প্রতিবেদন

এবার পুলিশ পদক পেলেন যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ জানুয়ারি রাজারবাগ পুলিশ লাইনে শুরু হয়েছে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২০’। এবারের পুলিশ সপ্তাহে পদক পেয়েছেন ১১৮ পুলিশ সদস্য। বিদায়ী বছর ২০১৯ সালে সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ কাজ, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণ ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের জন্য পদক দেয়া হয়।

ডিএমপির পদক পেয়েছেন যারা
পুলিশের উপকমিশনার জামিল হাসান, উপকমিশনার শ্যামল কুমার মুখার্জী, ডিবির পুলিশের উপকমিশনার মশিউর রহমান, ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার শাহ ইফতেখার আহমেদ, ডিবি দেিণর উপকমিশনার রাজীব আল মাসুদ, ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার আর এম ফয়জুর রহমান, ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার আরিফুল ইসলাম, ডিবি পূর্ব বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার আতিকুল ইসলাম, ডিএমপির মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার জাহিদুল ইসলাম সোহাগ, ডিএমপির গে-ারিয়া থানার ওসি সাজু মিয়া, ডিএমপির আরওআই কাইয়ুম শেখ, শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান, ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম, শ্যামপুর থানার এসআই সোহাগ চৌধুরী ও এএসআই মাসুম বিল্লাহ।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিট
কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপকমিশনার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মিশুক চাকমা, অতিরিক্ত উপকমিশনার এসএম নাজমুল হক, অতিরিক্ত উপকমিশনার মাহফুজা লিজা, অতিরিক্ত উপকমিশনার রহমত উল্লাহ চৌধুরী, অতিরিক্ত উপকমিশনার আহসান হাবীব, অতিরিক্ত উপকমিশনার তৌহিদুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার অহিদুজ্জামান নুর, সহকারী কমিশনার আতিকুর রহমান চৌধুরী, সহকারী পুলিশ কমিশনার ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ, পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ, এসআই আশুতোষ শীল, এএসআই সোলাইমান হোসেন, নায়েক মোহাম্মদ রাসেল মিয়া ও কনস্টেবল সালমান হাজারী।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)
র‌্যাবের মহাপরিচালক ড. বেনজীর আহমেদ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার, সদর দপ্তরের লে. কর্নেল মীর আসাদুল আলম, পরিচালক (গোয়েন্দা) লে. কর্নেল মাহাবুব আলম, র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ মোহাম্মদ নূরুস সালেহীন ইউসুফ, র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ, র‌্যাব-২ এর পুলিশ সুপার মুহম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী, র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার মেজর শাহীন আজাদ, র‌্যাব হেডকোয়ার্টার্সের উপপরিচালক মেজর এসএম সুদীপ্ত শাহীন, র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার মেজর মনিরুল ইসলাম, মেজর মাহমুদ হাসান তারিক, র‌্যাব-৮ এর মেজর খান সজিবুল ইসলাম, র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন, র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদ আহম্মেদ, র‌্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন ও সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান, র‌্যাব হেডকোয়ার্টার্সের সার্জেন্ট শহীদুল ইসলাম ও র‌্যাব-১ এর সৈনিক রাকিব হোসেন।

পুলিশ সদর দপ্তর
অতিরিক্ত ডিআইজি মাহাবুবুর রহমান ভুইয়া, এআইজি এ এফ এম আনজুমান কালাম, এআইজি তামান্না ইয়াসমীন, এআইজি মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম, এআইজি মিলন মাহমুদ, পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরুল হুদা আশরাফী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ নেওয়াজ রাজু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরে আলম, পরিদর্শক জিয়াউর রহমান ও এসআই সোহাগ মিয়া।

স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)
এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম, বিশেষ পুলিশ সুপার জেরিন আখতার, বিশেষ পুলিশ সুপার জাহিদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম মিয়া, পুলিশ পরিদর্শক কাওছার আহম্মেদ, পরিদর্শক ইউনুস আলী শেখ, এসআই মনিরুজ্জামান ও এএসআই মোহাম্মদ মোহন মিয়া।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)
ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার, পিবিআই যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন, পিবিআই ফেনী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, পিবিআই গাজীপুর জেলার পরিদর্শক হাফিজুর রহমান ও পিবিআই ফেনী জেলার পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহ আলম।
এছাড়া পদক পাওয়ার জন্য মনোনীত অন্য কর্মকর্তারা হলেন: খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন, নৌপুলিশের পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম, ১১ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক শাহীন আমীন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ-জিএমপির উপকমিশনার কে এম আরিফুল হক ও জিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মনজুর রহমান, বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) আরিফুর রহমান ম-ল, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা রেজা, সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন ফাহিম, গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন, হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, নরসিংদীর সহকারী পুলিশ সুপার খায়রুল হাসান, এসএসএফের এএসপি মিরাজুল ইসলাম, সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমা, বরিশাল হিজলা নৌপুলিশের পরিদর্শক বেলাল হোসেন, শরীয়তপুরের ডামুড্যা থানার ওসি মেহেদী হাসান, বাগেরহাটের পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রামের রাউজান থানার ওসি মোহাম্মদ কেফায়েত উল্লাহ, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-সিএমপির পুলিশ পরিদর্শক রাজেস বড়–য়া, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এইচ এম আবদুর রহমান মুকুল, সিআইডির পরিদর্শক ইব্রাহিম হোসেন, ডবলমুরিং থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান, রংপুরের তাজহাট থানার এসআই মামুনুর রশীদ, ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই আকরাম হোসেন, বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ফিরোজ সরকার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নারী ও শিশু সহায়তা কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই ইসমাতারা, সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ইয়াছিন আরাফাত, মানিকগঞ্জ সিংগাইর থানার এসআই আল মামুন, বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই জুলহাজ উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ তাড়াইল থানার এসআই রাজীব আহম্মেদ, টাঙ্গাইল দেলদুয়ার থানার এসআই হারুন অর রশিদ, বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ওয়াদুদ আলী, ঢাকা জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই বেলায়েত হোসেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই মাইনুল ইসলাম, বগুড়া শেরপুর থানার এএসআই নান্নু মিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডিবির এএসআই বিকাশ চন্দ্র সরকার, বগুড়া ডিবির এএসআই রানা হামিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার এএসআই আনোয়ার হোসেন, হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের এএসআই মরহুম আক্তার হোসেন, ঝিনাইদহ জেলার এএসআই শরিফুল ইসলাম, নৌপুলিশ ঢাকার কনস্টেবল জীবন সিকদার ও খাগড়াছড়ির মহালছড়ির ৬ এপিবিএনের কনস্টেবল ফয়সাল আহমেদ।