প্রতিবেদন

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ যুগ যুগ ধরে বিশ্ববাসীকে উজ্জীবিত করবে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৭ই মার্চ ১৯৭১। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গণমানুষের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯ মিনিটের একটি অভূতপূর্ব ভাষণ দেন। সেই ভাষণে উদ্দীপ্ত হয়ে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ দেখতে শুরু করেছিলেন স্বাধীন একটি দেশের স্বপ্ন। ৯ মাসের যুদ্ধ শেষে জাতি সত্যি সত্যি ছিনিয়ে এনেছিল স্বাধীনতা। বিশ্বের মানচিত্রে জন্ম নিয়েছিল নতুন একটি দেশ, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
এরপর কেটে গেছে ৪৬ বছর। আসে ২০১৭-এর ৩০ অক্টোবর। নানাবিধ পর্যালোচনা ও বিবেচনার পর ৭ই মার্চ ১৯৭১-এর বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো। এমওডব্লিউ-তে এটাই প্রথম কোনো বাংলাদেশি দলিল, যা আনুষ্ঠানিক ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হলো। ‘মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে’ (এমওডব্লিউ) তালিকাভুক্ত করার পর তৃতীয়বারের মতো ৭ই মার্চ এসেছে বাঙালি জাতির সামনে।
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ উল্লেখ করে বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র এবং মানবসভ্যতার অমূল্য দলিল। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ যুগ যুগ ধরে বিশ্ববাসীকে উজ্জীবিত করবে। এই ভাষণ শুধু বাংলাদেশি মুক্তিকামী মানুষ না, সারা বিশ্বের মুক্তিকামী জনগণের প্রেরণা হিসেবে যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে। আর যারা ৭ই মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিল তারা ধীরে ধীরে আঁস্তাকুড়ে চলে যাবে, নিঃশেষ হয়ে যাবে। বেঁচে থাকবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশের মানুষকে যারা ভালোবাসবে। যুগ যুগ ধরে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ শুধু দেশের মানুষকেই নয়, বিশ্বের সকল নিপীড়িত-শোষিত-বঞ্চিত মানুষকে প্রেরণা দিয়ে যাচ্ছে, আগামীতেও দিয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণের আবেদনকে চিরন্তন আখ্যায়িত করে বলেন, এটি সমসাময়িক কালেও যেমন আগামীতেও তেমনি, যুগ যুগ ধরে দেশের মানুষের পাশাপাশি বিশ্ববাসীকে মুক্তির চেতনায় উজ্জীবিত করবে। ৪৯ বছর ধরে জাতির পিতার ভাষণই একমাত্র ভাষণ, যেটা সমগ্র বিশ্বে এখনও আবেদন রেখে যাচ্ছে। আর এই ভাষণ শুধু এদেশেরই নয়, সারা বিশ্বের মানুষকে উজ্জীবিত করবে।
৭ মার্চের ভাষণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, এই ভাষণ যে কতবার, কত দিন, কত ঘণ্টা, কত মিনিট বেজেছে, কত মানুষ এই ভাষণ শুনেছে তা কেউ হিসাব করে বের করতে পারবে না।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় মুজিববর্ষে দেশে আর কেউ গৃহহীন থাকবে না মর্মে তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, মুজিববর্ষে বাংলাদেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে, এটা হতে পারে না।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জাতির পিতার আদর্শের সৈনিক হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটি নেতাকর্মীরও দেশের ও জাতির জন্য একটা দায়িত্ব আছে। সেটা যদি করতে পারেন তবে তা-ই হবে সার্থকতা। ধরে নিন, এটাই আপনাদের কাছে আমার একটা দাবি। আপনারা ঘর করে দেবেন, প্রয়োজনে টাকা আমি দেব।
