কলাম

নেতা থেকে প্রশাসক শেখ মুজিবুর রহমান

সফিউদ্দীন আহমেদ দিপু
১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজার প্রাঙ্গণে এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব বাংলার নামকরণ করেন ‘বাংলাদেশ’। তিনি বলেন, ‘একসময় এদেশের বুক হইতে, মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে ‘বাংলা’ কথাটির সর্বশেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইয়াছে।… একমাত্র ‘বঙ্গোপসাগর’ ছাড়া আর কোনো কিছুর নামের সঙ্গে ‘বাংলা’ কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় নাই।… জনগণের পক্ষ হইতে আমি ঘোষণা করিতেছি, আজ হইতে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির নাম পূর্ব পাকিস্তানের পরিবর্তে শুধুমাত্র ‘বাংলাদেশ’।
একটি স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখণ্ডের স্বপ্ন এ অঞ্চলে বসবাসকারী অনেকে দেখেছেন বহুদিন। অতীতে অনেকেই সে স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে চেয়েছেন। গত শতকের গত ৪০ বছরেও অনেকে সে-ভূখণ্ডের কথা বলেছেন, ভারত ভাগ হওয়ার সময় সে-পরিকল্পনাও হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই স্বপ্নের রূপ পায় শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে। তিনিই পেরেছিলেন বাঙালিদের জন্য নির্মাণ করে দিতে একটি ভৌগোলিক রাষ্ট্রের সীমানা।
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তদানিন্তন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা’। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের মাধ্যমে স্বাধীন দেশের বীজ রোপিত হয়। ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে বিপ্লবী সরকার গঠিত হয়। সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের পরিচালনায় মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জিত হয়। ২৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জাতির জনক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদানের দাবি জানানো হয়।
১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক চাপে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে মুক্তি দেয়। সেদিনই বঙ্গবন্ধু লন্ডন যান। ৯ জানুয়ারি লন্ডনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হীথের সাথে সাক্ষাৎ হয়। লন্ডন থেকে ঢাকা আসার পথে বঙ্গবন্ধু দিল্লিতে যাত্রা বিরতি করেন। বিমানবন্দরে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি. ভি. গিরি ও প্রধানমন্ত্রী মিসেস ইন্দিরা গান্ধী বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানান।
পাকিস্তানের বন্দিশালা থেকে ফিরে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘আমি বাঙালি, আমি মানুষ, আমি মুসলমান।’ বাংলাদেশ, বাঙালি ও তার সংস্কৃতি ছিল বঙ্গবন্ধুর চেতনাজুড়ে। ১২ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশ গঠনে নেতা থেকে প্রশাসক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর নতুন সংগ্রাম শুরু হয়।
বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের সংবিধানে বাঙালি জাতীয়তাবাদকে সংবিধানের মূল স্তম্ভের একটি হিসেবে লিপিবদ্ধ করেন। বঙ্গবন্ধুর জাতীয়তাবাদী ভাবনার যে রূপ পাওয়া যায়, তার পুরোটাই ছিল আদি ও অকৃত্রিম বাঙালি সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। বাংলার ভাষা, জীবনযাপন সব কিছুকেই তিনি ধারণ করতে চেয়েছিলেন বাঙালি জাতীয়তাবাদের মধ্যে।
সফল কূটনীতির ফলে ১২ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অনুরোধে ভারতীয় মিত্র বাহিনী বাংলাদেশ ত্যাগ করে। ৪ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের তারিখ (৭ মার্চ ১৯৭৩) ঘোষণা করেন। ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদানের কথা ঘোষণা করেন। ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে বঙ্গবন্ধু স্বাক্ষর করেন। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব দেশকে একটি শাসনতন্ত্র প্রদান। আর কোনো দেশে এ-রকম একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এত দ্রুত একটি শাসনতন্ত্র প্রদান সম্ভব হয়েছে বলে জানা যায় না। এ শাসনতন্ত্রে রাষ্ট্রের ৪টি মূলনীতি ঘোষণা করা হয়। শাসনতন্ত্রের মূলনীতিসমূহ হলোÑ গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ। মূলত মুক্তিযুদ্ধ যে ক’টি কারণে হয়েছিল শাসনতন্ত্রের মূলনীতিতে তাই বিধৃত হয়Ñ বিশেষ করে ধর্মনিরপেক্ষতা। যে কারণে প্রতিক্রিয়াশীলরা প্রথমেই মূলনীতিসমূহ, বিশেষ করে ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর আঘাত হেনেছিলেন। এছাড়া শাসনতন্ত্রে বিধৃত হয়েছিল একজন মানুষের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকারসমূহ, রাষ্ট্রের দর্শন। বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল অসাম্প্রদায়িক সিভিল সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য। আর ১৯৭২ সালের শাসনতন্ত্রে বিধৃত হয়েছিল সিভিল সমাজের প্রতিষ্ঠানসমূহ। এক কথায় এই শাসনতন্ত্র বাংলাদেশে সিভিল সমাজের ভিত্তি দৃঢ়ভাবে পত্তন করতে চেয়েছিল।’
একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে অর্থনৈতিক অবকাঠামো তৈরি করে দেশকে ধীরে ধীরে একটি সমৃদ্ধিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করার প্রয়াস চালাতে থাকেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। অতি অল্প সময়ে প্রায় সব রাষ্ট্রের স্বীকৃতি আদায় ও জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ ছিল বঙ্গবন্ধু সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য।
১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগের ২৯৩ আসন লাভ।
১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্র“য়ারি
