কলাম

উন্মুক্ত মতামত

কৃষি অর্থনীতির স্বতন্ত্র ক্যাডার প্রয়োজন

কৃষিপ্রধান এই দেশে খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলার ল্েয কৃষিবিদ ও প্রযুক্তিবিদরা নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। দেশে যথেষ্ট পরিমাণে উৎপাদন সত্ত্বেও চাল, পিঁয়াজ, শাকসবজি, ডিম ও মাছ-মাংসের লাগামহীন দাম বৃদ্ধি জনসাধারণের জীবনযাত্রা ব্যাহত করেছে। অসাধু মুনাফালোভী মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যে কৃষক পর্যায় থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত ধাপে ধাপে মূল্য বেড়ে অস্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। বাজার মনিটরিং সেল না থাকায় বাজারে যাচ্ছেতাইভাবে মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ফলে কৃষকরাও তাদের মূল্য পাচ্ছেন না এবং জনগণকেও বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। তাই স্বতন্ত্র কৃষি বিপণন ক্যাডার সার্ভিস চালু করে প্রতিটি জেলায় কৃষি বিপণন এবং বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ায় সম্যক জ্ঞানসম্পন্ন কৃষি অর্থনীতিবিদ নিয়োগের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা যায়। বিষয়টির প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. মাহবুবুর রহমান
স্নাতক
কৃষি অর্থনীতি
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা

কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস বর্ধিত করুন

কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় নতুন বলতে বলতে ১২ বছরের পথে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন ছিল খুবই কম, যা নিয়ে উদাসীন ছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উপজেলা থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার ভেতরে বিশ্ববিদ্যালয়। যেখানে জমির দাম শুরুতে ছিল অনেক কম, এখনো তেমন একটা বৃদ্ধি পায়নি। সহজেই জমি অধিগ্রহণ সম্ভব বলে মনে হয়। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ না করে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন নতুন ভবন তোলা হচ্ছে। মনে হচ্ছে একটা ভবনের শরীর ভেদ করে অন্য একটা তৈরি হচ্ছে, যা দেখে মনে করা স্বাভাবিক এগুলো বিল্ডিংয়ের বস্তি। বিল্ডিংগুলো পরিকল্পিতভাবে তৈরি কি না তা নিয়েও প্রশ্ন আছে। ভূমির পরিমাণ কম থাকায় ছাত্রী হলের পাশেই রয়েছে শিক ও কর্মকর্তাদের ডরমিটরি, যা এতটাই কাছাকাছি যে চলাচলে ইতস্তত বোধ করে অনেকেই। রাস্তার পাশ ঘেঁষে তৈরি হচ্ছে ছাত্রীহল, যা কি না ছাত্রীদের নিরাপত্তাকে বিঘিœত করতে পারে। দেশের শ্রেষ্ঠ মেধাবীরা থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে। শিল্প, সংস্কৃতি, রাজনীতি, নৈতিকতা, শিা, গবেষণা সবই চর্চা হয় এখানে। এসব বিষয় চর্চা এমনি এমনি হয় না। এর সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক বিষয় রয়েছে। তার মধ্যে একটা হলো ক্যাম্পাসের পরিধি। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি খোলা আকাশের নিচে না থাকা যায়, তো আর কোথায় পাওয়া যাবে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় শুধু ওপরে বাড়ছে, ভবনের পর ভবন উঠছে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেভাবে হচ্ছে, ঠিক সেভাবেই তৈরি হচ্ছে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি সরকার উন্নয়ন বাজেট হিসেবে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়কে ৪৯১ কোটি টাকা দিয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে বিনীত আবেদন, ঊর্ধ্বমুখী উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের পরিধি (জমি) বাড়ানোর জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিন।
মো. দিদার
হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগ
কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
ত্রিশাল, ময়মনসিংহ

উত্তীর্ণদের নিয়োগ দিন

ত্রয়োদশ বেসরকারি শিক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা নিয়োগের কোনো খবর পাচ্ছেন না। ফলে সবাই হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। এর আগে কর্তৃপ (এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান) জানিয়েছিলেন ১ম থেকে ১২তম নিবন্ধনে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রিটের কারণে ত্রয়োদশের নিয়োগ হচ্ছে না। গত ১৪ ডিসেম্বর আদালত এই রিটের রায় দিয়েছেন। এখন নিয়োগে কোনো বাধা নেই। তাহলে কেন উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উপজেলা পর্যায়ে নিয়োগ দিতে দেরি হচ্ছে? এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদপে নেয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপরে সুদৃষ্টি কামনা করছি।
মুন্নাফ হোসেন
ফুলবাড়ীয়া, ময়মনসিংহ

বানান ভুল কাম্য নয়

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আসরের বাংলাদেশের টিকিটে বাংলাদেশ বানান ভুল লেখা হয়েছে, যা মোটেও কাম্য নয়। যে দেশে শিার হার এত ওপরে, সেখানে দেশের বানান ভুল হয় কেমন করে? এ ভুল বাংলাদেশের জন্য মারাত্মক লজ্জার। যেখানে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অবস্থান উল্লেখ করার মতো, সেখানে ক্রিকেটকে টিকিটের মাধ্যমে কলঙ্কিত করার প্রশ্নই আসে না। ভুল টিকিট প্রস্তুতকারী কিংবা দায় স্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতেই হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের লজ্জার সম্মুখীন বাংলাদেশকে আর হতে না হয়।
আজিনুর রহমান লিমন
ডিমলা
নীলফামারী

সড়ক থেকে দোকান সরিয়ে নিন

কুমিল্লা মহানগরীর রেলস্টেশন সড়কটি এককথায় ভয়ঙ্কর বলতে হয়। বাদশা মিয়ার বাজার থেকে দেিণ ধর্মপুর মোড় পর্যন্ত রাস্তাটির দুই পাশে প্রায় শ’ খানেক ইঞ্জিনিয়ারিং, ওয়ার্কশপ, লেদ মেশিনজাতীয় দোকান রয়েছে। ফলে এই সড়কে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ। আবার যাত্রীদের পরিবহনের জন্য এখানকার রাস্তায় চলে দ্রুতগতির অটো ও সিএনজি। ফলে একদিকে ওয়ার্কশপের শব্দ, অন্যদিকে যাত্রীদের যাত্রার কান্তি, বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুদের জন্য খুব অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্টেশন রোডের মতো একটি ব্যস্ততম সড়কে এই জাতীয় দোকান রাখা কতখানি যৌক্তিক? কর্তৃপ কি দোকানগুলোর বিকল্প ব্যবস্থা করতে পারে না? জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আজিম উল্লাহ হানিফ
দণি শাকতলী নাঙ্গলকোট
কুমিল্লা

টাকার সঠিক ব্যবহার করুন

দেশে টাকার ব্যবহার সঠিকভাবে হয় না, যার কারণে টাকার স্থায়িত্ব কমে যায়। দ্রুত ময়লা ও নষ্ট হয়। অনেকে টাকার গায়ে নাম, মোবাইল নম্বর, ঠিকানা, এমনকি গানও লেখে। যদিও এসব করা বেআইনি। অনেকে আবার খেলার জন্য শিশুদের হাতে টাকা দেয়। এটা করা একেবারেই উচিত নয়। কারণ টাকার গায়ে নানা জীবাণু থাকে, যা শিশুকে আক্রান্ত করতে পারে। টাকা মূল্যবান সম্পদ। তাই টাকার মান অুণœ রাখতে সরকারিভাবে প্রচারণা, নির্দেশনা থাকা দরকার। এ ছাড়া টাকা ছেঁড়া বা নাম লেখাÑ এসবের জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও রাখা দরকার। বিষয়টিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মাসুদ পারভেজ রুবেল
নটানপাড়া
রৌমারী, কুড়িগ্রাম