রাজনীতি

নির্বাচনি প্রস্তুতিতে আওয়ামী লীগ : সারাদেশে কাজ করছে দলের ১৫টি টিম

নিজস্ব প্রতিবেদক : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নানামুখী সমীকরণ করছে মতাসীন আওয়ামী লীগ। বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষে চলতি বছর ২০১৮’র শেষের দিকে অথবা ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি দৃঢ় করা, সরকারের উন্নয়ন জনগণের কাছে তুলে ধরা এবং উন্নয়নের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়াসহ নির্বাচনের আগ পর্যন্ত রাজনৈতিকভাবে মাঠ দখলে রাখার বিভিন্ন ছক আঁকছে মতাসীনেরা। এ মুহূর্তে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে দেশে নতুন নির্বাচন দাবি করা বিএনপিকে নিয়ে রাজনৈতিক কোনো চিন্তা আমলেই নিচ্ছে না বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
দলটির নেতারা বলছেন, বিএনপি নয়, উগ্র সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ নিয়ে চিন্তিত ও সেই বিষয়ে সতর্ক থাকবে আওয়ামী লীগ। তাই নতুন বছরে দলের নেতাকর্মী ও জনগণের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে দলকে সুসংগঠিত করবে আওয়ামী লীগ। আর উন্নয়ন, অগ্রগতি ও অর্জনের সাথে জনগণের সেতুবন্ধ ঘটিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সারবে দলটি। দরিদ্র ও দুস্থভাতাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়নের সুফল জনগণের জন্য নিশ্চিত করতে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। সুসংগঠিত দল নিয়ে উন্নয়নের প্রচারণার মধ্য দিয়ে জাতীয় নির্বাচনের আগেই মাঠ নিজেদের পে নেয়ার টার্গেট শাসকগোষ্ঠীর। আর আগামী জাতীয় নির্বাচনে স্বচ্ছ ইমেজের অপোকৃত তরুণ প্রার্থীর মনোনয়ন নিয়েও ব্যাপক ভাবনা রয়েছে দলটির। নির্বাচনের প্রায় এক বছর বাকি থাকলেও আগামী দুই মাসের মধ্যে নির্বাচনকেন্দ্রিক গ্রাউন্ড ওয়ার্ক সম্পন্ন করতে চায় মতাসীন দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব।
এরই অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগ ২৬ জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী সাংগঠনিক সফর শুরু করেছে। এ ল্েয সংগঠনকে গতিশীল ও নির্বাচনমুখী করার প্রত্যয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নেতৃত্বে ১৫টি শক্তিশালী টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিমগুলো জেলা, মহানগর, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে সাংগঠনিক সফরে যাচ্ছে এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা-কর্মিসভায় অংশ নেয়া শুরু করেছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকরা জেলা নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সফরের দিনণ ও কর্মসূচি নির্ধারণ করছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগ নেতাদের দেশব্যাপী এই সাংগঠনিক সফরকে সফল করার ল্েয সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।
সম্প্রতি সরকারের ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবন থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই ভাষণেও প্রধানমন্ত্রী সুস্পষ্ট করে বলেছেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার চলতি মেয়াদে চার বছর অতিক্রম করেছে। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। জনগণের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। আমাদের নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের প্রার্থীর জনপ্রিয়তার মাপকাঠি যাচাই, সঠিক প্রার্থী বাছাই, তৃণমূলে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিতকরণ, দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন, নির্বাচন পর্যন্ত মাঠের রাজনীতির করণীয়, নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা, বহির্বিশ্বের সহযোগিতা পাওয়াসহ সামনে যেসব বাধা আছে বলে মনে হচ্ছে সেগুলো দূর করার চেষ্টায় কাজ শুরু করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের শীর্ষ অনেক নেতা বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও আলোচনায় বরাবরই বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে দেশের সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক দল। সংবিধানের বাইরে দলটি যাবে না। তবে আওয়ামী লীগের অনেক শীর্ষ নেতাই দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন যে, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অবশ্যই অংশগ্রহণ করবে।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি অন্যান্য স্থানীয় নির্বাচনের ন্যায় জাতীয় নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করবে সেরকম চ্যালেঞ্জ নিয়েই মাঠে কাজ করছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। তারা মনে করছে আগামী নির্বাচনের জন্য দল অনেকটা প্রস্তুত। এখন চলছে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি। চলতি বছরে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়েছে প্রার্থী বাছাই। কারণ নির্বাচনের বাকি আছে মাত্র এক বছর, যা একটি জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য খুব পর্যাপ্ত সময় নয়। এ কারণে দ্রুতই প্রার্থী ঠিক করে ফেলতে চায় মতাসীনরা। আর প্রার্থী বাছাইয়ের েেত্র সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা ও তুলনামূলক স্বচ্ছ ইমেজ।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও নির্বাচনে দলের প্রার্থী এ েেত্র মডেল হিসেবে সামনে রাখছে আওয়ামী লীগ। সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই আওয়ামী লীগে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে জোর দিয়েছেন। তিনি নেতাকর্মীদের বারবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছেন, আগামী নির্বাচনে মতায় আসতে হলে দলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। নেতাকর্মীদের সংশোধিত হতে হবে। জনগণের সঙ্গে ভালো আচরণ করতে হবে।
