ফিচার

সম্পত্তি বণ্টনের বিষয়ে কিছু প্রাথমিক সাধারণ কথা

অ্যাডভোকেট মোমিন শেখ
(পূর্ব প্রকাশের পর)

মুসলিম আইনে উত্তরাধিকারদের প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়
ক. প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারী।
খ. অ-প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারী।
প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারগণকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
ক্স জাবিল ফুরুজ বা অংশীদার বা ঝযধৎবৎং.
ক্স আসাবা বা অবশিষ্টভোগী বা জবংরফঁধৎরবং.
ক্স জাবিল আরহাম বা দূরবর্তী আত্মীয় বা উরংঃধহঃ করহফৎবফ.

জাবিল ফুরুজ বা অংশীদার বা ঝযধৎবৎং
মুসলিম আইনে যে সকল ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে নির্দিষ্ট অংশ পাওয়ার অধিকারী হয় অথবা যে সকল ব্যক্তি আসাবা বা জাবিল আরহাম নয় তাদেরকে জাবিল ফুরুজ বা অংশীদার বা ঝযধৎবৎং বলে। অর্থাৎ যারা মৃত ব্যক্তির রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়, তারাই জাবিল ফুরুজ। পবিত্র কোরআনে এদের অংশ নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। এজন্য এদেরকে কোরআনিক অংশীদারও বলা হয়। সুরা আন নিসার-১১, ১২ ও ১৭৬ নং আয়াতে এদের অংশ বন্টনের হিসাব কিতাব উল্লেখ করা আছে। এরা সংখ্যায় ১২ জন। এদের মধ্যে ৮ জন মহিলা এবং ৪ জন পুরুষ, যেমন-
মহিলা: ১. স্ত্রী ২. মাতা ৩. কন্যা ৪. আপন বোন ৫. বৈমাত্রেয় বোন ৬. বৈপিত্রেয় বোন ৭. পুত্রের কন্যা ৮. দাদী/নানী বা সত্য মাতামহী
পুরুষ: ১. পিতা ২. স্বামী ৩. বৈপিত্রেয় ভাই ৪. দাদা বা সত্য পিতামহ

অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যে সকল অংশীদার অবশিষ্টভোগী হিসেবে সম্পত্তির অংশ প্রাপ্ত হয় অর্থাৎ অংশীদার হিসেবেও অংশ পায় আবার অবশিষ্টভোগী হিসেবেও সম্পত্তির অংশ পায় তাদের তালিকা নিচে দেয়া হলো। এরা সংখ্যায় ৭ জন। ৫ জন মহিলা, ২ জন পুরুষ।
যেমন Ñ
ক্স পিতা
ক্স পিতার পিতা বা দাদা
ক্স মাতা বা মা
ক্স কন্যা বা মেয়ে
ক্স পুত্রের কন্যা
ক্স আপন বোন
ক্স বৈমাত্রেয় বোন
পিতা: যখন কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে তখন পিতা অংশীদার হিসেবে সম্পত্তি অংশ পায়। কিন্তু যখন কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে তখন পিতা আসাবা বা অবশিষ্টভোগী হিসেবে অংশ পায়।
পিতার পিতা বা দাদা: যখন কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে কিন্তু পিতা জীবিত থাকে না তখন পিতার পিতা বা দাদা অংশীদার হিসেবে সম্পত্তির অংশ পায়। কিন্তু যখন কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে এবং পিতাও জীবিত না থাকে তখন পিতার পিতা বা দাদা অবশিষ্টভোগী হিসেবে সম্পত্তির অংশ পেয়ে থাকে।
মাতা বা মা: যখন মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে তখন মাতা অংশীদার হিসেবে অংশ পাবে। কিন্তু যখন মৃত ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রীর সাথে শুধুমাত্র পিতা এবং মাতা জীবিত থাকে তখন মাতা অবশিষ্টভোগী হিসেবে সম্পত্তির অংশ পাবে।
কন্যা বা মেয়ে: যখন কোনো পুত্র না থাকে তখন কন্যা অংশীদার হিসেবে সম্পত্তির অংশ পেয়ে থাকে। কিন্তু যখন পুত্র এবং কন্যা উভয়েই থাকে তখন কন্যা তছীব নীতিতে পুত্রের সাথে অবশিষ্টভোগী হিসেবে সম্পত্তির অংশ পেয়ে থাকে।
পুত্রের কন্যা: মৃত ব্যক্তির পুত্র, পুত্রের পুত্র, কন্যা, পুত্রের কন্যা যত নিচেই হোক না থাকলে পুত্রের কন্যা অংশীদার হিসেবে সম্পত্তির অংশ পাবে। কিন্তু পুত্রের পুত্র এবং পুত্রের কন্যা থাকলে তছীব নীতিতে পুত্রের কন্যা অবশিষ্টভোগী হিসেবে সম্পত্তির অংশ পাবে।
আপন বোন: মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান, দাদা বা আপন ভাই যদি না থাকে তখন আপন বোন অংশীদার হিসেবে সম্পত্তির অংশ পাবে। কিন্তু আপন ভাই থাকলে আপন বোন তছীব নীতিতে অবশিষ্টভোগী হিসেবে সম্পত্তি পাবে।
বৈমাত্রেয় বোন: মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান, পুত্রের সন্তান, পিতা, দাদা, আপন ভাইবোন অথবা বৈমাত্রেয় ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় বোন অংশীদার হিসেবে সম্পত্তির অংশ পাবে। কিন্তু মৃত ব্যক্তির বৈমাত্রেয় ভাই থাকলে বৈমাত্রেয় বোন অবশিষ্টভোগী হিসেবে সম্পত্তির অংশ পাবে।

