আন্তর্জাতিক

জনসনের হাতে ব্রিটেন: এবার ব্রেক্সিটজট খুলবে?

সোহরাব শান্ত
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া ‘ব্রেক্সিট’ নিয়ে জটিলতার মধ্যে টেরিজা মে’র পদত্যাগের পর দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন বরিস জনসন। মতাসীন রণশীল দলের (কনজারভেটিভ পার্টি) প থেকে তাকে গত ২৩ জুলাই নেতা নির্বাচন করা হয়। পরদিন ২৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন তিনি। দলটির নিয়ম অনুযায়ী, যিনি দলের নেতা নির্বাচিত হবেন, তিনিই হবেন প্রধানমন্ত্রী। বরিস জনসনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার েেত্র মূল অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে ব্রেক্সিট।
‘ব্রিটিশ এক্সিট’ নামটিকে সংেেপ ডাকা হচ্ছে ‘ব্রেক্সিট’ নামে। এটি হচ্ছে ২৮টি দেশের আর্থ-রাজনৈতিক জোট ইইউ থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাবার প্রক্রিয়া। ইইউ জোটের সদস্য দেশগুলো নিজেদের মধ্যে ব্যবসাবাণিজ্য করে থাকে, এসব দেশের নাগরিকরা জোটভুক্ত যেকোনো দেশে গিয়ে থাকতে ও কাজ করতে পারেন। ১৯৭৩ সালে যুক্তরাজ্য ইইউতে যোগ দেয়। তখন এটির নাম ছিল- ইইসি (ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কম্যুনিটি)। ৪০ বছরের বেশি সময় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে থাকার পর ২০১৬ সালের এক গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার রায় দেয় যুক্তরাজ্যের মানুষ। সেখানে সেদেশের নাগরিকদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, যুক্তরাজ্যের কি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে থাকা উচিত? এতে ৫২ শতাংশ ভোট পড়েছিল ইইউ ছাড়ার প,ে আর থাকার পে ছিল বাকি ৪৮ শতাংশ ভোট। কয়েক দফা পেছানোর পর আগামী ৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সম্পর্কচ্ছেদের পর ইইউর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক কেমন হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা।
ব্রেক্সিট নিয়ে ইইউর সঙ্গে চুক্তি করলেও তা কয়েক দফার চেষ্টাতেও ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাস করাতে পারেননি সদ্যবিদায়ী প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে। শেষমেশ তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন। উল্লেখ্য, এই ব্রেক্সিট ইস্যুকে কেন্দ্র করেই পদত্যাগ করেছিলেন মে-র পূর্বসূরী ডেভিড ক্যামেরনও।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেয়া প্রথম ভাষণে বরিস জনসন বলেছেন, ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যকে আবার শ্রেষ্ঠত্বের আসনে ফিরিয়ে আনব। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট কার্যকর করাই হবে আমাদের ল্য, যাতে আমাদের মহান যুক্তরাজ্যকে আমরা ঐক্যবদ্ধ করতে পারি, আবারও শক্তিশালী করে তুলতে পারি এবং এই দেশকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম স্থানে পরিণত করতে পারি।
পার্লামেন্টে বরিস জনসন বলেন, প্রয়োজনে কোনো চুক্তি ছাড়াই ইইউ ছাড়বে ব্রিটেন। এরই মাঝে বিষয়টি নিয়ে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট জ্যঁ কদ জাঙ্কারের সঙ্গে ফোনালাপও করেছি।
তবে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ব্রেক্সিট নীতিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ব্রেক্সিট নিয়ে ইইউ’র সমঝোতাকারী মাইকেল বার্নিয়ার বলেন, আয়ারল্যান্ড সীমান্ত নিয়ে ব্যাকস্টপ গ্যারান্টিকে অপসারণ করা অগ্রহণযোগ্য।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট জ্যঁ কদ জাঙ্কার বলেন, ইইউ ব্রেক্সিট সমঝোতায় সর্বোচ্চ ছাড় দিয়েছে। এর চেয়ে বেশি কিছু দেয়ার সুযোগ নেই।
বিশ্লেষকরা বলছেন, জনসন শিগগিরই ইইউ নেতাদের সঙ্গে ব্রেক্সিট নিয়ে আলোচনায় বসবেন। তবে তিনি যে সিদ্ধান্তই নেন না কেন, তা পার্লামেন্টে তোলা হলে সহজে অনুমোদন মিলবে না। বিশেষ করে লেবার পার্টি শুরু থেকেই বলে আসছে, ব্রেক্সিট নিয়ে যে সিদ্ধান্তই নেয়া হোক না কেন, তা নিয়ে গণভোটের আয়োজন করতে হবে।
অনেকেই মনে করেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে আগাম নির্বাচন দিতে বাধ্য হতে পারেন জনসন। নয়তো হাঁটতে হবে টেরিজা মে কিংবা ক্যামেরনের পথে।
