প্রতিবেদন

১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চালু হবে আরও ৮৪ ট্রেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ৮৪টি ট্রেন চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ নিয়ে দেশে ২১৮টি ট্রেন চলাচল করবে। এ ছাড়া আরও ১৪৪টি মেইল ও লোকাল ট্রেন পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। সম্প্রতি রেলওয়ের উপপরিচালক মো. খায়রুল কবির স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, প্রথম ধাপে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হবে চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, আখাউড়া-ঢাকা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ঢাকা-আখাউড়া রুটে তিতাস কমিউটার, ঢাকা-জয়দেবপুর-ঢাকা রুটে তুরাগ কমিউটার, কালিয়াকৈর কমিউটার, নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে লোকাল ট্রেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্বিতীয় ধাপে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে চলাচল শুরু করবে চট্টগ্রাম-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে জালালাবাদ এক্সপ্রেস, ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটে সুরমা মেইল, নোয়াখালী- ঢাকা- নোয়াখালী রুটে ঢাকা/ নোয়াখালী এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-চট্টগ্রাম রুটে ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস, ঢাকা- দেওয়ানগঞ্জ বাজার-ঢাকা রুটে ভাওয়াল এক্সপ্রেস, ময়মনসিংহ-বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-ময়মনসিংহ রুটে ধলেশ্বরী এক্সপ্রেস, চাঁদপুর-লাকসাম-চাঁদপুর রুটে চাঁদপুর কমিউটার, নোয়াখালী-লাকসাম-নোয়াখালী রুটে নোয়াখালী কমিউটার।
এতে আরও বলা হয়, তৃতীয় ধাপে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে যেসব ট্রেন চলবে সেগুলো হলো চট্টগ্রাম-নাজিরহাট-চট্টগ্রাম রুটে নাজিরহাট কমিউটার, চট্টগ্রাম-দোহাজারী-চট্টগ্রাম রুটে লোকাল ট্রেন, মোহনগঞ্জ-ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ রুটে লোকাল ট্রেন, ঝারিয়া ঝাঞ্জাইল-ময়মনসিংহ-ঝারিয়া ঝাঞ্জাইল রুটে লোকাল ট্রেন,
সান্তাহার-বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেশন-সান্তাহার রুটে উত্তরবঙ্গ মেইল, পার্বতীপুর-বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেশন পার্বতীপুর রুটে কাঞ্চন কমিউটার, লালমনিরহাট-বিরল-লালমনিরহাট রুটে দিনাজপুর কমিউটার, লালমনিরহাট-বুড়িমারী-লালমনিরহাট রুটে বুড়িমারী কমিউটার, কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম রুটে কুড়িগ্রাম মেইল, রাজবাড়ী-ভাঙ্গা-রাজবাড়ী রুটে রাজবাড়ী এক্সপ্রেস, রাজবাড়ী-ভাটিয়াপাড়া-রাজবাড়ী রুটে ভাটিয়াপাড়া এক্সপ্রেস।
এর আগে রেলওয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনের পাশাপাশি কাউন্টারেও টিকিট বিক্রি শুরু হবে। করোনা ভাইরাসের কারণে বর্তমানে প্রতিটি ট্রেনে মোট আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি হচ্ছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে এই ৫০ শতাংশ টিকিটের অর্ধেক অর্থাৎ মোট আসন সংখ্যা ২৫ শতাংশ আসন কাউন্টারের মাধ্যমে বিক্রি করা যাবে।
আর বাকি অর্ধেক ২৫ শতাংশ মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন ও মোবাইলে ইস্যু করা যাবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-পরিচালক (টিসি) মো. নাহিদ হাসান খাঁন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
টিকিট ইস্যুর উল্লেখিত সংশোধনীগুলো আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। এক্ষেত্রে টিকিট ইস্যু করার অন্যান্য নিয়ম অপরিবর্তিত থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কোনো স্টেশনের অনুকূলে কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণীতে বর্তমান নিয়মে বিক্রয়কৃত মোট আসনের ৫০ শতাংশ টিকিটের সংখ্যা ৬টির বেশি হলে কাউন্টার, অ্যাপ, অনলাইন ও মোবাইলের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে। টিকিটের সংখ্যা অনধিক ৬টি হলে তা শুধু অ্যাপ, অনলাইন ও মোবাইলের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি ট্রেনে মোট আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ টিকিট থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুকূলে সংরক্ষিত থাকা ২ শতাংশ আসন বাদ
দিয়ে হিসাব করতে হবে।
তাছাড়া, কাউন্টার ও অ্যাপ, অনলাইন ও মোবাইল কোটায় বিক্রি না হওয়া টিকিট যাত্রার ১২০ ঘণ্টা আগে যে কোনো মাধ্যম থেকে ইস্যু করা যাবে।
এদিকে, সকাল ৮টা থেকে কাউন্টারে মাধ্যমে এবং বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৬টা থেকে অ্যাপ, অনলাইন ও মোবাইলের মাধ্যমে টিকিট ইস্যু করা যাবে।