কলাম

আসামে বাদপড়া তালিকাভুক্ত ১৯ লাখ নাগরিক ইস্যুতে বাংলাদেশে কী প্রভাব পড়বে?

এম নিজাম উদ্দিন
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে ঘোষিত জাতীয় নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) চূড়ান্ত তালিকার ৩ কোটি ৩০ লাখ আবেদনকারীর মধ্যে থেকে স্থান পেয়েছে ৩ কোটি ১১ লাখ মানুষ। নাম বাদ পড়েছে ১৯ লাখ মানুষের। বাদপড়া এই ১৯ লাখ মানুষই এখন ভারতীয়দের দৃষ্টিতে ‘বিদেশি’। আগ বাড়িয়ে অনেকে আবার বলছেন, এই ১৯ লাখের সবাই আসলে ‘বাংলাদেশি’।
বাংলাদেশ এরই মধ্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আসামে তাদের কোনো নাগরিক নেই। ফলে আপাতদৃষ্টিতে অনেকটাই রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়েছে এই ১৯ লাখ মানুষ। এই বিপুলসংখ্যক মানুষের পরিচয় কী এবং তারা এবার কোথায় যাবেন, কী করবেন তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, এই ১৯ লাখ মানুষকে এখনই দেশ থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে না। নাগরিকত্ব ফিরে পেতে তারা আবেদনের সুযোগ পাবেন। এর জন্য চূড়ান্ত এনআরসি তালিকা থেকে বাদ পড়ার প্রত্যায়িত কপি এবং যে কারণে তারা ভারতীয় নাগরিক বলে দাবি করছেন সেই নথি নিয়ে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে যোগাযোগ করতে হবে।
এই মুহূর্তে আসামে সচল ১০০টি ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। আরও ২০০টি ট্রাইব্যুনাল শিগগিরই চালু করা হবে বলে জানিয়েছে আসাম সরকার। অর্থাৎ আগামীতে এই ট্রাইব্যুনালগুলোই হয়ে উঠবে এই ১৯ লাখ মানুষের ভাগ্যনিয়ন্তা। ট্রাইব্যুনালে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী যদি আপিলে হেরে যান, সে ক্ষেত্রে তিনি হাইকোর্ট এবং প্রয়োজনে সুপ্রিমকোর্টেও আবেদন করতে পারবেন। তবে চূড়ান্ত এনআরসি তালিকায় নাম না থাকা আবেদনকারী যদি ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালেও পরাজিত হন, সেক্ষেত্রে তাকে গ্রেপ্তার করে পাঠানো হতে পারে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য তৈরি বন্দিশিবির বা ডিটেনশন ক্যাম্পে।
এক্ষেত্রেও আসামের জন্য এক নজিরবিহীন অবস্থা অপেক্ষা করছে। ১৯ লাখ মানুষের অর্ধেকও যদি শেষ পর্যন্ত নাগরিকত্ব হারান তা হলে এত মানুষকে আটক রাখতে রাজ্যে শত শত ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করতে হবে। বর্তমানে আসামে ৬টি ডিটেনশন ক্যাম্পসহ ৩১টি কারাগার রয়েছে। এগুলোর এক একটির ধারণক্ষমতা মাত্র ৮ হাজার ৯৩৮ জন। প্রত্যেকটিতে এখন ১০ হাজারের অধিক বন্দি অবস্থান করছে। সুতরাং নতুন করে ডিটেনশন ক্যাম্প যদি তৈরি করাও হয় এর পরও লক্ষ লক্ষ তালিকাছুটকে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা সম্ভব হবে না।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, এনআরসি থেকে যারা বাদ পড়েছেন, তাদের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে প্রমাণ দিতে হবে যে তারা বা তাদের পূর্বপুরুষ ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ বা এর আগে ভারতের নাগরিক ছিলেন। ১৯৮৫ সালে ভারত সরকার-আসাম রাজ্য এবং অল আসাম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চকেই নির্ণায়ক দিন হিসাবে ধার্য করা হয়। কিন্তু কেউ নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ হলে এবং এনআরসিতে স্থান না পেলে তারা সরকারিভাবে ‘অনাগরিক বা নন-সিটিজেন’ হয়ে যাবেন। তবে তাদের ঠিক কী করা হবে তা অনিশ্চিত।
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ‘রাষ্ট্রহীন’ মানুষদের ক্ষেত্রে ভারতের কোনো সুনির্দিষ্ট নীতি নেই। শুধু একটি বিষয় স্পষ্ট যে, এই রাষ্ট্রহীনদের ভোটাধিকার থাকবে না। তাদের কাজ, বাসস্থান, সরকারি স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার অধিকার সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত কিছুই স্পষ্ট নয়। তবে আসামের সুশীলসমাজের একাংশের পরামর্শ, এদের ‘ওয়ার্ক পারমিট’ দেয়া হোক। তবে অনেকে আবার এমন প্রস্তাবের বিরোধিতাও করছে প্রবলভাবে। অবশ্য ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বিষয়টি আসামের রাজ্য সরকারের বিবেচনাধীন।
