প্রতিবেদন

বাল্যবিবাহ বিরোধী প্রচারণার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দু’টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারের বাল্যবিবাহ বিরোধী প্রচারণার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০ আগস্ট ইউনিসেফের কাছ থেকে দু’টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পুরস্কার দু’টির মধ্যে রয়েছে- অসামান্য অবদান রাখার জন্য দি একোলেড গ্লোবাল ফিল্ম কমপিটিশন ২০১৭ হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাওয়ার্ড এবং বাল্যবিবাহ বন্ধ করার স্বীকৃতিস্বরূপ দি একোলেড উইনার অ্যাওয়ার্ড অব এক্সিলেন্স অ্যান্ড চাইল্ড ম্যারেজ।
নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি ও মন্ত্রণালয় সচিব নাসিমা বেগম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুরস্কার দু’টি হস্তান্তর করেন।
এই দু’টি পুরস্কার গ্রহণের আগে চলতি বছরই বাংলাদেশে নারীশিক্ষা ও কর্মোদ্যোগে অন্যান্য সাধারণ নেতৃত্বের জন্য গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড অর্জনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৌরবের মুকুটে আরো একটি উজ্জ্বল পালক যুক্ত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গ্লোবাল সামিট অব উইমেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে সংগঠনের এক উৎসবমুখর নৈশভোজে শেখ হাসিনাকে এই মর্যাদাবান সম্মাননা প্রদান করে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সেখানে এক নারী নেতৃত্ব সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রায় ১৫০০ নারী নেতাদের মুহূর্মুহূ করতালির মাঝে গ্লোবাল সামিট অব উইমেনের প্রেসিডেন্ট আইরিন নাতিভিদাদের কাছ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন। এ সময় বিশ্ব নারী নেতারা কয়েক মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।
১৯৯৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রায় দুই দশক ধরে চলা বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার এক বছর পর ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘ শেখ হাসিনাকে ইউনেস্কো হুফে বইনি শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করলে তিনি প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক পাদপ্রদীপের আলোয় আসেন। ১৯৯৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে পুরস্কার তুলে দেয়ার সময় ইউনেস্কোর তৎকালীন মহাপরিচালক ফেডেরিকো মেয়ার বলেন, একটি জাতি প্রতিষ্ঠায় জীবন বিসর্জন দেয়া পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আপনিও সেই জাতিকে শান্তি ও মীমাংসার পথে নিয়ে গেছেন। দেশের অভ্যন্তরীণ সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রয়াস বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার সংস্কৃতির প্রতি আপনার আত্মনিবেদন এক মোহনায় মিলিত হয়েছে।
সেই থেকে শেখ হাসিনা বিশ্ব শান্তি, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, নারী শিক্ষা ও আইসিটির ক্ষেত্রে তাঁর অঙ্গীকারের স্বাক্ষর রাখার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে নতুন করে পরিচিত করে তুলছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জাতিকে একটি উচ্চতর আসনে সমাসীন করে চলেছেন। আন্তর্জাতিক শিক্ষাঙ্গনও তাঁর অবদানের উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি দিয়েছে। এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম ও ভারতের খ্যাতনামা বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, সাহিত্য, উদার মানববিদ্যা ও মানবিকতায় তাঁকে ৯টি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে।
২০১০ সালে শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস সংক্রান্ত এমডিজি-৪ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) পুরস্কার প্রদান করে। দেশের উন্নয়নে অব্যাহত অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে আইসিটির ব্যবহার উদ্বুদ্ধ করার জন্য ২০১৫ সালে তাঁকে আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার প্রদান করে।
উইমেন ইন পার্লামেন্ট (ডব্লিউআইপি) ও ইউনেস্কো দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে নারী-পুরুষ বৈষম্য হ্রাসে অগ্রণী ভূমিকার জন্য তাঁকে এ বছর ডব্লিউআইপি গ্লোবাল ফোরাম পুরস্কার প্রদান করে এবং ২০১৪ সালে নারী ও কন্যা শিশু শিক্ষা ও উন্নয়নে বিশেষ অবদানের শান্তিবৃক্ষ পুরস্কারে ভূষিত করে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাপ্ত
দেশ বিদেশের ৪১ পুরস্কার
চলতি মেয়াদসহ তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও তিনি বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের আশ্রয় দিয়ে সারা বিশ্বে হয়েছেন প্রশংসিত।
