প্রচ্ছদ প্রতিবেদন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ-২০১৮ উদযাপনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা : বাংলাদেশের শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার

বিশেষ প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ-২০১৮’ উদযাপনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন।
‘অনির্বাণ আগামী’ প্রতিপাদ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের সাফল্যকে তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদানে এই জ্বালানি সপ্তাহ উদযাপিত হয়।
জ্বালানি সপ্তাহের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে স্কুল ও কলেজের শিার্থীদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা, জ্বালানি বিষয়ক সেরা প্রতিবেদনের জন্য সাংবাদিক ও দ কর্মকর্তা-কর্মচারিদের পুরস্কার প্রদান এবং গৃহস্থালী, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী গ্রাহকদের সম্মাননা প্রদান।
নেপালের জ্বালানি, পানিসম্পদ এবং সেচ বিষয়ক মন্ত্রী বর্ষা মান পুন অনন্ত, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, বীর বিক্রম, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং বিদ্যুৎ, জ্বলানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সভাপতিত্ব করেন।
বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগে সরকারের সাফল্য ও পরিকল্পনা নিয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন এবং খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোহম্মদ রহমাতুল মুনিম অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের বিদ্যুৎ খাতের সাফল্য নিয়ে একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়।
বাংলাদেশের শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সরকারের নিরলস প্রচেষ্টার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে যেভাবে পিছিয়ে দেয়া হয়েছিল তা নজিরবিহীন, যা পৃথিবীর আর কোথাও দেখা যায়নি। ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে জনগণের ভোটে সরকার গঠন করে বিদ্যুৎ পেয়েছিলাম মাত্র ১৬০০ মেগাওয়াট, চরিদিকে হাহাকার, এদেশের অধিকাংশ মানুষের ঘরে আলো ছিল না। সেই অবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য সর্বপ্রথম আইন করে আমরা বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করি এবং বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দেই। আমরা মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই ১৬০০ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪ হাজার ৩০০ মেগাওয়াটে নিয়ে যেতে সম হই। সেইসাথে জেনারেটরের ওপর থেকে সকল ট্যাক্স তুলে দেই এবং শিল্প-কারখানার মালিকদের বলে দেই, আপনারাও আপনাদের মতো বিদুৎ উৎপাদন করুন এবং সেই বিদ্যুৎ আশপাশে বিক্রিও করতে পারবেন। আমরা গ্রিড লাইন আপনাদের ভাড়া দেব। কিন্তু ২০০৯ সালে যখন আমরা সরকারে আসি তখন দেখি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ যা আমরা রেখে গিয়েছিলাম তার থেকে কমে ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াট হয়ে গেছে।
পৃথিবীর আর কোনো দেশের জনগণের এ ধরনের তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে তাঁর জানা নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৫ বছরে কোনো দেশ এভাবে পিছিয়ে যায় সেটাও আমার জানা ছিল না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ৬ দশমিক ২৫ টাকা/কিলোওয়াট এবং বিক্রয় মূল্য রাখা হয়েছে ৪ দশমিক ৮২ টাকা/কিলোওয়াট। কাজেই এখানে আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি। অর্থাৎ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে খরচ তা আমরা গ্রাহকের কাছ থেকে নিচ্ছি না। তবে ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থা হয়তো রাখা সম্ভব হবে না। মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন যত হতে থাকবে ভবিষ্যতে বিদ্যুতে যতটা খরচ হবে ততটাই তাদের প্রদান করতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, সেেেত্র আমার একটা অনুরোধ থাকবে, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে। বিদ্যুতের অপচয় বন্ধের জন্য আমি অনুরোধ জানাই।
প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত বিমসটেক সম্মেলনে বিদ্যুৎ খাত নিয়ে আলোচনা করেছেন উল্লেখ করে বলেন, আমরা একটা বিমসটেক সোলার গ্রিড লাইন করে দিচ্ছি। এই আন্তঃদেশীয় গ্রিডলাইনের মাধ্যমে কে কত বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, তা থেকে বাংলাদেশ কিনবে, এটা আমরা স্পষ্ট করে ফেলেছি। আঞ্চলিক সহযোগিতার যুগান্তকারী পদপে আমরা ইতোমধ্যেই গ্রহণ করেছি।
সরকার বিগত সাড়ে নয় বছরে দেশের বিদ্যুৎ খাতের সম্প্রসারণে বেশ কিছু আঞ্চলিক চুক্তি স্বার করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা চুক্তির আওতায় স্থাপিত দু’দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন কেন্দ্রের মাধ্যমে ভারত থেকে প্রথম গ্রিড আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। এ মতা ১০০০ মেগাওয়াটে উন্নীতের কাজ চলছে। বাংলাদেশ-ভারত দ্বিতীয় গ্রিড আন্তঃসংযোগ উদ্বোধনের মাধ্যমে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। ভারত হতে আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি নেপাল ও ভূটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত মাসেই তাঁর সরকার নেপালের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বার করেছে। বাংলাদেশ, ভূটান এবং ভারতের মধ্যে ত্রিপীয় সমঝোতা স্মারক স্বারের অপোয় রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন মতা ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করেছি। প্রতিমাসে ৩ থেকে ৫ লাখ গ্রাহক সংযোগের ফলে এখন মোট গ্রাহক সংখ্যা ৩ কোটিতে পৌঁছেছে।