রাজনীতি

চিকিৎসা নিয়ে রাজনীতির অবসান! ॥ বঙ্গবন্ধু মেডিকেলেই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শুরু : স্বস্তি-হতাশায় বিএনপি নেতারা

বিশেষ প্রতিবেদক : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সরকার ইতঃপূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) কয়েক দফা চিকিৎসা দেয়ার উদ্যোগ নেয়। তবে বেঁকে বসেন বেগম খালেদা জিয়া স্বয়ং। তিনি এবং তার দলের দাবি ছিল তাঁকে ইউনাইটেড বা অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে হবে। কিন্তু জেল কোড অনুযায়ী কোনো দ-প্রাপ্ত কয়েদিকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া রীতি-বিরুদ্ধ হওয়ায় সরকার বেগম জিয়াকে বিএসএমএমইউ অথবা সিএমএইচএ চিকিৎসার প্রস্তাব দেয়। তবে সব প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যান করেন খালেদা জিয়া ও তার দল বিএনপি। এমতাবস্থায় খালেদার আইনজীবীরা দলীয় প্রধানের সুচিকিৎসার জন্য শরণাপন্ন হন হাইকোর্টের। এ সংক্রান্ত একটি রিটের শুনানি শেষে কোর্ট বিএসএমএমইউ-তেই খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। ফলে কারাবন্দি বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে দীর্ঘদিনের চলমান বিরোধ তথা রাজনীতির অবসান ঘটে।
হাইকোর্টের নির্দেশনার পর গত ৬ অক্টোবর বিকেল ৩টায় কড়া নিরাপত্তা প্রহরায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে শাহবাগের বিএসএমএমইউ’র ৬১২ নম্বর কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এর আগে তিন দফা চিকিৎসকরা খালেদা জিয়াকে দেখেছেন। কিন্তু তার বিশেষ কোনো শারীরিক সমস্যা পাওয়া যায়নি। খালেদা জিয়া যতটুকু অসুস্থ ছিলেন, বার্ধক্যে এ রকম অসুস্থতা থাকেই। তারপরও তিনি হাসপাতালে, বিশেষ করে ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চাচ্ছিলেন।
প্রশ্ন উঠছিল, যেসব সুবিধার জন্য তিনি ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চাচ্ছিলেন সেই সুবিধাগুলো বিএসএমএমইউতে তিনি কতটুকু পাবেন? আরেকটি প্রশ্নও দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে ঘুরপাক খাচ্ছেÑ খালেদা জিয়া কি অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে যেতে চাচ্ছিলেন নাকি তার হাসপাতালে যাওয়ার পেছনে অন্য কোনো কারণ ছিল?
কারণ যা-ই হোক, খালেদা জিয়ার সবশেষ ঠিকানা বিএসএমএমইউ’র ৬১২ নম্বর কেবিন। বিএসএমএমইউ-তে ৫ সদস্যবিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড চিকিৎসার সমস্ত কাগজপত্র দেখেছেন এবং প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। সেই অনুযায়ী খালেদা জিয়ার শারীরিক চিকিৎসা চলছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার কাগজপত্র পরীা করার সময় খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মামুন উপস্থিত ছিলেন বলেও জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর এখন প্রশ্ন উঠছে, চিকিৎসা নিয়ে অনেক জল ঘোলা করে খালেদা জিয়া ও বিএনপির কী লাভ হলো? এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা গেল, পছন্দের হাসপাতাল ইউনাইটেডে যেতে না পারলেও বিএসএমএমইউতে খালেদা জিয়া কারাগারের চেয়ে ভালো অবস্থায় থাকবেনÑ এটা নিশ্চিত। আর এটাই আসলে চাইছিল খালেদা জিয়া ও তার দল বিএনপি। হাসপাতালে গেলে আরও কিছু সুবিধা তিনি পাবেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
প্রথমত, খালেদা জিয়া হাসপাতালের ভিআইপি ব্লকে থাকছেন। বিএসএমএমইউতে ভর্তি হওয়ার একটি বড় সুবিধা হলো এখান থেকে খালেদা জিয়া বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন, যোগাযোগ করতে পারবেন। ওয়ান-ইলেভেনের মতো ঘটনাগুলোর সময় দেখা গেছে, কারাবন্দি রাজনৈতিক নেতারা বঙ্গবন্ধুতে ভর্তি থাকা অবস্থায় নিজ নিজ কর্মীদেরকে সহজেই বার্তা দিতে পেরেছেন। বিষয়টি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলের েেত্রই প্রযোজ্য। এছাড়া বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের চিকিৎসকদের বিরাট একটি অংশ বিএনপিপন্থি। তাই খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুতে থাকাকালীন দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে পারবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া এই মুহূর্তে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা অথবা না করা সংক্রান্ত ইস্যুতে সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছে বিএনপি। এমন অবস্থায় ১০ অক্টোবর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দ-িত হওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে বার্তা পৌঁছে দেয়ার বিষয়টি খালেদা জিয়ার জন্য নাজিমউদ্দিন রোডের তুলনায় বিএসএমএমইউতে সহজতর হবে! তাই এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে খালেদা জিয়ার কারাগার থেকে মেডিকেলে যাওয়া তার ও তার দলের জন্য একটি বড় সুবিধা বলে গণ্য করা হচ্ছে।
দ্বিতীয়ত, নাজিমউদ্দিন রোডের কারাগারে যে পরিবেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ছিলেন সে পরিবেশে তিনি খুশি ছিলেন না। আজীবন বিলাসী চলাফেরায় অভ্যস্ত খালেদা জিয়া। কিন্তু কারাগারে তার কে এয়ারকন্ডিশনার ছিল না, তাকে চৌকিতে ঘুমাতে হতো। কিন্তু বিএসএমএমইউতে খালেদা জিয়া ভিআইপি কেবিনে থাকছেন। এখানে সকল ভিআইপি সুবিধাই থাকছে। উন্নত পরিবেশে ফিরে আসাও খালেদা জিয়ার জন্য একটি বড় সুবিধা।
তৃতীয়ত, কারাগারে খালেদা জিয়াকে জেলের খাবারই খেতে হতো। বিশেষ কোনো খাবারের বন্দোবস্ত ছিল না তার জন্য। কিন্তু হাসপাতালে থাকাবস্থায় চিকিৎসকদের অনুমতি নিয়ে তাকে বাড়ির তৈরি খাবারও দেয়া সম্ভব। এটি খালেদা জিয়ার জন্য একটি বড় লাভ।
চতুর্থত, কারাগারে থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়া কারাগারের লোকজন ছাড়া কারও সঙ্গে সহজে দেখা-সাাৎ করতে পারতেন না। মাসে দু’দিন দর্শনার্থী ছাড়া কারও সঙ্গে দেখা করার সুযোগ ছিল না তার। কিন্তু বিএসএমএমইউতে তাকে দু’জন পছন্দের চিকিৎসক দেয়া হয়েছে, দেয়া হয়েছে পছন্দের টেকনিশিয়ান। তাই হাসপাতালে তিনি অনেকটাই মুক্তভাবে চলাফেরা করতে পারবেন। মুক্তভাবে চলাফেরা করতে পারাও খালেদা জিয়া ও তার দলের জন্য একটি বড় লাভ।
অবশ্য, অন্য দৃষ্টিতে দেখলে খালেদা জিয়া হাসপাতালে যাওয়ায় বিএনপির কিছু অসুবিধাও হবে। লাভ হবে সরকারের! কিভাবে? প্রথমত, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেয়া আওয়ামী লীগের একটি কৌশলগত বিজয় বলে মনে করা হচ্ছে। খালেদা জিয়া অনড় ছিলেন, তিনি ইউনাইটেড হাসপাতাল ছাড়া চিকিৎসা গ্রহণ করবেন না। আর সরকার চাইছিল, খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতাল বা অন্য কোনো বেসরকারি হাসপাতালে নেয়া হবে না। খালেদা জিয়া অস্বীকৃতি জানালেও গত চার মাস ধরে তাকে বারবার বিএসএমএমইউতেই ভর্তি হতে বলছে সরকার। শেষ পর্যন্ত সরকারের অবস্থানটিই খালেদা জিয়া মানতে বাধ্য হলেন। এতে আপসহীন নেত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার যে পরিচিতি তা ঠুনকো হয়ে গেল।
দ্বিতীয়ত, খালেদা জিয়ার হাসপাতালে আসার মধ্য দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচনের দিকে নিয়ে আসার েেত্র লাভবান হবে সরকার। সরকারের কাছে খবর আছে, খালেদা জিয়াই বিএনপির মধ্যে সবচেয়ে বেশি নির্বাচনমুখী। যেকোনো মূল্যে নির্বাচনে যেতে চান খালেদা জিয়া। এমনকি নিজে কারাগারে বন্দি থাকলেও। সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ঈদের পরের দিন একান্ত বৈঠক করেন। সেখানেও তিনি নির্বাচনে যাওয়ার পে মত দেন। কিন্তু বিএনপির তারেক জিয়া প্রভাবিত তরুণ অংশটি নির্বাচনে যাওয়ার বিপ।ে দাবি-দাওয়া অর্জিত না হলে নির্বাচনে যেতে আগ্রহী নয় তারা। এমন অবস্থায় খালেদা জিয়া হাসপাতালে থাকার সময়ে বিভিন্ন জনের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন এবং দলকে নির্বাচনমুখী করতে ভূমিকা পালন করতে পারবেন। যেহেতু দলের মধ্যে তারেক রহমানের চেয়ে খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা বেশি তাই দলকে নির্বাচনমুখী করতে খালেদা জিয়ার বার্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সরকার।