শান্তি, শিক্ষা, সম্প্রীতিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বব্যাপী, যা সম্ভব হয়েছে তার দূরদর্শিতা ও দেশের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কারণে। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নতির পাশাপাশি শেখ হাসিনার হাতে জমেছে অনেকগুলো অর্জন। পেয়েছেন আন্তর্জাতিক অনেক সম্মাননা পদক। বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ৪১টি পুরস্কার, পদক, ডক্টরেট ও সম্মাননা অর্জন করেছেন। এর মধ্যে জাতিসংঘের বেশক’টি পুরস্কার রয়েছে। এ ছাড়াও দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন।
বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কার প্রাপ্তি জাতিকে গর্বিত করে। তিনি যে একজন দূরদৃষ্টিস¤পন্ন নেত্রী তার প্রমাণ তিনি রেখেছেন সেই ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই। তার পরিকল্পনা এবং দৃঢ় নেতৃত্বের স্বীকৃতি পেয়েছেন আন্তর্জাতিক পরিম-ল থেকে। ১৯৯৭ সাল থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পাওয়া অর্জনগুলোর একটি খ-চিত্র স্বদেশ খবর পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।
২০১৮ : নারী নেতৃত্বের সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ২৭ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে জমকালো অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গ্লোবাল সামিট অব উইমেন শেখ হাসিনাকে এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা প্রদান করে।
প্রধানমন্ত্রী সেখানে এক নারী নেতৃত্ব সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রায় ১৫০০ নারী নেতাদের মুহূর্মুহূ করতালির মাঝে গ্লোবাল সামিট অব উইমেনের প্রেসিডেন্ট আইরিন নাতিভিদাদের কাছ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন। পুরস্কার গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে একটি নতুন জোট গঠনের আহ্বান জানান।
২০১৬ : লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘের দুটি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুরস্কারগুলো হলো- প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন ও এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড। প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন পুরস্কারটি দেয়া হয় ইউএন উইমেনের পক্ষ থেকে। আর এজেন্ট অব চেইঞ্জ অ্যাওয়ার্ড দেয় গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরাম।
২০১৫ : চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার। জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকি মোকাবিলায় জাতিসংঘ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করে।
২০১৫ : ওঞট (ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ঞবষবপড়স টহরড়হ) অধিৎফ. ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করে।
২০১৫ : ডওচ (ডড়সবহ রহ চধৎষরধসবহঃ) এষড়নধষ অধিৎফ. রাজনীতিতে নারী পুরুষের বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালনে ২৫ মার্চ ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় এ পুরস্কার দেয়া হয়।
২০১৪ : শান্তিবৃক্ষ পদক (চবধপব ঞৎবব অধিৎফ)। নারী ও শিশুশিক্ষা ও উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেস্কো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করে। এছাড়াও খাদ্য উৎপাদন ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভারসিটি প্রধানমন্ত্রীকে এ সম্মাননা সার্টিফিকেট প্রদান করে।
২০১৩ : ঝড়ঁঃয ঝড়ঁঃয অধিৎফ খাদ্য নিরাপত্তা এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর সাউথ সাউথ কো-অপারেশন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করে।
২০১৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নপ্রসূত ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য তথ্য-প্রযুক্তি মেলায় ২৩ সেপ্টেম্বর সাউথ এশিয়া ও এশিয়া প্যাসিফিক গধহঃযধহ অধিৎফ ২০১৩ পদকে ভূষিত হন।
২০১৩ : জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দারিদ্র্য ও অপুষ্টি দূর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করায় ১৬ জুন বাংলাদেশকে উরঢ়ষড়সধ অধিৎফ পদকে ভূষিত করে।
২০১২ : শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার জন্য ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করা করে।
২০১২ : বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বিশেষ অবদানের জন্য টঘঊঝঈঙ ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রীকে ঈঁষঃঁৎধষ উরাবৎংরঃু পদকে ভূষিত করে।