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় বিদ্যুৎ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমাদের সরকারের সময়ে মোট ২৪ হাজার ৩৫১ মেগাওয়াট মতার ১৩৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য চুক্তি স্বার করা হয়েছে। প্রায় ১২ হাজার ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। ১০১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এছাড়াও বর্তমান সরকার দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট, ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন নির্মাণেও সচেষ্ট ছিলাম। বিগত সাড়ে ৯ বছরে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ৮ হাজার কিলোমিটার হতে ১১ হাজার ১২২ সার্কিট কিলোমিটারে উন্নীত করেছি। বিতরণ লাইন ২ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটার হতে ৪ লাখ ৫৭ হাজারে উন্নীত করা হয়েছে। ২০০৯ সালে বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭ শতাংশ যা বিগত সাড়ে ৯ বছরে ৯০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
সরকারের প্রচেষ্টার ফলে দেশে মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন মতা বর্তমানে ৪৬৪ কিলোওয়াট-ঘণ্টায় উন্নীত হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণ সিস্টেম লস ১৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ থেকে বর্তমানে ১১ দশমিক ৪০ শতাংশে হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে। বিগত সাড়ে নয় বছরে ১ লাখ ৩০ হাজার নতুন সেচ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। ফলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা প্রতিরোধে নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে সারাদেশে ৫৩ লাখ সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন করার মাধ্যমে প্রায় ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। তাছাড়া প্রায় ৩০ মেগাওয়াট মতাসম্পন্ন গ্রিডভিত্তিক ২টি সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে।
বর্তমানে ব্যবহৃত বাণিজ্যিক জ্বালানির প্রায় তিন-চতুর্থাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে পূরণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত নতুন ৪টি গ্যাস ত্রে আবিষ্কৃত হয়েছে। গ্যাসের গড় উৎপাদন দৈনিক ১ হাজার ৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে দৈনিক ২ হাজার ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে। ৮৬২ কিলোমিটার নতুন গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
২০০৯-১৮ সময়ে ৩৩টি নতুন গ্যাস স্ট্রাকচার চিহ্নিতকরণ, ১৪টি অনুসন্ধান কূপ ও ৫৭টি উন্নয়ন কূপ খনন এবং ৪৪টি কূপের ওয়ার্কওভার কাজ সরকার সম্পাদন করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরো জানান, দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মেটানোর ল্েয ২০২১ সালের মধ্যে মোট ১০৮টি কূপ খনন করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, দেশের একমাত্র উৎপাদনশীল কয়লা খনি বড়পুকুরিয়া থেকে বর্তমানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি লংওয়াল টপ কোল কেভিং (এলটিসিসি) পদ্ধতিতে গড়ে দৈনিক প্রায় ৪ হাজার হতে ৪ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন উন্নতমানের বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে।
দেশে গ্যাসের মজুদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গৃহস্থালি জ্বালানির চাহিদা পূরণে এলপিজির উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে ৫৬টি প্রতিষ্ঠানকে এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপনের অনুমতি প্রদান করায় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
বিদ্যুৎ খাতে প্রি-প্রেইড মিটার স্থাপন এবং অনলাইনভিত্তিক সেবা প্রদান করার মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, পায়রা বন্দর এবং মহেশখালীতে স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কাতার ও ওমান থেকে এলএনজি আমদানি এবং স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি ক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় তাঁর সরকারের ব্লু ইকোনমি প্রসারের পদপে তুলে ধরে বলেন, জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল এবং আন্তর্জাতিক সালিশী আদালতের রায়ের ফলে বাংলাদেশের ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র এলাকা অর্জিত হয়েছে। সমুদ্রের সকল সম্পদ আহরণের ল্েয ব্লু-ইকনোমি সেল গঠন, অফশোর মডেল পিএসসি-২০১৪ এবং অনশোর মডেল পিএসসি-২০১৪ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
ভাষণের শুরুতেই দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিকাশে বঙ্গবন্ধুর অবদান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট বিদেশি তেল কোম্পানির কাছ থেকে ৫টি গ্যাস ফিল্ড ক্রয়ের মাধ্যমে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কিন্তু ঘৃণ্য কুচক্রীদের হাতে জাতির পিতা শাহাদতবরণ করায় তাঁর এই স্বপ্ন অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার হত্যার পর ছয় বছর প্রবাস জীবন কাটাতে বাধ্য হয়ে ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসার পর থেকে তাঁর একটাই ল্য-কিভাবে বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা যায়। বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনা যায়।
জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় বাংলাদেশ জায়গা করে নিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের ‘রোল মডেল’। আমরাই বিশ্বে প্রথম শত বছরের ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ শুরু করেছি।
শেখ হাসিনা তাঁর রাজনৈতিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ২০২১ সালে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশকে আমরা মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করব, ইনশাআল্লাহ।