প্রতিবেদন

শেখ হাসিনার কঠোর অবস্থানে দলের নেতৃত্বে গুণগত পরিবর্তনে খুশি সাধারণ নেতাকর্মী ও মানুষ: নাখোশ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তরা

এম নিজাম উদ্দিন
দেশকে সন্ত্রাস, ক্যাসিনো কারবার, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে এবং রাজনীতিতে পরিচ্ছন্ন নেতৃত্ব আনতে গত প্রায় ৩ মাস ধরে শুদ্ধি অভিযান চলছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে শুরুটা হয় তার নিজ দলের অঙ্গ সংগঠন যুবলীগে অভিযানের মধ্য দিয়ে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে অভিযানের শুরুতেই ক্যাসিনো কারবারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন ঢাকা মহানগর দণি যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া।
এরপর একই কমিটির সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, সহসভাপতি এনামুল হক আরমান গ্রেপ্তার হন। যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের বাদ দেয়া হয়। সহযোগী ৪ সংগঠন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। একাধিক নেতা সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত হয় এবং অনেক নেতার দুর্নীতির অনুসন্ধান করছে দুদক।
চলমান শুদ্ধি অভিযানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত নাম যুবলীগ। এতসব আলোচনা-সমালোচনার পর গত ২৩ নভেম্বর সপ্তম কংগ্রেসের মধ্য দিয়ে যুবলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা হয়। এতে চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন শেখ ফজলে শামস পরশ। সাধারণ সম্পাদক হন মাইনুল হোসেন খান নিখিল।
যুবলীগের নতুন কমিটি ঘোষণার পর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কৌতূহল, কতটা পরিচ্ছন্ন হলো যুবলীগের নেতৃত্ব? এ প্রশ্নের জবাবে যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, নতুন নেতৃত্ব কেমন তা জানা যাবে আগামী দিনে তাদের কর্মের মধ্য দিয়ে। তবে যতুটুকু জানা গেছে, ইতঃপূর্বে গণমাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হয়নি।
পর্যবেকরা বলছেন, আগামী দিনে স্বচ্ছতার পরীায় উত্তীর্ণ হওয়ার পাশাপাশি যুবলীগকে পরিচ্ছন্ন করার দায়ভারও নিতে হবে শেখ পরশ-নিখিলকেই। এর ব্যত্যয় ঘটলে কী হবে সে বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কঠোর হুঁশিয়ারিও রয়েছে। যুবলীগের কংগ্রেসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা নির্দেশ দেন, রাজনীতি নিজের জন্য নয়, দেশের জন্য এবং দেশের মানুষের জন্য। রাজনীতি করতে গিয়ে যদি কেউ বিপথে যায় তাকে ছাড় দেয়া হবে না।
দায়িত্ব পাওয়ার পর যুবলীগের নতুন চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশে যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল তা মোকাবিলা করতে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে আমার বাবা শেখ ফজলুল হক মনি যুবলীগ গঠন করেছিলেন। যুবলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন নেতারা একটি নতুন বিপ্লবেরও ডাক দিয়েছিলেন, কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে তা শেষ হয়ে যায়। বর্তমানে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্স কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন, যুবলীগ সে কর্মসূচিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। যুবলীগের সবার একটাই দায়িত্ব, আমাদের অস্তিত্ব দিয়ে হলেও বঙ্গবন্ধুকন্যার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার প্রতি দেশের মানুষের যে আস্থা রয়েছে আমরা যেন আমাদের কর্মের মাধ্যমে সে আস্থাকে আরও সৃদৃঢ় করতে পারি।
