প্রতিবেদন

নানা অপরাধে জড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা: পৃষ্ঠপোষকতায় পাকি জঙ্গি সংগঠন!

নিজস্ব প্রতিবেদক
দিনক্ষণ ঠিক করার পরও দু’দফায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শেষ মুহূর্তে ব্যর্থ হয়েছে। মিয়ানমারে ফিরে যেতে তারা ৫ দফা শর্ত দিয়েছে। মিয়ানমারের মৃত্যুকূপ থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় পেয়ে রোহিঙ্গারা এখন ফ্রি স্টাইলে চলাফেরা করছে। আশ্রিত হিসেবে শরণার্থী ক্যাম্পে থেকেও তারা আন্তর্জাতিক নিয়মকানুনের ধার ধারছে না। দিনে দিনে হয়ে উঠছে বেপরোয়া।
রোহিঙ্গারা এরই মধ্যে রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) নামের উগ্রবাদী সংগঠনের ছায়াতলে আশ্রয় নিয়েছে। পাকিস্তানভিত্তিক একাধিক জঙ্গি সংগঠনের আর্থিক সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে তারা এখন স্থানীয়দের কাছে ‘কালকেউটে’ বলে পরিগণিত হচ্ছে। কক্সবাজার, উখিয়া ও টেকনাফবাসীরা রোহিঙ্গাদের আচরণে ক্ষুব্ধ ও শঙ্কিত।
বিএনপি-জামায়াতের প্রত্যক্ষ মদদে রোহিঙ্গারা আরএসও সদস্যভুক্ত হয়ে দিনকে দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। নতুন নতুন সংগঠনও তৈরি করছে তারা। এসব উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে দেশি-বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের যোগাযোগ আরও বাড়ছে। বিশেষ করে পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনগুলোর সঙ্গে রোহিঙ্গা সংগঠনগুলোর সম্পর্ক আরও গভীর হচ্ছে। পাকিস্তানে থাকা রোহিঙ্গা জঙ্গিদের সহযোগিতায় রোহিঙ্গা সংগঠনগুলো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। মাদক, খুন, দখল থেকে শুরু করে নানা অপরাধ সংঘটিত করছে রোহিঙ্গা সংগঠনগুলো।
বিএনপি-জামায়াত-শিবির ও দেশীয় জঙ্গি সংগঠনগুলোর সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে অদূূর ভবিষ্যতে রোহিঙ্গারাই দেশের অন্যতম বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন। রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) মিয়ানমারে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল, ভবিষ্যতে বাংলাদেশেও এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেক নিরাপত্তা বিশ্লেষক। তারা বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়াও বিচিত্র নয়।
জানা গেছে, ১৯৭৮ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার শাসনামলে নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলিমদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেন। জিয়াউর রহমানের আমলে বাংলাদেশে আশ্রয় পাওয়া রোহিঙ্গাদের বর্তমান সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ লাখে। জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলেও রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় পায়। কথিত আছে, সে সময় খালেদা জিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় মৃত্যুদ-প্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাশেম আলী রোহিঙ্গাদের জন্য রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) গঠন করে দেন। রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাকেও মীর কাশেম আলী তৈরি করেছেন বলে কথিত আছে।
সর্বশেষ ২০১৭ সালের ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি পুলিশ চেকপোস্ট ও একটি সেনা ঘাঁটিতে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) কর্তৃক হামলার অভিযোগ ওঠে। এরপর থেকেই সেখানে সেনাবাহিনী দমনপীড়ন শুরু করে। সেনাবাহিনীর নিপীড়নে রোহিঙ্গারা নিজ দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়। বাংলাদেশ সরকার মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দেয়। আশ্রয় পাওয়ার পর থেকেই তারা শরণার্থী ক্যাম্পের নিয়মকানুন উপেক্ষা করে ক্যাম্প ছেড়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়া, মাদক ব্যবসা, বেনামে পাসপোর্ট তৈরি করে বিদেশ যাওয়া, খুন, দখলসহ নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়তে থাকে। রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজার, উখিয়া ও টেকনাফসহ সারাদেশে এইচআইভি ভাইরাস, কলেরা ও মাদকদ্রব্য ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রোহিঙ্গারা ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০ একর পাহাড়ি বন কেটে বসতি গড়ে তুলেছে। বিভিন্ন এনজিওর সহায়তায় এরই মধ্যে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে ফেলেছে। এদের কেউ না কেউ প্রায় প্রতিদিনই আটক
