প্রতিবেদন

গ্রামীণ স্বাস্থ্য সেবার নির্ভরতার প্রতীক শেখ হাসিনার কমিউনিটি ক্লিনিক

নিজস্ব প্রতিবেদক : অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও শিক্ষার ন্যায় চিকিৎসাও মানুষের একটি মৌলিক অধিকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার সারাদেশের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের পরশ পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি সর্বত্র স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে গত সাড়ে ৯ বছর ধরে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত আগ্রহে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে কমিউনিটি কিনিক। গ্রামীণ নারী ও শিশুদের চিকিৎসা সেবার ভরসাস্থল হয়ে উঠেছে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গড়ে ওঠা কমিউনিটি কিনিকগুলো। সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে ডায়রিয়া কিংবা অন্যান্য অসুখ হলেও এসব কিনিকে ছুটে যান তারা। কমিউনিটি কিনিকগুলোতে সরকারের তরফ থেকে পর্যাপ্ত ওষুধ ও সরঞ্জামাদি সরবরাহ করায় জেলা ও উপজেলা হাসপাতালের বিকল্প হয়ে উঠেছে কমিউনিটি কিনিক। গরিবের হাসপাতাল হিসেবে ইতোমধ্যে নাম কুড়িয়েছে শেখ হাসিনার নিজস্ব পছন্দের প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত কমিউনিটি কিনিক।
জানা যায়, গ্রামীণ জনপদে গড়ে ওঠা এসব কমিউনিটি কিনিক পরিচালনায় স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিরাও অংশ নিচ্ছেন। বর্তমানে দেশে ১৩ হাজারের বেশি কমিউনিটি কিনিক রয়েছে। এসব কিনিকের মাধ্যমে গর্ভবতী মায়েদের প্রসব-পূর্ব ও পরবর্তী স্বাস্থ্যসেবা, প্রজননস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, টিকাদান কর্মসূচি, পুষ্টি, স্বাস্থ্য-শিা, পরামর্শসহ বিভিন্ন সেবা দেয়া হয়। কোনো কোনো অঞ্চলে স্থানীয় পর্যায়ে কমিউনিটি কিনিকের মাধ্যমে শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাও কাজ করছে সহযোগী হিসেবে।
নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা থানার রায়পুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া কমিউনিটি কিনিকের স্বাস্থ্যসেবা সহকারী (কমিউনিটি হেলথ প্রোভাইডার) মোফাজ্জল হোসাইন স্বদেশ খবরকে জানান, গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই দরিদ্র হওয়ায় তাদের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ-সুবিধা একেবারেই কম। মূলত কমিউনিটি কিনিকে সুবিধাবঞ্চিত এসব মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়। তিনি জানান, কমিউনিটি কিনিকে ৩০ প্রকার ওষুধ বিনামূল্যে প্রয়োজন অনুযায়ী দেয়া হয়। গর্ভবতী নারী ও শিশুদের বিভিন্ন রোগের টিকা ছাড়াও সর্দি-কাশির মতো রোগের ওষুধ বিনামূল্যে দেয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, কারও পাতলা পায়খানা, শিশু সন্তান অসুস্থ হলে বাড়ির পাশের এই কমিউনিটি কিনিকে ছুটে যান তারা। আর বড় ধরনের কোনো অসুখ হলে প্রথমে কমিউনিটি কিনিক ও ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণকেন্দ্রে যান। সেখান থেকে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা সদর হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেয়া হয়। পাইকপাড়া গ্রামের ষাটোর্ধ্ব আক্কাস আলী বলেন, ‘জ্বর, মাথা ব্যথা কিংবা চুলকানির মতো অসুখ অইলেই আমরা কমিউনিটি কিনিকে যাই। আর মারাত্মক কিছু অইলে তারা (স্বাস্থসেবা সহকারী) সদর হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলেন।’
কমিউনিটি কিনিক প্রসঙ্গে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ শামসুল আলম বলেন, কিছু কিছু কমিউনিটি কিনিক গ্রামের একেবারে উপায়হীন একজন নারীকে সন্তান প্রসবের জন্য প্রচুর ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশের বিপদ ও অদ দাইয়ের হাত থেকে রা করছে; যা খুবই ভালো দিক। কেননা মা সুস্থ থাকলে, সন্তান সুস্থ হবে। মা ও সন্তান সুস্থ থাকলে সুস্থ সমাজ সৃষ্টি হবে। তিনি স্বদেশ খবরকে বলেন, কমিউনিটি কিনিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্প। সহায়-সম্বলহীন মানুষের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি মাথায় রেখে তিনি এ প্রকল্পটি গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব প্রকল্প হওয়ায় সরকার পরিবর্তন হলে প্রকল্পটি আগেরবারের মতো বন্ধ করে দেয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে শামসুল আলম পরামর্শ দেন, কমিউনিটি কিনিক প্রকল্পটিকে যাতে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করানো হয়। ফাউন্ডেশন বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার মাধ্যমে কমিউনিটি কিনিক প্রকল্পটি পরিচালনা করা হলে সরকার পরিবর্তন হলেও এর অকালমৃত্যু ঘটবে না। সেক্ষেত্রে যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে জননেত্রী শেখ হাসিনার জনকল্যাণমূলক কমিউনিটি কিনিক প্রকল্প।
