প্রতিবেদন

পোশাকশিল্পে ঈদকেন্দ্রিক সম্ভাব্য অস্থিরতা রোধে সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঈদের আগে বেতন-ভাতা পরিশোধ নিয়ে কিছু কিছু পোশাকশিল্পের মালিক ‘নয়-ছয়’ করতে এবং স্বার্থান্বেষী মহল উসকানি দিয়ে গার্মেন্টস সেক্টরে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে Ñ এমন আশঙ্কার কারণে এবার আগে-ভাগেই বিশেষ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে সরকার। অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, ঈদের আগে ‘দিচ্ছি-দেবো’ করে করে অনেক পোশাক কারখানা মালিক শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন আটকে রাখে। এরপর কারখানা কর্তৃপক্ষ হঠাৎই ছুটি ঘোষণা করে। কখনও কয়েক মাসের, কখনও শেষ মাসের বেতন, সঙ্গে ঈদ বোনাস বকেয়া রাখা হয়। এতে ঘরে ফিরতে চাওয়া শ্রমিকরা স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ হয়। প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে তারা এবং এমন পরিস্থিতিতে স্বার্থান্বেষী মহল ঘটনাকে উসকে দেয় কৌশলে। এ ধরনের পরিবেশ-পরিস্থিতি সামলাতে এবার সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগে-ভাগেই বেশকিছু কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে।
এরই অংশ হিসেবে গত ২৩ মে শ্রম মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বাধীন ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক কোর কমিটির ৪২তম সভায় তৈরি পোশাক কারখানাসহ সকল শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেয়া হয়। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ানের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সচিব উম্মে হাসনা, বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে পোশাককর্মীসহ দেশের সব খাতের শ্রমিকদের ঈদের বোনাস মে মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে এবং মে মাসের বেতন জুন মাসের ২ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।
জানা যায়, একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা ঈদের আগে বেতন-ভাতা নিয়ে শ্রম অসন্তোষের শঙ্কা রয়েছে, এমন ৫ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানার তালিকা সরকারের কাছে জমা দিয়েছে। শিল্পাঞ্চল পুলিশ ও একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী তালিকায় থাকা ৫০০ কারখানার মধ্যে ১২০টি কারখানাকে বিশেষ নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে। শ্রম মন্ত্রণালয়, শিল্পাঞ্চল পুলিশ ও বিজিএমইএ সমন্বিতভাবে এ নজরদারি ও তদারক করছে।
শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি করতে পারে এমন কারখানার বেশিরভাগই অপোকৃত ছোট আকারের। এসব কারখানা মূলত সাব কন্ট্রাক্ট বা চুক্তির ভিত্তিতে পোশাক তৈরির ক্রয়াদেশ নেয়। এর মধ্যে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র বাইরেও বেশকিছু পোশাক কারখানা রয়েছে। রয়েছে টেক্সটাইল কারখানাও।
তাই পরিস্থিতি সামলাতে চলতি মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শ্রম মন্ত্রণালয় আলাদা আলাদা একাধিক বৈঠকে বসেছে। পোশাকশিল্পে সম্ভাব্য অস্থিরতা রোধে সর্বশেষ ২৩ মে শ্রম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গঠিত ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কোর কমিটি ঈদের আগে বেতন-বোনাস পরিশোধের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। এমন উদ্যোগের মধ্যেও ২৩ মেতেই মানিকগঞ্জের বিউটিফুল জ্যাকেট লিমিটেড নামের একটি কারখানা আকস্মিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বেতন-ভাতা-বোনাস থেকে বঞ্চিত গার্মেন্টসের শ্রমিকেরা পাওনা পরিশোধের দাবিতে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে বিােভ-সমাবেশ করেন।
এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শিল্পাঞ্চল পুলিশের মহাপরিচালক আব্দুস সালাম জানান, ‘সন্দেহভাজন কারখানায় নজরদারি করার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ৬৭৪টি কারখানাকে তদারকির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। গত কয়েক দিনে বেশকিছু কারখানার সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। আশা করছি, ঈদের আগে সব কারখানার সমস্যাই সমাধান হয়ে যাবে।’
