কলাম

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের গড়িমসি গ্রহণযোগ্য নয়

আহমেদ আমিনুল ইসলাম
ঘনিয়ে আসছে বর্ষাকাল। বর্ষাকালে পাহাড়ি অঞ্চলে রোহিঙ্গা আশ্রয় কেন্দ্রসমূহে নানা ধরনের বিপদের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পাবে। তখন তাদের জীবন আরো বিপন্নতায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়বে। সুতরাং বর্ষার আগে রোহিঙ্গাদের বসবাসের জায়গাগুলোতে সক্রিয় নজরও দিতে হবে।
রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের লাখ লাখ মানুষ আজ বাস্তুচ্যুত। নিজ দেশের শাসকের অত্যাচারে জন্মভূমি থেকে উচ্ছেদ হওয়া দিশেহারা এসব মানুষ ভিন্ন একটি রাষ্ট্রে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে নিয়মকানুনের বেড়াজালে কোনো রকমে বেঁচে-বর্তে আছে। দেশ থেকে বিতাড়িত দেশহীন এসব মানুষের এই বেঁচে থাকার আদৌ কোনো অর্থ আছে কি? আছে কি কোনো সদর্থ? কেন এসব মানুষের বাস্তুত্যাগ, কেন এসব মানুষ স্ব-স্ব জন্মভূমি থেকে বিতাড়িত, কেন এসব মানুষ সীমানার কাঁটাতার পেরিয়ে ভিনদেশে আশ্রিত অনাহূত অতিথি? রোহিঙ্গা ইস্যুতে তামাম দুনিয়ায় তীব্র সমালোচনা আছে। অথচ এই সমস্যার সমাধানে দুনিয়ার অনেকের মধ্যেই সক্রিয় তৎপরতা দেখা যায় না। সুতরাং ভাবা অমূলক নয় যে, বাংলাদেশকেই এর সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশের পক্ষে শক্তিতে ও সামর্থ্যরে চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব নয়। কারণ সেটি করতে হলে বাংলাদেশকে সহিংস পথে হাঁটতে হবে, প্রয়োগ করতে হবে সামরিক শক্তি। এটি বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়, উচিতও নয়। সর্বশেষ আশার বিন্দু পর্যন্ত বাংলাদেশকে ‘আলোচনা’ নামের এক রহস্যের ঘুরপাকের মধ্য দিয়েই হাঁটতে হবে। এই হাঁটার পথে যতটুকু সাফল্য আসে ততটুকুতেই আবার শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে সন্তোষ প্রকাশ করতে হবে। এই কি তবে বিধিলিপি!
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের গৃহীত নানামুখী উদ্যোগ মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক ‘চাপ’ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে তা সত্য। কিন্তু কার্যত সেই চাপ দৃশ্যমান কোনো ফলাফল বয়ে আনছে না। একের পর এক চুক্তি, তালিকা প্রণয়ন ও হস্তান্তর, যাচাই-বাছাইসহ বিভিন্ন রকমের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের পরও রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে মিয়ানমারের ‘টালবাহানা’ ছাড়া আর কিছুই দৃশ্যমান হচ্ছে না। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার সূত্রে জানা গেছে এপ্রিলের ৪ তারিখ পর্যন্ত মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মধ্য থেকে মাত্র ৫৫৬ জনকে ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে। যদিও সে দেশের অভিবাসন ও জনসংখ্যা বিষয়ক দপ্তর থেকে জানা যায় ৬৭৫ রোহিঙ্গাকে তারা ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত আছে! অথচ বাংলাদেশে আশ্রিত নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ৯৬ হাজার ৯৬৭ জন। আর এর বাইরে নানাভাবে রয়ে গেছে কিছুসংখ্যক অনিবন্ধিত রোহিঙ্গাও। সুতরাং প্রত্যাবাসনের বর্ণিত সংখ্যাটি এক রকম মর্মান্তিক রসিকতা ছাড়া আর কী হতে পারে তা আমাদের জানা নেই! মিয়ানমারের এহেন আচরণে আমরা ক্ষুব্ধ। কিন্তু ক্ষুব্ধ হলেও হতাশা প্রকাশ ছাড়া আমাদের করণীয় খুবই সীমিত। সম্প্রতি ঢাকায় সফররত অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব সলিল শেঠির সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের সম্পাদিত চুক্তির এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এদিকে আবারো জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুটেরেজ রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও মানবতার ধাত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনি ও জাতিসংঘ বাংলাদেশের পাশে আছে বলেও নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া আমরা অল্প কিছুদিন আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মনোভাবও অবগত হয়েছি। তিনিও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। আর সম্প্রতি আমরা দেখছি ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রোদ্রেগো দুতার্তে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফিলিপাইনে আশ্রয় প্রদানের কথা ঘোষণা করেছেন। এ প্রক্রিয়া কিভাবে শুরু হবে জানি না।
মিয়ানমারের সঙ্গে সুস্থ আলোচনায়ও আমাদের পক্ষে পেরে ওঠা কঠিন। কারণ এক ধরনের অন্ধ গোঁয়ার্তুমি মিয়ানমারের সব নাগরিক এমনকি রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মধ্যে বিদ্যমান। সরকারের মধ্যে এই গোঁয়ার্তুমি সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সচিব ও মন্ত্রী পর্যায়ের একাধিক সফর, আলোচনা, সমঝোতা, চুক্তি কত কিছুই না হয়েছে। সর্বশেষ মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী উইন মিয়াত আয়ে ঘুরে গেলেন। কিন্তু কোনো আলোচনা, সমঝোতা বা চুক্তি এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের প্রত্যাশিত ফল তো বয়ে আনেইনি বরং সফর শেষে কিংবা আলোচনার শেষে তা যেন জটিল থেকে আরো জটিলতর হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক কোনো নিয়মনীতি তো দূরের কথা প্রতিবেশী দেশ হিসেবে মিয়ানমার বাংলাদেশের সঙ্গে মিনিমাম শিষ্টাচারটুকুও রক্ষা করছে না। বিভিন্ন সময় মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা শিশু-কিশোরসহ ১১ লাখ অতিক্রম করেছে। প্রায় ১৭ কোটি মানুষের এই দেশে বাড়তি এই চাপ বাংলাদেশের জন্য এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। বিশেষত যখন আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হতে যাচ্ছি তখন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর এই বাড়তি চাপ আমাদের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে সন্দেহ নেই।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে কয়েকটি প্রশ্ন আমাদের মাথায় কেবল ঘুরঘুরই করে না বরং এক প্রকার তাড়িতও করে ফেরে। যেমন ১. সে দেশের সুশীল নাগরিকের অস্তিত্ব। ২. সাধারণ মানুষের মধ্যে মানবিক অনুভূতির চর্চা ও প্রকাশ। ৩. সেনা শাসক কিংবা সু চি সমর্থিত রাজনৈতিক বলয়ের বাইরে ভিন্ন কোনো রাজনৈতিক বলয়ের অস্তিত্ব ও তাদের বক্তব্য ইত্যাদি। এছাড়াও নিশ্চয়ই দেশটিতে আছে মানবাধিকার কোনো না কোনো সংস্থার কার্যক্রম। বিমর্ষ বদনে ভাবি যে, ওপরের সবগুলো প্রত্যয় মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ইস্যুতে এতটা নীরব কেন? কেনইবা এতটা স্থবির? অবশ্য এক ধরনের সান্ত¡না খুঁজে পাওয়া যায় তখন যখন মনে হয়, একটি দেশে সেনাশাসন দীর্ঘস্থায়ী হলে সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে সব ধরনের স্বতঃস্ফূর্ততা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তারই প্রমাণ পাওয়া গেল রোহিঙ্গা প্রশ্নে ওপরে বর্ণিত সব পক্ষই যখন মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকে তখন। শুধু কি তাই, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি না দিতেও তারা যেন সেনাশাসকের চেয়ে আরো কয়েক ধাপ এগিয়ে! শত শত বছর ধরে পুরুষানুক্রমে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে বসবাস করে আসছে কিন্তু তাদের অধিকাংশের ভাষা বাংলা বলে রাষ্ট্র তাদের নাগরিকত্ব দানে অস্বীকৃতি জানিয়ে দেবে এটা মানবিক দুনিয়ায় কী করে সম্ভব তা আমাদের বোধে আসে না। বিশ্বের অনেক বিবেকবান মানুষ, পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী ব্যক্তি, গণমাধ্যম কর্মী, মানবাধিকার কর্মী, নোবেল বিজয়ী ব্যক্তিরা এসেছেন বিপর্যস্ত রোহিঙ্গাদের দেখার জন্য। তারা এসেছেন মানবতার বার্তা নিয়ে। তারা তাদের সেই বার্তা মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পদাধিকারীদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আমরা দেখেছি সর্বক্ষেত্রেই মিয়ানমারের মূক-বধির অবস্থা! তারা দেখেও দেখে না। বিশ্বের সম্মানিত নাগরিকের অনুরোধ-উপরোধ মিয়ানমারের রাষ্ট্রযন্ত্রের কারো কানেও পৌঁছায় না!
