ফিচার

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয়

স্বদেশ খবর ডেস্ক
করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট কভিড-১৯ রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে আরও দ্রুত ও ভয়ঙ্কররূপে ভাইরাসটি বিস্তার লাভ করবে। এই বিস্তার ঠেকাতে প্রয়োজন যথাযথ সচেতনতা।

সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয়
ষ কিছুদিনের জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। অপ্রয়োজনীয় জনসমাবেশ বা গণপরিবহন এড়িয়ে চলুন।
ষ বাইরে থেকে ফিরে ও বাইরে যাওয়ার আগে, হাঁচি-কাশি দেয়ার পর, হ্যান্ডশেক করার পর, কোনো প্লাস্টিক বা ধাতবদ্রব্য কিংবা বহু মানুষের স্পর্শ লাগে, এমন কোনো কিছু (লিফট, সুইচ, দরজার হ্যান্ডেল ইত্যাদি) ধরার পর ভালো করে সাবান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, অথবা ৭০ শতাংশ বা এর বেশি অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ডরাব ব্যবহার করে অন্তত ৩০ সেকেন্ড ধরে হাত ও মুখ ভালো করে পরিষ্কার করবেন।
ষ বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হলে সব সময় সার্জিক্যাল ফেস মাস্ক বা পিএম ২.৫ মাস্ক ব্যবহার করুন। সর্দি, কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট প্রভৃতি অসুস্থতা অনুভব করলে বাড়িতে অবস্থানকালেও এসব মাস্ক পরিধান করুন।
ষ হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় টিস্যু পেপার বা রুমাল ব্যবহার করুন। তাৎক্ষণিক টিস্যু পেপার বা রুমাল না থাকলে হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় হাতের তালু ব্যবহার না করে হাতের কনুই ব্যবহার করুন। রুমাল বা টিস্যু পেপার পরে ঢাকনাযুক্ত ময়লার পাত্রে ফেলে দিন।
ষ দেশের ভেতরে বা দেশের বাইরে কোনো ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে তা আপাতত স্থগিত করুন। অনিবার্য কারণে ভ্রমণ পরিত্যাগ সম্ভব না হলে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করুন।
ষ বয়স্ক কিংবা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন এমন ব্যক্তির অতিরিক্ত যতœ নিন ও তাদের যথাযথ খেয়াল রাখুন।
ষ নিয়মিত ভিটামিন-সি, জিঙ্ক সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন। কোনো ধরনের স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত জটিলতায় চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন এবং তা মেনে চলুন।

সংক্রমণ প্রতিরোধে কী করা উচিত নয়
ষ যেখানে-সেখানে কফ-থুতু ফেলবেন না।
ষ অযথা অপ্রয়োজনে বাইরে ঘোরাঘুরি করবেন না।
ষ সরাসরি কারও মুখের ওপর হাঁচি-কাশি দেবেন না।
ষ ব্যবহারকৃত মাস্ক, টিস্যু পেপার, রুমাল যেখানে-সেখানে ফেলে রাখবেন না।
ষ কোন ধরনের গুজবে কান দেবেন না এবং অযথা আতঙ্কিত হবেন না।
ষ ঠা-া লেগেছে বা জ্বরের লক্ষণ আছে এমন কারও সংস্পর্শে যাবেন না।
ষ অযথা হাত দিয়ে মুখ, নাক, চোখ স্পর্শ করবেন না।