প্রতিবেদন

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে করোনা: বাংলাদেশে অধিক সতর্কতা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছিল চীনে। এখনই কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ না নেয়া হলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ চীন ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ২৮ ফেব্রুয়ারি সংস্থাটির মহাপরিচালক তেদ্রোস গ্যাব্রিয়েসাস বলেছেন, ভাইরাসটি নির্ণায়ক বিন্দুতে পৌঁছেছে এবং এর ‘মহামারী’ হয়ে ওঠার জোরালো আশঙ্কা রয়েছে। গেল দুই মাসে ৫৯টির বেশি দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পরে এমন আশঙ্কার কথা শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান।
চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন জানিয়েছে, ২৭ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৪১ জনই হুবেই প্রদেশের। সব মিলিয়ে দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮৩৫ জনে। আর আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৮৫ হাজারে।
চীনের বাইরে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার ৯০০ জন। মৃতের সংখ্যা ৮০ জন। সব মিলিয়ে ৫০টি দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৩ হাজার ৮৬২ জন। আর মৃত্যু ২ হাজার ৯২৩ জন। ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চীনে আরোগ্য লাভ করেছে ৩৬ হাজার ২১০ জন।
গত কয়েক দিন ধরে চীনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার কমলেও ভাইরাসটি এখন অন্য দেশগুলোতে হু হু করে ছড়িয়ে পড়ছে। চীনের চেয়ে দেশটির বাইরে বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। চীনের ভেতর ভাইরাসটিকে ‘বেঁধে রাখা’ সম্ভব না হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন চিকিৎসা উপকরণের মজুদ বাড়াচ্ছে। পাশাপাশি আগের চেয়ে বেশি সাবধানতা অবলম্বন করছে। এরপরও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারগুলোকে দ্রুত আরও জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
বাংলাদেশে কারো মধ্যে এখনও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেনি। তবে চীনের বাইরে যেহেতু ভাইরাসটি দ্রুত ছড়াচ্ছে, সেহেতু ঝুঁকির বাইরে নয় বাংলাদেশও। তাছাড়া দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে ১০ হাজারের বেশি চীনা নাগরিক কর্মরত আছে। তারা নিয়মিত চীনে যাওয়া-আসা করে। তাছাড়া বাংলাদেশের বহু শিক্ষার্থী চীনে পড়াশোনা করে। দেশটিতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পরে তাদের অনেকেই দেশে ফিরে আসছে। তাদের মাধ্যমেও সংক্রমণের ঝুঁকি আছে। ব্যবসাবাণিজ্যের কারণেও বহু বাংলাদেশি চীনে যাতায়াত করে। তাদের মাধ্যমেও করোনা ভাইরাসের বাংলাদেশে প্রবেশ বিচিত্র নয়।
এমনসব ঝুঁকির মধ্যেই দেশে যাতে করোনা ভাইরাসের অনুপ্রবেশ ঘটতে না পারে, সে জন্য সরকারের তরফ থেকে নানা প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। চীনে ভাইরাসটি সংক্রমণের দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশে কোনো রোগী শনাক্ত না হওয়ায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপে অনেকে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে কেউ কেউ বলছেন, বাংলাদেশে চীনাদের অবাধ যাতায়াতের কারণে যেকোনো মুহূর্তে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। সে জন্য অধিক সতকর্তার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় কোনো শিথিলতা দেখানো যাবে না। কোনাভাবে ভাইরাসটির অনুপ্রবেশ ঘটলে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দেয়া জটিল হয়ে উঠবে। তার চেয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা টেকসই করাটাই উত্তম কাজ হবে।
২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চীনসহ প্রায় ৫৯টি দেশে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশ নাইজেরিয়াসহ অন্তত নতুন ১০টি দেশে করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেছে। গত কয়েক দিন ধরে ইরান ও ইতালিতে আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ইরানের নারী ও পরিবার বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুমে এবতেকারও আছেন বলে দেশটির গণমাধ্যমগুলো নিশ্চিত করেছে। এমনকি ইরানের আইনপ্রণেতা মোহাম্মদ আলি রমাজানি দস্তক প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যে মারা গেছেন। তাছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ায় আরও ২৫৬ জনের দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সতর্কতামূলক নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। চীনের মূল ভূখ- ও হংকংয়ের পাশাপাশি জাপান ও ইরাকও তাদের দেশের সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেছে। সৌদি আরব বিদেশি ওমরাহযাত্রীদের দেশে ঢোকায় সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এ সিদ্ধান্ত জুলাইয়ে দেশটিতে হজ করতে যাওয়া বিদেশিদের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা স্পষ্ট হওয়া যায়নি। ইরান দেশের ভেতর মানুষের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে; তেহরান ও অন্যান্য শহরে এমনকি জুমার নামাজ পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। চীনের মূল ভূখ- থেকে আসা সব বিদেশির দেশে ঢোকায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ইতালিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং দেশটির ১১টি শহরকে ‘কোয়ারেন্টাইন’ করে রাখা হয়েছে। গ্রিস তাদের কার্নিভাল সংক্রান্ত সব কার্যক্রম বাতিল করেছে।
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি রোগমুক্তি শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয়েছে ২ হাজার ৮৩২ জনকে। এ নিয়ে চীনে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৩৬ হাজার ২১০ জন। এছাড়া চীনে মারাত্মক আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও কমেছে। এখন এ সংখ্যা আরো ৩৭৪ জন কমে ৮ হাজার ৭৫২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া চীন সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যাও জানিয়েছে। সারাদেশে নতুন করে ৪৩৯ জনকে সন্দেহভাজন আক্রান্ত তালিকায় রাখা হয়েছে। এ নিয়ে এখন ২ হাজার ৪৯১ জন সন্দেহভাজন তালিকায় রয়েছে। সন্দেহভাজনদের বাইরে ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৪০৬ জন ভাইরাসটির সংস্পর্শে আসে বলে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত নজরদারিতে রাখা হয়েছে ৭৯ হাজার ১০৮ জনকে এবং নজরদারির পর ভাইরাসমুক্ত বলে ছেড়ে দেয়া হয়েছে ১৪ হাজার ৫৭৩ জনকে।
