প্রতিবেদন

এস্তোনিয়া-ইউএনডিপি প্রকল্পের সূচনা আলোচনায় অংশ নিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন বিষয়ক এস্তোনিয়া-ইউএনডিপি প্রকল্পের সূচনা উপলে আয়োজিত এক আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।
এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট কেরস্তি কালিজুলাইদ এবং ইউএনডিপি প্রশাসক অচিম স্টেইনার প্রকল্পের সূচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দফতরের ৮ নম্বর কে লঞ্চ অব এস্তোনিয়া-ইউএনডিপি কোঅপারেশন : ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন এজ সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট পাথওয়ে শীর্ষক এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ইউএনডিপি প্রশাসক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ডিজিটালাইজেশন কর্মসূচির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। অচিম স্টেইনার ইউএনডিপির অর্থায়নে পরিচালিত এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশে মানবসম্পদ উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশের ডিজিটালাইজেশন কর্মসূচির পটভূমি তুলে ধরেন। ২০০১ সালের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি উপদেষ্টা বলেন, সে সময়ে মাত্র ৫ থেকে ৬টি সরকারি অফিসে ডিজিটাল টেকনোলজি চালু করা হয়েছিল। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করে। ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার মতা গ্রহণের পর দেশে ডিজিটাল বিপ্লব শুরু হয়।
সজীব ওয়াজেদ বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের শুরুতে সরকার ৪টি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে। এগুলো হচ্ছেÑ সরকারি অফিস ডিজিটালাইজেশন, বিল্ডিং ফ্যাসিলিটিস, মানবসম্পদ সৃষ্টি এবং আইটি শিল্প প্রতিষ্ঠা। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা ডিজিটাল সেবাকে গ্রাম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছি। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
জাতিসংঘ ফাউন্ডেশনের নীতি সংক্রান্ত নির্বাহী পরিচালক মিন থু পামের সঞ্চালনায় এই আলোচনায় ফিনল্যান্ডের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিনা কালকু এবং নামিবিয়ার রাষ্ট্রদূত লিনিকেলাও অংশ নেন।