কলাম

তরুণরাই পারে বদলে দিতে

মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ আলী শিকদার, পিএসসি (অব.)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বার্মা (মিয়ানমার) ফ্রন্টে নিহত জানা-অজানা সেনাদের স্মৃতি রার্থে ভারতের নাগাল্যান্ড রাজ্যের রাজধানী কোহিমায় নির্মিত স্মারক সমাধি েেত্রর একটি পাথরের ওপর খোদাই করে লেখা আছে- ডযবহ ুড়ঁ মড় ঐড়সব/ঞবষষ ঃযবস ড়ভ ঁং ধহফ ঝধু/ঋড়ৎ ুড়ঁৎ ঃড়সড়ৎৎড়/িবি মধাব ড়ঁৎ ঃড়ফধু. এর বাংলা হতে পারে এ রকম- ‘তোমরা যখন ফিরে যাবে/তাদের বলবে আমাদের কথা/বলবে তোমাদের আগামীর জন্য/আমাদের বর্তমান দিয়ে গেলাম।’ এ কথাগুলোর মর্মার্থের স্পর্শে প্রচ- আবেগতাড়িত হওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। এ কথাগুলো মনে এলে ’৭১-এর মুক্তিযোদ্ধাদের চোখের সামনে যেন সেই রণেেত্রর চিত্রটাই জ্বলন্ত হয়ে ধরা দেয়। অবধারিত মৃত্যু জেনেও একজন মুক্তিযোদ্ধা শত্রুর বাংকারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। কেন, কী পাওয়ার জন্য?
সেদিন ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের গোয়ালহাটি যুদ্ধেেত্র বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের কথার মধ্যে যেন কোহিমার পাথরে খোদিত কথাগুলোরই প্রতিধ্বনি পাওয়া যায়। সেদিন নূর মোহাম্মদ শেখের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট দলটিকে পাকিস্তানি সেনারা যখন চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে তখন নূর মোহাম্মদ শেখ হুকুমের সুরে সহযোদ্ধাদের বলছেন, ‘শত্রু ঘিরে ফেলেছে, আমার এক জীবনের বিনিময়ে তোমরা সবাই জীবন বাঁচাও, যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করো।’
আরেক বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি মোস্তফা কামাল ১৯৭১-এর ১৮ এপ্রিল আখাউড়ার গঙ্গাসাগর যুদ্ধে নিজের জীবন দিয়ে চতুর্থ বেঙ্গল রেজিমেন্টের পুরো বাহিনীকে রা করেন। একইভাবে একই সংকল্পে শুধু স্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশের মাঠে-ঘাটে, নদীর কূলে, ধানক্ষেতে জীবন বিসর্জন দিয়েছেন অগুনতি মুক্তিযোদ্ধা। মায়ের কান্না, বোনের অশ্রু, বাবার বুকফাটা আহাজারি উপো করে শুধু দেশের স্বাধীনতার জন্য তারা নিজেদের জীবন অকুতোভয়ে বিসর্জন দিতে পেরেছিলেন বলেই আজ বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ বুক ফুলিয়ে মাথা উঁচু করে বলতে পারছি, আমরা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরিক। তাহলে কোহিমা শহরের পাথরের ওপর খোদিত অমর মর্মবাণীর চেতনা কি আমাদের তরুণ প্রজন্মের হৃদয়কে স্পর্শ করবে না?
বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে বলেই আজ ৩০-৩৫ লাখ ছেলেমেয়ে একসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে। অপার সম্ভাবনার হাতছানি তারা দেখতে পাচ্ছে। গত ১০ বছরে যে বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে তা হলো, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ, দর্শন ও চেতনার ওপর ভর করে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে বলেই বিপুল সম্ভাবনার উজ্জ্বল দিগন্ত এখন আমাদের সামনে উন্মোচিত। এর বিপরীতে পাকিস্তানি ও ’৪৭-এর দ্বিজাতিতত্ত্বের আদর্শে রাষ্ট্র পরিচালিত হলে কী দশা হয় তার চিত্রও সবাই আমরা দেখেছি ২০০১-০৬ মেয়াদে। তাই বাংলাদেশের তরুণসমাজকে আজ ভাবতে হবে, সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কোন আদর্শ-চেতনার রাষ্ট্র তারা চায়। ’৪৭-এর চেতনার ভারে পাকিস্তান আজ মৃতপ্রায় একটি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। পাকিস্তানি নাগরিকসমাজ থেকে আওয়াজ উঠছে যে তারা এখন বাংলাদেশের মতো হতে চায়।