হচ্ছে।
অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং বাঙালিদের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের মিশে যাওয়া ঠেকাতে ২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর পুলিশ সদর দপ্তরের তরফ থেকে একটি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে শরণার্থী শিবির ব্যতীত রোহিঙ্গারা অন্য কোথাও বসবাস করতে পারবে না। রোহিঙ্গাদের কোনো প্রকার আশ্রয়-প্রশ্রয়, বাসা ভাড়া, বিয়ে করা, চাকরি, বসবাসের ব্যবস্থা, অন্যত্র চলে যেতে সহায়তা করা যাবে না। সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ার চেষ্টাকারী রোহিঙ্গাদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেয়া হয়। সে মোতাবেক দেশের বিভিন্ন পয়েন্টে বাড়তি তল্লাশি চৌকি বসানো হয়। নানা অপরাধে জড়িত রোহিঙ্গাদের গ্রেপ্তারে এবং পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের আটক করতে চলমান অভিযানে প্রায় ৪০০ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। অভিযানকালে গোলাগুলিতে নিহত হয় ১০ রোহিঙ্গা। দেশের বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনের চেষ্টাকালে প্রায় ১ হাজার রোহিঙ্গাকে আটক করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়। এত কিছুর পরও রোহিঙ্গাদের পলায়ন এবং নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকানো যাচ্ছে না।
জানা যায়, মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গারা বসবাস করত কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে। বছরের পর বছর এমন পরিবেশে ওরা থেকেছে। যদিও নিজ দেশে ওরা ছিল পরবাসী। পান থেকে চুন খসলে খবর হয়ে যেত। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী, পুলিশ, এমনকি বৌদ্ধ সন্ত্রাসীরা রোহিঙ্গাদের নিশ্চিহ্ন করার প্রয়াসে হেন কোনো কাজ বাদ রাখেনি। ফলে মৃত্যু সর্বদা রোহিঙ্গাদের পিছু ধাওয়া করত। নারীরা হতো ধর্ষিত। যুবকদের ধরে নিয়ে যাওয়া হতো, অনেকে ফিরত লাশ হয়ে। ওদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়া হতো। মিয়ানমার সরকার রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গাদের চলাফেরাসহ নিত্য কার্যক্রমে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছিল। এমনকি কোন রোহিঙ্গা পরিবার কখন সন্তান নিচ্ছে সে খবরও প্রশাসনের কাছে অবহিতকরণ বাধ্যতামূলক ছিল। অথচ এখন তারা বাচ্চা প্রসব করছে দেদারসে, বাধাহীনভাবে।
১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে রাখাইন রাজ্যে সশস্ত্র সেনা অভিযানের কারণে। মানবিক কারণে বাংলাদেশ সরকার এদের আশ্রয় দিয়েছে। আশ্রয় পেয়ে এদের থাকা, খাওয়া, চলাফেরা, মোবাইল ফোনের ব্যবহার, সভা-সমাবেশ, বাড়তি আয়-রোজগারসহ যাবতীয় কার্যক্রম এমনকি আশ্রয় ক্যাম্পে সন্তান জন্মদানের বিষয়টিও চলছে ফ্রি স্টাইলে। গত দু’বছরে এদের পরিবারে লক্ষাধিক নতুন সদস্য এসেছে। সবকিছুতে ‘জামাই আদর’ পাওয়ার জের হিসেবে রোহিঙ্গারা গত ২ বছরে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এখন তারা নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় না। নানা অজুহাত তুলে এ পর্যন্ত দু’দফায় প্রত্যাবাসন ভ-ুল করে দিয়েছে তারা।
হেন কোনো অপকর্ম নেই যাতে রোহিঙ্গারা জড়িয়ে পড়েনি। এর মধ্যে খুনখারাবি, মাদক ও মানব পাচারে তারা রয়েছে শীর্ষে। সর্বশেষ গত ২২ আগস্ট রাতে টেকনাফের যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে গুলি করে হত্যা করেছে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা।
রোহিঙ্গারাই এখন দেশের জন্য হুমকি
বাংলাদেশে আশ্রিত ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা এখন বড় ধরনের হুমকি। গত ২ বছরে তাদের জন্য কক্সবাজার, উখিয়া-টেকনাফের ১০ হাজার একর জমি আবাসন খাতে নষ্ট করা হয়েছে। অর্ধকোটির বেশি গাছ কেটে আশ্রয় শিবির নির্মাণ করা হয়েছে। দুই শতাধিক পাহাড় কেটে নষ্ট করেছে এসব রোহিঙ্গা। বনভূমি করেছে উজাড়। উখিয়া টেকনাফের মানুষ বিভিন্নভাবে হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত। এ রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয় লক্ষাধিক মানুষ বেকারত্বের শিকার। এ দুই উপজেলায় জনসংখ্যা যেখানে সর্বোচ্চ পৌঁনে ৫ লাখ, সেখানে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১২ লক্ষাধিক। অর্থাৎ জনসংখ্যার দিক দিয়ে স্থানীয়দের চেয়ে রোহিঙ্গারা প্রায় আড়াইগুণ সংখ্যাগরিষ্ঠ।

দিনে দিনে বেপরোয়া
নিজেদের প্রাণ রক্ষার জন্য ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর থেকে রোহিঙ্গারা কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছে। প্রাণ রক্ষার্থে যেসব উপকরণ দরকার তার সবই দেয়া হয়েছে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায় থেকে। পরে তাদের সাহায্য-সহযোগিতায়, ত্রাণ সহায়তা প্রদানে যুক্ত হয়েছে দুই শতাধিক এনজিও। শুরু থেকে রোহিঙ্গারা সবকিছু পেয়েছে দু’হাত ভরে। তারা এত বেশি ত্রাণ সহায়তা পেয়েছে যে, বাড়তি ত্রাণ খোলাবাজারে বিক্রিও করছে। খেয়েদেয়ে রোহিঙ্গারা এখন তরতাজা এবং সন্তান উৎপাদনে বেপরোয়া। এ অবস্থায় তারা বাংলাদেশ ছাড়তে রাজি নয়। উখিয়া-টেকনাফের সাধারণ মানুষের আগামীর ক্ষতি এড়াতে সরকার তাদের জন্য নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচরে যে আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলেছে সেখানেও তারা যাবে না। মানবিক কারণে সরকার ও স্থানীয় জনসাধারণ এদের সবকিছু সহ্য করেছে। এর জের হিসেবে এরা এখন বেপরোয়া।

আইনবিরুদ্ধ কর্মকা-ে লিপ্ত
গত প্রায় দু’বছরে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদরসহ জেলার বিভিন্ন থানায় ৩৮০টি মামলা হয়েছে। খুনখারাবি, মাদক ও মানব পাচারে তারা সম্পূর্ণভাবে জড়িয়ে আছে। মাদক পাচারে রোহিঙ্গা নারীরাও বেশ এগিয়ে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে অবৈধ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে তারা পাসপোর্টও গ্রহণ করছে। এ পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে। বিদেশে গিয়ে তারা অবৈধ তৎপরতায় ধরা খেয়ে সুনাম ক্ষুন্ন করছে বাংলাদেশের।

অস্ত্রধারী রোহিঙ্গাদের তৎপরতা বাড়ছে
উখিয়া টেকনাফে যে ৩২টি আশ্রয় শিবির রয়েছে রাতের বেলায় এসব শিবিরে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আনাগোনা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। এসব সন্ত্রাসী বিভিন্ন সংগঠনের নামে তৎপর। সর্বশেষ ভয়েস অব রোহিঙ্গা নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে এরা প্রত্যাবাসনবিরোধী লিফলেট, প্ল্যাকার্ড প্রচার করেছে। এসব সন্ত্রাসী সাধারণ রোহিঙ্গাদের রাখাইন রাজ্যে ফিরে না যাওয়ার ব্যাপারে প্রতিনিয়ত ভীতির মধ্যে রাখতে সক্ষম হয়েছে। ফলে ফিরে যেতে ইচ্ছুকদের কেউ মুখ খুলতে না পারার এটি অন্যতম একটি কারণ।

পাকিস্তানভিত্তিক এনজিও’র
প্রত্যাবাসনবিরোধী তৎপরতা
রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে বর্তমানে দেশি-বিদেশি দুই শতাধিক এনজিও কাজ করছে। এর মধ্যে পাকিস্তানভিত্তিক এনজিও রয়েছে কমপক্ষে ১৫টি। এই এনজিওগুলো রোহিঙ্গাদের এদেশ থেকে না যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে। রাখাইন রাজ্যে পরিবেশ পরিস্থিতি এখনও তাদের অনুকূলে নয় বলে প্রচার চালিয়ে আসছে। রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসার বছরখানেকের মধ্যে বিষয়টি উদ্ঘাটিত হওয়ার পর সরকার বেশকিছু এনজিও কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও তা বাস্তবে কার্যকর হয়নি। কার্যকর করতে জোরালো কোনো পদক্ষেপও নেয়া হয়নি। এনজিও ব্যুরো রোহিঙ্গাদের উস্কানিসহ নানা অভিযোগের ভিত্তিতে ৪১টি এনজিওর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। এছাড়া বর্তমানে যেসব এনজিও কাজ করছে তন্মধ্যে ১০৫টি এনজিও ব্যুরোর নিবন্ধিত। অন্যগুলো সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে আশ্রয় শিবিরগুলোতে কাজ করছে। বেআইনিভাবে কাজ করাদের মধ্যে পাকিস্তানভিত্তিক এনজিওগুলো অন্যতম। এ কারণে ভবিষ্যৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ সামাজিক অস্থিরতার আশঙ্কা করছেন অনেক নিরাপত্তা বিশ্লেষক।