এদিকে এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা থেকে প্রায় ১ লাখ গুর্খার নাম বাদ পড়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক টুইটে তিনি বলেন, ‘আগে আমি এনআরসির বিষয়টি পুরোটা জানতাম না। যতই তথ্য সামনে আসছে, আমরা এটা জানতে পেরে অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছি যে, ১ লাখ গুর্খা তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। শুধু তা-ই নয়, কয়েক হাজার প্রকৃত ভারতীয়, যেখানে সিআরপিএফ ও অন্যান্য জওয়ান, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ফকরুদ্দিন আলি আহমেদের পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন, তারা তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, আসামের এনআরসি তালিকা থেকে বাদ পড়াদের বাংলাদেশি তকমা দিয়ে বাংলাদেশের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করতে পারে ভারত। যদিও এই তালিকা থেকে বাদ পড়াদের সামনে এখনও অপেক্ষা করছে আপিলের দীর্ঘ আইনি পথ। তবু এনআরসির চূড়ান্ত তালিকায় ১৯ লাখ মানুষের ঠাঁই না পাওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য কতটা উদ্বেগের সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে এখন অনেকে।
এরই মধ্যে গত ২০ আগস্ট ঢাকায় এসে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রানিয়াম জয়শঙ্কর বলেছেন, এনআরসি ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার, এতে বাংলাদেশের কোনো সমস্যা হবে না।
বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুুল মোমেন বলেছেন, এ বিষয়ে ভারতের আশ্বাসের প্রতি বাংলাদেশ বিশ্বাস রাখে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও বলেছেন, এনআরসি ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তাই আমরা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।
তবে কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের এক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত। তারা মনে করেন, এখনই উদ্বিগ্ন না হলেও বাংলাদেশের সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কারণ যেভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তালিকায় বাদ পড়াদের বাংলাদেশি বলে চিহ্নিতের চেষ্টা চলছে, ভবিষ্যতে সেটা একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এদিকে আসামের অর্থমন্ত্রী ও বিজেপির শীর্ষ নেতা হেমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, বাংলাদেশ আমাদের বন্ধু দেশ। তারা আমাদের অনেক সহায়তা করেছে। আমরা বাংলাদেশ সরকারকে বলবো তাদের লোকগুলো ফিরিয়ে নিতে। এই সংখ্যাটা হয়ত বেশি হবে না। তবে আমরা তাদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। ভারতের সিএনএন-নিউজ ১৮’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন হেমন্ত বিশ্বশর্মা।
হেমন্ত বলেন, এনআরসিতে নাম না থাকার অর্থ এই নয় যে, সবাই বিদেশি এবং তাদেরকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হবে। কিছু বৈধ প্রক্রিয়া আছে যেগুলো পালন করা হবে। আমরা তাদের সহায়তা করবো। তবে এই সময়ের মধ্যে তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে না।
এনডিটিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী হেমন্ত ‘ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনের (এনআরসি)’ তালিকাটিকে ত্রুটিযুক্ত বলে আখ্যায়িত করে বলেন, ক্ষমতাসীন বিজেপি আবারো রাজ্যের কয়েকটি অংশে পুনর্বিবেচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করবে। বিজেপি এনআরসিকে সমর্থন করে, তবে আমাদের মনে হয়েছে যে কিছু নির্দিষ্ট সমস্যা রয়েছে যা আগে দেখা উচিত ছিল। কেন্দ্র ও আসাম সরকার সুপ্রিম কোর্র্টকে অনুরোধ করেছে যে আসামের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ২০ ভাগ এবং অন্য অংশে ১০ ভাগ পুনর্বিবেচনার অনুমতি দেয়া হোক।
হেমন্ত বিশ্বশর্মার মন্তব্যের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, এনআরসির তালিকার কথা আমি জানি। এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এখানে আমাদের কিছু করার নেই। আর কে কোন বিষয়ে কী বলেছেন সেটা আমি জানি না। ভারত আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানালে আমরা জবাব দেবো। ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশ থেকে ভারতে কেউ যায়নি। এটা হতে পারে যে, ভারতের বিভিন্ন অংশ থেকে তারা আসাম গেছে, বাংলাদেশ থেকে নয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক চমৎকার। আমি মনে করি না যে ভারত কাউকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করবে।
এদিকে আসামের একজন ব্যক্তিকেও রাষ্ট্রহীন না করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। আসামে জাতীয় নাগরিক নিবন্ধনের (এনআরসি) চূড়ান্ত তালিকায় ১৯ লাখ মানুষ বাদ পড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এ আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন। অন্যদিকে তালিকায় বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে স্বল্পসংখ্যক মুসলিম বাদ পড়ায় পুরো এনআরসি প্রক্রিয়াটিকেই ত্রুটিপূর্ণ দাবি করে নতুন সমীক্ষার দাবি জানিয়েছে বিজেপি। বিপরীতে বাদ পড়াদের বেশিরভাগই হিন্দু হওয়ায় বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েছেন কেন্দ্রে ও আসাম রাজ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপি ও দলটির নেতারা।
গত ১ সেপ্টেম্বর জেনেভায় জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন (ইউএনএইচসিআর) এক বিবৃতিতে একজনও যেন রাষ্ট্রহীন না হয়ে পড়ে, তা নিশ্চিত করতে বলেছে ভারতকে। বিবৃতিতে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্রানদি ১৯ লাখ লোক বাদ পড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, কোনো প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক মানুষ যখন জাতীয়তাহীন হয়ে পড়ে, তখন তা হবে বিশ্বজুড়ে রাষ্ট্রহীনতা নির্মূল করার প্রক্রিয়ার ওপর বিশাল আঘাত।
অন্যদিকে এনআরসিকে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে যে কৌশল নিয়েছিল বিজেপি, তা বুমেরাং হওয়ায় রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে মারাত্মক চাপের মুখে পড়েছে বিজেপি।
বিজেপির প্রত্যাশা ছিল নাগরিক তালিকা থেকে মুসলিমদের বড় একটি অংশ বাদ পড়বে। এখন উল্টো ফল হওয়ায় সুপ্রিম কোর্র্ট নিয়োজিত রাজ্য এনআরসি সমন্বয়ক প্রতীক হাজেলার ওপর তোপ দাগাচ্ছে হিন্দু মৌলবাদী দল বিজেপির নেতারা। আসাম বিজেপির সভাপতি রণজিৎ কুমার দাস পিটিআইকে বলেছেন, আমরা এই এনআরসিতে আর আস্থা রাখছি না। ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে অনেক মানুষ তালিকায় ঢুকে গেছে। অথচ দুই লাখ ‘প্রকৃত ভারতীয়’ বা ভূমিপুত্র তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
তিনি আরো বলেন, এখন আমরা যদি দেখি ‘ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে’ খারাপ ফল এসেছে, তাহলে আমরা বিষয়টি পার্লামেন্টে তুলব
এবং তাদের রক্ষা করার জন্য আইন প্রণয়ন করব।
মূলত মুসলিম অভিবাসী অধ্যুষিত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে সামান্য হারে বাদ পড়ার বিষয়টিকেই এনআরসির ত্রুটি হিসেবে তুলে ধরতে চাচ্ছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপি নেতা ও অর্থমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা টুইটারে এক পোস্টে বলেন, ১৯৭১ সালের আগে বাংলাদেশ থেকে আসা অনেক ব্যক্তি শরণার্থী সার্টিফিকেট দাখিল করেও তালিকায় ঢুকতে পারেনি। অথচ পরে এসেও অনেকে উত্তরাধিকার তথ্য দাখিল করে তালিকায় ঢুকে গেছে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ২০ শতাংশ এবং অন্য জেলাগুলোতে ১০ শতাংশ হারে তালিকা পর্যালোচনা বিষয় সুপ্রিমকোর্টের অনুমোদন করা উচিত।
বিজেপির সঙ্গে সুর মিলিয়েছে অল আসাম স্টুডেন্ট ইউনিয়ন (আসু) ও আসাম পাবলিক ওয়ার্ক (এপিডাব্লিউ), যাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই এনআরসি তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। তারা এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, এত কম সংখ্যায় বাদ পড়ায় তারা সন্তুষ্ট নয় এবং তারা এর পর্যালোচনার জন্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবে। এপিডাব্লিউ শতভাগ নতুন এনআরসির দাবি জানিয়েছে।
অপরদিকে ৩১ আগস্ট এ তালিকা প্রকাশ হতেই কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপিকে একহাত নিয়েছেন আসামের বিধায়ক আব্দুল খালেক। এনআরসি ইস্যুতে বিজেপি নেতা ও আসামের অর্থমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশকে অপমান করেছেন বলে তার পদত্যাগ দাবি করেন আব্দুল খালেক। তিনি হেমন্ত বিশ্বশর্মা ও বিজেপির আরেক নেতা শিলাদিত্য দেবকে পরিবেশদূষণকারী হিসেবেও আখ্যায়িত করেন। তিনি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, ভারতের মাটিতে আশ্রিত বাংলাদেশি বলতে যদি কেউ থাকে তাহলে তারা এ দেশেই থাকবে।