২০১১ : ২৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের হাউস অব কমন্সের স্পিকার ঔযড়হ ইবৎপড়ি প্রধানমন্ত্রীকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুশাসন, মানবাধিকার রক্ষা, আঞ্চলিক শান্তি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে তার অনবদ্য অবদানের জন্য এষড়নধষ উরাবৎংরঃু অধিৎফ প্রদান করেন।
২০১১ : ঝড়ঁঃয ঝড়ঁঃয অধিৎফ স্বাস্থ্য খাতে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নারী ও শিশু মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ঞবষবপড়সসঁহরপধঃরড়হ ঁহরড়হ (ওঞট) ঝড়ঁঃয ঝড়ঁঃয ঘবংি এবং জাতিসংঘের আফ্রিকাসংক্রান্ত অর্থনৈতিক কমিশন যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঝড়ঁঃয ঝড়ঁঃয অধিৎফ ২০১১ : উরমরঃধষ উবাড়ষড়ঢ়সবহঃ ঐবধষঃয পুরস্কারে ভূষিত করে।
২০১১ : স্বর্ণপদক (গণতন্ত্র সুসংহতকরণে প্রচেষ্টা ও নারীর ক্ষমতায়নে অবদান রাখার জন্য), ডফিন বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্রান্স।
২০১১ : বাংলা অ্যাকাডেমির সম্মাননা সূচক ফেলোশিপ পেয়েছেন।
২০১০ : গউএ (গরষষবহরঁস উবাড়ষড়ঢ়সবহঃ এড়ধষ) অধিৎফ : শিশু মৃত্যু হ্রাসসংক্রান্ত গউএ-৪ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ এ পুরস্কার প্রদান করে।
২০১০ : ২৩ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তর্জাতিক উন্নয়নে অসমান্য অবদানের জন্য ঝঃ.চবঃৎংনঁৎম টহরাবৎংরঃু প্রধানমন্ত্রীকে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান করেন।
২০১০ : ১২ জানুয়ারি বিশ্বখ্যাত ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পদক ২০০৯-এ ভূষিত হন।
২০০৫ : জুন মাসে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শান্তির পক্ষে অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি অব রাশিয়া।
২০০০ : রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার জন্য ম্যাকন ওমেনস কলেজ যুক্তরাষ্ট্র পার্ল এস বাক পদক প্রদান করে।
২০০০ : ৪ ফেব্রুয়ারি ব্রাসেলসের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় উড়পঃড়ৎ ঐড়হড়ৎরঁং ঈধঁংধ প্রদান করে।
২০০০ : ৫ সেপ্টেম্বর টহরাবৎংরঃু ড়ভ ইৎরফমবঢ়ড়ৎঃ কানেকটিকাট, যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উড়পঃড়ৎ ড়ভ ঐঁসধহব ষবঃঃবৎং প্রদান করে বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নে অবদানের জন্য।
১৯৯৯ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি লাভ করে।
১৯৯৯ : ২০ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ডক্টর অব লজ ডিগ্রি প্রদান করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার অবদানের জন্য।
১৯৯৯ : ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঋঅঙ কর্তৃক সেরেস পদক লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৯৯৮ : নরওয়ের রাজধানী অসলোয় মহাত্মা গান্ধী ফাউন্ডেশন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এম কে গান্ধী পুরস্কারে ভূষিত করে।
১৯৯৯ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টর অব লজ পান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৯৯৮ : শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকে মাদার তেরেসা পদক প্রদান করে নিখিল ভারত শান্তি পরিষদ।
১৯৯৮ : পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনাকে ফেলিক্স হুফে বইনি শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে ইউনেস্কো।
১৯৯৮ : ২৮ জানুয়ারি শান্তি নিকেতন বিশ্বভারতীর এক আড়ম্বরপূর্ণ বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক দেশিকোত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
১৯৯৭ : লায়ন্স ক্লাবসমূহের আন্তর্জাতিক অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক রাষ্ট্রপ্রধান পদকে ভূষিত হন।
১৯৯৭ : রোটারি ইন্টারন্যাশনালের রোটারি ফাউন্ডেশন শেখ হাসিনাকে পল হ্যারিস ফেলো নির্বাচিত করে এবং ১৯৯৬-১৯৯৭ সালের সম্মাননা মেডেল প্রদান করে।
১৯৯৭ : নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি শান্তি, গণতন্ত্র ও উপমহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্য স্থাপনে অনন্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ শেখ হাসিনাকে নেতাজী মেমোরিয়াল পদক ১৯৯৭ প্রদান করে।
১৯৯৭ : ২৫ অক্টোবর গ্রেট ব্রিটেনের ডান্ডি অ্যাবার্তে বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে ডক্টর অব লিবারেল আর্টস ডিগ্রি প্রদান করে।
১৯৯৭ : ১৫ জুলাই জাপানের বিখ্যাত ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ ডিগ্রি প্রদান করে।
১৯৯৭ : ৬ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ উপাধি প্রদান করে।