কলাম

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদান

অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস
চলতি বছর (২০১৮) জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ ৩০ বছর পূর্ণ করল। আর শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা প্রশংসিত হচ্ছেন দেশ-বিদেশে। শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুটেরেজ বলেছেন, মানবাধিকার সুরক্ষার পাশাপাশি গোলযোগপূর্ণ অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সেনাদের ভূমিকা আমাকে মুগ্ধ করেছে। বাংলাদেশের মহিলা পুলিশ দল সোচ্চার রয়েছেন সামাজিক-সম্প্রীতি সুসংহত করতে। আমি কোনো মিশনে গেলেই উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশের সেনাদের কথা বলি।’
জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রশংসা অর্জন আমাদের জন্য সত্যিকার অর্থেই গৌরবের। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, শান্তিরক্ষা মিশনে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের ব্যাপক সুযোগ করে দেয়া আওয়ামী লীগ সরকারের অঙ্গীকার। তার মতে, ‘বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক শান্তি আর সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন। সে দীক্ষায় দীক্ষিত হয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে সবাই বিশ্বশান্তি বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর। সেই আলোকেই বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন।’ প্রকৃতপক্ষে নিজেদের জীবন বিপন্ন করে বিভিন্ন দেশের জাতিগত সংঘাত মোকাবিলা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের রাস্তাঘাট, অবকাঠামো নির্মাণ ও চিকিৎসাসেবায় আমাদের শান্তিরক্ষীরা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় বিশ্বব্যাপী তারা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছেন। অর্থাৎ বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর বড় অংশ এবং পুলিশ ও অন্য সদস্যরা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছেন। দেশের প্রতিরক্ষার জন্য প্রশিক্ষণ আর জনগণের জন্য ভালোবাসা এই দুটি বিষয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর দেশপ্রেম। এখন বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী একটি পরিচিত ও আস্থার প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি পৃথিবীর যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দুর্যোগময় পরিবেশে শান্তি স্থাপন করে অপরিচিত দেশের অচেনা মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণকারী বেশকিছু সেনাকর্মকর্তা তাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন। যেমন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বায়েজিদ সরোয়ার লিখেছেন ‘কম্বোডিয়া’, ‘কুর্দিস্তানের দিনগুলি’ লিখেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামস। আরও অনেকের গ্রন্থ রয়েছে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ নিয়ে। ফলে শান্তি মিশনের অভিজ্ঞতা নিয়ে এ দেশে ‘সামরিক সাহিত্যে’র একটি ভিন্ন ধারা সৃষ্টি হয়েছে।
২.
জাতিসংঘ সনদের ষষ্ঠ অধ্যায়ে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা এবং সপ্তম অধ্যায়ে শক্তি প্রয়োগের বিধান রয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম সংঘর্ষে লিপ্ত দু’পক্ষের সম্মতি এবং মতৈক্যের ওপর ভিত্তি করে শুরু হয়। শান্তিরক্ষা বাহিনীকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো কর্তৃক অনুমোদিত একটি শান্তিচুক্তি বা শান্তিব্যবস্থা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে মোতায়েন করা হয়। এ পর্যন্ত জাতিসংঘের ৬৮টি মিশনের মধ্যে ৫৪টিতে ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৮৫ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী সদস্য অংশগ্রহণ করেছে। শান্তিরক্ষী কার্যক্রমে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সদস্য সংখ্যা ৮ হাজার ৯৩৬ জন, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ। ১৯৮৮ সালে ইরাক-ইরান শান্তি মিশনে যোগদানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ জন সদস্য জাতিসংঘের পতাকাতলে একত্রিত হয়। বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী শান্তি