প্রতিবেদন

ঢাকা বারে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের নিরঙ্কুশ বিজয়

স্বদেশ খবর ডেস্ক
এশিয়ার বৃহত্তম বার খ্যাত ঢাকা আইনজীবী সমিতির (ঢাকা বার) ২০১৯-২০ মেয়াদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও সমমনা সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সাদা প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয়লাভ করেছে।
২ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনের ফল গত ৮ মার্চ দিবাগত মধ্যরাতে ঘোষণা করেন ঢাকা বারের প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোখলেছুর রহমান বাদল। এতে ২৭টি পদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৮টি পদেই জয়ী হয় সাদা প্যানেল। এর মধ্যে ৯টি সম্পাদকীয় ও ৯টি সদস্য পদ পেয়েছে তারা। অপরদিকে বিএনপি ও সমমনা সমর্থিত জাতীয়তাবাদী ঐক্যের নীল প্যানেল সিনিয়র সহ-সভাপতিসহ ৩টি সম্পাদকীয় ও ৬টি সদস্য পদে জয় পেয়েছে।
সাদা প্যানেলের সম্পাদকীয় পদে বিজয়ীরা হলেন সভাপতি গাজী শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান রচি, সহসভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন দুলাল, কোষাধ্য আবদুল জলিল আফ্রাদ, জ্যেষ্ঠ সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ ওমর ফারুক, দপ্তর সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক হুমায়ুন খন্দকার ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে উজ্জ্বল মিয়া।
সাদা প্যানেলের সদস্য পদে বিজয়ীরা হলেন আয়েশা বিনতে আলী, তুষার ঘোষ, হায়াত আল মাহমুদ, কাওছার হাসান, ইব্রাহিম হোসেন, জুয়েল শিকদার, সোহরাব হোসেন, তানভীর আহমেদ ও মাসুম মিয়া।
সম্পাদকীয় পদে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত নীল প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আবদুস সালাম দেওয়ান, গ্রন্থাগার সম্পাদক জিয়াউল হক ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোরশেদা খাতুন।
সদস্য পদে নীল প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন ইব্রাহিম খলিল, শাহীন সুলতানা, কাজী রওশান দিল আফরোজ, ফারহানা আক্তার লুবনা, মেহেদী হাসান ও ইকবাল মাহমুদ সরকার।
উল্লেখ্য, ঢাকা বারের সদস্য সংখ্যা ২৪ হাজার ৬৮৪। নির্বাচনে এবার ১৭ হাজার ৮৯৭ জন আইনজীবী ভোটার ছিলেন। তবে ২ দিনব্যাপী ভোটগ্রহণে ৯ হাজার ৩৬৪ জন ভোট দিয়েছেন।
ঢাকা বারের নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বারের সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান বাদল। বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে গত ২৭ ফেব্র“য়ারি প্রথম দিনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বৈরী আবহাওয়া ও ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলে সাধারণ ছুটি থাকায় ২৮ ফেব্র“য়ারি দ্বিতীয় দিনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। ৫ মার্চ কমিশন এক সভায় ৭ মার্চ দ্বিতীয় ও শেষ দিনের ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। সে অনুযায়ী ওই দিন ভোটগ্রহণ করা হয়।
এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোট ৫৪ জন প্রার্থী।
গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল ১৪টি পদে বিজয় অর্জন করে। তবে বিএনপি সমর্থিত আইনজীবী নীল প্যানেল থেকে বারের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।