প্রতিবেদন

ইউজিসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশ অমান্য করেই বহাল তবিয়তে চলছে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সম্প্রতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সরেজমিন পরিদর্শন করে। এর প্রথম পর্যায়ে ৪০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা অনুসরণ না করাসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য উঠে আসে। সে অনুযায়ী এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন বাতিলের সুপারিশ করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) চিঠি দেয় দুদক। অপরদিকে দুদকের সুপারিশ অনুযায়ী এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন বাতিলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে চিঠি দিয়েছে শিা মন্ত্রণালয়ও।
জানা যায়, দুদকের অভিযানে ৪০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য উঠে আসে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বিরুদ্ধে। দুদকের কর্মকর্তারা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিপত্র পরীক্ষা করে বহুমুখী অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পান। সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বিরুদ্ধে অযোগ্য শিক ও কর্মকর্তা নিয়োগ প্রদান এবং শিার্থীদের ঠিকমতো না পড়িয়ে বরং অর্থের বিনিময়ে সার্টিফিকেট দেয়াসহ নানা ধরনের অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে।
তার বাইরে আরো কয়েকটি গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। এর অন্যতম হলো প্রতিষ্ঠানটির ভিসি নিয়োগ সংক্রান্ত। সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ভিসি হিসেবে আছেন এ এন এম মেশকাত উদ্দিন; যিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক অনুমোদনপ্রাপ্ত নন।
অভিযোগ রয়েছে, মেশকাত উদ্দিন জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় সদস্য। এ ছাড়াও সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির গভর্নিং বডির অধিকাংশ সদস্যই জামায়াত-বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ভিসি মেশকাত উদ্দিন ও গভর্নিং বডির সদস্যরা মিলে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছেন. সেখানে এমন আলোচনাই প্রতিষ্ঠিত যে, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রীরা হবে শিবিরের এবং শিক্ষকরা হবেন জামায়াতের। প্রগতিশীল কোনো ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকের স্থান সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে হবে না।
এরই অংশ হিসেবে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ১২ জন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়। এই ১২ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ ছিল তারা জামায়াতি নন, প্রগতিশীল।
এর চেয়েও মারাত্মক অপরাধ হলো, বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের চ্যান্সেলর মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের একটি আদেশ দিনের পর দিন লঙ্ঘন করে আসছে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি। আদেশটি হলো সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ভিসি নিয়োগ সংক্রান্ত। গত বছরের ৭ জানুয়ারি উপ-সচিব (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১) জিন্নাত রেহানা স্বাক্ষরিত (নং-শিম/ শাঃ ১৭/৮ বে. বি-২৭/২০০৫/৮৬১) চিঠি দেয়া হয় সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান বরাবর। চিঠিতে বলা হয়, উপর্যুক্ত বিষয়ে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ৩১ (১) ধারা অনুযায়ী সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর পদে ড. নার্গিস আক্তার-কে যোগদানের তারিখ হতে ০৪ (চার) বছরের জন্য নিয়োগ প্রদানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর সানুগ্রহ সম্মতি প্রদান করেছেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হলো।