তৃতীয়ত, বিএসএমএমইউতে বিএনপির বিভিন্ন নেতারা যখন গোপনে যোগাযোগ করবেন তখন দলে কার কী অবস্থান তা সরকারের সামনে উন্মোচিত হয়ে যাবে। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে বিএনপিতে কে কোন ভূমিকা পালন করছে তা জানতে পারবে সরকার; যা সম্ভব হচ্ছে খালেদা জিয়ার হাসপাতালে যাওয়ার মাধ্যমেই।
চতুর্থত, নির্বাচনে আসার জন্য বিএনপি কিছু ন্যূনতম অর্জন চাইছিল। খালেদা জিয়াকে জেল থেকে বের করে আনা হয়েছে এবং হাসপাতালে নেয়া হয়েছেÑ একে বিএনপি নিজেদের অর্জন হিসেবে দেখাতে পারবে। এমন অর্জন দেখিয়ে বিএনপিকে নির্বাচনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে সরকার। বিএনপি যে সময়টায় কঠোর আন্দোলন করার চিন্তাভাবনা করছিল, তখন খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে আসায় দলটির মধ্যে নমনীয় ভাব চলে আসবে বলে ধারণা সরকারের। এছাড়া খালেদা জিয়া বিএসএমএমইউতে আসায় সরকার আন্তর্জাতিক মহলকে দেখাতে পারবে, খালেদা জিয়ার ওপর কোনো নির্যাতন-নিপীড়ন হচ্ছে না। এটাই হবে সরকারের সবচেয়ে বড় লাভ।
এদিকে, একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম এমন খবর দিয়েছে যে, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে খালেদা জিয়া ভর্তি হওয়ায় দলের সিনিয়র নেতাদের ওপর বেজায় চটেছেন তারেক জিয়া। তারেক জিয়া এখনও কাগজে-কলমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। নাজিমউদ্দিন রোড থেকে বিএসএমএমইউতে স্থানান্তরে তারেক জিয়ার মতামত নেয়া হয়নি, এজন্যই ক্ষুব্ধ এই পলাতক নেতা। তিনি মনে করছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের আগে বিএনপি নেতাকর্মীদের দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতেই সরকার এই কৌশল নিয়েছে। দলের মহাসচিবকে টেলিফোন করে এ নিয়ে নিজের ােভও ঝেড়েছেন তারেক রহমান।
তারেক রহমান মনে করছেন, এর ফলে গ্রেনেড হামলা মামলার রায় নির্বিঘেœ দেয়ার পথ তৈরি করতে সক্ষম হয় সরকার। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে তারেক রহমান বলেছেন, ‘আগামী ক’দিন দলের নেতা কর্মীদের দৃষ্টি থাকবে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে। ফলে নতুন কোনো আন্দোলনের সম্ভাবনাই থাকল না’।
তাছাড়া তারেক জিয়া মনে করছেন, বিএনপি এবং খালেদা জিয়া এতদিন মনে করে আসছিলেন কোনো অবস্থাতেই তিনি (বেগম জিয়া) বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে চিকিৎসা নেবেন না। তিনি একমাত্র ইউনাইটেড বা অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসার দাবিতে অনড় ছিলেন। তারেক জিয়া মির্জা ফখরুলকে জিজ্ঞেস করেন, কী এমন ঘটল যে এখনই তাকে বঙ্গবন্ধুতে যেতে হবে? বরং খালেদা জিয়া যদি বিএসএমএমইউতে যেতে অস্বীকৃতি জানাতেন, তাহলে ১০ অক্টোবর ঘিরে একটা বড় শো ডাউনের সম্ভাবনা ছিল।
জবাবে বিএনপি মহাসচিব তারেক জিয়াকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, এটা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্ত না মানলে ম্যাডামের চিকিৎসাই বন্ধ হয়ে যেত।
এদিকে, বিএনপির অধিকাংশ নেতাই মনে করছেন, খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা দরকার। এই চিকিৎসা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালোই হবে বলে তারা মনে করছেন। তাই তারেক জিয়ার আপত্তিকে তারা ‘সংকীর্ণ’ এবং মাকে জিম্মি করে রাখার কৌশল হিসেবে দেখছেন। বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, খালেদা জিয়ার এই পরিণতির জন্য তারেক জিয়াই দায়ী। এখন তারেক জিয়া খালেদার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করছে; এটা দুর্ভাগ্যজনকÑ বিএনপির এ ধারার মতাদর্শী নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার শারীরিক চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতার অবসান হওয়ায় এবং বিএসএমএমইউ’তে তাঁর চিকিৎসা শুরু হওয়ায় বেশ খুশি। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে এখন তারা আগের তুলনায় বেশ স্বস্তিতে আছেন। অপরদিকে বিএনপির যে পক্ষটি খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিত না করে উল্টো তাঁর চিকিৎসা নিয়ে নোংরা রাজনীতি করতে চেয়েছিল তারা এখন বেশ হতাশ।