প্রতিবেদন

ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা : বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও আদর্শের নীতি ধারণ করে নিজেদের গড়ে তোলার জন্য ছাত্রলীগ নেতাদের প্রতি নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ১৯৬৮-৬৯ সালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকারী প্রবীণ নেতা খালেদ মোহাম্মদ আলী, ১৯৬৯-৭০ সালে ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম ব্যক্তিত্ব ও তৎকালীন ডাকসু ভিপি বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ এবং ১৯৭৫-পরবর্তী চরম দুঃসময়ে ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী বর্তমান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগের নেতৃত্বদানকারী সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক, ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী ছাড়া বাকি সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতিম-লীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখককে ভারমুক্ত ঘোষণা করে তাদের ছাত্রলীগের পূর্ণ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেন। উল্লেখ্য, নানা বিতর্কে জড়িত থাকায় ছাত্রলীগের সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানীকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
জাতীয় সংগীতের তালে তালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, ঢাকা মহানগর, ওয়ার্ড এবং সারাদেশের জেলা-মহানগর-উপজেলা থেকে আগত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বর্ণাঢ্য মিছিল আসতে থাকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগেই মূল প্যান্ডেল উপচে পুরো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানই ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের পদভারে মুখরিত হয়ে ওঠে।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নির্মিত বিশাল দৃষ্টিনন্দন মঞ্চে আসন গ্রহণের পর প্রথমেই প্রধানমন্ত্রীকে ছাত্রলীগের প থেকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। উত্তরীয় ও ব্যাজ পরিয়ে দেন ইশাত কাসফিয়া ইরা, বেনজির নিশি, জেসমিন শান্তা। পরে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয় এবং ঢাকা মহানগর দেিণর সভাপতি মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত দাশ ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বই তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
এরপর ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির উদ্যোগে পরিবেশন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক জসিম উদ্দিন পরিবেশন করেন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা স্বরচিত গান। এসময় শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা ুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সংপ্তি নাটিকা এবং প্রতিষ্ঠার গত ৭২ বছরে ছাত্রলীগের দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম-সাফল্য নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। দেশাত্মবোধক গানের সময় নিজেও গানের সঙ্গে সুর মেলান ছাত্রলীগ থেকেই রাজনীতিতে হাতেখড়ি হওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও আদর্শের নীতি ধারণ করে সততা, নিষ্ঠা ও নীতি নিয়ে নিজেদের গড়ে তোলার জন্য ছাত্রলীগ নেতাদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, সততা, নীতি ও আদর্শ ছাড়া কোনো নেতা গড়ে ওঠে না। সততা, আদর্শ ছাড়া সফলতা আসবে না। সাময়িকভাবে নামডাক আসতে পারে, অর্থবিত্ত হতে পারে। কিন্তু আদর্শহীন রাজনীতি করলে তারা দেশের কোনো কল্যাণ করতে পারেন না, দেশ ও জাতিকে কিছু দিতে পারেন না, এমনকি রাজনীতিতেও টিকে থাকতে পারে না। তাই ছাত্রলীগকে আদর্শভিত্তিক এবং সততা, নীতি ও আদর্শ নিয়ে চলতে পারে সেভাবেই গড়ে তুলতে হবে, যাতে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ছাত্রলীগের দীর্ঘ ঐতিহ্য ও গৌরব নিয়ে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে।
সারাদেশ থেকে আগত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নীতি ও আদর্শ নিয়ে চলার মাধ্যমে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের পাশাপাশি ছাত্রলীগকে একটি মর্যাদাবান সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগের যে ঐতিহ্য ও অবদান রয়েছে, সেটা প্রতিটি ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর মনে রাখা উচিত। সেটা মনে রেখেই ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে তাদের আচরণ, কথাবার্তা ও রাজনীতি সেভাবেই করা উচিত, যাতে এটি একটি মর্যাদাপূর্ণ সংগঠন হয় এবং দেশ ও জাতির কাছে আস্থা অর্জন করে চলতে পারে।
১৯৭৫ পরবর্তী জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়ার আমলে রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ এবং মতায় টিকে থাকতে ছাত্রদের লাঠিয়াল ও হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ছাত্রলীগের হাতে কাগজ ও কলম তুলে দিয়েছিলাম, আর খালেদা জিয়া ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে, মতায় টিকে থাকতে। জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়া সবাই ছাত্রদের হাতে অস্ত্র, অর্থ তুলে দিয়ে অবৈধ মতাকে টিকিয়ে রাখতে তাদের লাঠিয়াল হিসেবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু আমরা চাই, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নীতি-আদর্শ নিয়ে নিজেদের গড়ে তুলে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করুক।’