দলীয় নেতাকর্মীদের আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, আগামী নির্বাচনের আর বেশি দেরি নেই। এ জন্য আমাদের প্রস্তুত হতে হবে। দলকে একটি সুশৃঙ্খল, কলহ-কোন্দলমুক্ত শক্তি হিসেবে আমাদের তৈরি হতে হবে। দলের মধ্যে কেউ বিপথগামী হলে সংশোধন করা হবে। সংশোধন করা সম্ভব না হলে তাকে দল থেকে বের করে দিতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। গুটিকয়েক কর্মীর জন্য শেখ হাসিনার উন্নয়নকে মøান করতে দেয়া যাবে না।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, আগামী নির্বাচনের জন্য সকল নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হতে হবে। জণগণের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবেন না। এখন যাদের শাস্তি দিচ্ছেন তখন তারা আমাদের ভালো প্রার্থীকেও ভোটের মাধ্যমে শাস্তি দিয়ে দিবে। যেকোনো কাজ করেনÑ মানুষের চোখের ভাষা, মনের ভাষা বুঝতে হবে। এই দিন দিন নয়, আরো দিন আছে। যে কাজই করেন না কেনো, জনগণের চোখের ভাষা এবং মনের ভাষা বুঝে চলতে হবে। তা না হলে তারা নির্বাচনের মাধ্যমে উপযুক্ত জবাব দিয়ে দেবে। যেমনটি বিএনপিকে দিয়েছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এক সাংগঠনিক সম্পাদক সাপ্তাহিক স্বদেশ খবরকে বলেন, প্রার্থী বাছাইয়ের েেত্র কে কোন মাপের নেতা, সেটা বিবেচ্য বিষয় হবে না। কারণ আমাদের ল্য হলো নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসা। দল জয়ী হয়ে আসতে পারলে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে তখন সবাই মতা ব্যবহার করতে পারবে। আর তাতে যদি ব্যর্থ হই; তাহলে যত বড় নেতাই নির্বাচিত হোক না কেন, কোনো কাজে আসবে না।
দলীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সফরে দলীয় কোন্দল মেটানোকেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। টানা দুইবার মতায় থাকার কারণে দলে নেতার সংখ্যাও ব্যাপক হারে বেড়েছে। তবে সবাই এলাকায় জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি। অধিকাংশ জেলায় সংসদ সদস্য এবং জেলা নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্বও রয়েছে। এ বিষয়গুলো সামনে রেখে সব সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে। দলের অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, বিগত সময়ে দলের ক্রাইসিস মুহূর্তে কার কী ভূমিকা ছিল, তা বিচার-বিবেচনা করা হবে আগামী নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের েেত্র। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচনগুলোতে (ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন) নেতাদের ভূমিকা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। কার কারণে দলীয় প্রার্থীর পরাজয় হয়েছে, সে বিষয়গুলোও এরই মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ বিভিন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের পরও দলীয় প্রার্থীর পে যারা কাজ করেনি তাদের সম্পর্কে ইতোমধ্যে দলীয় প্রধানকে অবহিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই অনেককে সতর্ক করা হয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নের সময়ও বিতর্কিত ও সন্দেহভাজনদের বিষয়টি মাথায় রাখা হবে।
স্বচ্ছ ইমেজের নেতা নির্বাচনে প্রাথমিক কাজ গত বছরের মাঝামাঝি থেকেই শুরু হয়েছে। দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা বিশ্বস্তদের দিয়ে সারাদেশের জাতীয় নির্বাচনের আসনভিত্তিক প্রাথমিক জরিপ করিয়েছেন। বাকি কাজও দ্রুত শেষ করা হবে। এসবের অংশ হিসেবে সারাদেশে তৃণমূলের দ্বন্দ্ব নিরসনে মাঠে নেমেছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এর পাশাপাশি তারা নেতাদের জনপ্রিয়তাও যাচাই করবেন। এখন থেকেই দলের সিনিয়র নেতাদের নির্বাচন জরিপ সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। আর জাতীয় নির্বাচনের ল্যকে সামনে রেখে চলতি বছরে সংগঠন গোছানো, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সংগঠনের অভ্যন্তরীণ দলাদলি দূর করা, ঝিমিয়ে পড়া নেতাকর্মীদের চাঙা করার মতো কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। নেতারা মনে করেন, দল টানা মতায় থাকার ফলে সংগঠন অনেকাংশে অসংগঠিত হয়ে পড়েছে। নির্বাচনের আগেই তাই দলকে গুছিয়ে নিতে হবে। নেতাকর্মীদের মধ্যে টানাপড়েন রেখে নির্বাচন মোকাবিলা করা এবং তাতে বিজয় ছিনিয়ে আনা কষ্টসাধ্য কাজ হবে। নির্বাচনে দলের সর্বশক্তি প্রয়োগ করবে আওয়ামী লীগ। বিশেষ করে নির্বাচনকেন্দ্রিক কাজের পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- জনগণের দৃষ্টিগোচর করতে কাজ করবে আওয়ামী লীগ। দলটি ২৬ জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী যে সাংগঠনিক সফর শুরু করেছে এবং এ ল্েয সংগঠনকে