প্রচ্ছদ প্রতিবেদন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত : জনগণকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রার কথা জানিয়ে নৌকায় ভোট চাইতে নেতাকর্মীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বান

মেজবাহউদ্দিন সাকিল : ২৩ জুন বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে পালিত হয় ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ওই দিন রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আধুনিক নিজস্ব স্থায়ী ১০তলা ভবনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দিবসটি উপলে তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা দলের প থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এ সময় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে এটি দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে পরিণত হয় এবং দলটির নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তীতে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংঘটিত হয়। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এ দলটির নেতৃত্বে ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ১৯৮১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২৩ জুন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। বর্ধিত সভায় সভাপতির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রার কথা জানিয়ে নৌকায় ভোট চাইতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। সরকারের উন্নয়ন ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কথা দেশের মানুষকে জানাতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সরকারের নেয়া উন্নয়ন ও বিভিন্ন উদ্যোগের কথা দেশের মানুষকে জানাতে হবে। দুর্নীতি হতে পারে বলে পদ্মাসেতুতে অর্থায়ন বন্ধ করা হলো। পরে কানাডার আদালতে প্রমাণ হলো কোনো দুর্নীতির বিষয় ছিল না। আমরা নিজেদের অর্থায়নেই করছি পদ্মাসেতু।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রথম শাসনতন্ত্র, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা, বাংলাদেশের স্বাধীনতাসহ দেশের প্রতিটি অর্জনের সঙ্গে মিশে আছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বিএনপিকে দুর্নীতির দল বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নিজেদের গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করেছে। পরিবর্তিত অংশে বলা হয়েছিল দুর্নীতিবাজ কেউ দলে থাকতে পারবে না। গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করে নিজেরাই স্বীকার করল যে তাদের দল দুর্নীতির দল।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, অভ্যুদয় ও স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি পদচারণা মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে। তিনি ঝুঁকি নিয়ে আমাদের স্বাধীনতার পথ দেখিয়েছেন। ৭ মার্চের ভাষণে তিনি যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশনা দিয়েছিলেন। আজকে সেই ভাষণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ আমার পরিবার। আমার পুরো জীবনটাই আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ যা কিছু পেয়েছে আওয়ামী লীগ আমলে হয়েছে। প্রথম শাসনতন্ত্র, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা, বাংলাদেশের স্বাধীনতাসহ দেশের প্রতিটি অর্জনের সঙ্গে মিশে আছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
ভাষণের শুরুতে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস জাতির পিতার ইতিহাস। যুদ্ধ শেষে জাতির পিতার অনুরোধে মিত্রবাহিনী ফেরত নিয়েছিল ভারত। পৃথিবীর আর কোনো দেশে মিত্রবাহিনী ফেরত নেয়ার এমন ঘটনা ঘটেনি।
পঁচাত্তর-পরবর্তী আওয়ামী লীগের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের পাশাপাশি ২১ আগস্টের আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলাসহ বিভিন্ন সময় সন্ত্রাস-নির্যাতন ও নেতাকর্মীদের হত্যার বিবরণ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুই একমাত্র নেতা যিনি দলের জন্য মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণা করেন; যা পরবর্তীতে স্বাধীনতার দাবিতে পরিণত হয়। বঙ্গবন্ধু তাঁর সাড়ে ৩ বছরের শাসনামলে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় সকল অবকাঠামো গড়ে তোলেন। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনকালেই অনেক যুগান্তকারী পদপে নিয়েছিলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বল্পতম সময়ের মধ্যে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্য বিশ্বের ১২৬টি দেশের স্বীকৃতি এবং ১১৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ লাভে সম হন। অথচ জাতির পিতাকে হত্যার পর তাঁর নাম পর্যন্ত মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তাঁর নাম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা সেটা করতে পারেনি। কেননা সত্য চিরজাগ্রত। সত্যকে মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রাখা যায় না। সাময়িকভাবে এটি করা গেলেও সত্য আবারও আপন মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে।
ইতিহাস, ঐতিহ্য ও উন্নয়নের ধারক আওয়ামী লীগের সুদীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের জন্মই ছিল বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতা অস্তমিত হয়। আর ১৯৫৭ সালের ওই ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগই সেই বাঙালিকে সেই স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়েছে। এই সংগঠনই বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পথ দেখাচ্ছে। আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ একে অপরের পরিপূরক।
