রাজনীতি

এরশাদের সম্পদের মালিকানার দাবিতে জাপায় গৃহবিবাদ

সাবিনা ইয়াছমিন
জাপা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পদের মালিকানা নিয়ে জাতীয় পার্টিতে গৃহবিবাদ এখন তুঙ্গে। এই বিবাদে দুইটি পক্ষই বেশ সক্রিয়। এক পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এরশাদের ভাই জি এম কাদের ও স্ত্রী রওশন এরশাদ, অন্য পক্ষে আছেন এরশাদের ডিভোর্সি স্ত্রী বিদিশা ও অটিস্টিক ছেলে এরিক এরশাদ।
সম্প্রতি রাজধানীর বারিধারায় এরশাদের বাড়ি ‘প্রেসিডেন্ট পার্ক এরশাদ ট্রাস্টের সম্পত্তি নয়’ বলে দাবি করেছেন এরশাদ-বিদিশার ছেলে এরিক এরশাদ। তিনি জানিয়েছেন, এই বাড়ি ও ফ্যাটের মালিক তিনি।
এরিক এ কথাও বলেছেন, তার চাচা ও জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদের এবং এরশাদ ট্রাস্টের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মেজর খালেদ আখতার (অব.) যদি তার সামনে এসে বা পাবলিকলি সম্পত্তি চায়, তাহলে এরিক প্রেসিডেন্ট পার্ক এরশাদ ট্রাস্টকে দিয়ে দেবেন। তবে মা বিদিশা সিদ্দিককে প্রেসিডেন্ট পার্ক দিতে পারবেন না বলে ‘সরি’ বলে দিয়েছেন।
একইভাবে বিদিশাও সম্পত্তির জন্য প্রেসিডেন্ট পার্কে ছেলের কাছে আসেননি বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এসেছি সন্তানের কাছে, তাকে দেখাশোনা করার জন্য।
২৫ নভেম্বর রাজধানীর প্রেসিডেন্ট পার্কে এক সংবাদ সম্মেলনে বিদিশা ও এরিক এসব কথা বলেন। জানানো হয়, ইতোমধ্যেই এরিক দুদকে একটি চিঠি দিয়েছেন। সেখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পাওয়া যাচ্ছে না এবং এরিকের স্বার নিয়ে কিছু কাগজ নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। চিঠিতে এরিক এসব ঘটনার তদন্ত আশা করেন।
এরিক নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে এবং চাচা জি এম কাদেরের হাত থেকে সম্পত্তি রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবরও আবেদন জানিয়েছেন।
বিদিশা জোর করে প্রেসিডেন্ট পার্কে ঢুকেছেন Ñ জি এম কাদের ও মেজর খালেদ আখতারের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে এরিক বলেন, আমার মা জোর করে এলে কেউ তার সঙ্গে ভদ্র আচরণ করত? আমি আমার মাকে এখানে ডেকেছি। আমার খাওয়া-দাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। আমাকে ড্রাইভার গালাগালি করেছে। নির্যাতন করেছে। এগুলো আমি আমার মৃত আব্বার কসম খেয়ে বলছি। আমার চাচা ও চাচার লোকেরা বলছেন, আমার মা বিদিশা সিদ্দিক বলপ্রয়োগ করে আর্মস নিয়ে ঢুকেছেন; যেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ।
‘তোমার মা এখানে থাকলে তোমার নিরাপত্তার সমস্যা হবে’ জাপার লোকজনের এমন অভিযোগের উত্তরে এরিক বলেন, সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। দেখেন আমার যদি সমস্যা না হতো অবিয়াসলি আমি আমার মাকে ডাকতাম না। আমি নিজে থেকে আমার মাকে ডেকেছি। ফোন করে বলেছি আসার জন্য, আমাকে দেখাশুনা করার জন্য। উনি তো সম্পত্তির লোভে এখানে আসেননি। এসেছেন আমাকে দেখে রাখার জন্য।
