ফিচার

ভালো মানুষ গড়ার প্রত্যয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান


কর্নেল আবু নাসের মো. তোহা, বিএসপি, এসজিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি : যে মানুষ কখনোই কারো কোনো ক্ষতি করে না ও সকলের প্রতি সহমর্মিতার মানসিকতা পোষণ করে এবং তার ওপর অর্পিত যেকোনো পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করে তাকেই আমরা ভালো মানুষ হিসেবে গণ্য করি। এই ভালো মানুষ গড়ার প্রত্যয়ই হওয়া উচিত যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। এই ভালো মানুষ গড়ার মাধ্যমে আমরা গড়ে তুলতে পারবো একটি সুখী পরিবার, পরিচ্ছন্ন সমাজ, আদর্শ রাষ্ট্র এবং শান্তিময় পৃথিবীÑ এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট কর্ম-পরিকল্পনা। চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজের (সিসিপিসি) অধ্যক্ষ হিসেবে আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতার আলোকে সিসিপিসি’র কর্মকা-কে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে আমি লক্ষ্য অর্জনের কিছু পদ্ধতি নিয়ে এখানে আলোচনা করতে চাই।
ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ (সিসিপিসি) ‘আল্লাহ আমায় জ্ঞান দাও’-এ মূলমন্ত্রকে ধারণ করে ১৯৬১ সালে যাত্রা শুরু করে। ভালো মানুষ গড়ার প্রত্যয়কে হৃদয়ে ধারণ করে এগিয়ে চলা এ প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৬ ও ২০১৭-এ চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী এ প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে নার্সারি থেকে অনার্স পর্যন্ত শ্রেণি কার্যক্রম, যেখানে চার সহস্রাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য ‘ভালো মানুষ গড়া’ যা অর্জনের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে সুনির্দিষ্ট তিনটি বিষয়Ñ শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা। প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকা-ে এ তিনটি বিষয়ের পরিপূর্ণ অনুশীলন ও সার্বক্ষণিক চর্চার মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সিসিপিসি পরিবার।
শিক্ষার মাধ্যমে অর্জন সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাকার্যক্রমকে পাঠ্যক্রম ও সহপাঠ্যক্রমে ভাগ করা হয়েছে। পাঠ্যক্রম হলো শ্রেণির সিলেবাসভুক্ত বিষয়সমূহ, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যক্রম এবং এর উদ্দেশ্য হলো বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানার্জন ও উচ্চশিক্ষা গ্রহণের রাজ্যে ও কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সনদ অর্জন। এ অধ্যয়ন প্রক্রিয়ায় ফলাফলের চেয়েও মৌলিক বিষয়ে সঠিক ধারণা পাওয়াকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় ধারাক্রম অনুসরণপূর্বক একাডেমিক ক্যালেন্ডার, সিলেবাস, বিষয়ভিত্তিক পাঠ বিভাজন ও পাঠ পরিকল্পনা প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় শিক্ষাসহায়ক সামগ্রী, মাল্টিমিডিয়া ও সাউন্ড সিস্টেমের সহায়তায় বাস্তব জীবনে প্রয়োগের উদাহরণসহ পাঠ দান করেন। পিইসি, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি ফলাফলকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয় বিধায় ‘দুই সপ্তাহে তিন বিষয়’ নামের বিশেষ পদ্ধতিতে পরীক্ষার পূর্বে ছাত্রছাত্রীদের প্রস্তুত ও মডেল টেস্ট গ্রহণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় নিয়মিতকরণ এবং ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষার জন্য ভালো প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ভর্তি পরীক্ষার উপযোগী প্রশ্নে দুই বছরব্যাপী অনুশীলনের উদ্দেশ্যে প্রতিটি অধ্যায় শেষে কুইজ টেস্ট গ্রহণ করা হয়।
সহপাঠ্যক্রম শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সহপাঠ্যক্রম একজন শিক্ষার্থীকে জোগায় সাহস, দৃঢ়তা, আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব দানের যোগ্যতা, যোগাযোগ ও যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নেয়ার ক্ষমতা এবং সর্বোপরি পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞানের যথাযথ প্রয়োগের দক্ষতা। ফলে এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমের সাথে নানাবিধ সহপাঠ্য কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বছরের বিভিন্ন সময়ে এসব বিষয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিম-লের সহপাঠ্য কার্যক্রমভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়া হয়। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন অর্জনের মাধ্যমে গৌরবান্বিত করেছে এ প্রতিষ্ঠান ও দেশকে। এ প্রতিষ্ঠানে বিএনসিসি, রেড ক্রিসেন্ট, রোভার স্কাউট, রেঞ্জার, বয়েজ স্কাউট, গার্লস গাইড, কাব স্কাউট ও হলদে পাখিসহ ব্রিটিশ কাউন্সিলের ঈড়হহবপঃরহম ঈষধংংৎড়ড়স এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক উঁশব ড়ভ ঊফরহনঁৎময ওহঃবৎহধঃরড়হধষ অধিৎফ চৎড়মৎধসসব সক্রিয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, জাতীয় শিক্ষাসপ্তাহ ২০১৬-এ এ প্রতিষ্ঠানের রেঞ্জার গ্রুপ দেশের সেরা রেঞ্জার গ্রুপ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সহপাঠ্য কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ প্রতিষ্ঠানে আরো চালু রয়েছে বিতর্ক, বিজ্ঞান, কুইজ, গণিত, সংগীত ও নৃত্য, ফটোগ্রাফি, চারু ও কারুকলা, ফরাসি ভাষা শিক্ষা, বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া, কম্পিউটার, বিজনেস, রোবোটিক ও ধর্মীয় শিক্ষা কাব। ক্রীড়া কাবের আওতায় ছাত্র ও ছাত্রী উভয়ের জন্য কারাতে, তায়কোয়ান্ডো, ক্রিকেট, হকি ও ফুটবল প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, ব্রিটিশ কাউন্সিল ও নিজস্ব কার্যক্রমের মাধ্যমে সকলের জন্য নির্বাচিত ও নির্দিষ্ট সংখ্যক বই পড়াকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রতি ১৫ দিনে প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য ন্যূনতম একবার বক্তৃতা অনুশীলনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে শিক্ষার্থীদের এক পিরিয়ড খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের লেখনী প্রতিভা বিকাশের জন্য তাদের লেখা দিয়ে প্রতি বছর বার্ষিক কলেজ ম্যাগাজিন ‘গিরিপ্রভা’ ও প্রতি তিন মাস পরপর কলেজের ত্রৈমাসিক পত্রিকা ‘গিরিবার্তা’ প্রকাশ করা হয়। শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের জন্য প্রতি বছর নবম, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির সর্বমোট ২৪ জন শিক্ষার্থীকে স্কুল ও কলেজ লিডার, হাউজ লিডারসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেয়া হয়। শৃঙ্খলাহীন প্রতিভা সমাজের কোনো ভালো কাজে লাগে না; বরং তা সমাজের জন্য ক্ষতিকারক হয়। তাই ভালো মানুষ গড়ার দ্বিতীয় বিষয় বিবেচনা করা হয় শৃঙ্খলাকে। শৃঙ্খলা ছাড়া ভালো মানুষ, ভালো পরিবার, ভালো সমাজ তথা একটি সুন্দর দেশ গড়া সম্ভব নয়। ভালো মানুষ তথা সুনাগরিক গড়ে তোলার জন্য এ প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত কঠোরভাবে শৃঙ্খলার মান বজায় রাখে। শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা শিক্ষা ও অনুশীলনের জন্য প্রতিদিন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নির্দিষ্ট সময়ে অ্যাসেম্বলি অথবা ফর্ম মিটিংয়ের মাধ্যমে শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সিনিয়র ভাইবোনদের সালাম প্রদান আবশ্যক। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতন হয়ে গড়ে ওঠার জন্য প্রতি মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার সকল শিক্ষার্থী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে এবং শ্রেণিকক্ষ, ওয়াশরুমসহ সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস পরিষ্কার করে। মাদক ও ধূমপানবিরোধী কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি মাসের একটি নিয়মিত কর্মসূচি।
কহড়ষিবফমব রিঃযড়ঁঃ পযধৎধপঃবৎ রিষষ ফবংঃৎড়ু ঁংÑ মহাত্মা গান্ধীর এ অমর বাণীর আলোকে লক্ষ্য অর্জনের তৃতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে নৈতিকতাকে নির্ধারণ করা হয়েছে। উচ্চ মূল্যবোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘সৃষ্টিকর্তার দৃষ্টির বাইরে কোনো কিছুই নয়, সকল ঘটনাই সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছাধীন এবং সৃষ্টিকর্তা সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক’Ñ এ তিনটি বিষয় সকল শিক্ষার্থীকে বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়। হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ‘যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয় মানুষের মধ্যে সেই উত্তম’, টমাস ফুলারের ‘ধর্মের মূল কথাই হলো মানুষ হিসেবে মানুষের সেবা করা’ এবং স্বামী বিবেকানন্দের ‘জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর’Ñ এ ধরনের অমর বাণীগুলো দ্বারা উৎসাহিত হয়ে এ প্রতিষ্ঠানের স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কখনো কারো কোনো ক্ষতি করবো না, দিনে একটি হলেও ভালো কাজ করবো’। এই স্লোগানটি সকালে অ্যাসেম্বলির শপথসহ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কর্মকা-ে শিক্ষার্থীদের মুখে বারবার উচ্চারিত হয় এবং অনুশীলন করানো হয়। নৈতিক মূল্যবোধ অনুধাবন ও অনুশীলনের জন্য প্রতি সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট একটি বাণী সপ্তাহের বাণী হিসেবে প্রদান করা হয়। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দেয়ালে মনীষীদের ছবিসহ জীবনী এবং বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ ও মনীষীদের নৈতিকতা বিষয়ক বাণী লেখা হয়েছে। প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে হোয়াইট বোর্ডের ওপরে ওই শ্রেণির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ দশটি মূল্যবোধ বিষয়ক লেখাযুক্ত পোস্টার টাঙানো আছে, যা থেকে প্রতি ফর্ম মিটিংয়ে আলোচনা করা হয়। শিক্ষার্থীদেরকে ‘সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’ মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করানোর জন্য প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে শিক্ষার্থীদের থেকে সংগৃহীত কাপড়, খেলনা, শিক্ষাসামগ্রী ও ওষুধ দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করে দানের মাহাত্ম্যে উজ্জীবিত করা হয়। মাতা-পিতার প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়া হয় এবং সকল কর্মকা-ে উদাহরণসহ শিক্ষার্থীদের তা বোঝানো হয়।
শিক্ষক, ছাত্র, অভিভাবকÑ এ ত্রয়ীর সমন্বিত প্রয়াসে অর্জিত হতে পারে ভালো ফলাফল। এ বিশ্বাসকে ধারণ করে প্রতিটি শ্রেণির জন্য বছরের বিভিন্ন সময়ে অভিভাবক দিবসের আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম সকলের মতামতের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে প্রতি বৃহস্পতিবার শ্রেণি কার্যক্রম শেষে শিক্ষক সমন্বয় সভা এবং প্রতি তিন মাসে একবার কর্মচারী সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়। শিক্ষার পরিবেশের মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষকদের মান উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। তাই সরকার ও সেনাবাহিনী কর্তৃক আয়োজিত সকল শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশ নেয়ার পাশাপাশি শিক্ষকরা প্রতি বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। জ্ঞান আহরণ ও ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরির সুবিধার্থে লাইব্রেরিতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্য এবং সকল শিক্ষক কক্ষে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। সকল বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের স্বীকৃতিস্বরূপ চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ লাভ করেছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ডিজিটাল মেলায় বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পুরস্কার। কলেজের সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ দিয়ে শিক্ষার পরিবেশকে আরও সজীব করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে প্রাপ্য সকল ধরনের ফলদ, বনজ, ওষধি ও মশলা জাতীয় গাছ দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে ফুলের বাগানসহ বিশাল বাগান। এর ফলে বৃক্ষরোপণে ‘প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার ২০১৬’-এ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ অর্জন করেছে তৃতীয় স্থান।
শ্রীমদ ভগবত গীতায় উল্লেখ আছে, ‘জ্ঞান রূপ আগুন সকল কুকর্মকেই পুড়িয়ে ছাই করে ফেলে।’ তেমনিভাবে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘জ্ঞান মানুষকে ভালো ও মন্দের পার্থক্য নির্ণয়ে সহায়তা করে এবং চরিত্র গঠনে সহায়তা করে।’ তাই ভালো মানুষ গড়ার প্রত্যয়ে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ দীপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে চলেছে ‘আল্লাহ আমায় জ্ঞান দাও’-এ মূলমন্ত্রকে ধারণ করে।
লেখক : কর্নেল আবু নাসের মো. তোহা বিএসপি, এসজিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি
অধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ।
(তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭ এ চট্টগ্রাম বিভাগে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার
গৌরব অর্জন করেন।)