প্রতিবেদন

১৩৩ বছরে চট্টগ্রাম বন্দর: বাড়ছে চাহিদা ও প্রত্যাশা

এম নিজাম উদ্দিন : ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতির প্রাণপ্রবাহিনী শিরা হিসেবে খ্যাত চট্টগ্রাম বন্দর তার গৌরবের ১৩২ বছর পার করে ১৩৩ বছরে পদার্পণ করছে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সিংহদ্বার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর এ দিনটিকে ‘চট্টগ্রাম বন্দর দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে। বছরে এই একটি দিনের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই।
এ উপলক্ষে বরাবরের মতো এবারও ছিল ব্যাপক আয়োজন ও আনুষ্ঠানিকতা। ২৪ এপ্রিল এক মতবিনিময় সভায় বন্দরের দীর্ঘ পথচলার ইতিহাস তুলে ধরার পাশাপাশি কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে গৃহীত পরিকল্পনা ও চলমান প্রকল্পগুলো তুলে ধরেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজ।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানান, দেশের আমদানি-রপ্তানি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরও সক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে। প্রতি বছরই বাড়ছে পণ্য হ্যান্ডলিং। ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় গড়ে উঠছে নতুন নতুন টার্মিনাল। সংগৃহীত হচ্ছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ও দক্ষতার বিবেচনায় চট্টগ্রাম বন্দর এখন বিশ্বের ব্যস্ততম সমুদ্র বন্দরগুলোর অন্যতম।
বন্দরের শহীদ বজলুর রহমান মুন্সী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম, সদস্য (প্রকৌশল) কমডোর খন্দকার আখতার হোসেন, সচিব মো. ওমর ফারুক এবং শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজ বন্দরের দক্ষতার চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগই সামাল দিচ্ছে এই বন্দর। আজকের বন্দর বিগত দিনের চেয়ে আরও কর্মক্ষম এবং আগামীর বন্দর হতে যাচ্ছে আরও আকর্ষণীয়, আরও সমৃদ্ধ ও কার্যকর। বর্তমানে কন্টেইনারবাহী জাহাজ বহির্নোঙ্গরে আসার এক থেকে দু’দিনের মধ্যে জেটিতে ভিড়তে পারছে। আবার একদিনও অপেক্ষা না করে সরাসরি জেটিতে ভেড়ার রেকর্ডও রয়েছে। ২০১৭ সালে জাহাজের গড় সর্বোচ্চ অবস্থানকাল ছিল ৭ থেকে ৮ দিন পর্যন্ত। পণ্য ওঠানামায় গতিও বেড়েছে। ফলে কন্টেইনারবাহী জাহাজকে কম সময় জেটিতে অবস্থান করতে হচ্ছে। সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজের জেটি খালি থাকায় সেখানেও ভেড়ানো যাচ্ছে কন্টেইনারবাহী জাহাজ। এতে করে একসঙ্গে ১২ থেকে ১৪টি জাহাজে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে।
বন্দরের দক্ষতা ও ব্যস্ততা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০১৭ সালে জাহাজ এসেছিল ৩ হাজার ৩৭০টি। ২০১৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৪৭টি। দেশের শিল্পায়ন ও আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন নতুন জেটি স্থাপনের মাধ্যমে সম্প্রসারণের কাজ এগিয়ে চলেছে।
কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের প্রবৃদ্ধি তুলে ধরে বন্দর চেয়ারম্যান জানান, ২০১৭ সালে কন্টেইনার ওঠানামা হয়েছিল ২৬ লাখ ৬৭ হাজার টিইইউএস। ২০১৮ সালে বেড়ে হয়েছে ২৯ লাখ ৩ হাজার টিইইউএস। প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৯ শতাংশ। সাধারণ কার্গো ওঠানামা হয়েছে ৯ কোটি ৬৩ লাখ মেট্রিক টন। এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ১৩ শতাংশ। কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের এ পরিসংখ্যান চট্টগ্রাম বন্দরের ত্রিশ বছর মেয়াদি প্রজ্ঞাপনকে ছাড়িয়ে গেছে। ইয়ার্ডে কন্টেইনার ধারণক্ষমতা বেড়েছে। বর্তমানে ৫০ হাজারের বেশি কন্টেইনার রাখা সম্ভব হচ্ছে।
ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বে-টার্মিনাল, পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল (পিসিটি), লালদিয়া টার্মিনাল ও কর্ণফুলী কন্টেইনার টার্মিনাল (কেসিটি) নামে ৪টি টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প চূড়ান্ত হয়েছে। এর মধ্যে বে-টার্মিনাল ও পিসিটি নির্মাণের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলেছে। মীরসরাইয়ে নির্মাণাধীন দেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল ‘বঙ্গবন্ধু শিল্প নগর’কে সাপোর্ট দিতে সীতাকু- এলাকায় আরেকটি টার্মিনাল নির্মাণের প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ চলমান রয়েছে। বে-টার্মিনাল নির্মিত হলে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বেড়ে তিনগুণ হবে। একের পর এক প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বন্দর উন্নীত হচ্ছে নতুন থেকে নতুনতর উচ্চতায়।
চট্টগ্রাম বন্দর দিবসকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে উৎসব আমেজ। রং-বেরঙের পতাকায় সাজানো হয় বন্দর ভবন এবং এর আশপাশ। বছরে এই একটি দিনের জন্য বন্দর ও বন্দর ব্যবহারকারী সংস্থাগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকেন। কেননা দুই ঈদের সকালের শিফট ছাড়া বছরের ৩৬৫ দিন ২৪ ঘণ্টাই বন্দর চালু থাকে। বিশেষ এ দিনে সকলেই আনন্দে মেতে উঠেন। অনুষ্ঠিত হয়েছে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান, আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচি।
চট্টগ্রাম বন্দরে বে-টার্মিনাল নির্মিত হলে সিঙ্গাপুর পোর্টের মতো হবে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম। জাহাজ সরাসরি জেটিতে চলে আসবে। সঙ্গে সঙ্গে কন্টেইনার ডেলিভারি হবে।
জানা যায়, প্রতিদিন ২ হাজার কন্টেইনার ডেলিভারির জন্য ৬ হাজার ট্রাক ঢোকে, এর সঙ্গে ৩ জন করে জনবল ঢুকলে ১৮ হাজার মানুষ ঢোকে। এটি বন্দরে হ্যান্ডলিং ও সিকিউরিটির জন্য সমস্যা। এ জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ ওভার ফ্লো ইয়ার্ড চালু করছে। ১ বছরের মধ্যে সেটি পুরোদমে চালু হলে ১৫-২০ শতাংশ কন্টেইনার সেখান থেকে ডেলিভারি হবে। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনাল এলাকায় একটি ট্রাক টার্মিনাল ও বড় ডেলিভারি ইয়ার্ড নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এটি অতি দ্রুত করা দরকার।
পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) হয়ে গেলে সক্ষমতা আরও বেড়ে যাবে। এটি ২০২০ সালের শেষ দিকে বা ২০২১ সালে প্রথম দিকে চালু হবে। বিজিএমইএর ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।
তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল জুলফিকার আজিজ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ৫-১০ বছরের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে। প্রতিদিনই বন্দরের সক্ষমতা বাড়ছে। গত এক সপ্তাহ বহির্নোঙরে জাহাজ নেই। আগে ৫ দিন, ৭ দিন, ১০ দিন বহির্নোঙরে অপেক্ষা করতে হতো। এখন সরাসরি এসে জেটিতে ভিড়ছে। একই সঙ্গে প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। গত ফেব্রুয়ারিতে হ্যান্ডলিং হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার কন্টেইনার (টিইইউস), যা ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ছিল ২ লাখ টিইইউস। হ্যান্ডলিংয়ে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। জাহাজের গড় অপেক্ষার সময় কমে গেছে। তার মানে পুরো ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন হয়েছে। ফলে এখন নিরবচ্ছিন্ন অপারেশন হচ্ছে।
বন্দরের অপারেশন সম্পর্কিত বিশ্বব্যাংকের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনের সঙ্গে অনেক স্টেকহোল্ডার জড়িত। এর সঙ্গে কাস্টম হাউস সরাসরি জড়িত। এ ছাড়া শিপিং এজেন্ট, সিঅ্যান্ডএফ, বার্থ অপারেটর, বেসরকারি আইসিডি (অফডক), ফ্রেইট ফরওয়ার্ডারসহ অনেকেই জড়িত। বন্দর ২৪ ঘণ্টা অপারেশন করছে। কাস্টম হাউস ছুটির দিন খোলা রাখা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার একটা চাপ আছে। শুক্রবার ব্যাংক খোলা রাখা হচ্ছে। ধাপে ধাপে হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন ও সক্ষমতা পুরোদমে বাড়ানোর পাশাপাশি স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয় হতে হবে।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, সক্ষমতা আনয়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বন্দরে ৬টি গ্যান্ট্রি ক্রেন চলে এসেছে। জুন-জুলাইতে আরও ৪টি গ্যান্ট্রি ক্রেন আসছে। নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) গ্যান্ট্রি ক্রেন আসায় প্রডাক্টিভিটি বেড়ে গেছে। জাহাজের দৈর্ঘ্য বেড়েছে। আগে জাহাজের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫০-১৬০ মিটার। এক জাহাজে ২টি গ্যান্ট্রি ক্রেন দেয়া হতো। এখন দৈর্ঘ্য ১৮০-১৯০ মিটার। প্রতিটি জাহাজে ৩টি গ্যান্ট্রি ক্রেন দেয়া হচ্ছে। তাই দ্রুত কন্টেইনার লোড-আনলোড করা যাচ্ছে।
এর আগে গণমাধ্যমের সাথে মতবিনিময়কালে বন্দর চেয়ারম্যান কমডোর জুলফিকার আজিজ বলেন, বন্দরে কোনো ধরনের কন্টেইনার জট ও ট্রাক জট থাকবে না। বে-টার্মিনাল নির্মাণ শেষ হলে বন্দরের কন্টেইনারগুলো সেখানে নিয়ে যাওয়া হবে এবং বে-টার্মিনাল থেকেই বাইরে সরবরাহ করা হবে। বে-টার্মিনালের পাশে নির্মাণ করা হবে বিশালাকার ট্রাক টার্মিনাল। কন্টেইনারের জন্য অপেক্ষমান ট্রাক ও প্রাইম মুভারগুলো বে-টার্মিনালেই থাকবে। বন্দরের জেটি থেকে মুভার ও ট্রেনের মাধ্যমে কন্টেইনারগুলো বে-টার্মিনালে নিয়ে স্টক করা হবে। ফলে বন্দরের মূল ইয়ার্ডে আর কন্টেইনার জট এবং বাইরে রাস্তায় ট্রাকজট থাকবে না।
চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজের গড় অবস্থানকাল আগের ২.৭৫ দিনের জায়গায় ২.৫৮ দিনে নেমে এসেছে। বন্দরের সক্ষমতা বেড়েছে আগের চেয়ে বহুগুণ বেশি। বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত ২৬ লাখ টিইউস কন্টেইনার এবং প্রায় সাড়ে ৮ কোটি কার্গো হ্যান্ডলিং করা হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে। খোলা পণ্য (কার্গো), কন্টেইনার ও জাহাজ হ্যান্ডলিংয়ের ক্রমবর্ধমান প্রবৃদ্ধি সামাল দেয়া চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রূপকল্প সামনে রেখে স্ট্র্যাটেজিক মাস্টারপ্ল্যানের ভিত্তিতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে।
বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের ক্যাপিটেল ড্রেজিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে। এ ছাড়া বন্দরের অভ্যন্তরে এবং বহির্নোঙরে ১১টি কোম্পানি নিয়মিত ড্রেজিংয়ের কাজ করছে। বন্দরের জেটিতে ৯.৫ মিটারের জাহাজ প্রবেশে কোনো প্রকার সমস্যা হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে সবগুলো জেটিতে বড় জাহাজ প্রবেশ করতে পারবে।
বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের দিকনির্দেশনায় নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) জন্য হ্যান্ডলিং ইক্যুইপমেন্ট সংগ্রহ করে পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে ৯টি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি ক্রেন, ৪টি স্ট্র্যাডেল কেরিয়ার, ৫টি কন্টেইনার মুভার, ১টি রেল মাউন্টেড গ্যান্ট্রি ক্রেন সংগ্রহ করে বন্দরের ইক্যুইপমেন্ট ফ্লিটে সংযুক্ত করেছি। ৩টি স্ট্র্যাডেল কেরিয়ার শিপমেন্ট করা হয়েছে, শিগগির বন্দরে পৌঁছবে। তাছাড়া ৬টি শিপ টু শোর গ্যান্ট্রি ক্রেন, ২টি আরটিজি, ১টি মোবাইল হারবার ক্রেন সংগ্রহের আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে। ৪টি শিপ টু শোর গ্যান্ট্রি ক্রেন সংগ্রহের দরপত্র মূল্যায়ন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ৬টি আরটিজির এলসি খোলা প্রক্রিয়াধীন ও ৩টি আরটিজির দরপত্র মূল্যায়নাধীন আছে। ৩টি স্ট্র্যাডেল কেরিয়ার সংগ্রহের জন্য শিগগিরই চুক্তি সম্পাদন হবে।
কার্গো ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং প্রবৃদ্ধি সামাল দেয়ার জন্য সেনাবাহিনীর মাধ্যমে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বর নাগাদ এটির নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বন্দর চেয়ারম্যান। এ ছাড়া সরকারি-বেসরকারি অংশিদারিত্বে লালদিয়া মাল্টিপারপাস টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ৫টি প্রতিষ্ঠানকে সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। শিগগিরই এ টার্মিনালটি নির্মাণের কাজ শুরু করা যাবে। এ ছাড়া মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে।