প্রচ্ছদ প্রতিবেদন

সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা : দেশের গণতন্ত্র এখন অনেক বেশি সুরতি এবং অর্থনীতিও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রতি বছরের মতো এবারের পবিত্র ঈদুল ফিতরেও সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৬ জুন ঈদের দিন সকালে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলীয় নেতাকর্মী, পেশাজীবী, বিচারক এবং বিদেশি কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র এখন অনেক বেশি সুরতি এবং অর্থনীতিও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় দেশ সমতা অর্জন করেছে বলেও দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও শিার মতো জনগণের মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করতে সম হয়েছি। বাংলাদেশ এখন অর্থনৈতিকভাবে উন্নত। জনগণের ক্রয়মতা বেড়েছে এবং তাদের জীবনযাত্রার মানও উল্লেখযোগ্য হারে উন্নত হয়েছে। তিনি বলেন, শিার হার এবং জনগণের গড় আয়ু বেড়েছে এবং সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদেেপ বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী দেশে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এই সাফল্য অর্জন করতে দেশকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমাদেরকে অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে। আমরা এখন যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলা করার সমতা অর্জন করেছি।
শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে একটি ুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, দেশের জনগণ একটি ুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করবে। আমরা চাই বাংলাদেশ বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে এবং আমরা দেশকে সেই পথে এগিয়ে নিয়ে যাবো। ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ সেই পথে এগিয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের এক পর্যায়ে দেশবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান। শেখ হাসিনা বলেন, আমি চাই বাংলাদেশের জনগণ তাদের সারাটি জীবন একটি আনন্দমুখর পরিবেশে কাটাবে এবং আমি চাই তারা সুন্দরভাবে বেঁচে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা, ত্রিশ লাখ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও দুই লাখ মা-বোনের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাাৎ করতে ঈদের নামাজ শেষে সর্বস্তরের মানুষ এসে ভিড় করলে সকাল ৯টায় সাধারণের জন্য গণভবনের গেট খুলে দেয়া হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্যগণ, মুক্তিযোদ্ধা, শিাবিদ, সিনিয়র সাংবাদিক, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং ভিুক ও ছিন্নমূল মানুষসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।