Uncategorized

মাথার ঘামে চুলের ক্ষতি

ঘাম থেকে যে টক্সিন নির্গত হয়, তা চুলের জন্য ক্ষতিকর। ঘামের মধ্যে লবণ উপাদান থাকে। লবণ চুলের আর্দ্রতা শুষে নেয়। চুল শুষ্ক হয়ে পড়ে। ফলে চুল ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ঘাম চুলের কালার মলিকিউল বা রঞ্জক পদার্থ নষ্ট করে, তাই চুল সহজেই পেকে যেতে থাকে।
ঘাম জমলে মাথার ত্বকের ক্ষতি হয়,
চুলের বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে। এ সময়
চুলের যতেœ কী করবেন, স্বদেশ খবর পাঠকদের জন্য জানালেন হেয়ার এক্সপার্ট শোভন সাহা।

হাইলাইটস
গরম পড়লেই চুল ওঠার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। যাদের এ রকম সমস্যা আছে, তারা মাথার ত্বকে ঘাম জমতে দেবেন না। যতটা সম্ভব চুল পরিষ্কার রাখবেন। গ্রীষ্মকালে আর্দ্রতার কারণে মাথার তালু ঘেমে যায়। শ্যাম্পু করার পরও চ্যাটচ্যাট করতে থাকে। তাই গরমের সময় মাথা যাতে না ঘামে সেদিকে খেয়াল রাখুন। আর ঘাম হলেও দ্রুত চুল শুকিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করুন।

তেল ম্যাসাজ
গরমকালে চুল পড়ার প্রধান কারণ চুলের গোড়া আলগা হয়ে যাওয়া। তাই প্রত্যেকদিন চুলে নিয়ম করে তেল ম্যাসাজ করা জরুরি। পারলে তেল হালকা গরম করে নিয়ে তারপর ম্যাসাজ করুন। তাতে চুলের গোড়া শক্ত হবে। কম চুল পড়বে।

প্রাকৃতিক উপাদান
চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিলে ব্যবহার
করতে পারেন নারিকেলের দুধ। মসুর ডালের পেস্টও মাথার তালুতে ব্যবহার করতে পারেন। আমলার তেলও চুল পড়া কমাতে কার্যকর।
স্কাল্পের যতœ
ঘাম ও ধুলোবালিতে স্কাল্পে নোংরা জমে, খুশকির সমস্যাও দেখা দেয়। ফলে, চুল পড়ার সমস্যা তৈরি হয়। চুল পড়া রুখতে ব্যবহার করুন প্রাকৃতিক উপাদান। অ্যালোভেরা চুলের জন্য খুবই উপকারী।

খাওয়া-দাওয়া
চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য খাবারের তালিকায় রাখতে হবে উপযুক্ত প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও মিনারেলস। গরমে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করা দরকার। নয়তো ডি-হাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রচুর পানি খেলে শরীর সুস্থ থাকে। চুলের সু-স্বাস্থ্যও বজায় থাকে।
চুল পড়া কমাতে প্রত্যেকদিন চুলের যতœ নিতে হবে। প্রত্যেকদিন শ্যাম্পু না করে পানি দিয়ে চুল ধুতে পারেন। কোনো প্রোডাক্ট ব্যবহারে যদি বেশি চুল পড়ে তবে দেরি না করে পাল্টে ফেলুন প্রোডাক্টটি।