সিএনএন জানিয়েছে, আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রিটেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়তে হবে। কিন্তু বাস্তবে বরিসের হাতে সময় আছে মাত্র ৩০ দিন। থেরেসা মে যা ৩ বছরে করতে পারেননি, বরিসকে তা ৩০ দিনে শেষ করতে হবে। এমপিরা ছুটিতে যাবেন। এছাড়া তিন সপ্তাহ পার্লামেন্ট বসবে না। কারণ, এ সময় রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ছুটি এবং অন্যান্য কারণে বরিস মাত্র ৩০ দিন সময় পাবেন তাঁর অঙ্গীকার করা ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে।
বরিসের জয়ের তাৎপর্য মূলত দুটি। প্রথমত, এর ফলে ব্রিটেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, উভয়কেই সম্ভাব্য ব্রেক্সিট সংক্রান্ত সংঘাতের পথে ঠেলে দেয়া হলো। দ্বিতীয়ত, দেশে সাংবিধানিক সংকটের আশঙ্কাও ঘনীভূত হলো। যেহেতু ব্রিটেনের এমপিরা প্রতিজ্ঞা করেছেন, যথাযথ ‘বিচ্ছেদ চুক্তি’ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে বেরোনোর চেষ্টা যে সরকারই করুক, তার পতন ঘটাবেন তাঁরা।
ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের অঙ্গীকারকারী বরিস জনসন রণশীল দলের ৯২ হাজার ১৫৩ সদস্যের ভোট পেয়ে নেতা নির্বাচিত হন। এরপর নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। দলীয় ভোটে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট ৪৬ হাজার ৬৫৬ জনের সমর্থন পেয়েছেন। ফল ঘোষণার পর ৫৫ বছর বয়সী বরিস বলেন, আমরা ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই ব্রেক্সিট কার্যকর করতে যাচ্ছি এবং এর সকল সুযোগ-সুবিধাও আমরা ভোগ করবো।
জনসন বলেন, আমার নেতৃত্বের মূল মন্ত্র ছিল ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে অঙ্গীকার, জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং বিরোধী নেতা জেরেমি করবিনকে পরাজিত করা।
অবশ্য জেরেমি করবিন বলেছেন, বরিস জনসন তাঁর দলের ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন, জনগণের ভোটে নয়।
লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসনের জন্ম ১৯৬৪ সালের ১৯ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে। ১৯৬৪ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি মার্কিন নাগরিকও ছিলেন। দ্য টাইমস ম্যাগাজিনের মাধ্যমে সাংবাদিকতায় তাঁর পেশাগত জীবন শুরু হয়। যদিও একটি মিথ্যা উদ্ধৃতি প্রদানের জন্য পরে তিনি চাকরি হারান। পরবর্তীতে তিনি ডেইলি টেলিগ্রাফের ব্রাসেলস প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। ১৯৯৪ সালে তিনি টেলিগ্রাফের সহকারী সম্পাদক পদে উন্নীত হন। এরপর তিনি টেলিগ্রাফের চাকরি ছেড়ে দ্য স্পেকটেটর-এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যা তিনি ২০০৫ সাল পর্যন্ত চালিয়ে যান।

বরিস জনসন কি ণিকের প্রধানমন্ত্রী
দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকার নিয়মিত কলাম লেখক রাফায়েল বের যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি এক নিবন্ধে লিখেছেন, বরিস জনসন ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া শেষ করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বাস্তবতা বলছে, তিনি এই প্রতিশ্রুতি রাখতে পারবেন না। ওই তারিখের মধ্যে যুক্তরাজ্য হয়ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি তার (বরিস) দায়বদ্ধতার বিষয়গুলো বাতিল করতে পারবে, কিন্তু ইইউ থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন হতে পারবে না।
রাফায়েল আরো লিখেছেন, ‘এর আগে টোরি পার্টির যে মন্ত্রীরা বরিস জনসনকে খুব কাছ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে দেখেছেন, তাঁরা জানেন তিনি কর্ম সম্পাদনের েেত্র কতটা গড়িমসি করেন। মূলত তাঁরাই ব্রেক্সিট ইস্যুতে জনসনের ওপর ভরসা পাচ্ছেন না। তাঁরা মনে করেন, জনসনের আমলে ডাউনিং স্ট্রিটে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে এবং জাতীয় অস্বস্তিতে পড়তে পারে যুক্তরাজ্য। একই সঙ্গে তাঁরা এ-ও মনে করেন, বরিস জনসন সংপ্তি সময়ের জন্য থাকলেও সেই বিশৃঙ্খলা খুব সংপ্তি সময়ের জন্য হবে না। এর রেশ লম্বা সময় থাকবে।’
রাফায়েল লিখেছেন, সাম্প্রতিক ইতিহাস প্রমাণ করেছে, অযোগ্য নেতারা তাদের মদদপুষ্ট ও অনুগতদের সহায়তা নিয়ে বহাল তবিয়তে টিকে থাকতে পারেন। এ কারণেই জেরেমি করবিনের মতো নেতারা এখনো বিরোধী দলে। এ কারণেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আবার জয়যুক্ত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা আছে।
বরিস জনসন প্রকাশ্যেই মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভাষণ দেন এবং বর্ণবাদীদের যা ইচ্ছে তা-ই বলার লাইসেন্স দিয়েছেন। সেই ভোটাররাই জনসনের টার্গেট ভোটার, যাঁরা ভোটের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন না বা স্বচ্ছ ভোট হলো কি হলো না তা নিয়ে মাথাই ঘামান না। এ কারণে জনসনের সরকার যে একটি মন্দ সরকার হবে, তা নিয়ে সন্দেহ নেই।
এ কথা সত্য যে যুক্তরাষ্ট্রের সংরণবাদ ও ইউরোপের উগ্র জাতীয়তাবাদের দ্বারা যুক্তরাজ্য দারুণভাবে প্রভাবিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে এই সংরণবাদী ভাবনাচিন্তা ব্রিটিশ নাগরিকেরাও দ্রুত লুফে নিচ্ছে। এই সুযোগটাই জনসন কাজে লাগিয়ে এত দূর এসেছেন। তাঁর একটা বিখ্যাত উক্তি হলো, ‘আমি জানি আমি টিম প্লেয়ার নই, কিন্তু আমিই একটি টিমের নেতৃত্ব দিতে পারি।’
তাঁর এই কথা কতটা সত্য তা যুক্তরাজ্যবাসীর সামনে প্রমাণ দেয়ার সময় এসেছে।
বরিস জনসন ইতোমধ্যে নানাভাবে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন উল্লেখ করে রাফায়েল বের লিখেছেন, তিনি (বরিস জনসন) অভিবাসনবিরোধিতায় কট্টর অবস্থান নিয়েছেন। সেই চিন্তাভাবনা থেকেই তিনি ব্রেক্সিটের পে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনে কোনো চুক্তি ছাড়াই ব্রিটেনকে ইইউ জোট থেকে বের করে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কনজারভেটিভ পার্টির ব্রেক্সিটপন্থি শিবিরের প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন তিনি। তবে ব্রেক্সিট নিয়ে নিজের দল এবং গোটা দেশের রাজনীতিতে যে বিভেদ ও মতানৈক্য চলছে, তাতে এই সময়ের মধ্যে তিনি ব্রিটেনকে ইইউ থেকে বের করে আনতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। এটি যদি তিনি করতে না পারেন, তাহলে তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের মেয়াদ সংপ্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বছর এই মাসে (জুলাই) অর্থাৎ ২০২০ সালে তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন, তা নিয়েও অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু বৈশ্বিক রাজনীতির যে ধারা বহমান রয়েছে, তা ক্রমেই রণশীলদের শক্তিশালী করছে। ভবিষ্যতে জনসন যদি ট্রাম্পের মতো রক্ষণশীল চেতনাকে লাগসইভাবে উসকে দিতে পারেন, তাহলে হয়ত উদারপন্থিরা পরাজিত হবে। আর সেটি হলে যুক্তরাজ্য দীর্ঘদিনের জন্য ট্রাম্পের মতোই একজন কট্টর নেতার নেতৃত্বে চলে যাবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মিল নিয়ে আলোচনা
বরিস জনসনের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্লোগান শোনা গেছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দেয়া প্রথম ভাষণে বরিস জনসন বলেন, ‘আই উইল মেইক ব্রিটেন এগেইন’ (আমি ব্রিটেনকে শ্রেষ্ঠত্বের স্থানে নিয়ে যাবো)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পও একই স্লোগান দিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্য যখন ব্রেক্সিট নিয়ে নাকানি-চুবানি খাচ্ছে, এক সাাৎকারে তখন ট্রাম্প বলেছিলেন, বরিস জনসন যুক্তরাজ্যের রক্ষণশীল দলের নেতৃত্বে এলে তা হবে ‘অসাধারণ’।
পর্যবেকরা বলছেন, দু’জনের কট্টর জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি, বেফাঁস ও উটকো মন্তব্য করার অভ্যাস, এমনকি চুলের ধরনেও অনেক মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হয়ে বরিস জনসন যে স্লোগান তুললেন, তা যেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিধ্বনি। কারণ বিশ্বকে চমকে দিয়ে ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ স্লোগান নিয়ে ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মতায় আসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।