এ বিষয়ে শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলাপ করে প্রায় ২০টি কারখানার নাম জানা গেছে, যেখানে শ্রমিকের পাওনা নিয়ে এখনও সমস্যার সমাধান হয়নি। এর মধ্যে কিছু কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিক ছাঁটাই হয়েছে।
জাতীয় গার্মেন্টস ঐক্য ফোরামের সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার বলেন, এবার অতীতের চেয়ে ‘ঝামেলা’ বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণার পর এবার প্রথম ঈদ। এছাড়া জুনের শুরুর দিকে ঈদ হওয়ায় চলতি মাসের বেতন পরিশোধ নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক স্বদেশ খবরকে বলেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি, শতাধিক কারখানা ঈদের আগে শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ করতে পারবে না। গত তিন সপ্তাহে ২২টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আরো ৩০টি কারখানা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে কোনো শ্রমিক ঈদের আগে বেতন না পেয়ে অভুক্ত অবস্থায় বাড়ি যাবে Ñ তা দেখতে চাই না।’
এ ল্েয তাদের নানামুখী উদ্যোগের বিষয়টি উল্লেখ করে রুবানা হক বলেন, সম্প্রতি একটি কারখানার মালিককে তিনদিন আটকে রেখে মেশিনপত্র বিক্রি করে ওই কারখানার শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো কারখানায় অসন্তোষের আলামত দেখা গেলে শিল্পাঞ্চল পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রার জন্য প্রযুক্তির সহযোগিতা নেয়া হচ্ছে।
বেতন-বোনাস নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে এ তালিকায় রয়েছে গাজীপুরের ইন্ট্রামেক্স গার্মেন্টস, ওয়ার্কফিল্ড নিটওয়্যার, উত্তরার এম কে এম গার্মেন্টস, খিলগাঁওয়ের সিসিলি গার্মেন্টস, রামপুরা এলাকার ড্রাগন সোয়েটার, কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম এলাকার ড্রাগন সোয়েটার, আতিক গার্মেন্টস। এছাড়া আশুলিয়ার ডংলিয়েন লিমিটেড, সেঞ্চুরি জ্যাকেট, গাজীপুরের ডেকো ও ডেবা গার্মেন্টস, স্পিড লিমিটেড, শাদাতিয়া সোয়েটার, ফোর এইচ গার্মেন্টস, মদিনা সোয়েটারের একটি ইউনিট, টিএনএইচ অ্যাপারেল, স্প্রিং ট্রেড লিমিটেডসহ আরো কয়েকটি কারখানায় পাওনা নিয়ে বর্তমানে সমস্যা রয়েছে।
ইন্ডাস্ট্রি অল বাংলাদেশ কাউন্সিল এক বিবৃতিতে ২৫ মে’র মধ্যে শ্রমিকদের চলতি মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস দেয়ার দাবি জানিয়েছে। শ্রম আইন অনুযায়ী, মাস শেষ হওয়ার পর ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্বের মাসের পাওনা পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু আগামী ঈদের আগে মাস শেষ হলেও ৭ কার্যদিবস শেষ না হওয়ায় অনেক শ্রমিক চলতি মাসের বেতন পাবেন না। এ নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিতে পারে বলেও মনে করছেন শ্রমিক নেতারা।
গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরই কিছু গার্মেন্টস মালিক ঈদের সময়ে বেতন-ভাতা দিতে গড়িমসি করেন। এই সুযোগে গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিতরতা সৃষ্টির জন্য উসকানি দিতে পারে অশুভ শক্তি। সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য গার্মেন্টস শিল্পে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হতে পারে। ঈদের এখনও ১০ দিনের মতো বাকি থাকলেও গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠনগুলো মানববন্ধন, সভা, সমাবেশ, বিােভ মিছিলের মতো কর্মসূচি তৈরি করছে। অতীতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন, ভাতা, উৎসব ভাতা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন গার্মেন্টস মালিকরা। কিন্তু তাদের এই প্রতিশ্রুতি অনেক মালিকই রাখতে পারেননি। তবে যখনই পরিস্থিতি উত্তপ্ত ও উত্তেজনাকর হয়ে ওঠে তখনই তৎপর হন বিজিএমইএ-এর নেতারা। কিন্তু এই ঈদকে সামনে রেখে রমজান মাসে গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিক সংগঠনগুলো মাঠে নামার প্রস্তুতির মুখে মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ-র নেতাদের প থেকে দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি পায়নি বলে গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি।
গোয়েন্দা সংস্থা সূত্র জানান, অর্থসংকটে পড়া ছোট ও মাঝারি আকারের গার্মেন্টস মালিকদের সময়মতো বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে না পারার ঘটনাটিকে পুঁজি করে অশান্ত ও অস্থিতিশীল করে তোলা হতে পারে গার্মেন্টস শিল্পকে। প্রায় প্রতি বছরই ঈদকে সামনে রেখে রমজান মাসে গার্মেন্টস শিল্পে যে ধরনের নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করানো হয় তার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদপে নেয়ার সুপারিশ করেছে গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে। রমজান মাসে গার্মেন্টস শিল্পে বড় ধরনের গোলযোগের আশঙ্কা প্রকাশ সংক্রান্ত গোয়েন্দা সংস্থার দেয়া প্রতিবেদনের বিষয়টি সরকার ও তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএকে জানানো হয়ে থাকে, যাতে সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে ষড়যন্ত্রের হাত থেকে এ খাতকে রা করা যায়।
গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা, মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের ২ হাজার ৫১৮ কারখানায় অনুসন্ধান চালিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, শতাধিক কারখানায় বেতন-ভাতা সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে। এসব কারখানা অধিকাংশই ছোট ও মাঝারি মাপের। এমনিতেই জিএসপি বন্ধ করে দেয়ার বিষয়টি নিয়ে বহু দেনদরবার করা হচ্ছে। তার ওপর যদি আবার গার্মেন্টস শিল্পে বেতন-বোনাস নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ তীব্র আকার ধারণ করে তাহলে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’র মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
দেশের প্রভাবশালী একটি গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সারাদেশে কয়েক শ’ কারখানায় সময়মতো শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেয়া নিয়ে সমস্যা হতে পারে। এর মধ্যে অনেক কারখানা আছে যারা কোনো শ্রমিককেই বেতন-বোনাস দিতে পারবে না বলে আশঙ্কা করছে গোয়েন্দা সংস্থা। ওই সব কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ যাতে দেখা না দেয় সেজন্য নজরদারি শুরু করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। বেতন-বোনাস নিয়ে যাতে শিল্পাঙ্গনে অস্থিরতা দেখা না দেয়, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তৎপর থাকার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। পোশাকশ্রমিকরা যাতে বেতন ও উৎসব ভাতা ঠিকমতো পান, সেজন্য সব কারখানায় মনিটরিংও করা হচ্ছে। যেসব কারখানায় সমস্যা হচ্ছে বা হবে বলে মনে করা হচ্ছে, সেগুলোয় আলাপ-আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কোনো অশুভ শক্তির ষড়যন্ত্রমূলক অপ-তৎপরতায় যাতে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা না দেয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
শিল্প পুলিশের এক কর্মকর্তা স্বদেশ খবরকে বলেন, ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনার শিল্পাঞ্চলে পোশাক কারখানা রয়েছে ৩ হাজার ২৭৮টি। শিল্প পুলিশ-১ ঢাকার আওতায় আশুলিয়া, সাভার, ধামরাই এলাকার মোট ১ হাজার ৭৩ কারখানার সিংহভাগই বস্ত্র ও পোশাক খাতের। শিল্প পুলিশ-২ গাজীপুরের আওতায় রয়েছে ১ হাজার ৮০০ পোশাক কারখানা। শিল্প পুলিশ-৩ চট্টগ্রামের আওতায় কারখানা রয়েছে ১ হাজার ৮টি। শিল্প পুলিশ-৪ নারায়ণগঞ্জের আওতায় রয়েছে ২ হাজার ৪৪২টি কারখানা। বেতন-বোনাস পরিশোধের হার সবচেয়ে কম গাজীপুর এলাকার পোশাক কারখানাগুলোতে। এর মধ্যে এসব অঞ্চলে ৭৬ শতাংশ কারখানা তাদের শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়।
বিজিএমইএ সূত্র বলছে, প্রায় প্রতি বছরই ঈদকে সামনে রেখে রমজান মাসে বেতন-বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে গার্মেন্টস শিল্পকে অশান্ত ও অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টা করা হয়ে থাকে। বেতন-বোনাস বা বকেয়া পড়েছে এমন গার্মেন্টেসের শ্রমিকরা যেসব গার্মেন্টসে নিয়মিত বেতন-বোনাস দিচ্ছে তাদের কারখানায় নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে তার উদাহরণও আছে।
এমতাবস্থায়, সরকারের পূর্ব প্রস্তুতিমূলক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, পোশাকশিল্পে এবার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অস্থিরতার ঘটনা ঘটার আশঙ্কা নেই।