পাকিস্তান স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশকে। ২৩ ফেব্র“য়ারি ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) এর শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান সফর করেন। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন।
১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করে বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ২৪ ফেব্র“য়ারি দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে জাতীয় দল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী
লীগ গঠন করেন। ২৫ ফেব্র“য়ারি এই জাতীয় দলে যোগদানের জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দল ও নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বিদেশি সাহায্যের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বাঙালি জাতিকে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। তাই স্বাবলম্বিতা অর্জনের লক্ষ্যে অর্থনৈতিক নীতিমালাকে নতুনভাবে ঢেলে সাজান। স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে মানুষের আহার, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও কাজের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি ঘোষণা দেন যার লক্ষ্য ছিলÑদুর্নীতি দমন; ক্ষেতে খামারে ও কলকারখানায় উৎপাদন বৃদ্ধি; জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা। এই লক্ষ্যে ৬ জুন বঙ্গবন্ধু সকল রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী মহলকে ঐক্যবদ্ধ করে এক মঞ্চ তৈরি করেন, যার নাম দেন বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধু এই দলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে অভূতপূর্ব সাড়া পান। অল্প সময়ের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হতে শুরু করে। উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। চোরাকারবারি বন্ধ হয়। দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার আওতায় চলে আসে। নতুন আশার উদ্দীপনা নিয়ে স্বাধীনতার সুফল মানুষের ঘরে পৌঁছিয়ে দেবার জন্য দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে অগ্রসর হতে শুরু করে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সব ধরনের বৈদেশিক নীতি নিজেই নির্ধারণ করে দিতেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সবগুলো মন্ত্রণালয় প্রয়োজন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত ও নির্দেশিত কার্যাবলি বাস্তবায়নে কাজ করত। যাঁর প্রমাণ সে সময়ের পত্রিকা থেকে পাওয়া যায়। বাসসের খবরে প্রকাশ, ‘বাংলাদেশের
বাস্তবতাকে নিক্সন স্বীকার করুন আর নাইবা করুন, বাংলাদেশ টিকে থাকার জন্যই এসেছে এবং চিরদিন তা টিকে থাকবে। বিশ্ব বাংলাদেশকে এরমধ্যেই স্বীকার করে নিয়েছে। বিশ্বের কোনও শক্তি আর বাংলাদেশের বাস্তবতাকে নস্যাৎ করতে পারবে না।’ ১০ মার্চ মার্কিন একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলাপকালে বঙ্গবন্ধু এই অভিমত ব্যক্ত করেন। ৭০ সদস্য বিশিষ্ট মার্কিন প্রতিনিধি দলটি সেসময়ে বাংলাদেশ সফর করছিল। তারা ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নকে স্বীকৃতি দিয়েছে ২০ বছর পর, চীনকে দীর্ঘ ২৩ বছর পর। কিন্তু নিক্সনকে পিকিং যেতেই হয়েছে।’
বাংলাদেশে বসবাসকারী বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে যে বহুমুখী ঐতিহ্যবাহী আচার-আচরণ ও সংস্কৃতি রয়েছে, তার প্রতি প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে নিগ্রোদের ব্যাপারে আপনারা যা করেছেন, এদেশে আমি কখনও তা করবো না। জাতি, ধর্ম ও সামাজিক প্রথা নির্বিশেষে বাংলাদেশের প্রতিটি অধিবাসী এদেশে সমান অধিকার ভোগ করবে।’
ধর্মনিরপেক্ষতা আমাদের ঘোষিত নীতি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে দেখে আপনাদের খুশি হওয়া উচিত। কেননা, যে পাকিস্তানের সঙ্গে আপনাদের নিক্সন সরকারের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, সেই পাকিস্তানের চেয়েও বাংলাদেশ এখন অনেক বেশি সুখী, স্থিতিশীল ও স্বাভাবিক।
গভীর আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘মাত্র তিন মাস সময়ের মধ্যে আমার সরকার গ্রাম পর্যায়ে প্রশাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। নতুন জাতিকে গড়ে তোলার কাজ সর্বত্রই চলছে অবিরাম গতিতে।’ তিনি বলেন, ‘দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আরও ট্রাক ফেরি-লঞ্চ দরকার।’ তিনি সুনির্দিষ্ট করে বলেন, ‘পাকিস্তান হেলিকপ্টার ও অন্যান্য যানবাহনসহ আমাদের সম্পদ নিয়ে গেছে। নিয়ে গেছে বৈদেশিক মুদ্রা, বিমান ইত্যাদি। যা তারা নিয়ে যেতে পারেনি, তা এখানে ধ্বংস করে রেখে গেছে। তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে যোগাযোগ ব্যবস্থার।’
তিনি তার সাম্প্রতিক সোভিয়েত ইউনিয়ন সফরের উল্লেখ করে বলেন, ‘তারা আমাদের চারটি হেলিকপ্টার দিয়েছে। এগুলো দিয়ে বিভিন্ন স্থানে আমরা খাদ্যশস্য পাঠাতে পারবো। ভারত সরকার বাংলাদেশের জনগণকে মুক্ত হস্তে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এসেছে।’
বিদেশে বাংলাদেশের যেসব ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, বিজ্ঞানী ও দক্ষ শ্রমিক রয়েছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে কিনা, এমন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চেষ্টা করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। যে যেখানে থাকুক বাংলাদেশের নাগরিকদের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে জাতির সেবা করা। যুদ্ধবিধ্বস্ত জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করার জন্য দেশে ফিরে আসা তাদের কর্তব্য। তাদের জন্য এদেশের দ্বার চিরদিন উন্মুক্ত।’
লেখক : সাংগঠনিক সম্পাদক,
রমনা-হাতিরঝিল থানা আওয়ামী লীগ, ঢাকা