গতিশীল ও নির্বাচনমুখী করার প্রত্যয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নেতৃত্বে যে ১৫টি টিম গঠন করা হয়েছে, সে টিমগুলোতে যে নেতারা থাকছেন তারা হলেনÑ দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারীতে তোফায়েল আহমেদ, রমেশ চন্দ্র সেন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, বিএম মোজাম্মেল হক ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরী; রংপুর জেলা, রংপুর মহানগর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় আমির হোসেন আমু, মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, বিএম মোজাম্মেল হক, টিপু মুন্সী, এইচএন আশিকুর রহমান ও ড. শাম্মী আহমেদ; চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী জেলা, রাজশাহী মহানগর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জে মোহাম্মদ নাসিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া, এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, নুরুল ইসলাম ঠা-ু, প্রফেসর মেরিনা জাহান। জয়পুরহাট, বগুড়া, নওগাঁ ও নাটোরে লে. কর্নেল মুহাম্মদ ফারুক খান (অব.), জাহাঙ্গীর কবির নানক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ডা. রোকেয়া সুলতানা ও মমতাজ উদ্দিন; বাগেরহাট, খুলনা জেলা, খুলনা মহানগর, সাতীরা, যশোর ও নড়াইলে পীষূষ কান্তি ভট্টাচার্য, আব্দুর রহমান, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, এসএম কামাল হোসেন ও অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন; মাগুরা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে কাজী জাফর উল্লাহ, মাহবুব-উল আলম হানিফ, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, দেলোয়ার হোসেন, এসএম কামাল হোসেন ও পারভীন জামান কল্পনা; বরিশাল জেলা, বরিশাল মহানগর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, আব্দুর রহমান, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ড. শাম্মী আহমেদ ও শ ম রেজাউল করিম; গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ীতে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্লাহ, লে. কর্নেল মুহাম্মদ ফারুক খান (অব.), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ডা. দীপু মনি, আব্দুর রহমান, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, বিএম মোজাম্মেল হক, একেএম এনামুল হক শামীম, হাবিবুর রহমান সিরাজ, দেলোয়ার হোসেন, আনোয়ার হোসেন ও ইকবাল হোসেন অপু; টাঙ্গাইল, শেরপুর ও জামালপুরে ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, ডা. দীপু মনি, মো. মেজবাহউদ্দিন সিরাজ, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মির্জা আজম, শামসুন নাহার চাঁপা ও মারুফা আক্তার পপি; নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ জেলা, ময়মনসিংহ মহানগর ও কিশোরগঞ্জে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, ডা. দীপু মনি, আহমদ হোসেন, মো. মেজবাহউদ্দিন সিরাজ, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, অসীম কুমার উকিল, মো. আব্দুছ ছাত্তার ও উপাধ্য রেমন্ড আরেং; সিলেট জেলা, সিলেট মহানগর, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে আবুল মাল আবদুল মুহিত, তোফায়েল আহমেদ, নুরুল ইসলাম নাহিদ, মাহবুব-উল আলম হানিফ, আহমদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মো. মেজবাহউদ্দিন সিরাজ, বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, অধ্যাপক রফিকুর রহমান ও গোলাম কবীর রাব্বানী চিনু; পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম উত্তর ও দণি, চট্টগ্রাম মহানগর ও কক্সবাজারে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, ড. হাছান মাহমুদ, একেএম এনামুল হক শামীম, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দীপংকর তালুকদার, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া ও আমিনুল ইসলাম টিমের নেতৃত্ব দেবেন।
এ ছাড়া কুমিল্লা উত্তর ও দণি, কুমিল্লা মহানগর, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আব্দুল মতিন খসরু, ডা. দীপু মনি, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, একেএম এনামুল হক শামীম, সুজিত রায় নন্দী, ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, র আ ম ওবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট নজিবুল্লাহ হিরু; নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনীতে নেতৃত্বে থাকছেন আব্দুল মতিন খসরু, মাহবুব-উল আলম হানিফ, একেএম এনামুল হক শামীম, ফরিদুন্নাহার লাইলী ও হারুনুর রশীদ।
ঢাকা জেলা, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দণি, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর, গাজীপুর, গাজীপুর মহানগর ও মানিকগঞ্জে ওবায়দুল কাদের, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, আব্দুল মান্নান খান, মোজাফফর হোসেন পল্টু, মুকুল বোস, ডা. দীপু মনি, ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, হাবিবুর রহমান সিরাজ, নুরুল মজিদ হুমায়ুন, আখতারুজ্জামান, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, মৃণাল কান্তি দাস, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সিমিন হোসেন রিমি এবং এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার টিমের নেতৃত্ব দেবেন।