কমিউনিটি কিনিকের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রকল্পটির পরিচালক (বর্তমানে প্রধান সমন্বয়কারী) ডা. মাখদুমা নার্গিস স্বদেশ খবরকে বলেন, উন্নয়নশীল কোনো দেশে আমাদের মতো কমিউনিটি কিনিক দেখিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কমিউনিটি কিনিক ধারণাকে বিশ্বের বহু দেশ রোল মডেল হিসেবে গ্রহণ করেছে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুটেরেজ বাংলাদেশের কমিউনিটি কিনিক প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাংলাদেশ সফরে এলেই কমিউনিটি কিনিক প্রকল্প পরিদর্শন করতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছুটে যাচ্ছেন।
ওয়ার্ল্ড ভিশন নামের একটি বেসরকারি সংস্থা কমিউনিটি কিনিক প্রকল্পে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। সংস্থাটির একজন আঞ্চলিক স্বাস্থ্য সমন্বয়ক জয়ন্ত নাথ স্বদেশ খবরকে জানান, হতদরিদ্ররাই সেবা নিতে কমিউনিটি কিনিকে যাচ্ছেন। মানসম্পন্ন সেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ার কারণে হতদরিদ্রদের কাছে কমিউনিটি কিনিক আশার আলো হয়ে দেখা দিয়েছে। তিনি জানান, ওয়ার্ল্ড ভিশন প্রতি ৩০০ পরিবারের জন্য একজন পুষ্টি পরামর্শক নিয়োগ দিয়েছে। তারা এসব পরিবারের মা ও ৫ বছরের কম বয়সী শিশুর পুষ্টির বিষয়ে সচেতনতা কার্যক্রম চালাচ্ছেন। সবাই বিষয়টি ভালোভাবে গ্রহণ করায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকছে। এছাড়া কমিউনিটি কিনিক পরিচালনায় দায়িত্ব-কর্তব্য জানিয়ে বিভিন্ন কমিউনিটি গ্রুপ ও কমিউনিটি সাপোর্ট গ্রুপকেও সচেতন করা হয়েছে বলে জানান জয়ন্ত নাথ।
এদিকে কমিউনিটি কিনিকে সেবার মান আরও উন্নত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং প্রশিতি জনবলের উপস্থিতি নিশ্চিতের বিষয়ে জোর দিতে বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক আবদুল খালেক। তিনি স্বদেশ খবরকে বলেন, এখনও নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এরপরও কমিউনিটি কিনিক চলছে। তবে কিনিকের সেবাদানকারীদের তিন মাসের প্রশিণ যথেষ্ট নয়, যা তারা নিজেরাও বলেছেন। তাই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও লোকবল বাড়ানো দরকার কমিউনিটি কিনিকগুলোতে।
বঞ্চিত গ্রামীণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ‘রিভাইটালাইজেশন অব কমিউনিটি হেলথ কেয়ার ইনিশিয়েটিভস ইন বাংলাদেশ (কমিউনিটি কিনিক প্রকল্প)’ শীর্ষক ৫ বছর মেয়াদি (২০০৯ জুলাই থেকে ২০১৪ জুন) প্রকল্প চালু করে সরকার। চতুর্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাতের উন্নয়ন কর্মসূচির অপারেশনাল পরিকল্পনায় রয়েছে কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ার (কমিউনিটি কিনিক প্রকল্প) প্রকল্প। বর্তমানে এ প্রকল্পের কার্যপরিধি ও অবকাঠামো আরও বাড়ছে বলে জানান প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়ক ডা. মাখদুমা নার্গিস। তিনি জানান, কমিউনিটি কিনিকে সেবা গ্রহীতা ও সেবার মান দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বিশ্বের মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি। যার সুফল ভোগ করছে এদেশের সুবিধাবঞ্চিত সাধারণ মানুষ। ডা. মাখদুমা নার্গিস বলেন, ‘বর্তমানে ৯ শতাধিক কমিউনিটি কিনিকে স্বাভাবিক প্রসবের ব্যবস্থা চালু হয়েছে। গঠন করা হয়েছে শক্তিশালী মনিটরিং টিম। মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবার েেত্র এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
এদিকে গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসেবাদানকারীদের সময়মতো অফিসে আসা-যাওয়ার ওপর জোর দেয়া হচ্ছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ারের (সিবিএইচসি) লাইন ডিরেক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. ইউসুফ। তিনি বলেন, যারা যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে না তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। সবার আগে গ্রামীণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