গত বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি Ñ এই ১৩ মাসের অধিক সময়েও রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের আদেশ ও অনুমোদন সত্ত্বেও ড. নার্গিস আক্তারকে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ভিসি পদে নিয়োগ দেয়া হয়নি। এমনকি ড. নার্গিস আক্তারকে রাষ্ট্রপতি প্রদত্ত চিঠির কপিও দেয়া হয়নি। ড. নার্গিস আক্তার ভিন্ন মাধ্যমে চিঠির কপি সংগ্রহ করে তাঁকে ভিসি পদে নিয়োগ দেয়ার জন্য গভর্নিং বডিকে বললে গভর্নিং বডির একাধিক সদস্য এবং ভারপ্রাপ্ত ভিসি এ এন এম মেশকাত উদ্দিন এই মর্মে ড. নার্গিস আক্তারকে জানিয়ে দেন, ‘প্রগতিশীল কোনো ব্যক্তির সাউথইস্টের ভিসি হওয়ার স্বপ্ন দেখে লাভ নেই। এই ইউনিভার্সিটিতে প্রগতিশীল কোনো শিক্ষককেই নিয়োগ দেয়া হয় না, সেক্ষেত্রে আপনি তো এসেছেন ভিসি হওয়ার দাবি নিয়ে’। ড. নার্গিস আক্তার মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিলে ভারপ্রাপ্ত ভিসির কক্ষে এক হাস্যরস সৃষ্টি হয়। ভারপ্রাপ্ত ভিসি বলেন, ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো চ্যান্সেলরের আদেশ সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে কার্যকর হয়নি; আর উনি এসেছেন আবদুল হামিদের আদেশ নিয়ে! হা হা হা।
রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের আদেশ সত্ত্বেও ড. নার্গিস আক্তারকে কেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ভিসি পদে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না Ñ এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত ভিসি এ এন এম মেশকাত উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি স্বদেশ খবরকে বলেন, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর আদেশ দিলেই যে ভিসি পদে কাউকে বসিয়ে দিতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ক্ষেত্রে চ্যান্সেলরের আদেশ বিবেচ্য বিষয় নয়, এখানে গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। গভর্নিং বডি আমাকে ভারপ্রাপ্ত ভিসি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে, তারা যতদিন চাইবে ততদিন আমিই ভারপ্রাপ্ত ভিসি পদে থাকব। গভর্নিং বডি যদি ড. নার্গিসকে নিয়োগ দেয় তাহলে আমি সরে যাব।
ড. নার্গিস আক্তারকে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ভিসি নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করেও কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। রাষ্ট্রপতি ভিসি নিয়োগ দেয়ার পরও সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কেন ওই ব্যক্তিকে ভিসি পদে দায়িত্ব পালন করতে দিচ্ছে না Ñ এটা ইউজিসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের কেউই জানেন না। চ্যান্সেলর তথা মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশ অমান্য করলে শাস্তির ব্যবস্থা কী Ñ এ বিষয়টিও কেউ জানেন না বলে স্বদেশ খবরকে জানানো হয়।
তবে জানা গেছে, ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করেই নাকি সাউথইস্টসহ বেশিরভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলে। ফলে অনেকেই বলেন, সরকারের চেয়েও শক্তিশালী হচ্ছে সাউথইস্টসহ দুদকের তদন্তে অভিযুক্ত ৪০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
ড. নার্গিস আক্তারকে কেন ভিসি পদে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না Ñ এ বিষয়টি স্বদেশ খবর প্রতিবেদক গভর্নিং বডির একজন মেম্বারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাউথইস্টের ক্ষেত্রে চ্যান্সেলর বলেন আর রাষ্ট্রপতিই বলেন, সবই হলেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান। তার আদেশই সব। তিনি যাকে ভিসি পদে নিয়োগ দেবেন, তিনিই ভিসির চেয়ারে বসবেন।
এ বিষয়ে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের কাছে টেলিফোনে জানতে চাইলে তিনি ড. নার্গিস আক্তারকে ভিসি পদে নিয়োগ দেয়া সংক্রান্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের আদেশের বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে তিনি এ বিষয়ে পরবর্তীতে কথা বলবেন বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। পরে তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও এ বিষয়ে কথা বলতে তিনি রাজি হননি।
দুদকের কর্মকর্তারা সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি নিয়ে যে তদন্ত করেছেন, তার প্রতিবেদনে সংস্থাটি অভিযোগ করেছে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়টি অনুমোদন পেতে প্রাথমিক শর্ত পূরণ করতে পারেনি। এ েেত্র তারা অর্থের বিনিময়ে অনুমোদন নিয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক প্রভাবও কাজে লাগানো হয়েছে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির অনুমোদনের েেত্র। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠার ৫ বছরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার শর্ত থাকলেও ২০০২ সালে অনুমোদন পাওয়ার পর দীর্ঘ ১৭ বছর পরও সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে সক্ষম হয়নি। জানা গেছে, চারদলীয় জোট সরকারের আমলে যে ৩৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয়া হয়, তার সর্বাগ্রে ছিল সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি। এই ইউনিভার্সিটির শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর সবাই জামায়াত-বিএনপির রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক। প্রগতিশীল কোনো শিক্ষকের স্থান এ বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। প্রগতিশীলতার অভিযোগে ১২ জন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই অভিযোগে ড. নার্গিস আক্তারকেও ভিসি পদে যোগ দিতে দেয়া হয়নি।
এদিকে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য এএনএম মেশকাত উদ্দিনের নিন্দায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় বইছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির চাকরিচ্যুত ১২ শিককে পুনর্বহালের দাবিতে উত্তাল শিার্থীরা। ভিসির নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে তাকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনও চালিয়ে যাচ্ছেন শিার্থীরা। আন্দোলনের শুরুতে শিার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়টির সামনে ভিসির সমালোচনা করলেও এখন তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও তার সমালোচনায় মুখর। মোহাম্মদ আলী নামের এক শিার্থী সাউথইস্ট ইনফো নামের ফেসবুক পেজে ‘মেসকাতসমস্ত’ শিরোনামে লেখেন, ‘পারসোনাল অ্যাসিস্ট্যান্টের সাথে অবৈধ রিলেশনের জন্য নর্থসাউথ থেকে বিতাড়িত হয়ে সাউথইস্টে এসেছিল, এখানেও বাংলা ডিপার্টমেন্টের সাবেক চেয়ারম্যান ম্যামের সাথেও একই ঘটনার জন্ম দেয়ায় এখান থেকেও জব চলে গিয়েছিল (২০১৩ সালের বিবিএ ডিপার্টমেন্টের পিকনিকের দিনের কথা মনে করলেই হবে)। সারিনা হোটেলের অবকাশযাপন না হয় বাদই দিলাম। তারপর নর্থসাউথে ফিরে গিয়ে জালিয়াতি ধরা পড়ে আবার কিক আউট। তারপর আবার সাউথইস্ট! ভয়ঙ্কর প্ল্যানে আছে মালিক পক্ষ। তাদের প্ল্যান দিন দিন কোয়ালিটি নিচে নামিয়ে এনে একটা সময় ভার্সিটি একদম বন্ধ করে ফেলা। কারণ ভার্সিটির ভেলুয়েশন এখন প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার ওপরে। অথচ ট্রাস্টি বোর্ডের মাত্র ২২ জন সদস্য, যার মধ্যে বেশিরভাগই মাত্র ৫ লাখ টাকা দিয়ে নামমাত্র শেয়ারহোল্ডার হয়েছিল, যেসব শেয়ারের বর্তমান বাজারমূল্য কত টাকা হতে পারে ভাবাই যায় না। প্রতিষ্ঠান কোনোরকমে বন্ধ করতে পারলে পুরো টাকা ভাগাভাগি করে নেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে মালিক পক্ষ, সেটাও ভিসি মেসকাতের মাস্টার প্ল্যানের ওপর ভিত্তি করে। এই মেসকাতই হচ্ছে সব নাটের গুরু, বিজনেস স্কুলকে যে সকল সিনিয়র টিচার পরিবারের মতো মনে করতেন অতীতেও এই মেসকাতই তাদের জব ছাড়া করেছে। এখন বলছে হাইকোর্ট থেকে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আরে নিষ্পত্তি হয়ে থাকলে নর্থসাউথেই ফিরে যান। বাতিল মালগুলোই সব সাউথইস্টে ভিসি হিসেবে আসে।’
সে যা-ই হোক, এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, ইউজিসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে ভারপ্রাপ্ত ভিসি এএনএম মেশকাত উদ্দিন ও গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্যের অনৈতিক কর্মকা-ের মাধ্যমে বহাল তবিয়তেই আছে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি। ইউজিসির আদেশ সত্ত্বেও এ বিশ্ববিদ্যালয়টি গত ১৬ বছরেও স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের আদেশ অনুযায়ী এই বিশ্ববিদ্যালয়টি গত ১৬ বছরে একজন ভিসি, একজন প্রো-ভিসি এবং একজন রেজিস্ট্রার নিয়োগ দিতে পারেনি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যারাই ভিসি, প্রো-ভিসি ও রেজিস্ট্রার পদে এসেছেন, তারা সবাই ছিলেন গভর্নিং বডির চেয়ারম্যানের আশীর্বাদপুষ্ট। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ভিসিও চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের আশীর্বাদপুষ্ট। ফলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের আদেশ থাকা সত্ত্বেও ড. নার্গিস আক্তার সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ভিসি হওয়া থেকে বঞ্চিত।