প্রতিবেদন

মগবাজার-মৌচাক ফাইওভার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী : ঢাকাকে যানজটমুক্ত আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘ প্রতীতি মগবাজার-মৌচাক ফাইওভার যান চলাচলের জন্য উদ্বোধন করেন। প্রায় ৮ দশমিক ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ফাইওভারটি কাকরাইল-মালিবাগ, রাজারবাগ-মৌচাক, রামপুরা-মৌচাক এবং মৌচাক-ইস্কাটনকে সংযুক্ত করেছে। প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর তাঁর গণভবনের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ফাইওভারটি উন্মুক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনের পরপরই ফাইওভারটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এলজিইডি সূত্র জানায়, এই ফাইওভারটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ২১৮ দশমিক ৮৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৭৭৬ কোটি টাকা প্রদান করেছে সৌদি সরকার। বাকি অর্থ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার এবং ওপেক ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (ওএফআইডি)।
রাজধানীর ৮টি মোড় এবং ৩টি লেভেল ক্রসিংকে অতিক্রম করে তৈরি হয়েছে এই ফাইওভারটি। ফাইওভারটির উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আওয়ামী লীগ সরকার মতায় এসেছিল বলেই আজকে এটি নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে। ২০১৮ সালের শেষে যে নির্বাচন হবে তাতে জয়লাভ করে আবার মতায় যেতে পারলে দেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকা-গুলো শেষ করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নের গতিকে আরো ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে বলেও শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার ইতোমধ্যেই রাজধানীতে ৬টি ফাইওভার নির্মাণ করেছে, যেগুলো ব্যবহারের ফলে মানুষের চলাচলে স্বচ্ছন্দ আসার পাশাপাশি কর্মঘণ্টাও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সরকারের গৃহীত প্রকল্পগুলো যথাসময়ে শেষ করার জন্য শেখ হাসিনা দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর মতায় আসার পরপরই আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়নে অনেকগুলো প্রকল্প গ্রহণ করে; কিন্তু ২০০১ সালে মতায় আসতে না পারায় বিএনপি-জামায়াত সেসব প্রকল্প বন্ধ করে দিয়েছিল। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্বাগত বক্তৃতা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী ভিডিও কনফারেন্সটি সঞ্চালনা করেন। সৌদি দূতাবাসের হেড অব ইসলামি ডিভিশন সাদ আল খাতানি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গণভবনে উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্পটি উদ্বোধনের পরে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মত বিনিময় করেন। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ঢাকা দণি সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র ওসমান গণি, ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া এ সময় বক্তব্য রাখেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন উল্লেখ করে বলেন, একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলে যখন দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখনই ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এরপর থেকেই আমাদের দেশের উন্নয়নের চাকা থেমে গিয়ে হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্র এবং অবৈধভাবে মতা দখলের পালা শুরু হয়ে দেশে একটা লুটপাটের রাজত্ব কায়েম হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেই জাতির পিতার আদর্শ ও নীতি অনুসরণ করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে নানামুখী পদপে গ্রহণ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যায় এবং দেশ প্রথমবারের মতো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। শেখ হাসিনা বলেন, সে সময় ৫টি বছর মাত্র আমরা হাতে সময় পেয়েছিলাম। উন্নয়নের যে কাজগুলো তখন আমরা সারাদেশব্যাপী শুরু করেছিলাম দুর্ভাগ্য সেটাও থেমে যায় ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত মতায় আসার পর। হত্যা, ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, বাংলাভাই সৃষ্টি, লুটপাট ও দুর্নীতি এছাড়া আর কোনো উন্নয়ন তারা (বিএনপি-জামায়াত) করতে পারেনি।
সে সময় বাংলাদেশের টানা ৫ বার দুর্নীতিতে শীর্ষস্থান দখলের পরিসংখ্যান উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অবস্থায় দেশকে তারা একটি অরাজকতার দিকে নিয়ে যায়। ফলে যে দুই বছর তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকে সে সময়সহ মোট ৭ বছর দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ আবার সরকার গঠন করলে পুরনো উন্নয়ন কর্মকা-গুলো পুনরায় চালুর সঙ্গে সঙ্গে অনেকগুলো নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে মনোনিবেশ করে। তাঁর সরকারের আমলে দেশের জনগণের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা বলেন, মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দেখছি যারা আগে একটা গাড়ি ব্যবহার করতো তারাই এখন একাধিক গাড়ি ব্যবহার করছে। এর ফলে কিছুটা যানজট বৃদ্ধি পেলেও গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি মানুষের সেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি সূচক বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। যত উন্নয়ন হবে ততই মানুষের সবকিছু ব্যবহারের সমতার বিকাশ ঘটবে। ঢাকা শহরের যানজট প্রশমনে তাঁর সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বিজয় সরণি ফাইওভার, জিল্লুর রহমান ফাইওভার, মেয়র হানিফ ফাইওভার, কুড়িল ফাইওভার নির্মাণ করেছি। হাতিরঝিল প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি ইস্টার্ন বাইপাস নির্মাণের কাজও বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, মগবাজার-মৌচাক ফাইওভারটি একটি দীর্ঘ ফাইওভার। আমি মনে করি, এটি রাজধানীর যানজট নিরসনে বিরাট ভূমিকা রাখবে এবং মানুষের জীবনযাত্রা আরো সহজ হবে এবং মানুষের সময় বেঁচে গিয়ে কর্মচাঞ্চল্য বৃদ্ধি পাবে; কারণ এতে তিনটি লেভেল ক্রসিং পার করা হয়েছে তাই গাড়িগুলো খুব দ্রুত চলতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী ফাইওভার নির্মাণে সম্পৃক্ত স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও এলজিইডি’কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তিনি নিজে বিভিন্ন সময় ফাইওভারটির নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে গিয়ে পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী এর নকশাতেও পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেন। প্রধানমন্ত্রী ফাইওভারগুলোকে জাতীয় সম্পদ উল্লেখ করে এগুলো রণাবেণ এবং ব্যবহারেও যতœবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা এগুলো ব্যবহার করবেন, প্রত্যেকটি রাস্তা-ঘাট, ফাইওভার যাই ব্যবহার করবেন তারা এর প্রতি যতœবান হবেন। ট্রাফিক আইন সকলে মেনে চলবেন। যেটা একান্তভাবেই প্রয়োজন। এই সম্পদটা জাতীয় সম্পদ, জনগণের সম্পদÑ এই কথাটা মনে রেখে সকলে যার যার দায়িত্ব পালন করবেন। সেটাই আমি আশা করি।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, সারা বিশ্বে বাংলাদেশ আজ একটি সম্মানজনক অবস্থায় আছে। সমগ্র বিশ্বে আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের একটি রোল মডেল। আর এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে। উন্নয়ন কর্মকা-কে এগিয়ে নেয়ায় সরকারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকা জরুরি এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের ধারাবাহিকতা থাকলেই যে উন্নয়ন গতিশীল হয়। সেটা নিশ্চয়ই আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ের পর যেসব উন্নয়ন কর্মকা- গ্রহণ করেছিলাম সেগুলো একে একে আমরা শেষ করে আনছি। আর ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলাম বলেই আজকের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হচ্ছে। আর ২০১৮ সালের নির্বাচনে আমরা বিজয়ী হতে পারলে এই উন্নয়নের গতি আরো ত্বরান্বিত হবে।
২০১৩ সালের ১৬ ফেব্র“য়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মগবাজার-মৌচাক ফাইওভারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ফাইওভারের তিনটি অংশের মধ্যে প্রথম অংশ অর্থাৎ তেজগাঁও-সাতরাস্তা থেকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল অংশটি নির্মাণের পর ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন। এরপর ২০১৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মগবাজার মোড় থেকে ওয়্যারলেস গেট পর্যন্ত অংশ এবং ১৭ মে ২০১৭ তারিখে এফডিসি থেকে কারওয়ান বাজার মোড় পর্যন্ত অংশের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় তা পরীামূলকভাবে খুলে দেয়া হয়।