দেখা যাচ্ছে ভাইরাসটি খুব দ্রুত এশিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। অথচ ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। বিশ্বজুড়ে ব্যাপক কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা থাকার পরও দিন দিন দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়ছে ভাইরাসটি।
করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশও। তবে এ রোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ ও কর্মপরিকল্পনা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কাউকে পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ১৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়াও আরো ১০ জনকে নিয়োজিত করা হয়েছে। তাছাড়া একজন নার্স ও একজন চিকিৎসককে এ কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে।
দেশের বাইরে থেকে আসা প্রত্যেক রোগী থার্মাল ক্যামেরা স্ক্যানার ছাড়া প্রবেশ করতে পারছেন না। এ স্ক্যানারে যাত্রীর শরীরের তাপমাত্রা ৯৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে স্ক্রিনে লাল দেখাবে। তখন ওই যাত্রীকে স্ক্রিনিং করা হয়। তাছাড়া যেসব দেশে রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে, বিশেষ করে চীন, থাইল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, হংকং, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকা থেকে আগত যাত্রীদের স্ক্রিনিং না করে বিমানবন্দর থেকে বের হতে দেয়া হচ্ছে না।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশ ঝুঁকিমুক্ত নয়। তবে মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থল, নৌ ও বিমান বন্দরসমূহে ইমিগ্রেশন ও আইএইচআর স্বাস্থ্য ডেস্কসমূহে সতর্কতা এবং রোগের সার্ভিলেন্স জোরদার করা হয়েছে। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন প্রবেশপথসমূহে নতুন করোনা ভাইরাস স্ক্রিনিং কার্যক্রম চালু হয়েছে। নতুন ভাইরাস সম্পর্কে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ভাইরাস সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য রোগ প্রতিরোধ সংক্রান্ত প্রচার কার্যক্রমও গ্রহণ করা হয়েছে।
রাজধানীর উত্তরায় কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য পূর্ণাঙ্গভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে ২০০ বেডের এই হাসপাতালটির আউটডোর ও ইনডোর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ হাসপাতালে আইসিইউ ও ডায়ালাইসিস ইউনিট চালু করা হয়েছে। এ হাসপাতালে শুধু করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেয়া হবে। এছাড়া সারাদেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সব হাসপাতালকে প্রস্তুত রাখা আছে। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে খোলা হয়েছে আইসোলেশন ইউনিট। ঢাকার বাইরে কোথাও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেলে সেখানে জরুরি সেবা দিয়ে ঢাকায় কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে আসা হবে। আর যেখানে রোগী পাওয়া যাবে সেসব এলাকা কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হবে।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে শীর্ষ ২০ জন চিকিৎসকের সমন্বয়ে একটি জরুরি বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উল্লিখিত প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবহিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আন্তঃমন্ত্রণালয়ের একটি কমিটি করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবার বিষয়ে সার্বিক মনিটরিং করবে। তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সার্বিক বিষয়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকেও অবহিত করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস মোকাবিলার বিষয়টি সর্বোচ্চ ইমার্জেন্সি ধরে ৩ ধাপের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রথমে অ্যালার্ট, দ্বিতীয় হাই অ্যালার্ট এবং তৃতীয় রেড অ্যালার্ট।
এদিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের ৭টি প্রবেশপথে ডিজিটাল থার্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে আক্রান্ত দেশ থেকে আগত রোগীদের স্পর্শ না করে জ্বর পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। নতুন করে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালকে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর জন্য রেফারেল হাসপাতাল হিসেবে এই ২টিকে নির্দিষ্ট করে রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ রোগপ্রতিরোধী পোশাক মজুত রাখা হয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতরে আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত শনাক্তকরণের জন্য ক্রুদের মাধ্যমে যাত্রীদের মধ্যে হেলথ ডিক্লারেশন ফরম ও প্যাসেঞ্জার লোকেটর ফরম বিতরণ করা হচ্ছে। কোয়ারেন্টাইন এবং রোগীর স্ক্রিনিং ব্যবস্থা জোরদারসহ চীন ও আক্রান্ত দেশগুলো থেকে আগত যাত্রীদের হেলথ ফরম দেয়া হচ্ছে।
তাছাড়া জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা বিষয়ক সহায়তার জন্য ৪টি হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এসব নম্বর হচ্ছে ০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪ ও ০১৯২৭৭১১৭৮৫।
হটলাইন নম্বরগুলোতে অনেকেই যোগাযোগ করছেন বলে জানিয়েছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেবরিনা ফ্লোরা।
তিনি জানান, করোনা ভাইরাসে কোনো মানুষ আক্রান্ত কি না সেটা টেস্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় রি-এজেন্ট সরবরাহ করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। সবাইকে বলা হচ্ছে ১৪ দিন পর্যন্ত নিয়মিত চেকিং এ থাকুন। এ রোগের প্রকোপ ১৪ দিন পর্যন্ত থাকে।