অর্থনীতি

ভারতের অর্থায়নে ৫ জেলায় ৩৬ কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভারত সরকারের অর্থায়নে এইড টু বাংলাদেশ প্রোগ্রামের আওতায় ৫ জেলায় ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণের অংশ হিসেবে ৪ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের চেচানে এ প্রকল্পের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এ মোহী, পিএসসি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
দেশের প্রান্তিক জনগণের দোরগোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করার লক্ষ্যে এ প্রকল্পে অর্থায়ন করছে ভারত সরকার। এর প্রতিটি ক্লিনিকে প্রায় ৬ হাজার মানুষকে সেবা দেয়া সম্ভব। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য পরিষেবাগুলোকে গুরুত্ব প্রদান করা হবে। তাছাড়া ভারত বাংলাদেশের শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, পানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য খাতে বিভিন্ন ধরনের প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থা, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকার বিবেচনা করে এসব প্রকল্প নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া গত ৫ বছরে ভারতের এইড টু বাংলাদেশ প্রোগ্রামের আওতায় ১১২ কোটি টাকায় মোট ২৯টি প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
ভারতের এইড টু বাংলাদেশ প্রোগ্রামের আওতায় কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। ২০১৭ সালের ২৩ অক্টোবর প্রকল্পটি গৃহীত হয়। সে সময় সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ও বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম প্রকল্পটি চূড়ান্ত করেন। এই প্রকল্পে মোট ৯ কোটি টাকায় বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জামালপুর এবং শেরপুর এই ৫ জেলায় ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মিত হবে। প্রকল্পের কাজ শুরু করতে ইতোমধ্যে ভারত সাড়ে ৪ কোটি টাকা দিয়েছে।
জানা যায়, বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর-এইচইডি’র তত্ত্বাবধানে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর নির্মাণ কাজ চলছে। এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এ মোহী, পিএসসি স্বদেশ খবরকে বলেন, নির্মাণ কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সক্রিয় উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।