প্রতিবেদন

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস: আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে ॥ সর্বোচ্চ সতর্ক বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : চীনে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে ৯০৮ জনে। আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ১৭১ জন। ৯ ফেব্রুয়ারি এক দিনেই চীনে এ ভাইরাসে ৯৭ জন মারা গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন। গত বছরের শেষ দিন চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম এ ভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি ধরা পড়ার পর থেকে এক দিনে এত বেশি মৃত্যু ও নতুন রোগীর তথ্য আর আসেনি।
এছাড়া চীনের বাইরে অন্তত ২৫টি দেশ ও অঞ্চলে অন্তত ১৫০ জন মানুষের দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়লেও বাংলাদেশে এখনো এই ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করা হয়েছে। ছুটি শেষে বাংলাদেশে আসা চীনা শ্রমিকদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। বিমানযোগে নিয়ে আসা ৩১২ জন ছাত্রকে আশকোনা হাজি ক্যাম্পে রেখে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিমানবন্দরে চীন থেকে আসা লোকজনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। কারো জ্বর বা কাশি থাকলে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে অথবা সিএমএইচে ভর্তি করানো হচ্ছে।
করোনা ভাইরাস কোনো অবস্থায় যাতে বাংলাদেশে ঢুকতে না পারে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৩ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক শেষে ২০-২৫ মন্ত্রীকে নিয়ে বিশেষ বৈঠকে তিনি এই নির্দেশ দেন।
এছাড়া চীনে আটকেপড়া অন্য বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। যেসব পাইলট ইতোমধ্যে চীন থেকে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে এনেছেন, তাদের সিঙ্গাপুরসহ অন্যান্য দেশ ভিসা দিচ্ছে না। তাই চীনের প্লেনে করে বাকিদের আনার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
ইতোমধ্যে চীনের উহান থেকে যে ৩১২ ব্যক্তি এসেছেন তাদের আশকোনার হজ ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। সেখানে তাদের খাওয়া-দাওয়া সবকিছু দেয়া হচ্ছে। প্রাথমকিভাবে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ওই ৩১২ জনের মধ্যে ৮ জনের শরীরে জ্বর থাকায় তাদের হাসপাতালে পাঠিয়ে বাকিদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সাংবাদিকদের বলেছেন, ওই ৮ জনের লালা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া যায়নি।
নতুন করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে চীনের উহান থেকে ৩১২ বাংলাদেশির প্রথম দলটিকে যে পাইলটরা উড়িয়ে এনেছেন, তাদের এখন ঢুকতে দিতে চাইছে না অন্য দেশ। এই পরিস্থিতিতে আরও ১৭১ বাংলাদেশিকে উহান থেকে ফেরানো নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
বাংলাদেশে চীনা নাগরিকদের অন অ্যারাইভাল ভিসা প্রদান স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া আরো কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশে চীনা নাগরিকদের সহজ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর সতর্কতা নেয়া হয়েছে বিভিন্ন বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে। চীন থেকে ফেরা দেশি-বিদেশি নাগরিকদের রাখা হয়েছে বিশেষ নজরদারি ও পর্যবেক্ষণে। ৫ ফেব্রুয়ারিও ঢাকার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে চীন থেকে দেশে এসেছে বেশ ক’জন। এ অবস্থায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, এখন থেকে চীনের কোনো নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে গৃহবন্দি (কোয়ারেন্টাইন) থাকতে হবে ১৪ দিন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রাণঘাতী নোভেল করোনা ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত দিকনির্দেশনাও পাঠানো হয়েছে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে।