মিশনে যোগ দেয় ১৯৯৩ সালে। বাংলাদেশ পুলিশ ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ পরিবারের সদস্য হয় নামিবিয়া মিশনের মাধ্যমে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীরা মিশন এলাকায় বিবদমান দলকে নিরস্ত্রীকরণ, মাইন অপসারণ, সুষ্ঠু নির্বাচনে সহায়তা প্রদান, সড়ক ও জনপথ এবং স্থাপনা তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। কঙ্গো, নামিবিয়া, কম্বোডিয়া, সোমালিয়া, উগান্ডা/রুয়ান্ডা, লাইবেরিয়া, হাইতি, তাজিকিস্তান, কসোভো, জর্জিয়া, পূর্ব তিমুর প্রভৃতি স্থানে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ একটি উজ্জ্বল নাম। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গত ৩০ বছরে এ দেশের ১৪২ জন প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন। অর্থাৎ জাতিসংঘ শান্তি মিশনে সেনা, নৌ, বিমান বাহিনীর শতাধিক সদস্য শহীদ হয়েছেন; পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন ১৪ জন। অন্যদিকে ২০০০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১৭ বছরে শান্তিরক্ষা মিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আয় হয়েছে ১৬ হাজার ৪৩৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। উল্লেখ্য, এ সরকারের আমলে যে বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আছে তার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন থেকে আয়। মূলত বিশ্বের বিভিন্ন যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাতিসংঘের বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। কারণ বিশ্বের সকল প্রান্তের দুর্গত, নিপীড়িত ও নিরীহ মানুষের সেবায় এ শান্তিরক্ষীদের হাত সর্বদা প্রসারিত। আগেই উল্লেখ করেছি, সংঘাতপূর্ণ ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নিজের জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়েও তারা আর্তমানবতার সেবা করে চলেছে।
শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছেÑ ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়।’ বিশ্বের বিরোধপূর্ণ স্থানে জাতিসংঘের ডাকে শান্তি স্থাপন করা এ জন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জরুরি দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হচ্ছে। জাতিসংঘকে শান্তি স্থাপনে সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমাদের সুশিক্ষিত ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী থাকাটা অন্যতম শর্ত। আজকের পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ধ্যান-ধারণা ও চিন্তা-চেতনার আধুনিকায়ন করে যেতে হচ্ছে। কারণ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিচিত্ররকম আবহাওয়ায় আমাদের সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করছে। হাইতি থেকে পূর্ব তিমুর, লেবানন থেকে কঙ্গো পর্যন্ত বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় তাদের পদচারণা। বসনিয়ার তীব্র শীত, সাহারা মরুভূমির দুঃসহনীয় গরম ও পূর্ব এশিয়ার ক্লান্তিকর আর্দ্রতার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে রাত-দিনের দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে চলেছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী। বিশ্ব মানবতা প্রতিষ্ঠায় আমাদের শান্তিরক্ষী বাহিনীর রয়েছে অসামান্য অবদান। কারণ ভিন্ন ভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, জাতি, গোষ্ঠী রয়েছে; রয়েছে বিচিত্র রাজনৈতিক মতাদর্শ। এসব সামাজিক ভেদাভেদ ও অর্থনৈতিক বৈষম্যকে পেছনে ফেলে সবাইকে নিয়ে সহাবস্থান নিশ্চিত করছে শান্তিরক্ষীরা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রায় দু’শ আর্মার্ড পারসোনাল ক্যারিয়ার, অস্ত্র ও গোলাবারুদ এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক যানবাহন নিয়ে তাদের অপারেশন পরিচালনা করছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী দুটি যুদ্ধজাহাজ ওসমান ও মধুমতি লেবানন এবং ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় সর্বদা টহলের কাজে মোতায়েন রয়েছে। মিশন এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভ্যন্তরীণ নদীপথগুলোতেও তাদের সতর্ক প্রহরা দেখা যায়। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বিআর-১৩০ এয়ারক্রাফট, এমআই-১৭ ও বেল হেলিকপ্টারের মাধ্যমে কঙ্গো ও আইভরিকোস্টে জরুরি সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন, উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ তৎপরতায় দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ পুলিশের অনেক সদস্য মিশন এলাকার স্থানীয় প্রশাসনকে দাঙ্গা দমনে সহায়তা দিচ্ছে। বিশ্বের বিশৃঙ্খল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করে শান্তি স্থাপনে সাফল্য অর্জন করাও বাংলাদেশ মিশনের শান্তি প্রকল্পের অন্যতম কাজ। শান্তিরক্ষী হিসেবে বাংলাদেশি নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ সশস্ত্র বাহিনীর ইতিহাসে একটি মাইলফলক। জাতিসংঘের মহাসচিব ও শান্তিরক্ষা মিশনের দায়িত্বে থাকা হার্ভে ল্যাডসাউসহ বিশ্ব নেতারা এ দেশের নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের ব্যাপক প্রশংসা করেছেন।
অন্যদিকে বাংলাদেশবিরোধী সংস্থাগুলো বর্তমান সরকারের প্রতি সেনাবাহিনীর আনুগত্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেয়েছে। বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থাকে প্রতিপক্ষ হিসেবে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে শান্তিরক্ষী প্রেরণে বাধা দেয়ার চেষ্টা করছে। অথচ এ দেশের বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে বৈরী সম্পর্ক অনুপস্থিত। বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে নানা ধরনের সংগঠনের উসকানি কোনো কাজে লাগছে না। কারণ প্রতিটি বাহিনীর রয়েছে পেশাদারি আচরণ। তাছাড়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা মান্য করার সংস্কৃতি চালু হয়েছে। তবুও বিভিন্ন অপপ্রচার থেকে রাষ্ট্রকে রক্ষার পাশাপাশি রাষ্ট্রের অনিবার্য অঙ্গ সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে অপপ্রচার মোকাবিলায় মিডিয়ার কার্যকর ভূমিকা রাখা জরুরি। বলা যায়, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা মিশনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার সফল হয়নি। এ দেশের সবাই জানেন, গত ৩০ বছর অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশন। ভয়ভীতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশি সদস্যরা শান্তির বার্তা নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। ২০১৪ সালের ২৬ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বাংলাদেশ থেকে শান্তিরক্ষী নিয়োগ না দেয়ার জন্য সে সময় বাংলাদেশ সফরকারী জাতিসংঘের কর্মকর্তা হার্ভে ল্যাডসাউ বরাবর দাবি উত্থাপন করেছিলেন। অন্যদিকে ২৫ জুলাই (২০১৪) আদিলুর রহমান বিডিনিউজ২৪ডটকম-এ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে একটি মন্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশ করেন আর ২৬ জুলাইয়ের ওই সংবাদ সম্মেলনে ৩০ আগস্টের (২০১৪) পর কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন। তাদের সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি বলেই আমরা অত্যন্ত সফলভাবে ৩০ বছর পূর্তি পালন করতে সক্ষম হয়েছি।

শেষ কথা
মূলত তিন দশক ধরে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ উৎসাহব্যঞ্জক। শান্তিরক্ষা মিশনে সেনা মোতায়েনের সংখ্যার বিচারেও দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষস্থান দখল করে আছে বাংলাদেশ। এটা সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব ও সক্ষমতার কারণেই। এতে করে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্রমেই উজ্জ্বলতর হচ্ছে। তাই এই ধারা অব্যাহত রাখা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সমুন্নতি বিধানের জন্য বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বিশ্ব শান্তি স্থাপনের ভূমিকাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করা দরকার। জাতিসংঘের মহাসচিবসহ শান্তিরক্ষা মিশনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা সেই কথাই স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বারবার। এমতাবস্থায় আমরা মনে করি, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরাই এদেশের সক্ষমতা ও উজ্জ্বল ভাবমূর্তি বিশ্ববাসীর কাছে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরছেন।
লেখক: অধ্যাপক এবং পরিচালক
জনসংযোগ তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়