প্রতিবেদন

১ আগস্ট বাংলাদেশে ঈদুল আজহা পালিত হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী ১ আগস্ট বাংলাদেশে ঈদুল আজহা পালিত হবে। রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম।
এদিকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে গত ২০ জুলাই জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে হিসেবে আগামী ৩১ জুলাই সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট।
করোনার কারণে এবার জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে না। তবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এবার সেখানে পাঁচটির পরিবর্তে ছয়টি ঈদের জামাত হবে। গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছেÑপ্রথম জামাত সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন মুফতি মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৭.৫০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, তৃতীয় জামাত সকাল ৮.৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন মাওলানা এহসানুল হক। চতুর্থ জামাত সকাল ৯.৩৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেম। পঞ্চম জামাত সকাল ১০.৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন মাওলানা ওয়ালিয়ূর রহমান খান। ষষ্ঠ ও সর্বশেষ জামাত সকাল ১১.১০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রব মিয়া।
করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে উন্মুক্ত স্থানে বড় পরিসরের পরিবর্তে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোরবানির ঈদের নামাজের জামাত মসজিদে আদায়ের আহ্বান জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিদের বেশি কিছু নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হলো,
১. ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করতে হবে। প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামায়াতের ব্যবস্থা করতে হবে।
২. নামাজের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক স্প্রে করতে হবে। মুসল্লিদের নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে।
৩. মুসল্লিরা নিজ-নিজ বাসা-বাড়ি থেকে অজু করে মসজিদে আসবেন।
৪. মসজিদের গেট ও অজুখানায় সাবান পানি বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।
৫. মুসল্লিদের মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে। মসজিদের জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।
৬. ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ‘সামাজিক দূরত্ব’ ও ‘স্বাস্থ্যবিধি’ অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে। দুই কাতার পর পর এক কাতার খালি রাখতে হবে।
৭. শিশু, বৃদ্ধ, যেকোনো ধরনের অসুস্থ ব্যক্তি, রোগীর সেবা করছেন, এমন ব্যক্তি ঈদের জামাতে অংশ নেবেন না।
৮. জনসাধারণের সুরক্ষার জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
৯. জামাত শেষে কোলাকুলি বা হাত মেলানো যাবে না।
১০. খতিব, ইমাম, মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়গুলো
বাস্তবায়ন করতে হবে।
১১. পশু কোরবানির ক্ষেত্রে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মানতে হবে।