এদিকে করোনা ভাইরাস বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে ৩ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়–য়ার সভাপতিত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় করোনা ভাইরাসের বিষয়ে করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়নের জন্য বিএসএমএমইউর পক্ষ থেকে মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. জিলন মিঞা সরকারকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন, ভাইরোলজি বিভাগের অধ্যাপক আফজালুন নেছা, রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফারিহা হাসিন। সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে মাহবুবুল হক।
ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাবে চান্দ্র নববর্ষের ছুটির পর প্রথম দিনেই গত ৪ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধসের কবলে পড়েছে চীনের শেয়ারবাজার।
চীনের বাইরে ফিলিপাইন ও হংকংয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে নতুন এ করোনা ভাইরাসে। ৪ ফেব্রুয়ারি হংকংয়ে ভাইরাসটির তীব্র সংক্রমণে আক্রান্ত ৩৯ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ওই ব্যক্তি জানুয়ারিতে উহান শহরে ঘুরতে গিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রেও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া অন্তত ২৫টি দেশ ও অঞ্চলে অন্তত দেড় শ’ মানুষের দেহে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন দেশে মানুষ থেকে মানুষে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার খবর আসতে থাকায় গত ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজেস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের শ্বাসতন্ত্রের রোগ ও টিকা কেন্দ্রের পরিচালক ন্যান্সি মেসোনিয়ার বলেছেন, সামনের দিনগুলোতে চীনের বাইরে এ ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে ছড়ানোর ঘটনা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
২ ফেব্রুয়ারি চীন অভিযোগ তুলেছিল, নতুন এ করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ৩ ফেব্রুয়ারি চীনা কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরো স্বীকার করেছে, এ ভাইরাস ছড়ানো ঠেকাতে শুরু থেকে যে মাত্রায় তৎপর হয়েছিল সরকার, তাতে ঘাটতি ছিল। নতুন করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধ করতে এখন যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা নিতেও রাজি বলে জানিয়েছে চীন।
করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞদের প্রবেশের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে চীন। হোয়াইট হাউজ জানায়, করোনা ভাইরাস নিয়ে গবেষণা ও সংক্রমণ মোকাবিলায় সহযোগিতার অংশ হিসেবে চীন ডব্লিউএইচওর মিশনের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকদের তাদের দেশে যাওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে।
চীন সরকার শুরুতে এ সংকট যেভাবে সামাল দেয়ার চেষ্টা করেছে তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। চীনা কর্মকর্তারা শুরুর দিকে এ ভাইরাসের ঝুঁকি কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। গত জানুয়ারিতে উহান শহরের এক চিকিৎসক যখন তার সহকর্মীদের এ ভাইরাসের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন, তখন তার বিরুদ্ধে ‘গুজব ছড়ানোর’ অভিযোগ এনেছিল পুলিশ। তবে জানুয়ারির শেষ দিকে এসে সেই চিকিৎসকের সঙ্গে ওই আচরণের জন্য চীন দুঃখ প্রকাশ করে এবং উহানসহ বেশ কয়েকটি শহরকে কার্যত অবরুদ্ধ করে ফেলা হয়। যান চলাচলে জারি করা হয় ব্যাপক কড়াকড়ি। মাত্র ১০ দিনে উহানে ১০০০ শয্যার একটি হাসপাতাল বানিয়ে ফেলা হয়, যেখানে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে রোগী ভর্তি করা শুরু হয়েছে। কিন্তু ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া এখনো ঠেকানো যাচ্ছে না। চীনের সশস্ত্র বাহিনীর ১ হাজার ৪০০ মেডিকেলকর্মী হাসপাতালটিতে কাজ করছেন। হাসপাতাল চালু হওয়ার আগেই তাদের উহানে পাঠানো হয়েছিল।