আসাবা বা অবশিষ্টভোগী বা জবংরফঁধৎরবং
মুসলিম আইনে মৃত ব্যক্তির সাথে রক্তের সম্পর্কের আত্মীয় কিন্তু অংশীদার নয় এবং যারা অংশীদারদের নির্দিষ্ট অংশ নেয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকে তা পাওয়ার অধিকারী হয় এবং যাদের অংশ নির্ধারিত থাকে না তাদেরকে আসাবা বা অবশিষ্টভোগী বা জবংরফঁধৎরবং বলে। যেমন- সর্বপ্রথম পুত্র আসাবা হিসাবে অবশিষ্ট সম্পত্তি পাওয়ার অধিকারী হবে। মনে রাখতে হবে পুত্র কখনোই অংশীদার নয় সে অবশিষ্টভোগী হিসাবে সম্পত্তি প্রাপ্ত হবে এবং কোনো অবস্থাতেই সম্পত্তি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না। যখন জাবিল ফুরুজ বা অংশীদার বা ঝযধৎবৎং থাকে না তখন আসাবাগণই বা জবংরফঁধৎরবং বা অবশিষ্টভোগীরাই সমস্ত সম্পত্তি পায়। আসাবা বা অবশিষ্টভোগীরা সংখ্যায় ১৯ জন। যেমনÑ
ক্স পুত্র
ক্স পুত্রের পুত্র বা নাতি
ক্স পিতা
ক্স পিতার পিতা বা দাদা বা পিতামহ
ক্স সহোদর ভাই বা আপন ভাই
ক্স সহোদরা বোন বা আপন বোন
ক্স বৈমাত্রেয় ভাই
ক্স বৈমাত্রেয় বোন
ক্স সহোদর বা আপন ভাইয়ের পুত্র
ক্স বৈমাত্রেয় ভাইয়ের পুত্র
ক্স সহোদর বা আপন ভাইয়ের পুত্রের পুত্র
ক্স বৈমাত্রেয় ভাইয়ের পুত্রের পুত্র
ক্স সহোদর বা আপন চাচা
ক্স বৈমাত্রেয় চাচা
ক্স সহোদর বা আপন চাচার পুত্র বা আপন চাচাতো ভাই
ক্স বৈমাত্রেয় চাচার পুত্র
ক্স সহোদর চাচার পুত্রের পুত্র
ক্স বৈমাত্রেয় চাচার পুত্রের পুত্র
ক্স অধিকতর দূরবর্তী প্রকৃত পিতামহের নিম্নগামী পুরুষ বংশধরদের পুত্রের পুত্রগণ।

জাবিল আরহাম বা দূরবর্তী আত্মীয় বা উরংঃধহঃ করহফৎবফ
আরবি রিহোম থেকে আরহাম শব্দটি এসেছে। আরবি ভাষায় ব্যাকরণগত দিক থেকে রিহোম হচ্ছে এক বচন আর বহুবচন হলো আরহাম। আভিধানিক অর্থ হলো মহিলাদের জরায়ু বা গর্ভাশয়। জরায়ু বা গর্ভাশয়কে আরবিতে বলে রিহোম। জাবিল আরহাম হলো মৃত ব্যক্তির নিকটতম আত্মীয় স্বজন। জাবিল আরহাম সম্পর্কে বিভিন্ন ইসলামি চিন্তাবিদ বিভিন্ন অভিমত ব্যক্ত করেছেন। যেমনÑ ফারায়েজ বিশেষজ্ঞ সিরাজীর অভিমত হলো, মৃত ব্যক্তির সাথে যাদের রক্তের সম্পর্ক আছে কিন্তু জাবিল ফুরুজ বা অংশীদার এবং আসাবা বা অবশিষ্টভোগীও নয় তারা হচ্ছে দূরবর্তী আত্মীয়। এদেরকে জাবিল আরহাম বা দূরবর্তী আত্মীয় বা উরংঃধহঃকরহফৎবফ বলে। হযরত যায়েদ ইবনে সাবেত (রাঃ) বলেন যে জাবিল আরহামগণ উত্তরাধিকার হবে না এবং সমস্ত সম্পদ ইসলামি রাষ্ট্রের তহবিলে বা কোষাগারে জমা হবে। এ মতকে সমর্থন করেন ইমাম মালেক, ইমাম শাফেয়ী, যুহুরী এবং আওযায়ী (রাঃ)। এদের যুক্তি হলো অকাট্য প্রমাণ ব্যতীত কেউ ওয়ারিশ হতে পারে না। তবে হানাফি মাযহাবের ইমামগণের মত হলো জাবিল আরহামগণ সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন।
জাবিল আরহাম বা দূরবর্তী আত্মীয়দেরকে প্রধান চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
এ চার শ্রেণির দূরবর্তী আত্মীয়দের অংশের ভাগবণ্টন বেশ ব্যাপক। সংক্ষেপে মৃত ব্যক্তির সাথে চার শ্রেণির আত্মীয়দের সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো।
ক. প্রথম শ্রেণি: যারা মৃত ব্যক্তির সাথে সম্পর্র্কিত।
ক্স কন্যার সন্তানগণ এবং তাদের বংশধর।
ক্স পুত্রের কন্যার সন্তানগণ এবং তাদের বংশধর।
খ. দ্বিতীয় শ্রেণি: যারা মৃত ব্যক্তির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
ক্স নানা,নানার পিতা, দাদার পিতা।
ক্স নানী, নানীর মাতা, দাদীর মাতা।
গ. তৃতীয় শ্রেণি: যারা মৃত ব্যক্তির পিতা মাতার সাথে সম্পর্কিত।
ক্স সহোদর বোন বা আপন বোনের সন্তানগণ।
ক্স বৈমাত্রেয় বোনের সন্তানগণ।
ক্স বৈপিত্রেয় ভাই বোনের সন্তানগণ।
ক্স সহোদর বা আপন ভাইয়ের সন্তানগণ।
ক্স বৈমাত্রেয় ভাইয়ের কন্যাগণ।
ঘ. চতুর্থ শ্রেণি: যারা মৃত ব্যক্তির দাদা নানা এবং দাদী নানীর সাথে সম্পর্কিত।
ক্স ফুফুগণ এবং তাদের সন্তানগণ।
ক্স বৈপিত্রেয় চাচাগণ এবং তাদের সন্তানের সন্তানগণ।
ক্স মামাগণ এবং তাদের সন্তানগণ।
ক্স খালাগণ এবং তাদের সন্তানগণ।
মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তি জাবিল আরহাম বা দূরবর্তী আত্মীয়দের মধ্যে বিলি বন্টনের সময় দুটি প্রধান বিষয় বা শর্ত অবশ্যই মনে রাখতে হবে। যেমন Ñ
ক্স যখন কোনো জাবিল ফুরুজ এবং আসাবা অর্থাৎ অংশীদার এবং অবশিষ্টভোগী না থাকে শুধুমাত্র তখনই জাবিল আরহাম বা দূরবর্তী আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টন করতে হবে।
ক্স যদি স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকে এবং কোনো আসাবা বা অবশিষ্টভোগী না থাকে সে ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীকে পূর্ণ অংশ দেয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকে তা দূরবর্তী আত্মীয়দের মধ্যে বণ্টন করতে হবে।