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণা। ৭ই মার্চের ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না।’ প্রকৃত অর্থে বাঙালি জাতিকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারেনি, পারবেও না। যুগের পর যুগ বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ পুরো জাতিকে এখনও নতুন করে অনুপ্রেরণা যুগিয়ে যাচ্ছে, প্রজন্মের পর প্রজন্মকে দেশপ্রেম, ত্যাগ ও আদর্শের মহিমায় উজ্জীবিত করে যাবে। পৃথিবীর অনেক শ্রেষ্ঠ ভাষণ আছে, কিন্তু ৪৯ বছর ধরে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের মতো আর কোনো ভাষণ এতবার বাজেনি। তাই বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ, এটি এখন প্রমাণিত সত্য।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে তাঁরই জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যার পর দীর্ঘ ২১টি বছর এই ভাষণ বাজানো নিষিদ্ধ ছিল। যেহেতু পাকিস্তানি হানাদারদের এই ভাষণটি পছন্দ নয়, সেজন্য ক্ষমতা দখল করে এই ভাষণটি বাজানো নিষিদ্ধ করেছিল ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমানরা। পরবর্তী সামরিক স্বৈরাচারও একই পথ অনুসরণ করে, রণাঙ্গনের স্লোগান জয় বাংলাকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু সত্যকে কখনও অস্বীকার করে মুছে ফেলা যায় না। সম্প্রতি দেশের সর্বোচ্চ আদালত ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণের প্রতিটি লাইন, প্রতিটি শব্দ একেকটি কোটেশন হয়। ভাষণের প্রতিটি লাইন, শব্দ বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমগ্র বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের অনুপ্রেরণা জোগাতে বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি আজীবন টিকে থাকবে। ৪৯ বছর হয়ে গেল, বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের আবেদন এখনও এতটুকুও কমে যায়নি।
বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের পা-ুলিপিগুলো আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে পড়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বইগুলো পড়লেই বুঝতে পারবেন একটি দেশের স্বাধীনতার জন্য জাতির পিতা কত ত্যাগ স্বীকার করেছেন, কত কষ্ট করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর এই একটি মাত্র ভাষণের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে চলতে পারছি, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই আমরা পেয়েছি একটি ভাষাভিত্তিক স্বাধীন দেশ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক বড় বড় নেতা অনেক শ্রেষ্ঠ ভাষণ দিয়েছেন। গত আড়াই হাজার বছরের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ভাষণগুলো নিয়ে গবেষণা হয়েছে। গবেষণার পর যে শ্রেষ্ঠ ভাষণগুলো স্থান পেয়েছে তাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণটি। সে কারণে জাতিসংঘের অন্যতম সংস্থা ইউনেস্কো ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, সারা বিশ্বে ৭ই মার্চের ভাষণটি এখনও সবাইকে অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছে, ভাষণটির আবেদন এখনও এতটুকু কমেনি। বিশ্বের বড় বড় নেতাদের ভাষণগুলো একবার বেজেই থেমে গেছে, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি যুগ যুগ ধরে বেজেই যাচ্ছে, দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করে যাচ্ছে। বিশ্বের অনেক শ্রেষ্ঠ ভাষণ আছে, সেগুলো ছিল লিখিত। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি ছিল সম্পূর্ণ অলিখিত, কোনো নোট পর্যন্ত ছিল না। বঙ্গবন্ধু যা বিশ্বাস করতেন, সেই মনের কথাটিই বলে গেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ ও ’৭৫-এর খুনি ও স্বাধীনতাবিরোধীরা দীর্ঘ ২১টি বছর এই ভাষণটি বাজানো নিষিদ্ধ করেছিল। বঙ্গবন্ধুর ছবি নিষিদ্ধ করেছিল। যে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বাঙালি জাতি স্বাধীনতার জন্য পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে অকাতরে জীবন দিয়ে গেছে, সেই স্লোগানটিও নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। ভাষণটি বাজাতে গিয়ে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীকে জীবন পর্যন্ত দিতে হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রদানের আগ মুহূর্তে পিতার পাশে থাকার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ভাষণটি দেয়ার আগে অনেক বুদ্ধিজীবী, চিন্তাবিদ, রাজনৈতিক নেতা এমনকি ছাত্রলীগের নেতারাও বঙ্গবন্ধুর কাছে অনেক নোট দিয়ে বলেছিলেন, এসব বলতে হবে। কাগজের যেন বস্তা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যখন বঙ্গবন্ধু ভাষণ দিতে যাবেন, ঠিক তখন আমার মা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বাবাকে দোতলায় ডেকে নিয়ে পাশে বসেন। তখন আমিও বাবার মাথার কাছে বসে মাথা বুলিয়ে দিচ্ছিলাম। তখন মা বঙ্গবন্ধুকে বলেন, ‘অনেকে অনেক কথা বলবে। ময়দানে লাল লাখ মানুষ তোমার মুখের দিকে চেয়ে বসে আছে। তুমি দেশের মানুষের জন্য আজীবন লড়াই-সংগ্রাম করেছ। তাই তাদের জন্য কী করতে হবে তা তোমার চেয়ে কেউ বেশি বুঝবে না। তাই তোমার মনে যা আসবে সেটিই বলবে।’ বঙ্গবন্ধু তা-ই করেছিলেন। কোনো নোট বা লিখিত কাগজ ছাড়াই বঙ্গবন্ধুর মনে যা ছিল সেটিই ভাষণে বলেছিলেন।
বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, স্বাধীনতার প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু কী করেছেন, তা ওই সময় পাকিস্তানি গোয়েন্দা বাহিনীর রিপোর্টেই স্পষ্ট উল্লেখ আছে। ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত সময়ে গোয়েন্দা সংস্থার ওই রিপোর্টগুলো সংগ্রহ করে আমরা বই আকারে বের করেছি। ইতোমধ্যে বইয়ের তৃতীয় খ- বেরিয়েছে, চতুর্থ খ-ের কাজ চলছে। সমস্ত রিপোর্ট নিয়ে ১৪ খ-ের বই বের করা হবে। এই রিপোর্টগুলো পড়লেই সবাই জানতে পারবেন একটি স্বাধীন জাতি ও স্বাধীন দেশের জন্মের ইতিহাস।
বঙ্গবন্ধুর ডাকে অসহযোগ আন্দোলনও বিশ্বের ইতিহাসে বিরল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে অসহযোগ আন্দোলন হয়েছে, পরে বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ডাকা অসহযোগ আন্দোলন থেকেই একটি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর মতো অসহযোগ আন্দোলন বিশ্বের আর কোনো নেতাই করতে পারেননি। অসহযোগ আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আলোচনার জন্য বাংলাদেশে এসেছিলেন। কিন্তু অসহযোগ আন্দোলন থাকায় গণভবনের বাঙালি বাবুর্চিরা রান্না করতে পর্যন্ত অস্বীকার করে। ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুকে ফোন করে তখন বলা হয়েছিল, ‘একটু অনুমতি দেন, নইলে রাষ্ট্রপতি একটু গরম ভাতও খেতে পারবেন না।’ এমন অসহযোগের ঘটনা বিশ্বে শুধু বিরলই নয়, একটি অনন্য ইতিহাসও।
আজ থেকে ৪৮ বছর আগের কথা। পরাধীনতার দীর্ঘ প্রহর শেষে জাতি তখন স্বাধীনতার জন্য অধীর অপেক্ষায়। শুধু প্রয়োজন একটি ঘোষণার, একটি আহ্বানের। অবশেষে ৭ই মার্চে এলো সেই ঘোষণা। অগ্নিঝরা একাত্তরের এইদিনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা নামক মহতী কাব্যের স্রষ্টা কবি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বজ্রগম্ভীর কণ্ঠ থেকে ধ্বনিত হয়েছিল স্বাধীনতার ঘোষণা। বঙ্গবন্ধু শুধু স্বাধীনতার চূড়ান্ত আহ্বানটি দিয়েই ক্ষান্ত হননি, স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের রূপরেখাও দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর এ ঘোষণা মুক্তিকামী মানুষের কাছে লাল-সবুজ পতাকাকে মূর্তিমান করে তোলে। আর এই মাধ্যমে বাঙালির ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা হয়। শুধু স্বাধীনতাযুদ্ধে নয়, বঙ্গবন্ধুর সেই বজ্রনির্ঘোষ ভাষণ আজও বাঙালি জাতিকে উদ্দীপ্ত করে, অনুপ্রাণিত করে। মূলত রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণই ছিল ৯ মাসব্যাপী বাংলার মুক্তি সংগ্রাম তথা স্বাধীনতার মূল ভিত্তি।
মূলত বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল। আর এর ফলেই অর্জিত হয় এদেশের স্বাধীনতা।