এদিকে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় অবহেলা ও ঘাটতির কথা স্বীকার করে নিয়েছে চীনের শীর্ষ নেতৃত্ব। ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরো স্ট্যান্ডিং কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখন দেশের জাতীয় জরুরি ব্যবস্থাপনায় উন্নতি ঘটাতে হবে। এছাড়া ভাইরাসের উৎপত্তিস্থলের বন্যপ্রাণীর বাজারে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
প্রায় ৩০ কোটি মানুষের বসবাস করে এরকম কয়েকটি শহরে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক ঘোষণা করেছে চীন। শাংহাইসহ কয়েকটি শহরে চান্দ্র নববর্ষের ছুটি আরও বাড়ানো হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখা হয়েছে অনেক জায়গায়। অল্প সময়ের মধ্যে বিপুলসংখ্যক রোগীকে চিকিৎসা দিতে গিয়ে চীনে চিকিৎসাসরঞ্জামেরও সংকট তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে পুরো বিশ্বের কাছে সহযোগিতা চেয়েছে চীন। দেশটির মুখপাত্র উয়া চুনিং বলেছেন, জরুরি ভিত্তিতে মেডিকেল মাস্ক, প্রটেকটিভ স্যুট ও সেফটি গগলস প্রয়োজন চীনের।
বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের চীন থেকে সরিয়ে নিয়েছে বা নিচ্ছে। শঙ্কিত কয়েকটি দেশ তাদের সীমান্তে চীনাদের জন্য কড়াকড়ি আরোপ করেছে। চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকংয়ের হাসপাতালের কর্মীরা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে অবিলম্বে চীনের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধের দাবিতে ধর্মঘট করছেন।
করোনা ভাইরাসের লাগামহীন বিস্তারে আতঙ্কিত হংকংয়ের বাসিন্দারা মুহূর্তের মধ্যেই শহরের প্রধান প্রধান সুপার মার্কেটগুলোর তাক খালি করে ফেলেছেন। মূল ভূখ-ে করোনা ভাইরাসের মহামারী বাড়তে থাকায় চীনের বিশেষ এই অঞ্চলের বাসিন্দারা মাংস, চাল, সাবান ও অন্যান্য পরিষ্কারক দ্রব্যসামগ্রী মজুদ করতে শহরের সুপার মার্কেটগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন।
চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারিকে সৌভাগ্যের দিন হিসেবে বিবেচনা করছে চীনারা। এই তারিখ (০২০২২০২০) সামনে ও পেছন থেকে পড়তে একই রকম। বহু চীনা তরুণ-তরুণী এই দিনে বিয়ে করতে আগাম ঘোষণার পাশাপাশি প্রস্তুতিও রেখেছিল। তবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় এখন জনসমাগম হয় Ñ এমন সব ধরনের আয়োজন থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছে সরকার। সে কারণে বহু চীনা তরুণ-তরুণীর বিয়েও পিছিয়ে গেছে।
৩১ জানুয়ারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে গণস্বাস্থ্য বিষয়ক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মার্কিন নাগরিক যারা গত ২ সপ্তাহের মধ্যে চীনের হুবেই প্রদেশে গেছে, তাদের বাধ্যতামূলকভাবে ১৪ দিন আলাদা রাখা হবে। কারণ ১৪ দিনের মধ্যে এই ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। এছাড়া চীনের অন্য প্রদেশে যারা ভ্রমণ করেছে তারা ফিরে আসার পর তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি ১৪ দিন ধরে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। আর গত ২ সপ্তাহে যেসব বিদেশি চীন ভ্রমণ করেছে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এদিকে চীন থেকে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশে ইচ্ছুক বিদেশিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ক্যানবেরা। তবে অস্ট্রেলীয়দের নিজে দেশে প্রবেশে বাধা থাকবে না। দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেছেন, অস্ট্রেলীয়রা চীন থেকে ফিরলে তাদের ১৪ দিনের পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে।
ভারতের কেরালায় করোনা ভাইরাস আক্রান্ত তৃতীয় ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গেছে। আক্রান্তরা কিছুদিন আগে করোনা ভাইরাসের উৎসস্থল চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে নিজ দেশে ফিরেছেন। এক বিবৃতিতে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের হাসপাতালে আলাদাভাবে (আইসোলেশন) রাখা হয়েছে। তবে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।