নির্যাতিত নারী ও শিশুদের সেবায় ওসিসি

দেশের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই নারী। সমাজে নারী-পুরুষ সমানাধিকার ভোগ করার কথা থাকলেও অনেক েেত্রই নারীরা সেটা ভোগ করতে পারছেন না। উল্টো তারা হচ্ছেন নানাভাবে নির্যাতিত। নারীদের পাশাপাশি শিশুরাও বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হচ্ছে। শিশুরাও মানুষরূপী পিশাচদের লালসার শিকার হচ্ছে। সরকারের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় আর্থিক সংকট কিংবা নানাবিধ কারণে সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতন থামানো যাচ্ছে না। তবে নির্যাতিত এ সব নারী ও শিশুদের সাহায্যার্থে সরকার গঠন করেছে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি)। যেখানে সমাজের নির্যাতিত নারী ও শিশুরা সেবা পেয়ে থাকে।
দেশে অনেক জায়গায়ই নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। যেমন সিলেটের ঝুমকা (ছদ্ম নাম)। বয়স মাত্র ৮ বছর। এই ৮ বছর বয়সী শিশু ঝুমকাকে ধর্ষণ করেছে তারই গৃহশিক নামের নরপশু কাউসার। ঝুমকা তার মাকে সব ঘটনা জানালে তার মা জকিগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ কাউসারকে গ্রেপ্তার করে। ঝুমকাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়। ঝুমকার মায়ের একটাই দাবিÑ শিশুধর্ষক কাউসারের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ- হয়।
এ পর্যন্ত ৭টি বিভাগীয় শহরের হাসপাতালে এবং ফরিদপুরে ওসিসি স্থাপন করা হয়েছে। ‘মাল্টি সেক্টোরাল প্রোগ্রাম অন ভায়োল্যান্স অ্যাগেইনস্ট ওমেন’ এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিষ্ঠিত এসব সেন্টারে মূলত মহিলা ও শিশুদের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানসহ আইনি ও পুলিশি সহায়তা, ডিএনএ পরীা, মানসিক কাউন্সেলিং, আশ্রয় এবং সমাজে পুনর্বাসনে সহায়তা প্রদান করা হয়।
প্রকল্পটি বাংলাদেশ এবং ডেনমার্ক সরকারের সহযোগিতায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে জাতীয় ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার চালু করেছে; যার মাধ্যমে নিপীড়িত নারীদের কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করা হয়। যেসব নারী হতাশার মধ্যে ভুগছে অথবা আত্মহত্যা করতে চাইছে, উদ্বিগ্ন অথবা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সেসব নারী এখান হতে কাউন্সেলিং সেবা নিতে পারেন।
এছাড়াও যেসব মহিলা ও শিশুÑ যারা নির্যাতনের শিকার তাদের সার্বণিক সহযোগিতার ল্েয সরকার চালু করেছে জাতীয় হেল্প সেন্টার। নির্যাতনের শিকার এসব নারী ও শিশু সরাসরি টোল ফ্রি ১০৯২১ এই নাম্বারে কল করে যেকোনো ধরনের সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।
ওসিসি ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সমন্বয়ক ড. বিলকিস বেগম স্বদেশ খবরকে বলেন, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত অনেক নারী এবং শিশু এই সেন্টার হতে সেবা গ্রহণ করেছেন। তাদের অধিকাংশই এসেছেন তাদের কোনো না কোনো আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে। এদের অনেকেই ভয়ে পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করতে রাজি হতো না। তিনি আরো বলেন, মহিলা ও শিশুদের সেবা দিতে সরকার সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ৬০টি ওসিসি স্থাপন করেছে। এর মধ্যে ৪০টি জেলা সদর হাসপাতালে এবং বাকি ২০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। তিনি জানান, ওসিসি সেলের কার্যক্রম চালু হয় ২০১২ সালের ডিসেম্বরে। আর ওএসসি সেল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বিভাগের মধ্যে সমন্বয় করে নির্যাতনের শিকার হওয়া নারী ও শিশুদের দ্রুত বিচার পেতে সহযোগিতা করে। এছাড়াও যেসব নারী ও শিশু শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার, যৌন নির্যাতনের শিকার, অগ্নিদগ্ধ এবং এসিড নিেেপর শিকারÑ তাদের নিয়ে কাজ করে ওসিসি সেল।
ওসিসি’র প্রকল্প পরিচালক আবুল হোসেন স্বদেশ খবরকে বলেন, অধিকাংশ নারী শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন মূলত পরিবারে অশান্তি, পূর্ব-শত্রুতা, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ এবং যৌতুকের কারণে। ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) এসব নারীর নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদানে সর্বদা নিয়োজিত রয়েছে।