প্রতিবেদন

ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণের লক্ষ্যে কমিটি গঠন করলো সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা মহানগরীসহ দেশের ট্রাফিক ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন ও নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকল্পে সকল কার্যক্রমের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণের লক্ষ্যে কমিটি গঠন করেছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবকে সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন)-কে সদস্য সচিব করে ১৮ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি প্রয়োজনে আরো সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট’ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
২০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ সব তথ্য জানানো হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- নির্বাহী পরিচালক, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ, অতিরিক্ত প্রেস সচিব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন), মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ; অতিরিক্ত সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; অতিরিক্ত সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ; অতিরিক্ত সচিব, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ; অতিরিক্ত সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; অতিরিক্ত সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ; অতিরিক্ত সচিব, তথ্য মন্ত্রণালয়; প্রধান প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর; চেয়ারম্যান, বিআরটিএ; চেয়ারম্যান, বিআরটিসি; চেয়ারম্যান, রাজউক; প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
প্রজ্ঞাপনে কমিটির কার্যপরিধিও উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, নিরাপদ সড়ক ও মহাসড়কসমূহের শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণে প্রধানমন্ত্রীর সানুগ্রহ নির্দেশনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম পরিবীক্ষণ ও তত্ত্বাবধান; ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং নিরাপদ সড়ক সংক্রান্ত বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক চিহ্নিত আশু-করণীয় নির্ধারণ কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পরিবীক্ষণ; বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক গৃহীত স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম পরিবীক্ষণ; বিভিন্ন সিটি করপোরেশন, শহর ও জেলা পর্যায়ে স্থানীয় ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন কাজের বাস্তবায়ন কার্যক্রম তত্ত্বাবধান ও পরিবীক্ষণ; নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের (স্কাউটস, গার্ল গাইডস, রেড ক্রিসেন্ট ইত্যাদি) কার্যক্রম সমন্বয়; নিরাপদ সড়ক ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে করণীয় অন্যান্য ইস্যু নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম পরিবীক্ষণ; কমিটি কর্তৃক বিবেচ্য অন্যান্য যেকোনো বিষয়।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় রাজধানীতে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থার স্বল্পসময়ে উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে শহরে চলাচলের সময়ে গাড়ির মূল দরজা বন্ধ রাখা, অটো সিগন্যাল এবং রিমোট কন্ট্রোলড অটোমেটিক বৈদ্যুতিক সিগনালিং পদ্ধতি চালুসহ বেশকিছু নির্দেশনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট’ ১৬ আগস্ট এক সভায় ‘ঢাকা শহরে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এদিন অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মোঃ নজিবুর রহমান।
সভায় নিরাপদ সড়ক ও মহাসড়কের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগকে চলমান কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন দিকনির্দেশনাও দেয়া হয়।
সুপারিশে পরিবহন ব্যবস্থপনা নিয়ে বলা হয়, ঢাকা শহরে চলমান সকল গণপরিবহন (বিশেষত বাস) শহরে চলাচলের সময়ে গাড়ির মূল দরজা বন্ধ রাখা এবং বাস স্টপেজ ছাড়া যাত্রী ওঠা-নামা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়াও গণপরিবহনে (বিশেষ করে বাস) দৃশ্যমান দু’টি স্থানে চালক এবং হেলপারের ছবিসহ নাম এবং চালকের লাইসেন্স নম্বর, মোবাইল নম্বর প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান এবং বাস্তবায়ন নিশ্চিত, সকল মোটর সাইকেল ব্যবহারকারীকে (সর্বোচ্চ দুইজন আরোহী) বাধ্যতামূলক হেলমেট পরিধানের ব্যবস্থা গ্রহণ ও সিগন্যালসহ ট্রাফিক আইন মানার জন্য বাধ্য করার ব্যাপারেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় সব সড়কে বিশেষত মহাসড়কে চলমান সব পরিবহনে (দূরপাল্লার বাসে) চালক এবং যাত্রীর সিটবেল্ট ব্যবহার এবং পরিবহন কোম্পানিগুলোকে সিট বেল্ট সংযোজনের নির্দেশনা প্রদান করে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
পরিবহন ব্যবস্থাপনার এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বিআরটিএ এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ঢাকা শহরের সড়কে যে সকল স্থানে ফুট ওভার ব্রিজ বা আন্ডার পাস রয়েছে সে সকল স্থানের উভয় পাশে ১০০ মিটারের মধ্যে রাস্তা পারাপার সম্পূর্ণ বন্ধ করতে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রয়োজনে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নাগরিককে ‘ধন্যবাদ’ কিংবা ‘প্রশংসাসূচক’ সম্বোধন ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
এছাড়াও ফুট ওভার ব্রিজ বা আন্ডারপাসসমূহে প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আন্ডারপাসসমূহে প্রয়োজনীয় লাইট, সিসিটিভি স্থাপন এবং আন্ডারপাসের বাইরে আয়নার ব্যবস্থা করা যাতে নাগরিকরা স্বচ্ছন্দে এবং নিরাপদে স্থাপনাসমূহ ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ হন তার জন্য ব্যবস্থা নিতে উপরোক্ত প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
সভায় ঢাকা শহরের সকল সড়কে জেব্রা ক্রসিং ও রোড সাইন দৃশ্যমান করা, ফুটপাত হকারমুক্ত রাখা, অবৈধ পার্কিং এবং স্থাপনা উচ্ছেদ করাসহ সকল সড়কের নামফলক দৃশ্যমান স্থানে সংযোজন করার সিদ্ধান্তও হয়।
ট্রাফিক সপ্তাহে চলমান সব কার্যক্রম ট্রাফিক সপ্তাহের পরও যথাসম্ভব অব্যাহত রাখা, স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ঢাকা শহরে রিমোট কন্ট্রোলড অটোমেটিক বৈদ্যুতিক সিগনালিং পদ্ধতি চালুকরণসহ সব সড়কের ডিভাইডারে উচ্চতা বৃদ্ধি করে বা স্থানের ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে ডিভাইডারের উপর দিয়ে না নিচ দিয়ে চলাচলের অনুপযোগী করে তোলার ব্যাপারেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়।
এছাড়াও মহাখালী ফ্লাইওভারের পর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত (আপ অ্যান্ড ডাউন) ন্যূনতম দুটি স্থানে স্থায়ী মোবাইল কোর্ট, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং প্রতিনিয়ত দৈব চয়নের ভিত্তিতে যানবাহনের ফিটনেস এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা করা। শহরের জন্য সকল স্থানেও প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী অনুরূপ কাজের জন্য মোবাইল কোর্ট, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সভায় সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় বলা হয়, ঢাকা শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে সমন্বয় করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি বা আরম্ভ হবার প্রাক্কালে অপেক্ষাকৃত বয়ঃজ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী, স্কাউট এবং বিএনসিসি’র সহযোগিতা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের রাস্তা পারাপারের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এর প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
পরিবহনের ফিটনেস এবং লাইসেন্স প্রসঙ্গে বলা হয়, অবৈধ পরিবহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ফিটনেস প্রদান প্রক্রিয়াতে অবশ্যই পরিবহন দর্শনপূর্বক ফলপ্রসু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়াও রুট পারমিট/ফিটনেস বিহীন যানবাহন সমূহকে দ্রুত ধ্বংস করার সম্ভাব্যতা যাচাই ও লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে লারনার প্রদানের প্রাক্কালেই ড্রাইভিং টেস্ট নেয়া যেতে পারে এবং উত্তীর্ণদের দ্রুততম সময়ে লাইসেন্স প্রদান করা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীর ঘাটতি থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিআরটিএÑকে দায়িত্ব প্রদান করা হতে পারে।
সভায় গৃহীত পদক্ষেপসমূহ জনসাধারণকে অবহিত করার লক্ষ্যে সকল গণমাধ্যমে ব্যাপকভিত্তিক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কনটেন্টের বিষয়ে প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে নির্দেশনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং যানজট নিরসনে ইতোপূর্বে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট পুনরায় বিশ্লেষণ করে পুনরায় একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব বরাবর উপস্থাপন করবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়।
এদিকে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ২৭ আগস্ট বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। জাতীয় মহাসড়কে লেগুনার মতো ধীরগতির কোনো গাড়ি চলাচল করতে পারবে না। মহাসড়কে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার গতিসীমা কঠোরভাবে বাস্তবায়িত হবে। ঢাকায় বাসগুলোর প্রতিযোগিতা বন্ধে চুক্তিভিত্তিক চলাচল বন্ধ করার আগের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে হবে। ঢাকার নগর পরিবহনের আওতাধীন সব ধরনের বাস ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রং করে সৌন্দর্য বাড়াতে হবে। এ ছাড়া ঢাকায় আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে নেয়া ঢাকা উত্তরের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়ে যাবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন।
সভা সূত্র জানায়, পরিষদের সভায় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে অন্তত ২০টি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বহু সিদ্ধান্ত আগেই নেয়া হয়েছে। সেগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা, ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকনসহ বিভিন্ন সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সড়কমন্ত্রী সভায় বলেন, ‘যেসব গাড়ির চামড়া উঠে গেছে, দেখতে কেমন লাগে আপনারা জানেন। পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাসগুলোর বিউটিফিকেশন আপাতত ঢাকা মহানগরে করা হবে। আমার কাছে মনে হয়, ঢাকা মহানগরীর বাসের এমন চেহারা যে গ্রামের গাড়িগুলো এদের চেয়ে ভালো। এ কথাটা আমি বারবার বলি, তার পরও আমরা লজ্জা পাই না।’
সড়কমন্ত্রী বলেন, জাতীয় মহাসড়কে ধীরগতির গাড়ি বা লেগুনা চলাচল করতে পারবে না। ইজি বাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশার খুচরা যন্ত্র আমদানি নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধপত্র পাঠানো হবে।
সড়কমন্ত্রী জানান, জাতীয় মহাসড়কে ইজি বাইকের বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়নে সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে।
মন্ত্রী জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে না আসা পর্যন্ত ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিআরটিএর ম্যাজিস্ট্রেট সংকট লাঘব হচ্ছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ৮ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়ে ১১ জন করা হয়েছে।
তিনি জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিশ্রামাগার স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
রাজধানীতে সিটিং সার্ভিসের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সভা হবে বলেও সড়কমন্ত্রী জানান।