প্রতিবেদন

নারীর মতায়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

স্বদেশ খবর ডেস্ক
নারীমতায়নে অসামান্য অবদান ও দণি এশীয় অঞ্চলে দ নেতৃত্বের জন্য আরেকটি আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
৭ মার্চ জার্মানির বার্লিনের সিটি কিউব আইটিবি প্রাঙ্গণে বিশ্ব নারী দিবস উপলে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ সম্মানজনক পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।
‘লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন ফর উইমেন এম্পাওয়ারমেন্ট’ নামে এ বিশেষ পুরস্কারটি প্রদান করে ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান উইমেন (আইএসএডব্লিউ)। ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, জার্মান বাংলাদেশ দূতাবাসের সিনিয়র কর্মকর্তা ও প্রবাসী অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ‘লাইফ টাইম কন্ট্রিবিউশন ফর উইমেন এম্পাওয়ারমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ দেশের মানুষ এবং বিশ্বের নির্যাতিত নারীদের উৎসর্গ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘এ অ্যাওয়ার্ড আমার নয়, এটা দেশের মানুষের। আমি যে অ্যাওয়ার্ডই পাই না কেন তার ভাগিদার এ দেশের মানুষ।’
গত ৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন্নাহার। স্বাগত বক্তব্যের পর তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন।
চলতি মেয়াদসহ চারবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য এক নতুন উচ্চতায়। নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ করে অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে বেশ এগিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে এখন একটি রোলমডেল হিসেবে পরিচিত। সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও শেখ হাসিনা বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বব্যাপী হয়েছেন প্রশংসিত।
শান্তি, শিা, সম্প্রীতিসহ প্রতিটি েেত্রই বাংলাদেশের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বব্যাপী। এটি সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও দেশের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কারণে। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নতির পাশাপাশি শেখ হাসিনা নিজে অনেকগুলো অর্জনের ভাগীদার হয়েছেন। পেয়েছেন আন্তর্জাতিক অনেক সম্মাননা পদক। বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি অসংখ্য পুরস্কার, পদক, ডক্টরেট ডিগ্রি ও সম্মাননা পদক অর্জন করেছেন। এর মধ্যে জাতিসংঘের বেশকটি পুরস্কার রয়েছে। এ ছাড়াও দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩টি ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কার প্রাপ্তি জাতিকে গর্বিত করে। তিনি যে একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেত্রী তার প্রমাণ তিনি রেখেছেন সেই ১৯৯৬ সালে মতায় আসার পর থেকেই। তার দৃঢ় নেতৃত্বের স্বীকৃতি পেয়েছেন আন্তর্জাতিক পরিম-ল থেকে। নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য সর্বশেষ স্বীকৃতি পেলেন জার্মানি থেকে ‘লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন ফর উইমেন এম্পাওয়ারমেন্ট’ অ্যাওয়ার্ড অর্জনের মধ্য দিয়ে।
১৯৯৭ সাল থেকে বিভিন্ন েেত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাওয়া অর্জনগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
২০১৯: নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য ‘লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন ফর উইমেন এম্পাওয়ারমেন্ট’ অ্যাওয়ার্ড অর্জন।
২০১৮: নারী নেতৃত্বের সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৭ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে জমকালো অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গ্লোবাল সামিট অব উইমেন শেখ হাসিনাকে এই মর্যাদাবান সম্মাননা প্রদান করে।
২০১৬: লিঙ্গসমতা ও নারীর মতায়নে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘের ২টি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুরস্কারগুলো হলো প্লানেট ফিফটি ফিফটি চ্যাম্পিয়ন ও এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড। প্ল্যানেট ফিফটি ফিফটি চ্যাম্পিয়ন পুরস্কারটি দেয়া হয় ইউএন উইমেনের প থেকে। এজেন্ট অব চেইঞ্জ অ্যাওয়ার্ড দেয় গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরাম।
২০১৫: চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার। জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকি মোকাবিলায় জাতিসংঘ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করে।
২০১৫: ওঞট (ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ঞবষবপড়স টহরড়হ) অধিৎফ. ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করে।
২০১৫: ডওচ (ডড়সবহ রহ চধৎষরধসবহঃ) এষড়নধষ অধিৎফ. রাজনীতিতে নারী-পুরুষের বৈষম্য কমানোর েেত্র দণি ও দণি-পূর্ব এশিয়ায় নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালনে ২৫ মার্চ ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় এ পুরস্কার দেয়া হয়।
২০১৪: শান্তিবৃ পদক (চবধপব ঞৎবব অধিৎফ)। নারী ও শিশুশিা ও উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেস্কো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করে।
এছাড়াও খাদ্য উৎপাদন ও তথ্যপ্রযুক্তি েেত্র অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ সম্মাননা সার্টিফিকেট প্রদান করে।
২০১৩: ঝড়ঁঃয ঝড়ঁঃয অধিৎফ খাদ্য নিরাপত্তা এবং ুধা ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর সাউথ সাউথ কো-অপারেশন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করে।
২০১৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নপ্রসূত একটি বাড়ি ও একটি খামার প্রকল্প ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত তথ্যপ্রযুক্তি মেলায় ২৩ সেপ্টেম্বর সাউথ এশিয়া ও এশিয়া প্যাসিফিক গধহঃযধহ অধিৎফ ২০১৩ পদকে ভূষিত হয়।
২০১৩: জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দারিদ্র্য ও অপুষ্টি দূর করার েেত্র উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করায় ১৬ জুন বাংলাদেশকে উরঢ়ষড়সধ অধিৎফ পদকে ভূষিত করে।
২০১২: শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার জন্য ভারতের ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করে।
২০১২: বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বিশেষ অবদানের জন্য টঘঊঝঈঙ ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঈঁষঃধৎঁষ উরাবৎংরঃু পদকে ভূষিত করে।
২০১১: ২৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের হাউস অব কমন্সের স্পিকার ঔযড়হ ইবৎপড়ি গচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুশাসন, মানবাধিকার রা, আঞ্চলিক শান্তি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে তার অনবদ্য অবদানের জন্য এষড়নধষ উরাবৎংরঃু অধিৎফ প্রদান করেন।
২০১১: সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড স্বাস্থ্য খাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নারী ও শিশু মৃত্যুর হার কমানোর েেত্র বিশেষ অবদানের জন্য ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ঞবষবপড়সসঁহরপধঃরড়হ ঁহরড়হ (ওঞট) ঝড়ঁঃয ঝড়ঁঃয ঘবংি এবং জাতিসংঘের আফ্রিকা সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কমিশন যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঝড়ঁঃয ঝড়ঁঃয অধিৎফ ২০১১: উরমরঃধষ উবাড়ষড়ঢ়সবহঃ ঐবধষঃয পুরস্কারে ভূষিত করে।
২০১১: গণতন্ত্র সুসংহতকরণে প্রচেষ্টা ও নারীর মতায়নে অবদান রাখার জন্য ফ্রান্সের ডফিন বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনাকে স্বর্ণপদক প্রদান করে।
২০১১: বাংলা একাডেমির সম্মাননা সূচক ফেলোশিপ পান শেখ হাসিনা।
২০১০: গউএ (গরষষবহরঁস উবাড়ষড়ঢ়সবহঃ এড়ধষ) অধিৎফ: শিশুমৃত্যু হ্রাস সংক্রান্ত গউএ-৪ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ এ পুরস্কার প্রদান করে।
২০১০: ২৩ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তর্জাতিক উন্নয়নে অসমান্য অবদানের জন্য ঝঃ. চবঃৎংনঁৎম টহরাবৎংরঃু সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে।
২০১০: ১২ জানুয়ারি বিশ্বখ্যাত ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পদক ২০০৯-এ ভূষিত হন।
২০০৫: জুন মাসে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শান্তির পে অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি অব রাশিয়া।
২০০০: রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকারের েেত্র সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার জন্য ম্যাকন উইমেনস কলেজ যুক্তরাষ্ট্র পার্ল এস বাক পদক প্রদান করে।
২০০০: ৪ ফেব্র“য়ারি ব্রাসেলসের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় উড়পঃড়ৎ ঐড়হড়ৎরঁং ঈধঁংধ প্রদান করে।
২০০০: ৫ সেপ্টেম্বর টহরাবৎংরঃু ড়ভ ইৎরফমবঢ়ড়ৎঃ কানেকটিকাট, যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উড়পঃড়ৎ ড়ভ ঐঁসধহব ষবঃঃবৎং প্রদান করে বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নে অবদানের জন্য।
১৯৯৯: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২১ ফেব্র“য়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি লাভ করে।
১৯৯৯: ২০ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি শেখ হাসিনাকে ডক্টর অব লজ ডিগ্রি প্রদান করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার অবদানের জন্য।
১৯৯৯: ুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঋঅঙ কর্তৃক সেরেস পদক লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৯৯৮: নরওয়ের রাজধানী অসলোয় মহাত্মা গান্ধী ফাউন্ডেশন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এম কে গান্ধী পুরস্কারে ভূষিত করে।
১৯৯৯: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টর অব লজ পান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৯৯৮: শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকে মাদার তেরেসা পদক প্রদান করে নিখিল ভারত শান্তি পরিষদ।
১৯৯৮: পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখার জন্য ইউনেস্কো শেখ হাসিনাকে ফেলিক্স হুফে বইনি শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে।
১৯৯৮: ২৮ জানুয়ারি শান্তি নিকেতন বিশ্বভারতীর এক আড়ম্বরপূর্ণ বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক দেশিকোত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
১৯৯৭: লায়ন্স কাবসমূহের আন্তর্জাতিক অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক রাষ্ট্রপ্রধান পদকে ভূষিত হন।
১৯৯৭: রোটারি ইন্টারন্যাশনালের রোটারি ফাউন্ডেশন শেখ হাসিনাকে পল হ্যারিস ফেলো নির্বাচিত করে এবং ১৯৯৬-৯৭ সালের সম্মাননা মেডেল প্রদান করে।
১৯৯৭: নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মশতবার্ষিকী উপলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি শান্তি, গণতন্ত্র ও উপমহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্য স্থাপনে অনন্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ শেখ হাসিনাকে নেতাজী মেমোরিয়াল পদক ১৯৯৭ প্রদান করে।
১৯৯৭: ২৫ অক্টোবর গ্রেট ব্রিটেনের ডান্ডি অ্যাবার্তে বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডক্টর অব লিবারেল আর্টস ডিগ্রি প্রদান করে।
১৯৯৭: ১৫ জুলাই জাপানের বিখ্যাত ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ ডিগ্রি প্রদান করে।
১৯৯৭: ৬ ফেব্র“য়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ উপাধি প্রদান করে।