জাবিল ফুরুজ বা অংশীদারগণ ৩ প্রকার
ক্স প্রাথমিক অংশীদার
ক্স মাধ্যমিক অংশীদার
ক্স প্রতিস্থাপিত অংশীদার
ক. প্রাথমিক অংশীদার: মুসলিম আইনে যে সমস্ত অংশীদার কোনো অবস্থাতেই কারও দ্বারা এবং কখনোই সম্পত্তির নির্দিষ্ট অংশ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয় না তাঁদেরকে প্রাথমিক অংশীদার বলা হয়। এরা সংখ্যায় ৫ জন। কোনো অবস্থাতেই ছেলে বা পুত্রকেও সম্পত্তির অংশ পাওয়া থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। মনে রাখতে হবে ছেলে বা পুত্র কখনোই সম্পত্তির অংশ অংশীদার হিসেবে পায় না। ছেলে সর্বদাই আসাবা বা অবশিষ্টভোগী হিসেবে সম্পত্তির অংশ পেয়ে থাকে।
যেমনÑ
ক্স মৃত ব্যক্তির স্বামী
ক্স মৃত ব্যক্তির স্ত্রী
ক্স মৃত ব্যক্তির কন্যা
ক্স মৃত ব্যক্তির পিতা
ক্স মৃত ব্যক্তির মাতা
প্রাথমিক অংশীদারদেরকে প্রত্যক্ষ অংশীদারও বলা হয়। মৃত ব্যক্তির পুত্র অংশীদার নয় কিন্তু সম্পত্তির অবশিষ্ট অংশ পাওয়া থেকে কখনোই বঞ্চিত হয় না। অবশিষ্টভোগীদের মধ্যে পুত্রই প্রথম অংশ পাওয়ার অধিকারী।
খ. মাধ্যমিক অংশীদার: মুসলিম আইনে যে অংশীদারদের অংশ পবিত্র কোরআনে নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে কিন্তু তারা প্রাথমিক অংশীদার নয়, তাদেরকেই মাধ্যমিক অংশীদার বলে। উত্তরাধিকারদের অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এরা ও কখনো কখনো সম্পত্তি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। এরা সংখ্যায় ৪ জন।
যেমনÑ
ক্স আপন বোন
ক্স বিমাতা বা বৈমাত্রেয় বোন
ক্স বৈপিত্রেয় ভাই
ক্স বৈপিত্রেয় বোন
১. মৃত ব্যক্তির আপন বোন, যেমন Ñ মৃত ব্যক্তির পুত্র বা পুত্রের পুত্র কিংবা পিতা বা দাদা থাকলে আপন বোন বঞ্চিত হবে।
২. মৃত ব্যক্তির বিমাতা বা বৈমাত্রেয় বোন, যেমনÑপিতা, দাদা বা দুই বা ততোধিক আপন বোন থাকলে বৈমাত্রেয় বোন বঞ্চিত হবে।
৩. মৃত ব্যক্তির বৈপিত্রেয় ভাই, যেমনÑপুত্র, পুত্রের পুত্র বা কন্যা যত নিচেই হোক অথবা পিতা, দাদা যত ঊর্ধ্বেই হোক থাকলে বৈপিত্রেয় ভাই বঞ্চিত হবে।
৪. মৃত ব্যক্তির বৈপিত্রেয় বোন, যেমনÑ পুত্র, পুত্রের পুত্র বা কন্যা যত নিচেই হোক অথবা পিতা, দাদা যত ঊর্ধ্বেই হোক থাকলে বৈপিত্রেয় বোন বঞ্চিত হবে।
গ. প্রতিস্থাপিত অংশীদার: যে সমস্ত অংশীদারদের অংশ পবিত্র কোরআনে নির্দিষ্ট করা হয়নি কিন্তু হাদীস ও ইজমা দ্বারা এদের অংশ নির্দিষ্ট করা হয়েছে তাদেরকে প্রতিস্থাপিত অংশীদার বলে। প্রতিস্থাপিত অংশীদাররাও অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সম্পত্তির অংশ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। যেমনÑ
১. মৃত ব্যক্তির পুত্রের কন্যা: মৃত ব্যক্তির পুত্র অথবা একাধিক কন্যা থাকলে পুত্রের কন্যা বঞ্চিত হবে। তবে একজন কন্যা থাকলে পুত্রের কন্যা বঞ্চিত হবে না।
কিন্তু মৃত ব্যক্তির পুত্র এবং একাধিক কন্যা না থাকলে তাদের স্থানে পুত্রের কন্যাকে স্থাপন করে অংশীদার করা হয়।
২. মৃত ব্যক্তির দাদা: মৃত ব্যক্তির পিতা থাকলে দাদা বঞ্চিত হবে। কিন্তু মৃত ব্যক্তির পিতা না থাকলে পিতার স্থানে দাদাকে স্থাপন করে অংশীদার করা হয়।
৩. মৃত ব্যক্তির দাদী/নানী: মৃত ব্যক্তির পিতা মাতা থাকলে দাদী এবং নানী বঞ্চিত হবে। কিন্তু মৃত ব্যক্তির পিতা মাতা না থাকলে তাদের স্থানে দাদী ও নানীকে স্থাপন করে অংশীদার করা হয়। Ñ(চলবে)
লেখক: আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