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মানবিক আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মানবিক বিশ্বের কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। কিন্তু মানবিক বিশ্বের কাছে এখন বাংলাদেশের প্রত্যাশা রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক প্রত্যাবাসন। বাংলাদেশ আশা করে মানবিক বিশ্ব হোক কিংবা চাণক্যকৌশলে ঘেরা রাজনৈতিক বিশ্বই হোক বাংলাদেশের সমস্যাকে অনুভব ও উপলব্ধির মাধ্যমে উদ্ভূত সংকট নিরসনে তারা এগিয়ে আসবে। কিন্তু বাংলাদেশের এ প্রত্যাশার সঙ্গে বিশ্বের কোনো ধারার ভাবুকদের চিন্তার সাঙ্গীকরণ ঘটছে না। অদূর ভবিষ্যতে তা যে ঘটবে তেমন কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না। সুতরাং একটি বিষয় পরিষ্কার যে, বাংলাদেশকে রোহিঙ্গা সমস্যার ভার দীর্ঘদিন বহন করতে হবে। দীর্ঘদিন রোহিঙ্গা সমস্যার ভার বহন যে করতে হবে তার অন্তত কিছু দৃষ্টান্ত আমরা দেখতে পাই রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে বাংলাদেশের আন্তরিকতা ও উদ্যোগ দেখে। আমরা দেখতে পাচ্ছি মানবেতর জীবনযাপনের দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে সরকার পার্বত্য এলাকা থেকে উপচেপড়া রোহিঙ্গাদের অন্যত্র সরিয়ে নিতে সক্রিয় হচ্ছে। মোটামুটি পরিকল্পিত উপায়ে রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের এরূপ উদ্যোগ দেখে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন সম্পর্কে সন্দেহও ঘনীভূত হয়।
বিশ্বের কোনো সংস্থা, কোনো রাষ্ট্র, প্রভাবশালী কোনো ব্যক্তি এখন পর্যন্ত মিয়ানমার তথা অং সান সু চি কিংবা সেনাশাসকদের ওপর কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হতে পারেনি। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের নানা উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে মিয়ানমারের ওপর ন্যূনতম হলেও এক ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলেই শেষ পর্যন্ত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধি দলকে মিয়ানমার পরিদর্শন করতে দিতে সম্মত হয়েছে। দীর্ঘদিন পর এটি একটি অগ্রগতি বলা যায়। আরো একটি বিশেষ অগ্রগতি হলো কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর বিশেষ দূতের প্রতিবেদন দাখিল করা। এই প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ট্রুডোর ইতিবাচক মনোভাব রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা করা যায়। সুতরাং এ কথা স্পষ্ট যে, বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক শক্তিতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আরো ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে মিয়ানমারের ওপর আবারো নতুন করে অবরোধ আরোপের বিষয়ে আরো সক্রিয়ভাবে আন্তর্জাতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। আমরা জানি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দেশটির গণতন্ত্র ও মানবাধিকার চর্চার পথ সুগম করতে দীর্ঘদিনের অবরোধকে তুলে নিয়েছিল। কিন্তু আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আজ এ প্রশ্ন তো করতেই পারিÑ যে লক্ষ্যে মিয়ানমারের ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছিল তার শর্তগুলো মিয়ানমার কতটুকু পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে? কার্যত এটিই এখন আন্তর্জাতিক বিশ্বের অনুসন্ধানের বিষয় হওয়া উচিত।
মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বিতাড়নের ফল হিসেবে বাংলাদেশ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ক্ষতি নানামুখী। সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের জীবন ধারণে প্রতিকূলতা সৃষ্টিসহ পরিবেশকেও করছে বিপর্যস্ত। বিস্তৃত অঞ্চলের বনভূমি এখন রোহিঙ্গাদের বিচরণে বিরানভূমিতে পরিণত হয়েছে। এতে করে ভবিষ্যতে মারাত্মক বৈরী পরিবেশ সৃষ্টি হবে। রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি এরই মধ্যে মারাত্মক হুমকির মুখে পতিত হয়েছে। এ দিকে আবার ঘনিয়ে আসছে বর্ষাকাল। বর্ষাকালে পাহাড়ি অঞ্চলে রোহিঙ্গা আশ্রয় কেন্দ্রসমূহে নানা ধরনের বিপদের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পাবে। তখন তাদের জীবন আরো বিপন্নতায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়বে। সুতরাং বর্ষার আগে রোহিঙ্গাদের বসবাসের জায়গাগুলোতে সক্রিয় নজরও দিতে হবে। তা না হলে সেখানে আবার অনাকাক্সিক্ষত মানবিক বিপর্যয়ও দেখা দিতে পারে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা বিশ্ববাসীর সক্রিয়তা আশা করি।
লেখক : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়