সব অনিয়ম-দুর্নীতিকে হটিয়ে শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে যুবলীগ কাজ করবে এমন আশা করেন মাইনুল হোসেন খান নিখিলও।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, কোনো নির্বাচিত সরকার দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালাতে চায় না এজন্যই যে, তাতে সরকারি দলের দুর্বৃত্তরাই ধরা পড়বে এবং সরকারের বদনাম হবে। সরকারের আশপাশে থেকে এই দুর্বৃত্তরা রীতিমতো মাফিয়া হয়ে ওঠায় এবং তাদের দ্বারা সরকার পতনের মতো আশঙ্কা থাকায় কোনো নির্বাচিত সরকারই এ ধরনের অভিযানে হাত দিতে চায় না। নির্বাচিত সরকারের মধ্যে একমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারই নিজ দলের দুর্বৃত্তদের ধরতে অভিযান পরিচালনায় নেমেছিল। কিন্তু তার মাসুল বঙ্গবন্ধুকে দিতে হয়েছিল নিজের জীবন দিয়ে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পেছনে কিছু বিপথগামী সেনা অফিসারের ভূমিকা থাকলেও সেই সেনা অফিসারদের কিন্তু প্ররোচিত করেছিল বঙ্গবন্ধু সরকারে থাকা তাঁর নিজ দলের কিছু দুর্র্বৃত্তই।
সেই দুর্র্বৃত্ত শ্রেণির নতুন সংস্করণ এখনো সরকারি দল আওয়ামী লীগে আছে। দুর্বৃত্ত শ্রেণিটি এই ভেবে সমানে দুর্নীতি করে যাচ্ছিল যে, তারা যেহেতু সরকারি দলের প্রভাবশালী পর্যায়ে আছে, সেহেতু তাদের ধরার কেউ নেই। তাদেরকে ধরার মতো যে শেখ হাসিনা আছেন, এটা তারা ভুলেই গিয়েছিল। তাদের ধারণাতেই ছিল না, নির্বাচিত সরকারের প্রধান হয়ে শেখ হাসিনা নিজ দলের দুর্বৃত্তদের ধরতেই শুদ্ধি অভিযানের নির্দেশ দেবেন। কিন্তু শেখ হাসিনা সে নির্দেশ দিয়েছেন এবং দুর্বৃত্ত পাকড়াওয়ের সাঁড়াশি অভিযান চলছে।
এক্ষেত্রে শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর ভাগ্যবরণকে আমলে নেননি। তিনি ঝুঁকি নিয়েই দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ওয়ান-ইলেভেনের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে আগ থেকেই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যাতে ওয়ান-ইলেভেনজাতীয় ঘটনা পুনরায় না ঘটতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, ওয়ান-ইলেভেন পুনরায় ঘটবে না। যদি কোনো অনিয়ম থেকে থাকে আমি ব্যবস্থা নেব, আমরা ব্যবস্থা নেব এবং সে যে-ই হোক না কেন, এমনকি তারা আমার দলের হলেও। যদি আমি দুর্নীতিবাজদের শাস্তি দিতে চাই, আমার ঘর থেকেই তা আগে শুরু করতে হবে। নিজের দলের লোকদের আগে ধরছি। এই অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেছেন, দেশে এক শ্রেণির লোক দুর্নীতির মাধ্যমে ধনী হচ্ছে। এই অর্থ চটের বস্তাতেও লুকিয়ে রাখা হচ্ছে এবং ওয়ান-ইলেভেনের পট পরিবর্তনের পর আমরা এটা দেখেছি। হঠাৎ করে যে সম্পদ আসে তা দেখানো কিছু লোকের স্বভাব। সমাজের এই অংশটিকে আমাদের আঘাত করতে হবে।
জনগণের জন্যই তাঁর রাজনীতি এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েই মতায় এসেছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সব সময় জনগণের মঙ্গলের কথাই চিন্তা করি।
বঙ্গবন্ধুকন্যা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, দীর্ঘদিন মতায় থাকার কুপ্রভাব যাতে দল বা সমাজে না পড়ে, আমার দল ও সমাজের ওপর তিকারক কোনো প্রভাব পড়ছে কি না সেটা আমাকেই দেখতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চলছে, এতে আমার দলেরই অনেকে অখুশি। কিন্তু তাতে আমার কিছু যায়-আসে না। সবার জীবনমান উন্নত হোক, এটা আমি চাই। কিন্তু অবৈধ পথে কাউকে সম্পদশালী হতে দেয়া যাবে না।
প্রধানমন্ত্রী দুর্বৃত্তদের উদ্দেশে বলেছেন, এই যে অনিয়ম, সেটির শুরু কোথায়, গোড়াটা কোথায়, সেটি তো দেখতে হবে। পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যার পরই যারা অবৈধভাবে মতা দখল করতে শুরু করেছে, মতায় বসে মতার উচ্ছিষ্ট দিয়ে রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করে, তখনই তারা একটি এলিট শ্রেণি তৈরি করেছে, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন শুরু হয়েছে। মানি ইজ নো প্রবলেম Ñ এমন কথা বলেই তো কাড়ি কাড়ি টাকা দিয়ে রাজনীতিকে নষ্ট করা হয়েছে। এখনো তারাই ঘুষ খাবে, দুর্নীতি করবে, সব কিছু করবে। আবার হালাল মাংসও খুঁজবে। এটাই তো ওদের চরিত্র।
শেখ হাসিনা দৃর্বৃত্তদের উদ্দেশ করে বলেছেন, মানুষ যত ওপরে ওঠে, তত ভদ্র হতে হয়, হাম্বল হতে হয়। আর আমাদের উল্টো। এটা হয় তখনই, যখন হঠাৎ করে পয়সার জোরে নিচ থেকে অনেক ওপরে যায়, তখন তারা ভাবে ‘মুই কী হনুরে’। সমাজের এই জায়গাটায় একটি আঘাত দেয়ার প্রয়োজন ছিল। অসৎ উপায়ে অর্জিত অর্থের বাহাদুরি, সে সম্পদের শো-অফ করা, আর যারা সৎ পথে চলবে, তারা একেবারে মরে থাকবে, এটা তো হতে পারে না।
ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, স্পোর্টসকে প্রমোট করার জন্য আমরা নানা সুযোগ-সুবিধা দিয়েছি। কিন্তু এসব সুবিধা ব্যবহার করে এরা যে ক্যাসিনো নিয়ে আসবে ভাবতেও পারিনি। এসব অবৈধ কর্মকা- গ্রহণযোগ্য নয়। তাই পদপে নিয়েছি। এখন ‘কেঁচো খুঁড়তে সাপ’ বের হয়ে আসছে। আরও কী বের হয় দেখুন। অপো করুন। একবার যখন ধরেছি তখন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির আলোকে সম্প্রতি অভিযান শুরু হয়েছে। সারাদেশেই এখন আলোচনার শীর্ষে রয়েছে সরকারের চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে চলমান এই অভিযানে দুর্নীতিবাজ মহল আতঙ্কিত হলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি নেমে এসেছে। দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে দেশের মানুষ সমর্থন দিচ্ছে। জনগণের কাছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ও আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে। নিজ দলের দুর্নীতিবাজ নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু করায় জনগণ বলতে শুরু করেছেন, ওয়ান-ইলেভেন জাতীয় ঘটনা ফিরে আসার পথ রুদ্ধ করে দেয়ার মিশনেই নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এমতাবস্থায় অনেকেই এখন মন্তব্য করছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে জঙ্গিবাদের মূলোৎপাটন করেছেন, সন্ত্রাস দমন করেছেন। একমাত্র তাঁর পক্ষেই সম্ভব দুর্নীতিবিরোধী অভিযান সফলভাবে পরিচালনা করা।
দুর্নীতি করলে কেউ যে ছাড় পাবেন না, এমনকি আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় কোনো নেতা, শীর্ষ আমলা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরিবহন নেতা যে অভিযানের বাইরে নেই, তা ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন। তাঁর সঠিক, সময়োপযোগী ও দৃঢ়চেতা সিদ্ধান্তে দুর্নীতিবাজদের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের আদর্শিক ও ত্যাগী নেতারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করে অভিযান অব্যাহত রাখার পে মত দিয়েছেন। তারা বলেছেন, সবচেয়ে ভালো লক্ষণ এই যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের দল থেকেই শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন। দুর্নীতির মূলোৎপাটন না হওয়া পর্যন্ত তিনি এই অভিযান অব্যাহত রাখবেন এবং আরো বিস্তৃত করবেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, ‘ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরেছি, একে একে সকলকে ধরব।’
দেখা যাচ্ছে, অপরাধ নির্মূল এবং দলের শুদ্ধি অভিযানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদপে ও জিরো টলারেন্স নীতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে স্বাগত জানাচ্ছে সারাদেশের সাধারণ মানুষ। অনেকে বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকা-ে জড়িত অল্পসংখ্যক নেতার কারণে পুরো আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি এখন প্রশ্নের মুখে। তবে চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে সরকার ও দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে।
তারা আরো বলেন, শেখ হাসিনার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সর্বমহলে এজন্যই প্রশংসিত হচ্ছে যে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে চালানো এই কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণের েেত্র অনেক চাপ ও হুমকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এড়িয়ে গেছেন এবং সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে শুদ্ধি অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন। ওয়ান-ইলেভেন মার্কা না হয়ে একটা প্রকৃত শুদ্ধি অভিযানের প্রয়োজন অবশ্যম্ভাবী ছিল, সেটা দেশের আপামর জনসাধারণ স্বীকার করে এবং প্রত্যাশাও করে। শেখ হাসিনা ঠিক সেই কাজটিই করছেন। এতে শেখ হাসিনা ও তাঁর দল আওয়ামী লীগের প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন ক্রমেই বাড়ছে।