প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, ছাত্ররাই আমাদের ভবিষ্যৎ। আগামীতে তারাই দেশের নেতৃত্ব দেবে, দেশকে পরিচালনা করবে। কিন্তু তাদের যদি বিপথে নামানো হয়, নিজেদের রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার জন্য তাদের (ছাত্র) ব্যবহার করা হয়, তাহলে তারা দেশকে কিভাবে নেতৃত্ব দেবে? অতীতে সামরিক স্বৈরশাসকসহ খালেদা জিয়া ছাত্রদের বিপথে চালিত করে সন্ত্রাস-অস্ত্রবাজি-জঙ্গিবাদ সৃষ্টির মাধ্যমে লাঠিয়াল হিসেবে ব্যবহার করে মতায় টিকে থাকতে চেয়েছে। শিাঙ্গনকে তারা সন্ত্রাসীদের জায়গায় পরিণত করেছিল। আমরা চাই না কোনো ছাত্র আর কোনোদিন বিপথে চালিত হোক। আমি চাই, ছাত্রলীগ যেন সবসময় নীতি বজায় রেখে রাজনীতি করে। জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশকে ুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ছাত্রলীগকে কাজ করে যেতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০২০ সাল আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে। এই বছরের ১৭ মার্চ আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করব। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১ বছর আমরা ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করেছি। ছাত্রলীগ হচ্ছে জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল ুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার। একমাত্র আওয়ামী লীগই যে পারে, ুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে, তা আমরা জাতির সামনে প্রমাণ করেছি। তাই ছাত্রলীগকে সেভাবেই নিজেদের গড়ে তুলতে হবে, কাজ করে যেতে হবে।
১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের জন্মলগ্ন থেকে গত ৭২ বছরে ছাত্রলীগের দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, দেশের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে ছাত্রলীগ বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছে। তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগ ও নেতৃত্বেই ফজলুল হক হলে সংগঠনটির জন্ম হয়েছিল। আর বঙ্গবন্ধুই বলেছিলেন, ছাত্রলীগের ইতিহাসই হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাস। এটি মাথায় রেখেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে, ছাত্রলীগকে একটি আদর্শভিত্তিক সংগঠন হিসেবে দেশ ও জাতির জন্য কাজ করে যেতে হবে।
এসময় যারা রাজনৈতিক নেতা হওয়ার আকাক্সক্ষা করেন, স্বপ্ন দেখেন, তাদের প্রত্যেকেরই বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও ‘কারাগারের রোজনামচা’ পড়া উচিত মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা রাজনীতি ও ইতিহাস নিয়ে কাজ করতে চান বা গবেষণা করতে চান বা ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে জানতে চান তাদের জন্য পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থার বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে লেখা যেসব ফাইল ও নথি রয়েছে তা আমরা ১৪ খ-ে বই আকারে প্রকাশ করছি। সেখানে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে সব রিপোর্ট লেখা। পাকিস্তানি শাসকরা বঙ্গবন্ধুকে কোন চোখে দেখতো, সেটা সেখানে আছে। এটা প্রকাশ করলে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিতে চেয়েছিল অনেকে। তারা বলার চেষ্টা করেছে বঙ্গবন্ধু তখন কারাগারে ছিলেন, তাহলে কিভাবে ভাষা আন্দোলন করে? কিন্তু জাতির পিতা তো রাষ্ট্রভাষার মর্যাদার আন্দোলন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পে আন্দোলন করতে গিয়েই গ্রেপ্তার হয়ে জেলে গিয়েছিলেন। ভাষার পে আন্দোলন করার জন্যই বঙ্গবন্ধুকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তাঁকে আপস করতে বলা হলেও তিনি আপস করেননি, যার কারণে তিনি আইনে পড়ালেখা শেষ করতে পারেননি। বঙ্গবন্ধু সবসময় নিজে কী পেলেন সেটা না ভেবে, জনগণ কী পেল সেটা ভাবতেন। বাঙালির স্বাধীনতা অর্জনটাই ছিল বঙ্গবন্ধুর জীবনের মূল ল্য।
ষাটের দশক থেকে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়ে আসা সাবেক ছাত্রনেতারা সংগঠনটির দীর্ঘ ঐতিহ্য-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, এখন ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীর বিতর্কিত কর্মকা- যখন খবরের শিরোনাম হয়, তখন লজ্জায় আমাদের মাথা হেঁট হয়ে যায়। ছাত্রলীগে এসব বিতর্কিত নেতার প্রয়োজন নেই। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের ত্যাগের ইতিহাস দেখে সেভাবেই নীতি-আদর্শ ও সততার সঙ্গে ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।
১৯৬৮-’৬৯-এ পাকিস্তান শাসনামলের দুঃসময়ে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকারী, বর্তমানে প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব খালেদ মোহাম্মদ আলী সংগঠনটির দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, ওই সময় ছাত্রলীগের কাছে কোনো পয়সা ছিল না। মাত্র দু’পয়সা দিয়ে কালি কিনে পোস্টার লিখে সাঁটিয়েছি, হেঁটে হেঁটে পত্রিকা অফিসগুলোতে গিয়ে প্রেস রিলিজ পৌঁছে দিয়েছি। সারাদেশে অনেক কষ্ট স্বীকার করে সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে কাজ করেছি।