তাই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনাই বাংলাদেশের অবলম্বন, অন্য কোনো বিকল্প নেই। লাখ লাখ মানুষের জীবনের বিনিময়ে যে আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হয় তার সঙ্গে অমোঘ শক্তির সংযোগ থাকে। সাময়িক সংকটে পড়লেও সেই চেতনাকে কেউ হত্যা করতে পারে না।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার জন্ম হয়েছে সাড়ে ৭ কোটি বাঙালির হৃদয় থেকে, যার স্বরূপ উন্মোচন করেছেন বাঙালি জাতির মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাষ্ট্র ও রাজনীতির ভিতরে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা যদি বিরাজমান না থাকে তাহলে কোহিমার পাথরে খোদিত আহ্বান বৃথা হয়ে যায়। বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের জীবন বিসর্জন বৃথা হয়ে যায়। বৃথা হয়ে যায় আমাদের সব সংগ্রাম ও লড়াই। কিন্তু কঠিন শোনালেও বাস্তব সত্য হলো, ১৯৭৫ সালের ট্র্যাজেডির পথ ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি ও রাষ্ট্রের ভিতরে এমন পরে উত্থান ও পুনরুত্থান ঘটে, যারা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা বলতে যা কিছু বোঝায় তার সবকিছুকে বাতিল করে দেয়।
মুক্তিযুদ্ধের মূল ও এক নম্বর আদর্শ অসাম্প্রদায়িকতার রাকবচ ধর্মনিরপে রাষ্ট্রব্যবস্থাকে বাতিল করে দেন সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমানের হাত ধরে আবির্ভূত মুক্তিযুদ্ধের আদর্শবিরোধী রাজনীতি বহাল থাকা পর্যন্ত স্বাধীনতার মৌলিক ল্য শোষণহীন লুটপাটমুক্ত বৈষম্যহীন আকাক্সিক্ষত শান্তিময় বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। কারণ, রাষ্ট্রের মৌলিক আদর্শের জায়গা নিয়ে রাজনীতিতে বড় বিভাজন থাকলে তার বিরূপ প্রভাব অবধারিতভাবে পড়বে রাষ্ট্রের সব েেত্র, সব জায়গায়। এ বিভাজন এখন রাষ্ট্রের সব সেক্টরের প্রশাসন, ব্যবসাবাণিজ্য, মিডিয়া, পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিদ্যমান। এ বিভাজনের দুর্বলতার সুযোগে রাষ্ট্রের ভিতরে জন্ম হয়েছে বহুপীয় সিন্ডিকেট, লুটেরা শ্রেণি ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী, যারা প্রায়শই রাষ্ট্রশক্তিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। তার প্রত্য প্রমাণ পাওয়া যায় যখন দেখি সরকারের সদিচ্ছা থাকার পরও পুরান ঢাকার নিমতলী থেকে রাসায়নিক দ্রব্যের গুদাম সরানো যায় না, যখন দেখি রাস্তায় ফিটনেসহীন গাড়ি ও লাইসেন্সবিহীন চালকের গাড়ির চাকার নিচে প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষের জীবন গেলেও দায়িত্বহীন গাড়ির মালিক ও বেপরোয়া চালকদের লাগাম টেনে ধরা যায় না। রাজনীতির চরম বিভাজনের সুযোগে দেশের স্বল্পসংখ্যক দুর্নীতিপরায়ণ লুটেরা আজ বাংলাদেশকে পেছন থেকে ছুরি মারছে। টাকার লোভে একজন দুর্নীতিপরায়ণ মানুষের পে যা কিছু করা সম্ভব।
অনৈতিক চরিত্রের অধিকারী ভোগবিলাসে মত্ত একজন দুর্নীতিপরায়ণ মানুষ আপনজনকে হত্যা করতেও দ্বিধা করে না। এজন্য সফল রাষ্ট্রপরিচালকদের জীবনী পড়লে দেখা যায় একজনের যত দতাই থাকুক না কেন, যত ঘনিষ্ঠ হোক না কেন, দুর্নীতিপরায়ণ মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রাখেননি। এ গুণের কারণেই সিঙ্গাপুরের লি কুয়ান ও মালয়েশিয়ার মাহাথির মোহাম্মদ বিশ্বের মানুষের কাছে আইকন হয়ে আছেন। গত শতকের ষাটের দশকে লি কিউয়ান যখন বিধ্বস্ত সিঙ্গাপুর নিয়ে যাত্রা করলেন, তখন প্রথম ধাক্কাতেই দুর্নীতির অভিযোগে তার একান্ত ঘনিষ্ঠ বহুদিনের সঙ্গী কয়েকজন মন্ত্রী যেমন- ট্যান কিয়াগান, টুনবুন ও টে চিয়াং ওয়ানকে শাস্তির মুখোমুখি করেন। তারপর লি কুয়ানকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজরা বেপরোয়া। কোহিমায় পাথরে খোদিত বাণীর মহিমা তাদের কর্ণকুহরে পৌঁছায় না। তারা বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের নাম শুনেছে বলে মনে হয় না। অথচ দেশ স্বাধীন না হলে এদের বেশির ভাগই পাঞ্জাবিদের গোলাম হয়ে থাকত।
১২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান শিরোনাম ছিল Ñ এই দুর্নীতির শেষ কোথায়, খাগড়াছড়িতে একটি ঢেউটিনের দাম ১ লাখ টাকা, রেলের প্রকল্পের কিনারের বেতন ৪ লাখ টাকা, চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রকল্পে পানি বিশুদ্ধকরণ প্রশিণে ৪১ জন কর্মকর্তা যাচ্ছেন উগান্ডায়। পত্রিকায় একটি ঘরের ছবি ছাপা হয়েছে, যেখানে ব্যবহার করা হয়েছে দুই বান টিন, যার দাম ধরা হয়েছে ১৪ লাখ টাকা। উগান্ডার বেশির ভাগ মানুষ নিরাপদ পানি থেকে বঞ্চিত, সেখানে উন্নত পয়ঃনিষ্কাশনের অভাব, অথচ সেই উগান্ডায় ‘শিা নিতে’ যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ চট্টগ্রামের ওয়াসার কর্মকর্তারা। বিদেশ ভ্রমণের অনুমোদন তো চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি, চেয়ারম্যান হয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রীর টেবিল পর্যন্ত গিয়েছে। সুতরাং এই দায়িত্বহীনতার দায় কেউ এড়াতে পারে না।