শেখ হাসিনা এ সময় আওয়ামী লীগ শাসনাধীন ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত সময়কে স্বর্ণযুগ আখ্যায়িত করে বলেন, তখনই কেবল দেশের জনগণ প্রথমবারের মতো জানতে পারে যে, সরকার হচ্ছে জনগণের সেবক। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ২০০৯ থেকে বর্তমানকালে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার পরিচালনায় দেশের অর্থনীতি, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক েেত্র প্রভূত উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, এই বাংলাদেশকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলব। আওয়ামী লীগের হাতেই তা হবে। আওয়ামী লীগই পারে, আওয়ামী লীগই পারবে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ। ২০৪১ সালের মধ্যে হবে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ। ২০২০ সাল আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওই বছর আমরা ুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করব।
এই পর্যায়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাসের সঙ্গে বাংলাদেশের ইতিহাস জড়িত। জাতি হিসেবে আমরা বিশ্বে আত্মপরিচয়ের সুযোগ পেয়েছি। এই সুযোগ এনে দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ জাতির পিতার নেতৃত্বে এদেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে, দেশের শাসনতন্ত্র দিয়েছে। এদেশের যা কিছু অর্জন আওয়ামী লীগই এনে দিয়েছে। দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, এই কার্যালয় আজ (২৩ জুন) উদ্বোধন হয়েছে। এখান থেকে আধুনিক আওয়ামী লীগের পথচলা শুরু হবে। আওয়ামী লীগ একটি প্রতিষ্ঠান। এই আওয়ামী লীগই বাংলাদেশকে পথ দেখাচ্ছে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই সংগঠন কেবল দেশকে এগিয়ে নেবে না, বিশ^কেও পথ দেখাবে।
এর আগে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বলেন, অনেকেই অনেক কথা বলেন, নৌকা ডুবিয়ে দেয়ার কথা বলেন। তারা বলেন, নৌকা ডুবলে বাংলাদেশ ডুবে যাবে। স্বাধীনতা ডুবে যাবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ডুবে যাবে। এই নৌকা কোনোদিনই ডুববে না। নৌকা ডোবাতে গেলে ধানের শীষই জ্বলে-পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে; ধ্বংস হয়ে যাবে। নৌকা চিরদিনই ভেসে থাকবে। আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের অনেক নেতা বলেন, এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সর্বদা ঐক্যবদ্ধ থাকবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তার অভীষ্ট ল্য পূরণে এদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবে।
বিশেষ বর্ধিত সভায় আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে সারাদেশ থেকে আগত সাড়ে চার হাজার নেতাকর্মীকে নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারো বলেন, উন্নয়নের অগ্রযাত্রার কথা জনগণকে জানিয়ে তাদের কাছে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক নৌকার পক্ষে ভোট চান।
আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা প্রার্থী হবেন তারা দলের ভাবমূর্তি ুণœ করবেন না। ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে কেউ ঠেকাতে পারবে না। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতাকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। বাংলাদেশ এখন আর ভিখারির দেশ নয়, মর্যাদাসম্পন্ন দেশ। ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ আরেকটি বিজয় ছিনিয়ে আনবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, যে যোগ্য নেতা জরিপে এগিয়ে আছেন, তিনিই মনোনয়ন পাবেন। ৬ মাস পর পর জরিপ হচ্ছে সে জরিপ রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে মনোনয়ন দেয়া হবে। যারা প্রার্থী হবেন তারা দলের ভাবমূর্তি ুণœ করবেন না।

আওয়ামী লীগের ইতিহাস মানুষের
অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস : প্রধানমন্ত্রী
বাঙালি জাতির প্রতিটি মহৎ, শুভ ও কল্যাণকর অর্জনে আওয়ামী লীগের ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভবিষ্যতেও দলটি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের ুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ, উন্নত ও আধুনিক সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। আওয়ামী লীগ এ দেশের মানুষের আত্মপরিচয়ের সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৫২-এর ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২-এর আইয়ুবের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৪-এর দাঙ্গার পর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, ১৯৬৬-এর ৬ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানসহ সকল আন্দোলন-সংগ্রাম পরিচালিত হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে। প্রধানমন্ত্রী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলে দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন। বাণীতে তিনি সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
এ দিন তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হকসহ সকল নেতৃবৃন্দকে স্মরণ করেন। এছাড়া হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং জাতীয় চার নেতাসহ স্বাধিকার আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের সংগ্রামে শহীদ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরও স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালি জাতির মুক্তি ও অধিকার আদায়ের ল্েয ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ ভূখ-ে যা কিছু বিশাল অর্জন সবই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে।