগর দণি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। বঙ্গমাতার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলে বেলা ১১টায় সংসদ সচিবালয়ের মেডিকেল সেন্টার প্রাঙ্গণে রক্তদান কর্মসূচি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আলোচনা সভা ও রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বাণীতে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জীবনাদর্শ চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমি আশা করি, বঙ্গমাতার জীবনী চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন, বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অনেক অজানা অধ্যায় সম্পর্কে জানতে পারবে।’
শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলে ‘আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই’। মহীয়সী এই নারী ছিলেন বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত সহচর। জাতির পিতার সহধর্মিণী হিসেবে তিনি আমৃত্যু স্বামীর পাশে থেকে দেশ ও জাতি গঠনে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন সহজ-সরল নিরহঙ্কার একজন মানুষ। একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের প্রতিষ্ঠাতা, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সহধর্মিণী হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ জীবনযাপনে তিনি অভ্যস্ত ছিলেন। সাধারণ বাঙালি নারীর মতো স্বামী-সংসার, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার পর দেশ পুনর্গঠনেও তিনি অনন্য ভূমিকা রেখে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সাফল্যেও বঙ্গমাতা উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
জাতির পিতা রাজনৈতিক কারণে প্রায় সময় কারাগারে বন্দি থাকতেন। এই সময়ে বেগম মুজিব হিমালয়ের মতো অবিচল থেকে একদিকে স্বামীর কারামুক্তি অন্যদিকে আওয়ামী লীগ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এর পাশাপাশি সংসার, সন্তানদের লালন-পালন, শিাদান, বঙ্গবন্ধুকে প্রেরণা, শক্তি ও সাহস জুগিয়ে স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামকে সঠিক ল্েয নিয়ে যেতেও তিনি সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ৬ দফা ও ১১ দফার আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গৃহবন্দি থেকে এবং পাকিস্তানে কারাবন্দি স্বামীর জীবন-মৃত্যুর সন্ধিণে গভীর অনিশ্চয়তা ও শঙ্কা সত্ত্বেও তিনি সীমাহীন ধৈর্য, সাহস ও বিচণতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশ ও জাতির জন্য তাঁর অপরিসীম ত্যাগ, সহযোগিতা ও বিচণতার কারণে জাতি তাঁকে যথার্থই ‘বঙ্গমাতা’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।
রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আলোচনা সভার আয়োজন করে। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেন। শেখ হাসিনা তাঁর দেয়া ভাষণে বলেন, ১৫ আগস্টের খুনিরা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গমাতার অনন্য সাধারণ ভূমিকা সম্পর্কে জানতো, তাই খুনিরা তাকেও নির্মমভাবে হত্যা করেছে।
প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ঘাতকের দল আমার মায়ের ওপর যেভাবে গুলি চালিয়েছে সেটা কখনো ভাবতেও পারিনি। আর একটা বাড়িতে শুধু নয়, তিনটা বাড়িতে একসাথে আক্রমণ করেছিল ঘাতকের দল। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রেবেকা মোমেন। ফজিলাতুন্নেছা বাপ্পী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে বঙ্গমাতার জীবন ও কর্মের ওপর একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, আসলে আমার আব্বা মায়ের মতো একজন সাথী পেয়েছিলেন বলেই তিনি সংগ্রাম করে অতি সহজে সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জীবনের সব আশা-আকাক্সক্ষা বিসর্জন দিয়ে, সব ভোগ-বিলাস বিসর্জন দিয়ে আমার বাবার পাশে থেকে এদেশের মানুষকে স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন, আমার মা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।
১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকা-ের পর বাধ্য হয়ে ৬ বছর বিদেশে অবস্থানের পর তাঁর দেশে ফেরা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি যখন বাংলাদেশে ফিরে আসি তখন শুধু একটা জিনিসই চেয়েছি, আমার বাবাতো এই দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চেয়েছেন। যখন রাষ্ট্রীয় কাজ করি এবং কাজের মাধ্যমে মানুষ একটু ভালো থাকে, তখন আমার ওইটুকুই মনে হয় যে, হয়ত আমার বাবা-মায়ের আত্মা শান্তি পাবে। বাবার পাশে থেকে মা যদি ত্যাগ স্বীকার না করতেন তাহলে হয়ত আজকে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে পারতাম না।
স্কুল-কলেজের প্রথাগত শিা অর্জন করতে না পারলেও বেগম মুজিব স্বশিতি ছিলেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমার মায়ের পড়াশুনার প্রতি আগ্রহ ছিল, নিজে নিজে পড়াশুনা করতেন। আব্বা যখন আসতেন মায়ের জন্য বই নিয়ে আসতেন। লেখাপড়ার প্রতি অত্যন্ত আগ্রহ ছিল তাঁর। যে কারণেই সবসময় বই পড়াটা আমাদের একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল।
বঙ্গমাতা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সম্পর্কে মানুষ খুব সামান্যই জানে। তিনি অত্যন্ত সাদাসিধে ও প্রচারবিমুখ ছিলেন। তাই বঙ্গমাতার অবদান লোকচুর আড়ালেই থেকে গেছে। শেখ হাসিনা বলেন, বেগম মুজিব খুব অল্প বয়সে মা-বাবাকে হারান। আমার দাদা-দাদির কাছে বেড়ে ওঠার সময় অল্প বয়সে তাঁর মধ্যে সাহস, বিচণতা ও দূরদর্শিতা গড়ে উঠেছিল। বঙ্গমাতাকে প্রধানমন্ত্রী স্বামী-সংসার অন্তঃপ্রাণ বাঙালি নারী এবং শোষিত-নিপীড়িত জনসাধারণকে মুক্তির চেতনায় জাগিয়ে তোলার সংগ্রামে স্বামীর পাশে থাকা সহযোদ্ধা আখ্যায়িত করে বলেন, আম্মা অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আব্বাকে সহায়তা করতেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আম্মা জেলখানায় দেখা করতে গেলে আব্বা তাঁর মাধ্যমেই দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজখবর পেতেন। আব্বার দিকনির্দেশনা আম্মা নেতাকর্মীদের পৌঁছাতেন। আব্বা কারাবন্দি থাকলে সংসারের পাশাপাশি সংগঠন চালানোর অর্থ আম্মা জোগাড় করতেন। বাবার প্রতি কাজেই মা প্রতিবন্ধক নয়, সহায়ক ছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আম্মা চাইলে স্বামীকে সংসারের চার দেয়ালে আবদ্ধ করতে পারতেন। কিন্তু তিনি কখনও ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে তাকাননি। ফলে আমরা সন্তানরা বঞ্চিত হয়েছি এবং আম্মাকেই সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। শেখ হাসিনা আেেপর সুরে বলেন, বাবাকে কখনও টানা দু’বছরও আমাদের মাঝে পাইনি। আম্মা মানুষের মুক্তির জন্য আব্বার সংগ্রামী চেতনা বুঝতেন এবং সহযোগিতা করতেন। আব্বাও আম্মার সাহস, মনোবল, ত্যাগ, বিচণতা, দুঃখ-কষ্ট সব বুঝতেন। আম্মার উৎসাহেই জাতির পিতা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ লিখেছিলেন বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, আমার বাবা মন্ত্রী ছিলেন, এমপি ছিলেন, এমএলএ ছিলেন। জাতীয় পরিষদে অংশগ্রহণ করতে তাঁকে প্রায়ই করাচিতে যেতে হতো। কিন্তু আমার মা কোনোদিন ওই পশ্চিম পাকিস্তানে যাননি, যেতেও চাননি। এ দেশের স্বাধীনতার জন্য সবসময় তিনি ছিলেন দৃঢ়চেতা, যা পৃথিবীতে বিরল। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সকলের কাছে তার জন্য দোয়া চান।