প্রতিবেদন

অটিস্টিক শিশুদের পারিবারিক পরিবেশে দেখভাল করতে হবে : সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল

ইয়াছির আরাফত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা এবং দণি-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) শুভেচ্ছা দূত সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতে চিকিৎসকসহ অন্যান্য পেশাজীবীদের মতো সম্মান নিয়ে যাতে ফিজিওথেরাপিস্টরা কাজ করতে পারেন, সে জন্য ফিজিওথেরাপি রেগুলেটরি বডি, কাউন্সিল বা নীতিমালা গঠন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এ েেত্র সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত।
২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘টেকসই উন্নয়ন ল্যমাত্রা অর্জনে সমন্বিত পুনর্বাসন চিকিৎসা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উত্থাপন করে তিনি বলেন, অটিস্টিক শিশুদের পারিবারিক পরিবেশে দেখভাল করতে হবে। শুধু ফিজিওথেরাপিস্ট, হাসপাতাল ও ডাক্তারের হাতে ছেড়ে দিলে হবে না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক েেত্র ফিজিওথেরাপিস্ট না হয়েও প্রেসক্রিপশনে ফিজিওথেরাপি প্র্যাকটিস করছেন বলে প্রতীয়মান হয়। এ বিষয়ে অনেকে ফিজিওথেরাপি সম্পর্কে ভুল ধারণা নিচ্ছেন। সায়মা ওয়াজেদ বলেন, এ বিষয়ে কোনো নীতিমালা না থাকার কারণে ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়ে সাধারণ মানুষের ধারণা নেই। ফলে মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। একটা কাউন্সিল বা নীতিমালা হলে সাধারণ মানুষ সঠিক চিকিৎসা পেয়ে দ্রুত সুস্থ হবেন এবং নিজ কর্মেেত্র ফিরতে পারবেন। পাশাপাশি দেশও আর্থিকভাবে উন্নত হবে। এর পরিপ্রেেিত এ সংক্রান্ত নীতিমালা গঠন জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ফিজিওথেরাপি কাউন্সিল গঠনের কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। এজন্য একটা আইন তৈরির কাজও চলমান রয়েছে। অবিলম্বে তা মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশেষায়িত সব হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিস্টের আলাদা পদ সৃষ্টি করা হবে।