‘প্রেসিডেন্ট পার্ক এরশাদ ট্রাস্টের সম্পত্তি হিসেবে ট্রাস্ট কর্তৃপরে’ এমন তথ্যের পরিপ্রেেিত এরিক বলেন, না না না, প্লিজ। এটা ট্রাস্টের ফ্যাট নয়। এই ফ্যাটবাড়ির মালিক আমি। এই ফ্যাটে ট্রাস্টের কোনো অধিকার নেই। ট্রাস্ট তো আছে আমাকে দেখাশোনা করার জন্য, আমার খাওয়া-দাওয়া, কী কী দরকার, সেটার জন্য। ট্রাস্ট তো আমার ফ্যাটের কোনো অধিকার রাখে না।
মা আসার পর বাসায় কেমন আছেন Ñ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে এরিক বলেন, সেটা আপনারাই দেখেন যে আমি আগের তুলনায় কত ভালো আছি। আপনারাই তো বুঝতে পারবেন। মা আমাকে নিজে খাইয়ে দিয়েছেন। মা আসাতে আমার দেখাশোনায় কোনো ত্রুটি হচ্ছে না। সব প্রতিবন্ধী বাচ্চা এবং দুনিয়াতে যত মানুষ আছেন, তারা চান তাদের মা-বাবা একসঙ্গে থাক। এটা শুধু আমার কথা না। আমার মা তো আমার লিগ্যাল গার্জিয়ান, চাচা তো না। সুতরাং আমার মা আমার সঙ্গেই থাকবেন।
থানায় দায়ের করা জিডি প্রসঙ্গে এরিক বলেন, এই জিডি আমি করেছি আমার চাচার নামে। জিডিতে বলেছি, আমাদের ডিস্টার্ব করা হচ্ছে। আমরা বাইরে গেলে বাসায় ফিরতে পারব কি না, জানি না। এখন তো ওরা সবাই চাচ্ছে আমি মাকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যাই। আমার সম্পত্তির ওপর ওদের লোভ। সে জন্য ওরা এটা করছে।
এরিক যা বলছে, সেটা শিখিয়ে দেয়া হচ্ছে Ñ জাপা নেতাদের এমন দাবি প্রসঙ্গে এরিক বলেন, না, এটা কোনোভাবেই শিখিয়ে দেয়া হচ্ছে না। কারণ আমি অ্যাডাল্ট। আমি নিজেই বুঝে বলছি। আমাকে কেউ চাপ সৃষ্টি করেনি। আমি জানি সমস্যা কী।
এছাড়া এরিক বিভিন্ন সময় তার থেকে স্বার নেয়া হয়েছে জানিয়ে দুদককে বার্তা পাঠিয়েছেন বলেও জানান। তিনি বলেন, আমি দুদকে মেসেজ পাঠিয়েছি, আমার স্বার নিয়ে আমাকে না জানিয়ে কাগজ নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেগুলো তদন্ত করার জন্য।
পরে বিদিশা বলেন, ট্রাস্টে লেখা আছে, এরিকের দেখাশোনা করবে ট্রাস্ট। এরিক কার সঙ্গে থাকবে, সে সিদ্ধান্ত দিতে পারবে না। সিদ্ধান্ত নেবে ‘এরিক অ্যান্ড হিজ ফ্যামিলি’।
বিদিশা বলেন, ওর আব্বা (এরশাদ) একটা অছিয়ত করেছিলেন। সেখানে বলা হয়েছে, এরিকের দায়িত্ব তার (এরশাদের) ভাইয়ের কাছে দেয়া হবে, তিনি দেখাশোনা করবেন। পরে কিন্তু এরশাদ ওই অছিয়ত ক্যান্সেল করলেন। কারণ তিনি তার ভাইকে (জি এম কাদের) বিশ্বাস করতে পারেননি। এরপর ওর (এরিক) আব্বা একটা ট্রাস্ট করলেন। ট্রাস্টের এক পাতায় স্পষ্ট করে দেয়া আছে, সম্পত্তির মালিক মরহুম এরশাদ ও এরিক। বাকিরা যারা আজ কথা বলছেন খালেদ আখতার বা অন্যারা, তারা তো কেয়ারটেকার। সম্পত্তির মালিক এরিক। এরিক কিয়ার করেছে তারা যদি সম্পত্তি চায় দিয়ে দেবে।
বিদিশা বলেন, এরিককে নিয়ে পারিবারিক আদালতে একটা কেস হয়েছিল। সেখানে তো কোথাও বলা নেই আমি এরিকের দেখাশোনা করতে পারব না, কিংবা ট্রাস্ট দেখাশোনা করবে। এমন কোনো আদেশ তো কোর্ট থেকে আসেনি। পরে হাইকোর্ট থেকে একটা আদেশ নিই এরিককে দেখাশোনার। এটা নিয়ে পরে কোনো সমস্যা হয়নি।