২৬ অক্টোবর ইস্কাটন-মগবাজার-মৌচাক-রাজারবাগ-শাজাহানপুর-শান্তিনগর অংশটি প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো তিন পর্বের এই ফাইওভারের নির্মাণ কাজ। নবনির্মিত মগবাজার-মৌচাক ফাইওভারের প্রতিটি পিলার পাইলের গভীরতা প্রায় ৪০ মিটার। ফাইওভারটি ৮টি মোড় যথাক্রমে সাতরাস্তা, এফডিসি, মগবাজার, মৌচাক, শান্তিনগর, মালিবাগ, চৌধুরীপাড়া ও রমনা থানা। ফাইওভারটি মগবাজার, মালিবাগ ও সোনারগাঁসহ তিনটি রেলক্রসিং অতিক্রম করেছে। ফাইওভারে ওঠানামার জন্য ১৫টি র‌্যাম্প রয়েছে। তেজগাঁওয়ের সাতরাস্তা, এফডিসি, মগবাজার, হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, বাংলামোটর, মগবাজার, মালিবাগ, রাজারবাগ পুলিশ লাইন এবং শান্তিনগর মোড়ে ওঠানামা করার ব্যবস্থা রয়েছে। এ যাবৎকালে রাজধানীতে যে ক’টি ফাইওভার নির্মাণ হয়েছে এর মধ্যে সবচেয়ে বড় এ ফাইওভারটি নির্মাণের ফলে রাজধানীর অত্র এলাকার যানজট ও জনভোগান্তি অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক কম হবে। মানুষ আগের তুলনায় এখন অনেকটা স্বস্তিতে চলাচল করতে পারবে।
এই ফাইওভারটি দেশে প্রথমবারের মতো নির্মিত ট্রাফিক সিগন্যালযুক্ত ফাইওভার। বহুল আলোচিত মগবাজার-মৌচাক ফাইওভারের দুটি পয়েন্টে সিগন্যাল রাখা হয়েছে। তবে পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌচাক-মালিবাগ এলাকার যানজটের মহা-ভোগান্তি নিরসনে ফাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু ফাইওভারে সিগন্যাল থাকায় যানজটের ভোগান্তি থেকে পুরোপুরি রেহাই পাওয়া যাবে না। ফাইওভার কর্তৃপ বলছে, জায়গা সংকটের কারণে লুপ বাড়ানো সম্ভব হয়নি। তাই সিগন্যাল পড়েছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফাইওভারে রয়েছে। কারও কারও মতে, নকশয় ভুল হওয়ার কারণে ফাইওভারে সিগন্যাল দেয়া ছাড়া বিকল্প ছিল না।
যান চলাচলের উন্মুক্ত নবনির্মিত মগবাজার-মৌচাক ফাইওভারটিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর একটি অংশ সাতরাস্তা-মগবাজার-হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল। এটা নির্মাণ করেছে নাভানা কনস্ট্রাকশন। গত বছরের মার্চ মাসে এ অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়। গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিউ ইস্কাটন থেকে মৌচাক পর্যন্ত ফাইওভারের এক দিক খুলে দেয়া হয়। এই অংশ নির্মাণ করেছে তমা কনস্ট্রাকশন। তৃতীয় ধাপে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) মোড় থেকে কারওয়ান বাজার অংশ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয় গত ১৭ মে। এই অংশও তৈরি করেছে নাভানা কনস্ট্রাকশন। ২৬ অক্টোবর খুলে দেয়া হলো মৌচাক-মালিবাগ-শান্তিনগর-রাজারবাগ-মগবাজার অংশ। এটা নির্মাণ করেছে তমা কনস্ট্রাকশন।
এলজিইডি সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে প্রায় ৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এই সমন্বিত ফাইওভারটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর মধ্যে কয়েক দফায় প্রকল্পের মেয়াদ ও অর্থ বাড়ানো হয়। প্রথমে এই প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। নকশায় ভুল হওয়ায় পরে পরিবর্তন আনা হয়। শেষ পর্যন্ত ব্যয় বাড়তে বাড়তে ১ হাজার ২১৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকায় গিয়ে ঠেকে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার অর্থায়ন করেছে ৪৪২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ৭৭৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা দিয়েছে সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট।
২০১১ সালের ৮ মার্চ একনেক এই প্রকল্প অনুমোদন করে। ২০১৩ সালের ১৬ ফেব্র“য়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফাইওভারটির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। এই ফাইওভার প্রকল্পটি ঢাকা শহরের স্ট্রাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানের (এসটিপি) অন্তর্ভুক্ত। ফাইওভারটি রিখটার স্কেলে ১০ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় বলে প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে।