প্রতিবেদন

পরিবেশবান্ধব রাজউক অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প : ঢাকার আবাসন ব্যবস্থায় যুক্ত হচ্ছে নতুন মাত্রা

এম নিজাম উদ্দিন : রাজধানী ঢাকার আবাসন ব্যবস্থার সংকট নিরসন করার পাশাপাশি সবার জন্য সহজলভ্য আবাসন নিশ্চিত করতে অ্যাপার্টমেন্ট যুগে প্রবেশ করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-রাজউক। ঢাকা নগরীতে বসবাসরত সব শ্রেণির নাগরিকের আবাসন প্রদানের ক্ষেত্রে জমি স্বল্পতার কারণে প্রচলিত প্লট ব্যবস্থার পরিবর্তে রাজউক এখন অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প গ্রহণ করছে। রাজধানী ও এর আশপাশে একখ- নিষ্কণ্টক জমি এখন সোনার হরিণ হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় রাজউকের পক্ষে সবার জন্য প্লটের ব্যবস্থা করা ক্রমেই দুরূহ হয়ে উঠছে। অপরদিকে অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পে একটি প্লটে এক ব্যক্তির পরিবর্তে একই জায়গায় অনেকগুলো পরিবারের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়। এই প্রেক্ষাপটে রাজধানীর নাগরিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে সরকার অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি রাজউকের মাধ্যমে হাউজিং প্রকল্প করে অ্যাপার্টমেন্ট বরাদ্দ দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে। সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. আবদুর রহমান সাপ্তাহিক স্বদেশ খবরকে রাজউকের অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প সম্পর্কে জানাতে গিয়ে বলেন, রাজউক প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রথমবারের মতো অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প গ্রহণ করে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন সংস্থাটির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। প্রকল্পটি গ্রহণের পাশাপাশি তিনি ৮৩৭ জন গ্রাহকের হাতে ইতোমধ্যে অ্যাপার্টমেন্টের চাবি তুলে দিয়েছেন। উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে অ্যাপার্টমেন্ট বরাদ্দ দেয়ায় এর স্বচ্ছতা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়।
রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. আবদুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে আমার সৌভাগ্য যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর সমর্থন ও সার্বিক সহযোগিতার পাশাপাশি আমার সহকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টার কারণে রাজউকের পক্ষ থেকে গ্রাহকদের হাতে প্রথমবারের মতো অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় আমি অংশীদার হতে পেরেছি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরে রাজউকের অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পে বরাদ্দ প্রাপ্তদের মধ্যে অ্যাপার্টমেন্ট নম্বর প্রদানের লটারি অনুষ্ঠিত হয়। ১ হাজার ৮৩২ জন বরাদ্দপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে ৮৩৭ জনের অ্যাপার্টমেন্ট নম্বর চূড়ান্ত করা হয়। রাজউক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত লটারি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজউক চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান।
রাজউক অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে রাজউক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান স্বদেশ খবরকে বলেন, রাজউকের প্রথম অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প হচ্ছে উত্তরা। এ প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে উত্তরায় ৬ হাজার ৬৩৬টি অ্যাপার্টমেন্টের নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। উত্তরায় আরও ৪ হাজার ৮০০টি অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ঝিলমিল প্রকল্পে ১৪ হাজার এবং পূর্বাচল প্রকল্পে ৭০ হাজার ফ্যাট নির্মাণ করবে রাজউক। এর বাইরে পূর্বাচলে ১০০ একর জমির ওপর ১৪২ তলার একটি আইকনিক টাওয়ার নির্মাণ করবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-রাজউক। এজন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে দুটি আবেদনও জমা পড়েছে।
উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প সম্পর্কে বলতে গিয়ে রাজউক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বলেন, প্রকল্পে পার্ক, উন্মুক্ত স্থান, খেলার মাঠ, সুইমিংপুল, মসজিদ, স্কুল, ডিপার্টমেন্ট স্টোর, কাঁচাবাজারসহ আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়েছে। পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে উত্তরা তৃতীয় পর্বের এলাকায় সাড়ে ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ লেক নির্মাণ করা হয়েছে। এ লেকের দুই পাড়ে প্রচুর ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ এবং হাঁটার পথ নির্মাণ করা হয়েছে। উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পটি যেন পরিবেশবান্ধব হয় সেজন্য সবগুলো অ্যাপার্টমেন্ট ভবন লেকের পাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে। এতে অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসকারী নাগরিকদের সঙ্গে গাছ ও পানির অপূর্ব সংযোগ স্থাপিত হয়েছে। ফলে নিঃসন্দেহে বলা যায়, রাজউকের প্রথম এই অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পটি সবুজে ঘেরা নির্মল একটি প্রকল্প হিসেবে গড়ে উঠেছে।
রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, আগামী পাঁচ মাসের মধ্যে উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট এলাকার ছোটখাটো সব সমস্যার সমাধান করা হবে। আগামী বছরের শুরুতে উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প নিয়ে দেশের সর্বত্র আলোচনা হবে। এটি হবে দৃষ্টিনন্দন ও পরিবেশবান্ধব অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প। দেশবাসীর কাছে স্বপ্নের আবাসিক এলাকা হবে উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প। তিনি বলেন, উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের শুরুতে এর বাস্তবায়ন নিয়ে গ্রাহকদের মনে শঙ্কা ছিল। সব ধরনের জটিলতা মোকাবিলা করে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পকে বাস্তবে রূপদান করতে সক্ষম হয়েছে। এক সময় প্রকল্পটি মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। গ্রাহকদের মধ্যে এমন একটি ধারণা জন্ম নিয়েছিলÑ ফ্যাট কখনই পাওয়া যাবে না। সংস্থাটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়ার পর আমি ও আমার সহকর্মীরা রাজউকের চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এর বাস্তবায়ন কাজ শুরু করি। সবার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টায় রাজউকের অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের স্বপ্ন এখন বাস্তব। প্রকল্পে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহের কাজ শেষ হয়েছে। রাস্তাঘাট সংস্কারসহ অন্যান্য ছোটখাটো কাজগুলো শেষ হয়ে চলতি বছরের মধ্যেই উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প একটি টেকসই, আধুনিক ও পরিবেশসম্মত প্রকল্পে রূপ নেবে।
রাজউক চেয়ারম্যান জানান, উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের ‘এ’ ব্লকের ১৮ নম্বর সেক্টরে ১ হাজার ৬৫৪ বর্গফুট আয়তনের মোট অ্যাপার্টমেন্ট সংখ্যা ৬ হাজার ৬৩৬। এর মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে অ্যাপার্টমেন্ট বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে ৫ হাজার ৬১৪টি। চার কিস্তি টাকা পরিশোধ করেছেন ১ হাজার ৮৩২ জন গ্রাহক। এর মধ্যে হস্তান্তরের উপযোগী ৮৪০টি অ্যাপার্টমেন্টের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী তিনজনকে তিনটি অ্যাপার্টমেন্ট গিফট করেছেন। অবশিষ্ট ৮৩৭টি অ্যাপার্টমেন্ট আইডি লটারির মাধ্যমে গ্রাহকদের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গ্রাহকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পে স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সহায়তা দিচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। ২৫ বছর মেয়াদি এ ঋণের সুদের হার ৮ দশমিক ৫ শতাংশ।
রাজউকের উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্টে ৩টি বেডরুম, ১টি লিভিং রুম, ১টি ডাইনিং রুম, ১টি ফ্যামিলি লিভিং, ৪টি বারান্দা, ৪টি টয়লেট ও কিচেন রয়েছে। এছাড়া ২০ জন ধারণমতার ২টি উন্নতমানের লিফট রয়েছে। ভবনে ১টি প্রধান সিঁড়ি ও ২টি অগ্নিনির্বাপক সিঁড়ি রয়েছে। প্রকল্পের ‘এ’ ব্লকের ১৫ তলাবিশিষ্ট প্রতিটি ভবনে একটি বেজমেন্ট, গ্রাউন্ড ফোর ও ১৪টি ফোর রয়েছে। ১৪টি ফোরের প্রতিটিতে নেট ১ হাজার ২৭৬ বর্গফুটের (গ্রস ১ হাজার ৬৫৪ বর্গফুট) ৬টি ফ্যাট রয়েছে। প্রতিটি ভবনে ৮৪টি ফ্যাট রয়েছে। গ্রাহকরা ফ্যাটগুলো ৭৯ লাখ ৩৯ হাজার ২০০ টাকায় ক্রয় করেছেন।
ঝিলমিল অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প সম্পর্কে রাজউক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বলেন, এই প্রকল্পে অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণের জন্য সম্প্রতি রাজউকের সঙ্গে মালয়েশিয়ার বিএনজি গ্লোবাল হোল্ডিংস এসডিএন বিএইচডি অ্যান্ড কনসোর্টিয়ামের একটি চুক্তি স্বারিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ঝিলমিল প্রকল্পে ১৩ হাজার ৯২০টি অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ করা হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে এসব অ্যাপার্টমেন্টের নির্মাণ কাজ শেষ হবে এবং এজন্য মালয়েশিয়ান কোম্পানি বিনিয়োগ করবে। সরকারি-বেসরকারি প্রকল্পের (পিপিপি) আওতায় এ অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। পিপিপির আওতায় এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ প্রকল্প হবে ঝিলমিল অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প।
রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, মধ্যবিত্ত ও স্বল্প আয়ের লোকদের জন্য ঝিলমিল প্রকল্পে অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। অল্প জমিতে অধিক লোকের বসতির সুবিধা গড়ে তুলতেই অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খুব সহনীয় মূল্যে এখানে অ্যাপার্টমেন্ট পাওয়া যাবে। প্রতি বর্গফুটে মাত্র সাড়ে ৪ হাজার টাকা মূল্য ধরা হয়েছে। অ্যাপার্টমেন্টের মূল্য কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে। এই প্রকল্পে বৃষ্টির পানি ধারণ, নিজস্ব পানি সরবরাহ প্ল্যান্ট, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টসহ সব ধরনের আধুনিক মানের সুযোগ-সুবিধা থাকবে।’ ঝিলমিল প্রকল্পে ১৬০ একর জমির ওপর ৬০টি ২০ তলা ভবনে ১ হাজার ৪০০ বর্গফুট আয়তনের ৯ হাজার ১২০টি, ১৪টি ২৫ তলা ভবনে ১ হাজার ৬০০ বর্গফুট আয়তনের ২ হাজার ৬৮৮টি এবং ১১টি ২৫ তলা ভবনে ২ হাজার ২০০ বর্গফুট আয়তনের ২ হাজার ১১২টি ফ্যাট নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ঝিলমিল অ্যাপার্টমেন্ট পার্কে ১৩ হাজার ৯২০টি গাড়ি পার্ক করার সুবিধা, মসজিদ, কমিউনিটি সেন্টার, লেক, পার্ক, খেলার মাঠ, ঝরনাসহ পরিবেশবান্ধব সব সুবিধাই রাখা হচ্ছে।
রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্রায় ৭০ হাজার ফ্যাট নির্মাণ করা হবে। আগামী তিন থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে পূর্বাচলে ৭০ হাজার অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণের জন্য আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করা হবে। সেখানে বড় আয়তনসহ বিভিন্ন আয়তনের ফ্যাট নির্মাণ করা হবে।
সবশেষে রাজউক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বলেন, উত্তরা, ঝিলমিল ও পূর্বাচল অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ‘সকলের জন্য আবাসন’ বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। রাজউকের অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের ধারণা মানুষ খুব ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। কারণ অ্যাপার্টমেন্ট ভবন নির্মাণে রাজউক পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিল্ডিং কোড অনুসরণ ও ভূমিকম্প সহনশীল করে রাজউক প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন তৈরি করায় বেসরকারি অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাতাদের সঙ্গে রাজউককে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হতে হচ্ছে না। বেসরকারি নির্মাতাদের চেয়ে অ্যাপার্টমেন্টের বর্গফুটপ্রতি মূল্য অনেক কম হওয়ায় এবং ভবনের গুণগতমান বজায় থাকায় মানুষ রাজউকের অ্যাপার্টমেন্ট কেনাকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মনে করছেন। রাজউক অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর তরফ থেকে বর্তমানে প্রাপ্ত সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত থাকলে এবং সংস্থার সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিষ্ঠার সাথে কাজ করলে রাজউক অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প সাধারণ মানুষের নিকট ভবিষ্যতে আরো গ্রহণযোগ্য হবে। সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. আবদুর রহমান বলেন, রাজধানী ও এর আশপাশের মানুষকে পরিবেশবান্ধব বসবাসের স্থান করে দিতে ভবিষ্যতে শুধু উত্তরা, ঝিলমিল ও পূর্বাচলেই নয়, রাজউক তার প্রায় সব আবাসন প্রকল্পেই অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্প গড়ে তুলবে।