এরশাদের করে যাওয়া ট্রাস্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিদিশা। তিনি বলেন, খালেদ আখতার সাহেব ট্রাস্টের কেয়ারটেকার। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হওয়ার সুযোগই নেই। এখন ওখানে কী সংযোজন-বিয়োজন হয়েছে, সেটা আমরা জানি না। লেখা আছে বিদিশা এরশাদ ভোগ করতে পারবে না। বিক্রি করতে পারবে না। আমি তো বিক্রি করতে আসিনি, খেতেও আসিনি।
এ সময় ট্রাস্টের কাগজপত্র জি এম কাদের নিয়ে গেছেন বলে জানান এরিক।
বিদিশা বলেন, এরিক দুদকের কাছে চিঠি দিয়েছে। ওর অনেক মূল্যবান কাগজপত্র, ওর পাসপোর্ট সবকিছু এখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কে কোথায় টাকা পাচার করছে, কার কত সম্পত্তি, তদন্ত করলে সব জানা যাবে।
সম্পত্তির লোভে এখানে আসিনি উল্লেখ করে বিদিশা বলেন, সম্পত্তি দিয়ে আমি কী করব? আমি এসেছি আমার ছেলের কাছে। আমি আমার ছেলের অভিভাবক। এখানে চাচা কী? আর ট্রাস্ট যদি দেখাশোনাই করে তাহলে আমার ছেলেকে যখন মারধর করা হলো, তখন ট্রাস্ট কোথায় ছিল?
তিনি বলেন, জি এম কাদের মনে করছেন আমি রাজনীতিতে আসতে পারি সে জন্যই তিনি এমন করছেন। তিনি চান না আমি কখনো জাতীয় পার্টিতে আসি। আমিও রাজনীতিতে আসতে চাই না।
এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে মেজর খালেদ আখতার (অব.) সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে ‘এরিক এরশাদকে নিয়ে বিদিশা নাটক করছেন’ বলে অভিযোগ করেন। তিনি বিদিশাকে প্রেসিডেন্ট পার্কে অনুপ্রবেশকারী উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন। সে সময় তিনি এ কথাও বলেন, এরিকের দেখভালের দায়িত্ব ট্রাস্টের। ট্রাস্ট ডিসিশন নেবে, এখানে কে থাকবে। এরিক যদি মাকে নিয়ে থাকতে চায়, তবে অন্যখানে থাকতে পারবে, কিন্তু এখানে থাকতে পারবে না।
এদিকে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও বিদিশা সিদ্দিক ইস্যুতে এক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন জাতীয় পার্টির দুই শীর্ষ নেতা জিএম কাদের ও রওশন এরশাদ। প্রয়াত এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশাকে জাপায় স্থান না দিতে দুই নেতাই একমত। আসন্ন জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে বিদিশাকে জাপায় স্থান দিতে একটি অংশ সক্রিয় বলে গুঞ্জন রয়েছে। এ অবস্থায় জি এম কাদের ও রওশন এরশাদ বিভেদ ভুলে এক কাতারে শামিল হয়েছেন। তারা ‘বিদিশা খেদাও’ আন্দোলনে নেমেছেন। প্রেসিডেন্ট পার্ক থেকে বিদিশা বের না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে আকারে-ইঙ্গিতে জানান দিচ্ছেন।
রওশন ও কাদের উভয়েই মনে করছেন, ছেলে এরিককে ট্রাম্প কার্ড হিসেবে ব্যবহার করে বিদিশা জাপার রাজনীতিতে প্রবেশ করতে চাইছেন। জাতীয় পার্টিরই একটি অংশ এ ব্যাপারে বিদিশাকে প্ররোচিত করছে বলে তারা সন্দেহ করছেন।
জানা গেছে, গত ১৭ নভেম্বর প্রয়াত এরশাদের বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের বাসায় গিয়ে ওঠেন বিদিশা। ওই বাসায় ছেলে এরিকের খাওয়া-দাওয়া হচ্ছে না, তাকে মারধর করা হচ্ছে Ñ গণমাধ্যমে এমন অভিযোগ জানান। এরপর জীবনের ঝুঁকি মনে করে চাচা জিএম কাদেরকে দায়ী করে বনানী থানায় জিডিও করেন এরিক।
এটিকে ষড়যন্ত্র আখ্যায়িত করে জিএম কাদের তখন বলেন, কেউ হয়ত এরিককে দিয়ে এসব করাচ্ছে। এসব ঘটনায় আলোচনায় উঠে আসেন বিদিশা।
বর্তমান ইস্যুতে জিএম কাদের ও রওশনের সরাসরি হস্তপে না করার বিষয়ে জাপার একাংশের ভাষ্য, এরশাদের সঙ্গে বিদিশার ১৪ বছর আগে বিচ্ছেদ হলেও মাতৃত্বের অধিকার শেষ হয়ে যায় না। ফলে ১৮ বছরোর্ধ্ব অটিস্টিক এরিক যদি তার মা বিদিশাকে কাছে পেতে চায়, তা হলে কারও বাধায় কিছু আসবে যাবে না। বিষয়টি পার্টির দুই শীর্ষ নেতা জানেন।
জীবদ্দশায় এরশাদ এরিকের ভরণ-পোষণের জন্য তার সব সম্পত্তি ট্রাস্টের নামে দিয়ে গেছেন। ট্রাস্টে এরশাদের ভাতিজা মেজর খালেদ আখতার (অব), চাচাতো ভাই মুকুল ও এরশাদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর রয়েছেন, যেখানে জিএম কাদের ও রওশনকে রাখা হয়নি। ফলে এ বিষয়ে তেমন আগ্রহও নেই তাদের। কিন্তু সম্পদের দিকে না তাকালেও এরিককে ট্রাম্প কার্ড হিসেবে ব্যবহার করে বিদিশাকে কোনো রাজনৈতিক সুবিধা নিতে দেবেন না তারা।
‘আমি আমার সন্তান এরিককে ছাড়া কিছুই চাই না’- বিদিশার এমন মন্তব্যকে ‘কথার কথা’ বলেছেন কাদের-রওশনপন্থিরা। কারণ এরশাদের মৃত্যুর পর বিদিশা ফেসবুকে ও গণমাধ্যমে রাজনীতিতে আসার ব্যাপারে নানা বক্তব্য দিয়েছেন। এরশাদের স্ত্রী হিসেবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সফর করে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন বলেও বক্তব্য দিয়েছেন বিদিশা।
এরিক ও বিদিশা ইস্যুতে জিএম কাদের ও রওশনের সরাসরি হস্তপে না থাকলেও এ নিয়ে জাতীয় পার্টির একটি বড় অংশের মধ্যে ােভের সৃষ্টি হয়েছে। এরশাদের তৎকালীন একান্ত সচিব ও বর্তমান জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য খালেদ আখতার গণমাধ্যমে প্রতিনিয়ত এরিক ও বিদিশার বক্তব্যের জবাব দিচ্ছেন। ২৩ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট পার্কে অবৈধ প্রবেশের অভিযোগ এনে বিদিশার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় জিডিও করেন তিনি।
এছাড়া জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের ভাবমূর্তি ুণœ হয়েছে অভিযোগ তুলে ২৭ নভেম্বর বিদিশাকে আইনি নোটিশ পাঠান জাতীয় পার্টির যুগ্ম আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আবু ওয়াহাব। নোটিশে বিদিশাকে ১৫ দিনের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য বলা হয়।
জানা গেছে, জাপার একটি অংশ এরিক ও বিদিশার সঙ্গে নেপথ্যে থেকে কাজ করছে বলে কথা উঠেছে। পদ ও মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা বিদিশার সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিদিশাকে প্রেসিডেন্ট পার্কে উঠানোর েেত্রও ওই নেতারা সহযোগিতা করেছেন।
এসব নেতা ও তাদের দলপতিকে এখন হন্যে হয়ে খুঁজছেন কাদের-রওশন। জাতীয় পার্টির আগামী কাউন্সিলে সেসব নেতার বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে একমত হয়েছেন তারা।