আজ যদি মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের ধারক-বাহক শক্তিশালী বিরোধী দল থাকত তাহলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত। জাতীয় পার্টি নেই বললেই চলে। বামেরা ীণ থেকে আরও ীণ হচ্ছে। আর বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে মিশে চরম মুক্তিযুদ্ধ আদর্শবিরোধী দল হওয়ায় তাদের প্রতি মানুষের সামান্যতম বিশ্বাস নেই। মতায় থাকতে বিএনপি চারবার দেশকে বিশ্বের এক নম্বর দুর্নীতিপরায়ণ রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। ২০০৭-০৮ মেয়াদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তাদের শীর্ষ নেতৃত্ব জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করেছিলেন। দুর্নীতির দায়ে বিএনপির শীর্ষ নেত্রী রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক শাস্তিপ্রাপ্ত হয়ে জেল খাটছেন। তাদের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা তারেক রহমান হাওয়া ভবনের দুর্নীতির টাকায় পালিয়ে লন্ডনে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। আদালত তাকে দুর্নীতির দায়ে শাস্তি দিয়েছে। আদালতের খাতায় তিনি এখন ফেরারি আসামি। সুতরাং বিএনপির ওপর মানুষের সামান্যতম ভরসা অবশিষ্ট নেই। দেশের মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যার মধ্যে মানুষ বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি দেখতে পায়।
বাঙালি জাতির চূড়ান্ত মুক্তির ল্েয ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ রা হলো না। আজ দুর্নীতিবাজ, স্বার্থান্বেষী লুটেরা, সিন্ডিকেট এবং একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী রাজনৈতিক পরে বিরুদ্ধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংগ্রাম ও লড়াই করে চলেছেন বঙ্গবন্ধুর মেয়ে।
কয়েক দিন আগে সম্প্রীতি বাংলাদেশের প থেকে বাগেরহাট সরকারি পি সি কলেজে শিক ও ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে একটা মতবিনিময় অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। সেখানে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে আমার মনে হয়েছে, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের যদি ’৭১-এর সম্মোহনী শক্তিতে জাগিয়ে তোলা যায় তাহলে তাদের দ্বারাই অনেক কিছু করা সম্ভব। অনুষ্ঠানের ফাঁকে চার-পাঁচজন বিসিএস ক্যাডারের তরুণ শিকের সঙ্গে কথা বলছিলাম। অনেক কথার ভিতরে তারা সবাই বললেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি যদি প্রধানমন্ত্রী বাস্তবায়ন করতে পারেন তাহলে বঙ্গবন্ধুর মেয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন। আমি তাদের বলেছি, এ কাজ শুধু একা প্রধানমন্ত্রীর পে সম্ভব নয়। দুর্নীতি দূরসহ গত ১০ বছরে অর্জিত অগ্রগতিকে ধরে রাখতে হলে দেশের সব মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে, শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়াতে হবে। তাহলেই কেবল রাষ্ট্রযন্ত্রের ভিতরে ও বাইরে অবস্থানকারী সব দুর্নীতিবাজ ও অপশক্তি পিছু হটতে বাধ্য হবে। তাই বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে আজ একসঙ্গে দুই ফ্রন্টে সংগ্রাম করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শবিরোধী রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করে সরকার ও বিরোধী দল সবাই যাতে মুক্তিযুদ্ধের পরে হয় তার জন্য এক নম্বর ফ্রন্ট, রাজনৈতিক অঙ্গনে তরুণ প্রজন্মকে যুদ্ধে নামতে হবে। কোহিমার পাথরে খোদিত মর্মবাণীকে হৃদয় নিয়ে উপলব্ধি করতে হবে। দ্বিতীয় ফ্রন্ট হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অবস্থান। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শবিরোধী রাজনীতি এবং দুর্নীতি দুটোই দানবীয় শক্তি। তরুণ প্রজন্ম দায়িত্ব নিলে রাজনীতিকে তারা যেমন বদলে দিতে পারবে, তেমনি পারবে দুর্নীতি থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে। বদলে দেয়ার শক্তি কেবল তরুণরাই রাখে, যার প্রমাণ ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ।
লেখক: রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক