প্রতিবেদন

অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাতৃভূমির স্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে দেশের ভাষা-কৃষ্টি শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে মর্যাদা দিতে হবে

মেজবাহউদ্দিন সাকিল
বইপ্রেমীদের পদচারণায় অমর একুশের বইমেলা এখন মুখরিত। প্রচলিত রেওয়াজ অনুযায়ী এবারও পহেলা ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমিতে মাসব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন করেন সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বইমেলা উদ্বোধনকালে মাতৃভূমির স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে দেশের ভাষা-কৃষ্টি, শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে মর্যাদা প্রদানের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, নিজেদের সংস্কৃতি, নিজেদের ভাষা, নিজেদের শিল্প-সাহিত্যকে যদি আমরা মর্যাদা দিতে না পারি, তার উৎকর্ষ সাধন করতে না পারি, তাহলে জাতি হিসেবে আমরা বিশ্বের দরবারে আরো উন্নত হতে পারবো না।
বাংলা একাডেমিতে মাসব্যাপী গ্রন্থমেলার উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মনে রাখতে হবেÑ অশুভ পথে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীরা কখনও ভাষা বা সংস্কৃতির চর্চা করতে জানে না। কারণ এদের মানসিকতা একটু ভিন্ন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের যে চেতনা সেই চেতনা নিয়েই বাংলাদেশকে গড়তে চান উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ হবে অসাম্প্রদায়িক, বাংলাদেশ হবে শান্তিপূর্ণÑ যে বাংলাদেশে প্রত্যেক ধর্মের মানুষ তাদের ধর্ম-কর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে, এমনকি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরাও তাদের ভাষার চর্চা করতে পারবে। তাছাড়া আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট গড়ে তুলেছি। সেখানে হারিয়ে যাওয়া মাতৃভাষা নিয়ে গবেষণা হবে।
অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি এবং এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বক্তৃতা করেন। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইব্রাহিম হোসেন খান এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি আরিফ হোসেন ছোটনও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন । বিদেশি অতিথিদের মধ্যে যুক্তরাজ্যের কবি ও লেখক এগনিস মিডোস, ক্যামেরুনের কবি ও সৃষ্টিশীল লেখক অধ্যাপক ড. জয়েস অ্যাসউনটেনটং, মিসরের লেখক ও প্রখ্যাত টেলিভিশন সাংবাদিক ইব্রাহিম এলমাসরি এবং সুইডেনের কবি ও সাহিত্য সমালোচক অরনে জনসন বক্তৃতা করেন। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০১৭ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এবারের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী ১২ জন কবি, সাহিত্যিক ও প্রবন্ধকারের হাতে প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট, সম্মাননা স্মারক এবং নগদ অর্থের চেক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে আলোকচিত্রে বাংলা একাডেমির ইতিহাস এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ শীর্ষক দুটি বই উপহার দেন বাংলা একাডেমির সভাপতি ও এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান এবং বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।
সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, জাতীয় সংসদের সদস্য, সরকারের পদস্থ সামরিক এবং বেসামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও অধ্যাপক, কূটনীতিক, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, প্রকাশকসহ দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ছায়ানটের শিল্পীদের পরিবেশনায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে একুশের গ্রন্থমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই সূচনা সংগীত আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্র“য়ারি পরিবেশিত হয় এবং অমর একুশের শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
২০১৭ সালের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ীরা হচ্ছেন কবিতায় কবি মো. সাদিক ও কবি মারুফুল ইসলাম, কথা সাহিত্যে মামুন হোসেন, প্রবন্ধে অধ্যাপক মাহবুবুল হক, গবেষণায় অধ্যাপক রফিক উল্লাহ খান, অনুবাদে লেখক আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যে মুক্তিযোদ্ধা কামরুল হাসান ভূঁইয়া ও সুরমা জাহিদ, ভ্রমণ কাহিনিতে শাকুর মজিদ, নাটকে অধ্যাপক মলয় ভৌমিক, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিতে মোশতাক আহমেদ এবং শিশু সাহিত্যে ঝর্ণা দাস পুরকায়স্থ।
বইমেলার উদ্বোধন করে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের ছাত্রছাত্রীরা এবং এখানে যারা উপস্থিত সকলকে এই আহ্বানই জানাবো সকলে বই পড়বে। বই পড়ার ভেতর যে আনন্দ, বই পড়লে যেমন জ্ঞান অর্জন করা যায়, তেমনি অনেক কিছুই ভুলে থাকা যায়। তবে এটা ঠিক আমাদের যা কিছু অর্জন সববিছুই রক্ত দিয়ে করতে হয়েছে। বিনা রক্তপাতে কোনোকিছুই পাইনি। আজকে আমরা স্বাধীন জাতি, আমাদের মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার থেকে শুরু করে বাঙালি জাতি হিসেবে বিশ্বের দরবারে যে মর্যাদার আসন, সে আসনও আমাদের বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে অর্জন করতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ’৭৫-এর বিয়োগান্ত অধ্যায় স্মরণ করে বলেন, আমরা সমগ্র বিশ্বে একবার মর্যাদা পেয়েছিলাম ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মধ্য দিয়ে। যা ভূলুণ্ঠিত হয়েছিল ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে। তখন আমরা খুনি জাতি হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হয়েছিলাম। আজকে সেই খুনিদের আমরা বিচার করেছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি ও করছি এবং আমাদের জাতীয় পতাকাকে সমুন্নত করে বাংলাদেশকে বিশ্ব সভায় আবারো একটা মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছি। আর্থসামাজিকভাবে আজ বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার দিক থেকেও আমরা পিছিয়ে নেই, এগিয়ে যাচ্ছি।
নিজের বইমেলায় আগমনের স্মৃতি রোমন্থন করে শেখ হাসিনা বলেন, আমার শুধু একটাই দুঃখ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার ফলে এখন আর আগের মতো এই বইমেলায় আসতে পারি না। এটাই সবচেয়ে দুঃখের, হাত-পা বাঁধা কী করবো। সবাই যখন আসেন দেখি, তখন এখানেই মনটা পড়ে থাকে। আর আমি বন্দিখানায় পড়ে থাকি। বন্দিখানা এই অর্থেই বলবো, যখন কারাগারে ছিলাম সেটা ছিল ছোট কারাগার আর এখনতো সরকারপ্রধান হিসেবে অনেক দায়িত্বে থাকতে হয়, ব্যস্তও থাকতে হয়। আবার অনেক কিছু মেনেও চলতে হয়। তাই ইচ্ছে থাকলেও অনেক সময় তা করা হয়ে ওঠে না।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় তাঁর বাসায় আগের মতো এখনও বই পড়ার চর্চা অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে বলেন, বই পড়ার চর্চা আগেও ছিল, এখনও আছে। আমরা ছোটবেলায় ১০ টাকা করে পেতাম বই কিনতে। রূপকথার বই, দস্যু বনহুর থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে উপন্যাস পড়া। এভাবেই ধাপে ধাপে আমরা বই পড়ে গেছি। তাই আমাদের ছেলে-মেয়েদেরও বই পড়াটা অনেকটা নেশার মতো। এখন ভালো লাগে যখন দেখি নাতি-পুতিরাও বই পড়ে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ছোট্ট বেলাতেই তাদের (নাতি-পুতিদের) ঘরের এককোণে একটি ছোট্ট জায়গায় একটি সেলফ করে বলে দিই এটা তোমার বইয়ের লাইব্রেরি। এখানে বসে তোমরা পড়বে। একবারে ছোট্ট যখন মাত্র দু’এক বছর বয়স, হাঁটতে শেখে সে সময়ই এগুলো করে দেই।
প্রধানমন্ত্রী এ পর্যায়ে বলেন, এই বই পড়ার চর্চাটা ছোটবেলা থেকে হলেই কিন্তু‘ আস্তে আস্তে তা অভ্যাসে পরিণত হয়। বই পড়লে বিশ্বকে জানা যাবে। এখন ডিজিটাল যুগ বই হাতেও পড়া লাগে না, বই হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। এ সময় ছেলেমেয়েরা আর আগের মতো লাগেজ ভর্তি করে বই না এনে হাতের মুঠোয় ট্যাবে বা আইপ্যাডে করে বই নিয়ে আসে বলে আগের মতো তৃপ্তি মেলে না বলেও আক্ষেপ করেন প্রধানমন্ত্রী। আইপ্যাডে বই পড়া গেলেও ছাপার অক্ষরে লেখা বইই তাঁর পড়তে বেশি ভালো লাগে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি হাতে বই নিয়ে পাতা উল্টে পড়লে তার মধ্যে একটা আলাদা আনন্দ আছে। এটা হলো বাস্তবতা। কাজেই বই আরো ছাপা হোক, আরো সুন্দর হোক সেটাই আমি চাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাংলা একাডেমিতে এখন বইমেলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন হচ্ছে। পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষার বই বাংলায় অনুবাদ হচ্ছে, আমাদের বাংলা ভাষার লেখাগুলোও বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হচ্ছে। প্রতিবার যখন বইমেলা হয় তখন কোনো না কোনো দেশের কবি-সাহিত্যিকরা এখানে উপস্থিত হন। যাদের অনেকেই বাংলা ভাষার চর্চা করেন, তারা আমাদের উৎসাহিত করেন এবং বাংলা ভাষার মর্যাদা বিশ্বে আরো বৃদ্ধি পায়। ১৯৭৪ সালে বিশ্বের খ্যাতনামা কবি-লেখক-প-িতগণের অংশগ্রহণে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রথম বাংলা সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এর উদ্বোধন করেছিলেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন থেকে ভাষার দাবি আদায়ে ১৯৫২ সালের অমর একুশে ফেব্র“য়ারিতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্র-জনতার বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেয়া পর্যন্ত বাঙালির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে থাকার সময় কানাডা প্রবাসী বাঙালি প্রয়াত রফিকুল ইসলাম এবং আবদুস সালামের উদ্যোগে এবং তাঁর সরকারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইউনেস্কোর মাধ্যমে অমর ২১শে ফেব্র“য়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার কথাও উল্লেখ করেন।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি বাঙালি জাতি এবং বাংলা ভাষাকে আজকে বিশ্বের দরবারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ আড়াই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সামরিক ও বেসামরিক নেতৃবৃন্দের ভাষণের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের মতো যেসব ভাষণ মানুষকে স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত করেছিল, সে রকম ৪১টি ভাষণ নিয়ে ব্রিটিশ লেখক-গবেষক জ্যাকব এফ ফিল্ড ‘উই শ্যাল ফাইট অন দ্য বিচেস’ নামে যে বই বের করেন তাতেও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ স্থান করে নিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এই পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বাঙালি জাতি আজকে আন্তর্জাতিকভাবে যে স্বীকৃতি ও মর্যাদা পেয়েছে তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী সরকারের উন্নয়ন কর্মকা-ের আলোকে দেশের ঐতিহ্য ও কৃষ্টিকে ধরে রাখায় তাঁর সরকার বরাবরই আন্তরিক বলে উল্লেখ করে বলেন, বইমেলা কিন্তু কেবল বই কেনাবেচার জন্য নয়। বইমেলা কিন্তু আকর্ষণ করে। আমাদের সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রটা প্রসারিত করে। অজানাকে জানার সুযোগ করে দেয়। কাজেই আমরা নিজেরাই এই বইমেলাকে বলি এটা আমাদের প্রাণের মেলা। তিনি বলেন, প্রত্যেক ফেব্র“য়ারি মাসে দেশে অনুষ্ঠিত এই বইমেলা দেশের অনেক নবীন লেখককে তাদের সাহিত্যকর্ম প্রকাশের সুযোগ করে দেয় আবার অনেক পাঠক সৃষ্টি করে। তিনি লেখক, পাঠক এবং পরিবেশক সকলকেই অভিনন্দন জানান এই মেলার মধ্য দিয়ে মানুষের জ্ঞান চর্চার দ্বারকে উন্মুক্ত করে দেয়ার জন্য।
পরে প্রধানমন্ত্রী বইমেলার স্টলগুলো ঘুরে দেখেন এবং প্রকাশক ও বিক্রেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মেলার বাংলা একাডেমি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ৫ লাখ বর্গফুট এলাকায় ৪৫৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৭১৯টি ইউনিট এবং বাংলা একাডেমিসহ ২৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার ৫৩৬ বর্গফুট আয়তনের ২৫টি প্যাভেলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ১৩৬টি লিটল ম্যাগাজিনকে লিটল ম্যাগাজিন কর্নারে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ছুটির দিন ব্যতীত বইমেলা প্রতিদিন বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা এবং ছুুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকছে। ২৮ ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেলেই সেমিনার এবং সন্ধ্যায় মেলা উপলক্ষে বাংলা একাডেমি চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে।